পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে বৈচিত্র্য রয়েছে।
উত্তর অঞ্চলের ভূমি কিছুটা উঁচু।
গ্রীষ্মকালে অনেক গরম পড়ে।
দক্ষিণ অঞ্চলের ভূমি বেশ নিচু।
কোনো এলাকায় গাছপালা বেশি থাকলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত হয়।
জলবায়ুর বিভিন্ন স্থানের জলবায়ুর মধ্যেও রয়েছে ভিন্নতা।
কোথাও জলবায়ু শীতল আবার কোথাও উষ্ণ।
পৃথিবীর কোনো স্থান শুষ্ক, কোথাও বৃষ্টির পরিমাণ বেশি।
বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশে ভিন্নতা রয়েছে।
উত্তর অঞ্চলের ভূমি উঁচু, নদ-নদীর সংখ্যা কম।
গ্রীষ্মকালে অনেক গরম পড়ে।
শীতকালে বেশ ঠান্ডা পড়ে।
নদীর কারণে দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যার প্রবণতা বেশি।
মানুষের সৃষ্ট উপাদান নিয়ে সামাজিক পরিবেশ গঠিত হয়।
একই সাথে সমাজের বিভিন্ন কাজ সামাজিক পরিবেশের অংশ।
আমাদের সামাজিক পরিবেশ প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল।
আমরা শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মোটা জামাকাপড় পরি।
শীতকালে এমনভাবে ঘরবাড়ি তৈরি করি যেন ঘর গরম থাকে।
শুষ্ক এলাকায় গাছ ও ফসল কম জন্মে।
যেসব এলাকায় জলাশয় ও নদ-নদী বেশি, সেসব এলাকায় মাছের চাষ বেশি হয়।
সামাজিক পরিবেশও প্রকৃতির ওপর প্রভাব ফেলে।
আমাদের পরিবেশ নিয়ে সচেতন হতে হবে।
মানুষ তার জীবনধারণের প্রয়োজনে প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে।
নদী ভরাট করে প্রকৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছে।
আমাদের বেশি করে গাছ লাগানো উচিত'।
প্রচুর গাছপালা থাকলে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকে।
বৃষ্টি মাটির জন্য উপকারী।
Related Question
View Allপৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে বৈচিত্র্য রয়েছে।
উত্তর অঞ্চলের ভূমি কিছুটা উঁচু।
গ্রীষ্মকালে অনেক গরম পড়ে।
দক্ষিণ অঞ্চলের ভূমি বেশ নিচু।
কোনো এলাকায় গাছপালা বেশি থাকলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!