শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক মনিরুজ্জামান আলোচনায় প্রথম মহীপালের বিভিন্ন জনহিতকর কার্যাবলি তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে তিনি ছাত্রছাত্রীদের প্রথম মহীপালের প্রতিষ্ঠিত শহর ও দীঘিগুলোর নাম ও অবস্থান উল্লেখ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করতে বলেন। তালিকাটি নিম্নরূপ- তালিকাটি নিম্নরূপ:

শহর/দীঘিগুলোর নাম

অবস্থান

মাহীগঞ্জ

রংপুর জেলা

মহীপুর

বগুড়া জেলা

মাহীসন্তোষ

মুর্শিদাবাদ জেলা

মহীপাল নগরী

দিনাজপুর জেলা

মহীপাল দীঘি

রংপুর জেলা

মহীপালের সাগর

মুর্শিদাবাদ জেলা

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ধর্মপাল ৭৮১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে বসেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাৎস্যন্যায়ের কারণে সৃষ্ট চরম দুঃখ-দুর্দশা' হতে মুক্তিলাভের জন্য দেশের প্রবীণ নেতাগণ স্থির করলেন যে তারা পরস্পর বিবাদ-বিসম্বাদ ভুলে গিয়ে একজনকে রাজা পদে নির্বাচিত করবেন এবং সকলেই স্বেচ্ছায় তার প্রভুত্ব স্বীকার করবেন। জনগণও এ মত মেনে নেওয়ার ফলে গোপালকে রাজপদে নির্বাচিত করা হয়। এভাবে পাল বংশের প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মাৎস্যন্যায়ের অবসান হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তালিকাটি সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়।

প্রথম মহীপালের প্রতিষ্ঠিত শহর ও দীঘিগুলোর নাম ও অবস্থানের সাথে তালিকাটির মিল করলে দেখা যায় মাহীগঞ্জ ও মহীপুর শহর এবং মাহীপালের সাগরের অবস্থান সঠিক। কিন্তু মাহীসন্তোষ ও মহীপাল নগরী ও মহীপাল দীঘির অবস্থান সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। প্রকৃত পক্ষে মাহীসন্তোষ নগরী দিনাজপুর জেলায় এবং মহীপাল নগরী মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া মহীপাল দীঘিটি দিনাজপুর জেলায় খনন করা হয়েছিল।

উদ্দীপকের তালিকায় একদল ছাত্র-শিক্ষকের কথায় প্রথম মহীপালের প্রতিষ্ঠিত শহর ও দীঘিগুলোর নাম ও অবস্থান উল্লেখ করে যে তালিকাটি তৈরি করেছেন তা সম্পূর্ণরূপে সঠিক না হওয়ায় এই তালিকাকে সম্পূর্ণ নির্ভুল বলা যাবে না।উদ্দীপকের তালিকায় একদল ছাত্র-শিক্ষকের কথায় প্রথম মহীপালের প্রতিষ্ঠিত শহর ও দীঘিগুলোর নাম ও অবস্থান উল্লেখ করে যে তালিকাটি তৈরি করেছেন তা সম্পূর্ণরূপে সঠিক না হওয়ায় এই তালিকাকে সম্পূর্ণ নির্ভুল বলা যাবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

তালিকায় বর্ণিত শহর ও দীঘিগুলো অবশ্যই মহীপালের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছিল।

শহরের উন্নয়ন একটি দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে। অপরদিকে আমরা জানি পানির অপর নাম জীবন। দীঘি খনন করার ফলে প্রজাসাধারণ বিনা খরচে বিশুদ্ধ পানি পায়। মহীপাল তার গৃহীত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাঝে নাগরিকদের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে চেয়েছেন। এজন্য তিনি শহর প্রতিষ্ঠাসহ নাগরিকদের জন্য বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা বিধান করেন। এ সকল কর্মকাণ্ড মহীপালের জনপ্রিয়তা এতই বাড়িয়ে দেয় যে, তিনি পঞ্চাশ বছর রাজত্ব করতে সক্ষম হন। জনপ্রিয়তার জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

মহীপালের পঞ্চাশ বছরের রাজত্বকালে পালবংশের সৌভাগ্য রবি আবার উদিত হয়েছিল। পাল সাম্রাজ্যের দ্রুত অবনতির যুগে প্রথম মহীপালের আবির্ভাব না ঘটলে সাম্রাজ্যের রাজত্বকালের সময়কাল আরো সংকুচিত হতো। তাই বলা যায়, তিনি তার জনহিতকর কাজের মাধ্যমে যেমন নিজের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছিলেন, সেই সাথে পাল শাসনের সময়কালও বৃদ্ধি করেছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
221

মৌর্য শাসনের অবসান ও গুপ্ত শাসনের শেষের দিকে গুপ্ত রাজাদের দুর্বলতার সুযোগে বাংলায় অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের উত্থান ঘটে। এরমধ্যে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী। রাজা শশাঙ্কের কোনো স্থায়ী শক্তিশালী উত্তরাধিকার ছিল না। ফলে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশো বছর বাংলায় অরাজকতা বিরাজমান ছিল। এরপর পাল রাজবংশ ক্ষমতায় এসে প্রায় চারশো বছর রাজ্য শাসন করে। পালদের পতনের পর ভারতের কর্ণাটক থেকে আগত সেন বংশ পূর্ব-বাংলায় রাজ্য স্থাপন করে। তেরো শতকের প্রথম দশকে ১২০৪ সালে মুসলিম শক্তির কাছে সেন শাসনের অবসান ঘটে। শুরু হয় বাংলার ইতিহাসের নতুন অধ্যায়- মধ্যযুগ ।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
♦ প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশ ও তাঁদের শাসনকাল সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;

♦ প্রাক-পাল যুগের বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারব;

♦ প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক চর্চায় তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশসমূহের অবদান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতে সক্ষম হব;

♦ গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করে প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস ধারাবাহিকভাবে জানতে সমর্থ হব;

♦ দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার রাজ্যসমূহ সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;

♦ প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত হতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেনরা ব্রাহ্মণ থেকে পেশা পরিবর্তন করে ক্ষত্রিয় হওয়ায় তাদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়। সেন বংশের লোকেরা প্রথমে ব্রাহ্মণ ছিল। কিন্তু কালক্রমে তারা পেশা পরিবর্তন করে ক্ষত্রিয় পেশা গ্রহণ করেন। ফলে কোনো কোনো ঐতিহাসিক তাদেরকে 'ব্রহ্মক্ষত্রিয়' বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
263
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নবীনগরের শাসক অজয়ের কর্মকাণ্ডের সাথে সেন শাসক বিজয় সেনের কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

বিজয় সেনের পূর্বপুরুষদের আদি বাসস্থান ছিল সুদূর দক্ষিণাত্যের কর্ণাট। সেখান থেকে তারা বসতি স্থাপন করেন রায় অঞ্চলের গঙ্গা নদীর তীরে। বরেন্দ্র উদ্ধারে রামপালকে সাহায্য করার বিনিময়ে বিজয় সেন স্বাধীনতার স্বীকৃতি পান। এরপর তিনি তার সামরিক কৃতিত্ব দ্বারা রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন এবং হুগলির ত্রিবেণীতে অবস্থিত বিজয়পুরে প্রথম রাজধানী স্থাপন করেন। ধর্মের দিক থেকে বিজয় সেন ছিলেন শৈব। অন্য ধর্মের প্রতি তার কোনো সহিষ্ণুতা ছিল না।

উদ্দীপকের অজয় তার পরিবারের-সাথে পুরোনো বাসস্থান ছেড়ে নবীনগরে নতুনভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর এলাকার লোকজন ধর্মীয় বৈষম্যের শিকার হন। এ বিষয়গুলো বিজয় সেনের কর্মকাণ্ডের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
895
উত্তরঃ

বিজয় সেনের বংশধরেরা শিক্ষা ও সাহিত্য বিকাশে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন বলে আমি মনে করি।

বিজয় সেন বৈদিক ধর্মের প্রতি বেশ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। পরবর্তীতে তার পুত্র বল্লাল সেন অত্যন্ত সুপণ্ডিত ছিলেন। বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি তার যথেষ্ট অনুরাগ ছিল। তার একটি বিরাট গ্রন্থালয় ছিল। তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি হিন্দুসমাজকে গঠন করার উদ্দেশ্যে- 'কৌলীন্য প্রথা' প্রবর্তন করেছিলেন। এর ফলে সামাজিক আচার-ব্যবহার, বিবাহ অনুষ্ঠান প্রভৃতি বিষয়ে কুলীন শ্রেণির লোকদিগকে কতকগুলো বিশেষ রীতিনীতি মেনে চলতে হতো। আর তার পুত্র লক্ষণ সেনও একজন সুপণ্ডিত ও বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। পিতার অসমাপ্ত গ্রন্থ 'অদ্ভুতসাগর' তিনিই সমাপ্ত করেন। ধোয়ী, শরণ, জয়দেব, গোবর্ধন, উমাপতিধর প্রভৃতি প্রসিদ্ধ কবিগণ তার রাজসভা অলঙ্কৃত করতেন। ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ুধ তার প্রধানমন্ত্রী ও ধর্মীয় প্রধান ছিলেন।

তাই বলা যায়, বিজয় সেনের বংশধরেরা যথার্থই শিক্ষা ও সাহিত্য বিকাশে অবদান রেখেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
643
উত্তরঃ

শশাংকের মৃত্যুর পর বাংলার ইতিহাসে যে দুর্যোগপূর্ণ অন্ধকারময় যুগের শুরু হয়েছিল তা মাৎস্যন্যায় হিসেবে অভিহিত। এ সময় বাংলায় কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো কেউ ছিলেন না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়। ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে। এ সময়কালকে আখ্যায়িত করা হয়েছে 'মাৎস্যন্যায়' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
336
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews