বাংলাদেশে নানা ধরনের দুর্যোগ ঘটে।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দুটি দুর্যোগ হলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়।
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে মূলত বন্যার প্রকোপ বেশি থাকে।
বন্যার ফলে মানুষের জীবন, ফসল, বাড়িঘর এবং রাস্তাঘাটের অনেক ক্ষতি হয়।
বন্যার কারণে বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রোগ ছড়ায়।
বন্যা হলে মাটিতে পলি জমা হয়, যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক কারণে বন্যা হয়।
অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যার একটি কারণ।
বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে বন্যা দেখা দেয়।
বন্যা সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
আমরা ধৈর্যের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা করব।
বাংলাদেশে ১৯৭০, ১৯৯১ এবং ২০০৭ সালে তিনটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল।
সাধারণত গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশে সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে বেশি ঘূর্ণিঝড় হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সমুদ্রে ৪৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে।
নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় কিছু সংকেত দেওয়া হয়।
মা বাবার সাথে মিলেমিশে কাজ করব।
সবসময় নিরাপদ স্থানে থাকব।
বাংলাদেশে আজকাল আগুন লাগার ঘটনা বেশি ঘটছে।
আগুন লাগার ফলে ঘরবাড়ির প্রচুর ক্ষতি হয় এবং মানুষের জীবন বিপদগ্রস্ত হয়।
গ্রামাঞ্চলে আগুন লাগলে শস্য পুড়ে যায় এবং এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মানুষের সৃষ্ট নানা কারণে আগুন লাগতে পারে।
রান্নার পরে চুলার আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে না দিলে আগুন লাগতে পারে।
আগুন লাগলে প্রথমে নিজেকে রক্ষা করতে হবে।
আগুনে শরীরের কোনো জায়গা পুড়ে গেলে সেখানে ১০ মিনিট ধরে পানি ঢালতে হবে।
Related Question
View Allবাংলাদেশে নানা ধরনের দুর্যোগ ঘটে।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দুটি দুর্যোগ হলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়।
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে মূলত বন্যার প্রকোপ বেশি থাকে।
বন্যার ফলে মানুষের জীবন, ফসল, বাড়িঘর এবং রাস্তাঘাটের অনেক ক্ষতি হয়।
বন্যার কারণে বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রোগ ছড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!