যে সকল প্রাণী উদ্ভিদ থেকে পাওয়া জৈব পদার্থ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে বা অন্য কোনো প্রাণী খেয়ে জীবনধারণ করে তাদেরকে খাদক বলে।
পরিবেশে যেসব অণুজীব মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের উপর ক্রিয়া করে তাদেরকে বিয়োজক বলে। বিয়োজকের ক্রিয়ার ফলে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। ফলে মৃতদেহ ক্রমেই বিয়োজিত হয়ে নানা রকম জৈব ও অজৈব দ্রব্যাদিতে রূপান্তরিত হয়। ব্যাকটেরিয়া এমন এক ধরনের অণুজীব যেটি মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের উপর ক্রিয়া করে তাদের পচিয়ে ফেলে। এতে মৃতদেহ বিশ্লিষ্ট হয়ে বিভিন্ন দ্রব্যে রূপান্তরিত হয়। এজন্য ব্যাকটেরিয়াকে বিয়োজক বলা হয়।
উদ্দীপকের জীবগুলো হলো শেওলা, ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী, পুঁটি মাছ ও বড় মাছ। এ জীবগুলো ব্যবহার করে জলজ বাস্তুতন্ত্রের চিহ্নিত চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো-

প্রকৃতিতে বাস্তুতন্ত্রের প্রতিটি জীব একে অন্যের উপর নির্ভরশীল।
খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে তারা পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। উদ্দীপকের বাস্তুতন্ত্রটি হচ্ছে জলজ বাস্তুতন্ত্র যেখানে ছোট মাছ কীটপতঙ্গ, প্লাঙ্কটন, শেওলা ইত্যাদিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। আর ছোট মাছকে বড় মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। সুতরাং ছোট মাছের সংখ্যা বেড়ে গেলে উৎপাদক তথা প্লাঙ্কটন, কীটপতঙ্গ, শেওলা ইত্যাদির সংখ্যা কমে যায়। এসব উৎপাদকের সংখ্যা কমে গেলে ছোট মাছের খাদ্যাভাব হবে। আবার বড় মাছ যেহেতু ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, তাই ছোট মাছ বেড়ে গেলে খাদ্য বেশি পেয়ে বড় মাছের সংখ্যা বেড়ে যায়। বড় মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আবার ছোট মাছের সংখ্যা কমতে থাকবে। এভাবে খাদ্য শৃঙ্খলের প্রতিটি উপাদানের হ্রাস-বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে বাস্তুতন্ত্র একটি ভারসাম্যে পৌঁছাবে। কারণ যেকোনো পরিবেশে বাস্তুতন্ত্র মোটামুটিভাবে স্বনিয়ন্ত্রিত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!