শ্রেণি-ক: চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

শ্রেণি-খ: চতুষ্পদী প্রাণী যাদের হৃদপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ হিমোসিল হলো আর্থ্রোপোডা ও মোলাস্কা পর্বের প্রাণীদের রক্তপূর্ণ দেহগহ্বর যা হিমোলিম্ফ ধারণ করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

শীতল রক্তবিশিষ্ট বা পোইকিলোথার্মিক (Poikilothermic) প্রাণী বলতে তাদের বোঝায় যাদের দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয় এবং এরা নিজেদের দেহের তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ধরে রাখতে পারে না। এদের শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা অনুযায়ী ওঠানামা করে।

এ ধরনের প্রাণীরা তাদের দৈহিক বিপাকক্রিয়া (Metabolic activity) দ্বারা পর্যাপ্ত তাপ উৎপন্ন করতে অক্ষম। পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করে বা পরিবেশে তাপ বর্জন করে এরা তাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মাছ, উভচর (Amphibians) এবং সরীসৃপ (Reptiles) হলো শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণীর উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণিতে উল্লেখিত প্রাণীরা হলো চতুষ্পদী (Tetrapod) এবং তাদের হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। এই বৈশিষ্ট্যগুলো উভচর (Amphibia) ও সরীসৃপ (Reptilia) শ্রেণির অধিকাংশ প্রাণীর ক্ষেত্রে দেখা যায়। তাদের হৃদপিণ্ডে দুইটি অলিন্দ ও একটি নিলয় থাকে, যার কারণে রক্তনালীতে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের আংশিক মিশ্রণ ঘটে।

এই প্রাণীরা সাধারণত শীতল রক্তবিশিষ্ট (Poikilothermic) বা বহিঃউষ্ণতাপী হয়, অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে তাদের দেহের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। এদের ত্বক সাধারণত গ্রন্থিযুক্ত ও আর্দ্র (যেমন উভচর) অথবা শুষ্ক ও আঁশযুক্ত (যেমন সরীসৃপ) হয়ে থাকে। শ্বাসকার্য পরিচালনার জন্য এরা সাধারণত ফুসফুস, ত্বক বা ফুলকা (লার্ভা দশায়) ব্যবহার করে।

এরা সাধারণত ডিম্বপ্রসূ (Oviparous) এবং এদের নিষেক বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ হতে পারে। উভচর প্রাণীরা জীবনচক্রের এক অংশ জলে এবং অন্য অংশ স্থলে কাটায়, অপরদিকে সরীসৃপরা বেশিরভাগই স্থলবাসী। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাঙ, সালাম্যান্ডার, টিকটিকি, সাপ ইত্যাদি এই শ্রেণির প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' শ্রেণিতে তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃদপিণ্ডযুক্ত চতুষ্পদী প্রাণীদের কথা বলা হয়েছে, যা উভচর ও অধিকাংশ সরীসৃপের বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে, 'খ' শ্রেণিতে চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃদপিণ্ডযুক্ত চতুষ্পদী প্রাণীদের উল্লেখ করা হয়েছে, যা স্তন্যপায়ী ও পাখিদের বৈশিষ্ট্য। চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃদপিণ্ডের গঠনগত ও কার্যগত উন্নত প্রক্রিয়াই 'খ' শ্রেণির প্রাণীদের 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা উন্নত করেছে।

হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের সংখ্যা প্রাণীর রক্তসংবহনতন্ত্রের কার্যকারিতা এবং সামগ্রিক বিপাক হারের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। 'ক' শ্রেণির প্রাণীদের (যেমন: উভচর ও সরীসৃপ) তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃদপিণ্ডে দুটি অলিন্দ ও একটি নিলয় থাকে। এই ব্যবস্থায়, অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্ত নিলয়ে আংশিকভাবে মিশ্রিত হয়ে যায়, যার ফলে দেহের কোষে সবসময় বিশুদ্ধ অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পৌঁছায় না। এর ফলস্বরূপ, এদের বিপাক হার তুলনামূলকভাবে কম এবং এরা শীতল রক্তবিশিষ্ট (ectothermic) হয়ে থাকে, অর্থাৎ এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।

অন্যদিকে, 'খ' শ্রেণির প্রাণীদের (যেমন: স্তন্যপায়ী ও পাখি) চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃদপিণ্ডে দুটি অলিন্দ ও দুটি নিলয় থাকে। এই প্রকোষ্ঠগুলো সম্পূর্ণভাবে বিভক্ত হওয়ায় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত (বাম নিলয় থেকে) এবং অক্সিজেনবিহীন রক্ত (ডান নিলয় থেকে) সম্পূর্ণ আলাদা থাকে। এতে রক্ত মিশ্রিত হওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না, যার ফলে দেহের প্রতিটি কোষে উচ্চ চাপ ও অধিক পরিমাণে বিশুদ্ধ অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত হয়। এই উন্নত সংবহনতন্ত্র 'খ' শ্রেণির প্রাণীদের উচ্চ বিপাক হার বজায় রাখতে এবং উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট (endothermic) হতে সাহায্য করে, অর্থাৎ এরা নিজেদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।

উন্নত রক্তসংবহনতন্ত্র এবং উচ্চ বিপাক হার 'খ' শ্রেণির প্রাণীদের আরও বেশি শক্তি উৎপাদন, দীর্ঘক্ষণ ধরে সক্রিয় থাকা এবং প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে। এটি মস্তিষ্কের উন্নত কার্যকারিতা, জটিল আচরণ এবং বৃহত্তর অঙ্গসংস্থানিক বৈচিত্র্যের জন্ম দিয়েছে। তাই, উদ্দীপকের 'খ' শ্রেণির প্রাণীরা তাদের উন্নত শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার কারণে 'ক' শ্রেণির প্রাণী অপেক্ষা অধিক উন্নত ও বিবর্তনগতভাবে অগ্রসর।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
145

রক্তঃ মানবদেহে রক্তনালিকাসমূহের ভিতর দিয়ে নিরন্তর প্রবহমান লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, ঈষৎ ক্ষারীয়, চটচটে, লবণাক্ত প্রকৃতির তরল যোজক টিস্যুকে (connective tissue) রক্ত বলে। একজন পূর্ণবযুক্ত সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে অর্থাৎ দৈহিক মোট ওজনের প্রায় ৮%। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। এর মাত্রা ৭.৩৫-৭.৪৫ এবং তাপমাত্রা ৩৬-৩৮° সেলসিয়াস। রক্তের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানির চেয়ে বেশি, প্রায় ১.০৬৫ । অজৈব লবণের উপস্থিতির জন্য রক্তের স্বাদ নোনতা। রক্তবাহিকাসমৃদ্ধ এবং হৃৎপিন্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয় তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। ব্রিটিশ চিকিৎসক Willium Harvey, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে মানুষের রক্ত সংবহন সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা প্রদান করেন। সুনির্দিষ্ট বাহিকার মাধ্যমে রক্ত দেহের সবখানে সঞ্চালিত হয়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোষঝিল্লিতে যে সকল এনজাইম উপস্থিত থাকে সেগুলোই মেমব্রেন এনজাইম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
69
উত্তরঃ

নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত ফেনলিক, স্টেরয়েড বা প্রোটিনধর্মী পদার্থ হলো হরমোন। হরমোন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হতে অল্প পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে রক্ত বা কলারস দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি দেহের দীর্ঘস্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে এনজাইম নালিযুক্ত গ্রন্থি বা বহিঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। এটি প্রোটিনধর্মী এবং এর কার্যপদ্ধতি দ্রুত ও ফল তাৎক্ষণিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
57
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত টিস্যুটি হলো রক্ত। রক্তের তৃতীয় উপাদানটি হলো অণুচক্রিকা। অণুচক্রিকার কাজ রক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ততঞ্চন ঘটানো। মানবদেহের কোনো স্থান কেটে গেলে রক্তপাত হতে থাকে। রক্তপাত বন্ধ করার জন্য উক্ত স্থানে দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধা প্রয়োজন। রক্তরসে অবস্থিত ১৩টি ফ্যাক্টর রক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ততঞ্চনে অংশ নেয়। এদের ধারাবাহিক কার্যকারিতার ফলে রক্তজমাট বাঁধে। রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া নিচে বর্ণনা-করা হলো-

i. ক্ষতস্থানের কলা ও অণুচক্রিকার বাতাসের সংস্পর্শে ভাঙ্গনের ফলে প্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম নিঃসরণ হয়।
ii. থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তে বিদ্যমান হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্তরসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোপ্তম্বিন ও অন্যান্য কিছু উপাদানের সাথে ক্রিয়া করে গ্লম্বিন উৎপন্ন করে।
iii. এরপরেই গ্রন্থিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিনের সাথে মিলে ফাইব্রিন নামক সূক্ষ্ম তন্তুর সৃষ্টি করে।
iv. ফাইব্রিন মনোমার থেকে যে ফাইব্রিন পলিমার সৃষ্টি হয় তা ক্ষতস্থানে জালের আকার ধারণ করে।
v. এরূপ ফাইব্রিন জালকে রক্তকণিকাগুলো আটকে গিয়ে প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
45
উত্তরঃ

নাদিমের রক্তচাপ পরীক্ষার আগে বেড়ে গিয়ে পরীক্ষা শুরুর পর তা পুনরায় স্বাভাবিক হয়। তার রক্তচাপ পরিবর্তিত হাওয়ার মূলে রয়েছে ব্যারোরিসেপ্টর। নিচে এর কার্যকৌশল বিশ্লেষণ করা হলো-

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যারোরিসেপ্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যারোটিড সাইনাস ও অ্যাওর্টিক আর্চের প্রাচীর গাত্রে উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর অবস্থান করে। হৃৎপিণ্ডে রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটলে এই পরিবর্তন রক্তনালির প্রাচীরে সঞ্চালিত হয় ফলে সেন্সর তথা ব্যরোরিসেপ্টরগুলো উদ্দীপ্ত হয়। ব্যারোরিসেপ্টর রক্তনালির গাত্রে রক্তচাপের স্বাভাবিকতা ও অস্বাভাবিকতা অনুধাবন করে এবং তা স্নায়ুর 'মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে, ফলে হৃদস্পন্দনের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। দেহে রক্তচাপ কমে গেলে ব‍্যারোরিসেপ্টরেরও সংকেত মাত্রা কমে যায়। এ তথ্য স্নায়ুর মাধ্যমে হৃদপেশির দেহের আর্টারিওল ও শিরায় প্রেরণ করে। ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়। আবার রক্তের আয়তন কমে গেলে আয়তন রিসেপ্টর মস্তিষ্কে বার্তা প্রেরণ করে। ফলে পিটুইটারি গ্রন্থি কর্তৃক ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোন ক্ষরণ বেড়ে যায়। উক্ত হরমোন রক্তের আয়তন বৃদ্ধির মাধ্যমে রক্তচাপ বাড়ায়।
অপরদিকে রক্তের আয়তন কমে গেলে বৃক্কের অন্তর্বাহী ধমনির জাক্সটা গ্লোমেরুলার কোষ থেকে রেনিন এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এর ফলে রক্তের আয়তন বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
এভাবে ব্যারোরিসেপ্টর নাদিমের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবর্তিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
44
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঞ্চলে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রবাহমান রক্ত ধমনির স্থিতিস্থাপক প্রাচীরে যে পার্শ্বীয় চাপের সৃষ্টি করে তাই রক্তচাপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
47
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ডের প্রতি স্পন্দনে প্রকোষ্ঠ সমূহের ক্রমাগত সংকোচন প্রসারণ যে চক্রাকারে পুনরাবৃত্তি ঘটে তাকে কার্ডিয়াক চক্র বলে। কার্ডিয়াক চক্র চারটি ধাপে সংঘটিত হয়। নিচে ধাপগুলোর নাম দেওয়া হলো-
i. অলিন্দের ডায়াস্টোল
ii. অলিন্দের সিস্টোল
iii. নিলয়ের সিস্টোল
iv. নিলয়ের ডায়াস্টোল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
57
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews