বাংলাদেশের ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ।(শূন্যস্থান)
চাকমারা বেশির ভাগ বাস করেন রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে।
চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে।
চাকমাদের নিজেদের ভাষায় রচিত গান আছে।
চাকমাদের প্রতিটি গ্রামে একজন করে গ্রামপ্রধান থাকেন।
চাকমারা কাঠ ও বাঁশ দিয়ে মাচার মতো ঘর তৈরি করেন।
চাকমারা 'জুম' পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করে থাকেন।
বাংলা নববর্ষের সময়ে তিন দিন ধরে পালিত হয় 'বিজু' উৎসব।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী মারমা ।
মারমা নৃ-গোষ্ঠীর বেশির ভাগ বসবাস করেন বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এলাকায়।
মারমা নৃ-গোষ্ঠীর লোকেরা ভাতের সাথে নানা ধরনের সবজি সিদ্ধ করে খেতে পছন্দ করেন।
মারমারা 'জুম' পদ্ধতিতে চাষ করেন।
মারমারা আধুনিক চিকিৎসা ও ঔষধ ব্যবহার করে থাকেন।
বর্তমানে মারমা ছেলেমেয়েরা আধুনিক পোশাকই বেশি পরে।
প্রতি মাসে মারমারা পূর্ণিমার সময় লাবরে পালন করেন।
সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে।
সাঁওতালদের প্রধান পেশা কৃষি ।
সাঁওতালরা উৎসব প্রিয় ।
'হাড়িয়ার সিম' উৎসবে ফসলের জন্য বারোয়ারি ভোগ দেওয়া হয়।
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অধিকাংশ মণিপুরি বসবাস করেন।
মণিপুরিরা তিনটি জনগোষ্ঠীতে বিভক্ত।
মণিপুরিদের বাড়িঘর বাঁশ, কাঠ, ইট বা টিনের তৈরি।
মণিপুরিরা মূলত কৃষিজীবী ও তাঁতি ।
মণিপুরি মেয়েরা ঘাগড়া জাতীয় যে পোশাক পরেন তার নাম 'ফানেক' ।
মণিপুরি ছেলেরা ধুতি, পায়জামা ও পাঞ্জাবি পরেন।
মণিপুরিদের নানা ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব আছে।
মণিপুরিরা প্রায় সারা বছরই উৎসবে মেতে থাকেন।
মণিপুরিরা নাচ, গান, কীর্তন ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে আনন্দ করেন।
Related Question
View Allবাংলাদেশের ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ।(শূন্যস্থান)
চাকমারা বেশির ভাগ বাস করেন রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে।
চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে।
চাকমাদের নিজেদের ভাষায় রচিত গান আছে।
চাকমাদের প্রতিটি গ্রামে একজন করে গ্রামপ্রধান থাকেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!