শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে করিমন বেগম একটি সমাবেশে যায়। সেখানে সে জানতে পারে যে, আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন নারী ও পুরুষের অধিকারের সমতাভিত্তিক একটি আইন ১৯৮১ সালে কার্যকর করে। করিমন বেগম আরও জানতে পারে বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উক্ত সংস্থাটির বেশ কিছু অঙ্গসংস্থা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য দুর্ভোগ ও অশান্তি।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের কর্মকান্ডে বাংলাদেশ নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবক'টি অঙ্গ সংস্থার মিশন আছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এ বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত নারী ও পুরুষ সমতা রক্ষায় ১৯৮১ সালের কার্যকর আইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও (CEDAW) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সনদটি. তৈরি। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে ওঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এ অধিকারগুলো ম্যান্ডেটভুক্ত করায় সমর্থনকারী দেশগুলো এ সনদ মেনে চলতে বাধ্য। উদ্দীপকের শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য করিমন বেগম একটি সমাবেশে গিয়ে জানতে পারে আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন নারী ও পুরুষের অধিকারের সমতাভিত্তিক একটি আইন যা ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়। এ আইনে এ ধরনের বৈষম্য নিরসনে (CEDAW) সিডও সনদ এক কার্যকরী পদক্ষেপ। এ সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। এ সনদে ৩০টি ধারা আছে। এর প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে এবং পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৫ নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে বৈশিষ্ট্যগত দিক বিচারে নারী উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।

উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাসমূহ বাংলাদেশের। উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

জাতিসংঘের নিম্নোক্ত অঙ্গসংস্থাগুলো বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। যেমন: ইউএনডিপি (UNDP)- বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক অর্থাৎ আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে এ সংস্থা দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ইউএনডিপির মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF)- দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মেয়ে শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এ সংস্থা কাজ করছে। ইউনেস্কো (UNESCO)- বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির উন্নয়নের লক্ষ্যে এ সংস্থাটি কাজ করছে। এফএও (FAO)- বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা কাজ করছে। ডব্লিউএইচও (WHO), স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এ সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। যেমন: বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদেরকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে। ইউএনএইচসিআর (UNHCR)- বাংলাদেশ-মিয়ানমার ইস্যুতে এ কার্যালয় মধ্যস্থতা করছে। বিশাল শরণার্থী পালনের খরচেও অবদান রাখছে। তাছাড়া -বাংলাদেশে বিহারী জনগোষ্ঠীর আবাসনসহ অন্যান্য ইস্যুতে এ সংস্থা ব্যাপক অবদান রেখেছে। ইউনিফেম (UNIFEM)- বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায় এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ করছে। ইউএনএফপিএ (UNFPA)- এ সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সর্বোপরি বলা যায়, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাগুলোর কার্যাবলি খুবই প্রশংসনীয়।

176
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পাঁচটি প্রধান অঙ্গ ও একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। পাঁচটি অঙ্গের প্রধান অঙ্গটি হচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। বিতর্ক সভা বলতে এ সাধারণ পরিষদকেই বোঝায়। আর জাতিসংঘের সকল সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ বা বিতর্ক সভা গঠিত।

920
উত্তরঃ

রিতার মতো এ ধরনের নারীর অধিকার আদায়ে জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM) অঙ্গ সংস্থাটি কাজ করছে।

ইউনিফেম বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ট করছে। উদ্দীপকের গৃহবধূ রিতা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে কোনো কর্মক্ষেত্রে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনেক যুক্তি ও সংগ্রামের পরে তিনি একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি লাভ করেন। সেখানে একই পদমর্যাদার পুরুষ সহকর্মী অপেক্ষা তাকে কম আর্থিক সুবিধাদি দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে যোগ্য সম্মান ও প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেন; অবশেষে সফল হন। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এ ইউনিফেম কাজ করছে। 

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের নারীদের অধিকার আদায়ে ইউনিফেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

690
উত্তরঃ

রিতার ভাই লাভলু বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের শান্তিমিশনে কাজ করছে এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।

জাতিসংঘের শান্তি মিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়; পাশাপাশি পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘ তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও শ্রদ্ধা এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। লাভলু সাহেব সিয়েরা লিওনে কর্মরত। সে হিসেবে তিনি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সে দেশগুলোতে তথা সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে। আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, পেয়েছে স্থানীয় গণমানুষের শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসা। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের - দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। তাছাড়া আইভরিকোস্টে অন্যতম একটি ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'।

অতএব, রিতার ভাই লাভলু দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

426
উত্তরঃ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্যের জাতিসংঘে উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার যে ক্ষমতা রয়েছে সেটিই হলো ভেটো।

304
উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আর জাতিসংঘের শান্তিমিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১টি দেশে ১১,০০০ এর বেশি সৈন্য F জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করে যাচ্ছে। এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা ২য় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করেছে। আইভরিকোস্টের অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে 'বাংলাদেশ সড়ক'। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

238
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews