শ্রী সত্যানন্দ গোস্বামী একজন সাধক ও ধর্মগুরু। তিনি শিষ্যগণসহ একটি আশ্রমে বাস করেন। আশ্রমে একটি 'রাধাগোবিন্দ' মন্দির আছে। সেখানে নিয়মিত পূজা-পার্বণ, উপাসনা, সন্ধ্যা, আহ্নিক ইত্যাদি অনুষ্ঠান করেন। আজ তিনি। সন্ধ্যায় একখানি গ্রন্থ পাঠ করে শিষ্যদের শোনালেন। তিনি পড়লেন-

বেদকে তুমি করেছ উদ্ধার
বহন করেছ পৃথিবীর ভার,
দশম শিখরে ধারণ করেছ মেদিনী,
দৈত্যের অত্যাচার থেকে করেছ তাকে মুক্ত।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মোক্ষলাভের জন্য প্রথম প্রয়োজন আত্মোপলব্ধি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যোগের সাধন প্রক্রিয়ায় মনকে শুদ্ধ ও শান্ত করার জন্য যোগ দর্শনে আট প্রকার সাধন ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রত্যাহার অন্যতম। দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে তুলে এনে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার। দৃঢ় সংকল্প ও অভ্যাসের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলোকে অন্তর্মুখী করা হলে চিত্ত আরাধ্য বস্তুতে নিবিষ্ট হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রী সত্যানন্দ গোস্বামী শিষ্যদেরকে লীলাবতার সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছিলেন।

হিন্দুধর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অবতারবাদে বিশ্বাস। এ অবতার তিন পর্যায়ের হয়ে থাকে- গুণাবতার, লীলাবতার আবেশাবতার। পৃথিবীতে মৎস্য, কূর্ম, বরাহ প্রভৃতি স্থূল দেহধারী ও জীবের মূর্তিতে অবতীর্ণ হয়ে পরমেশ্বর যে কর্মকাণ্ড করেন তাকে বলা হয় লীলাবতার। উদ্দীপকের সাধক ও ধর্মগুরু শ্রী সত্যানন্দ গোম্বামী যে গ্রন্থ পাঠ করে শিষ্যদের শোনালেন সেখানে বিষ্ণুর মৎস্য, কূর্ম, বরাহ ও নৃসিংহ রূপের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বিষ্ণুর এ অবতারবাদকে লীলাবতার বলা হয়। বিষ্ণুর দশাবতারের কথা জানা যায়। এঁরা হলেন- মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, বলরাম, বুদ্ধ এবং কল্কি। পৌরাণিক কাহিনি থেকে জানা যায়, বেদ প্রলয় পয়োধি জলে নিমগ্ন হলে ভগবান বিষ্ণু মৎস্যরূপ ধারণ করে বেদকে উদ্ধার করেন। এরপর পৃথিবী জলপ্লাবিত হলে কূর্মরূপে ভগবান পৃথিবীকে পৃষ্ঠে ধারণ করেন। পুনরায় পৃথিবী জলপ্লাবিত হলে ভগবান বরাহরূপে পৃথিবীকে দণ্ডে ধারণ করেন। নৃসিংহরূপে অবতীর্ণ হয়ে তিনি অত্যাচারী দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুকে বধ করেন এবং ভক্ত প্রহলাদকে রক্ষা করেন। উদ্দীপকে ভগবান বিষ্ণুর এ সকল অবতার রূপকেই গ্রন্থের আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রাচীনকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে স্যার সাথে বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। স্বাভাবিকভাবে মানুষের জীবিত থাকার সময় ধরা হয় একশত বৎসর। এই শত বর্ষের জীবনকে চারটি স্তরে বা আশ্রমে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি বিভাগের সময়সীমার গড় পঁচিশ বছর। প্রথম পঁচিশ বছরকে বলা হয় ব্রহ্মচর্য আশ্রম। উদ্দীপকে দেখা যায়, সাধক ও ধর্মগুরু শ্রী সত্যানন্দ গোম্বামী শিষ্যদের নিয়ে একটি আশ্রমে বাস করেন এবং সেখানে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে নিয়মিত পূজা-পার্বণ, উপাসনা, সন্ধ্যা, আহ্নিক ইত্যাদি হয়। এটি প্রাচীন ব্রহ্মচর্যাশ্রমের দৃশ্যপট। মানুষের পাঁচ বছর বয়স হলেই তাকে গুরুগৃহে গমন করে ব্রহ্মচর্য জীবন শুরু করতে হয়। গুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ, গুরুর তত্ত্বাবধানে পড়াশুনা করতে হয়। এটাই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। এ আশ্রমে থেকে শিষ্যকে গুরুর নির্দেশে বহু শাস্ত্র অধ্যয়ন, আত্মসংযম, পরিশ্রম ও কঠোর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে হয়। কিন্তু বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের ধরন এরকম নয়। আধুনিককালে শিষ্যকে আর গুরুগৃহে অবস্থান করে শিক্ষা গ্রহণ করতে হয় না। বর্তমান সময়ের বিদ্যার্থীরা স্কুল-কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় এবং শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে শিক্ষা অর্জন করে থাকে। উদ্দীপকে আলোচিত প্রাচীনকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের সাথে বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের মধ্যে এরূপ পার্থক্যই পরিলক্ষিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
151
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসকে একেশ্বরবাদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
790
উত্তরঃ

যোগের সাধন প্রক্রিয়ায় মনকে শুদ্ধ ও শান্ত করার জন্য যোগ দর্শনে আট প্রকার সাধন ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রত্যাহার অন্যতম। দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে তুলে এনে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার। দৃঢ় সংকল্প ও অভ্যাসের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলোকে অন্তর্মুখী করা হলে চিত্ত আরাধ্য বস্তুকে নিবিষ্ট হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। এসময় তিনি বানপ্রস্থ আশ্রম শেষ করেছেন। বানপ্রস্থ আশ্রমের সময় তিনি সংসারে থেকেও অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তিনি সংসারের সমস্ত দায়িত্ব পুত্রের হাতে অর্পণ করে মন্দিরে মন্দিরে ঈশ্বর ধ্যানে মগ্ন থাকেন।

বানপ্রস্থে বনে নির্জন পরিবেশে অবসর জীবনযাপন করতে হয়। তবে সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষ বনবাসী না হয়ে গৃহত্যাগ করে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে বৈরাগ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ এ পর্যায়ে ভজন, পূজন, কীর্তন, জপ, ধ্যান প্রভৃতি ধর্মীয় কর্মে থেকে বানপ্রস্থ জীবন অতিক্রান্ত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
625
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তিনি বানপ্রস্থ জীবন শেষ করেছেন। এতে তাঁর আত্মতৃপ্তি হয়নি। তাই জীবনের পরম প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে তিনি সংসার ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। আলোচ্য অংশে সন্ন্যাস আশ্রমে যাওয়ার উল্লেখ রয়েছে। সন্ন্যাস শব্দের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ। এ আশ্রমে এসে সন্ন্যাসী একাকী জীবনধারণ করবেন। সন্ন্যাস আশ্রমে অতীত জীবনের স্মৃতি সব পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয়। শাস্ত্র বচনে জানা যায়-

"দন্ড গ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ” অর্থাৎ সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। তবে সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হল কর্মফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

"অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ।
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নির্ন চাক্রিয়ঃ ॥” (৬/১)

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধুমাত্র গৃহাদি কর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়।

তাই সার্বিক আলোচনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী আমি মনে করি, জীবনের পরম প্রাপ্তি লাভে দ্বিজেন্দ্রনাথের সিদ্ধান্তটিই ছিল যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
507
উত্তরঃ

কামনা-বাসনা মুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না কারণ এ ধরনের কর্মে ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না। কামনা-বাসনা মুক্ত বা নিষ্কার্ম কর্মে কর্তা কোনো রকম ফলের আশা না করেই কর্ম করে। তিনি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই, কর্মফলও আমার নয়। এ নিষ্কাম কর্মই যোগসাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ। নিষ্কাম কর্মে মোক্ষলাভ হয়। ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না বলেই কামনা-বাসনামুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
277
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews