প্রাণিদেহে শতকরা ৬০ ৭০ ভাগ পানি থাকে।
সব আমিষ দেহে সমান পরিমাণে শোষিত হয় না। আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করার পর এর শতকরা যত ভাগ অন্ত্র থেকে দেহে শোষিত হয় তত ভাগকে সেই আমিষের সহজপাচ্যতার গুণক ধরা হয়। সহজপাচ্যতার উপর আমিষের পুষ্টিমান নির্ভর করে। যে আমিষ শতকরা ১০০ ভাগই দেহে শোষিত হয় এবং দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়প্রণে কাজ করে তার সহজপাচ্যতার গুণক ১। এক্ষেত্রে আমিষ গ্রহণ এবং দেহের ধারণের পরিমাণ সমান। সহজ অর্থে বলতে গেলে যতটুকু আমিষ গ্রহণ করা হয় তার সম্পূর্ণটাই দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণে কাজ করে।
উদ্দীপকে X শ্রেণির খাদ্যগুলো হলো ভিটামিন 'A'। যার উৎস মলামাছ, পুঁইশাক, মিষ্টিকুমড়া। নিম্নে ভিটামিন 'A' এর কার্যকারিতা
বর্ণনা করা হলো-
১. দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখে।
২. ত্বক ও শ্লেষ্মাঝিল্লিকে সুস্থ রেখে দেহকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগের আক্রমণ হতে রক্ষা করে।
৩. খাদ্যবস্তু পরিপাক ও ক্ষুধার উদ্রেক করে।
৪. রক্তের স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখে।
৫. দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬. দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন- ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে।
উদ্দীপকে Y শ্রেণির খাদ্যগুলো হলো ভিটামিন 'D'। ভিটামিন 'D' এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বয়স্কদের অস্টিওম্যালেশিয়া (বয়স্কদের রিকেটস) নামক রোগ হয়ে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত হলে শিশু ও বয়স্কদের যেসব সমস্যা হতে পারে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
শিশুদের ক্ষেত্রে:
১. ভিটামিন 'D' ও ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে যায় এবং বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
২. পায়ের হাড় ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং দেহের চাপে অন্যান্য হাড়গুলোও বেঁকে যায়।
৩. হাত-পায়ের অস্থিসন্ধি বা গিট ফুলে যায়।
৪. বুকের হাড় বা পাঁজরের হাড় বেঁকে যায়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে:
১. ভিটামিন 'D' এর অভাবে ক্যালসিয়াম শোষণে বিঘ্ন ঘটে।
২. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের সঞ্চয় কমতে থাকে।
৩. থাইরয়েড গ্রন্থির কাজের পরিবর্তন ঘটে।
৪. অস্থি দুর্বল হয়ে অস্থির কাঠিন্য কমে যায় এবং হালকা আঘাতে অস্থি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!