শ্রেণিতে শিক্ষক ছাত্রদের নৈতিক শিক্ষা দিচ্ছেন। শিক্ষকের মতে ছাত্র ও শিক্ষকের সম্পর্ক হলো পিতা ও পুত্রের সম্পর্কের মতো। পুত্র যেমন পিতার আদেশ মেনে চলে, তেমনি ছাত্র তার শিক্ষকের আদেশ মেনে চলবে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

কোনো তথাকথিত সঠিক যুক্তিবাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষার পর সেই সার্বিক যুক্তিবাক্য স্থাপনের পদ্ধতিকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পূর্ণাঙ্গ আরোহের সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের সাদৃশ্য নিচে উল্লেখ করা হলো-

১। পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক উভয় প্রকার আরোহ বিশেষ বিশেষ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। 

২। পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক উভয় প্রকার আরোহ 'আরোহমূলক লম্ফ' অনুকরণ করে। 

৩। পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক উভয় প্রকার আরোহ সার্বিক সংশ্লেষক বাক্য স্থাপন করতে সক্ষম। 

৪। পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক উভয় প্রকার আরোহ প্রত্যক্ষণ নির্ভর। 

৫। পূর্ণাঙ্গ আরোহ ও বৈজ্ঞানিক আরোহ দুটিই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান আয়ত্ত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিক্ষকের বক্তব্যটি সাদৃশ্যানুমান আরোহ। নিচে তা নিরূপণ করা হলো-

দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে যদি অনুমান করা হয়, তাদের একটি বিশেষ গুণের অধিকারী বলে অপরটিও ঐ গুণের অধিকারী হবে, তাহলে যে অনুমান করা হয় তার নাম সাদৃশ্যানুমান (Analogy) | উদাহরণস্বরূপ: মানুষ ও গাছপালার মধ্যে কয়েকটি মিল আছে। অর্থাৎ উভয়ই মাটি, পানি, খাদ্য ছাড়া বাঁচতে পারে না, উভয়ই বংশ বৃদ্ধি করে।

মানুষ স্বভাবতই মরণশীল
∴ গাছপালাও মরণশীল।

বিভিন্ন যুক্তিবিদ বিভিন্নভাবে সাদৃশ্য অনুমানের সংজ্ঞা দিয়েছেন। যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিড এর মতে, "সাদৃশ্যমূলক অনুমান হলো উপমানের উপাত্ত এবং অনুমানের বিষয়বস্তুর অসম্পূর্ণ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে রচিত একটি সম্ভাব্য প্রমাণপত্র।" যুক্তিবিদ ওয়ালটন এর মতে, “সাদৃশ্যমূলক অনুমান হলো বিষয়বস্তুর আংশিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অধিকতর সাদৃশ্যমূলক অনুমানের প্রক্রিয়া।"

যুক্তিবিদ বেইন এর মতে, "সাদৃশ্যমূলক অনুমান অনুসারে দুটি বস্তুর মধ্যে কতিপয় বিষয়ে মিল থাকলে তাদের মধ্যে অপর কোনো বিষয়ে মিল থাকতে পারে।" যুক্তিবিদ মিল এর মতে, "সাদৃশ্যমূলক অনুমান 'অনুসারে, দুটি বস্তুর মধ্যে এক বা একাধিক বিষয়ে মিল আছে, কোনো উক্তি বস্তুদ্বয়ের একটি সম্পর্কে সত্য হলে তা অপরটি সম্পর্কেও সত্য হবে।" উপর্যুক্ত আলোচনায় স্পষ্ট হয়, উদ্দীপকের শিক্ষকের বক্তব্যটি সাদৃশ্যানুমান আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিক্ষকের বক্তব্যটি সাদৃশ্যানুমান আরোহ। নিচে সাদৃশ্যানুমান আরোহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো-

• সাদৃশ্যানুমানের ভিত্তি হচ্ছে সাদৃশ্য। সাদৃশ্যের ভিত্তিতেই এরূপ অনুমানের সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়। দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য থাকলে আমরা অনুমান করি যে তাদের মধ্যে অপর কোনো বিষয়েও সাদৃশ্য থাকবে। 

• সাদৃশ্যানুমান এক প্রকার প্রকৃত আরোহ। সাদৃশ্যানুমানে আরোহ অনুমানের মূল বৈশিষ্ট্য 'আরোহমূলক লম্ফ' উপস্থিত। এতে আমরা জানা বস্তু বা ঘটনা থেকে অজানা বস্তু বা ঘটনায় পদার্পণ করি। তাই যুক্তিবিদ মিল একে প্রকৃত আরোহের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। 

• সাদৃশ্যানুমানে আমরা বিশেষ থেকে বিশেষে উদদীত হই। সাদৃশ্যানুমানে আমরা মাত্র দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে তাদের একটির ভিত্তিতে অপরটি সম্বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত অনুমান করি। এখানে আমরা একটি বিশেষ বস্তু বা ঘটনা থেকে অপর একটি বিশেষ বস্তু বা ঘটনায় উপনীত হই। 

• সাদৃশ্যানুমান অসম্পূর্ণ সাদৃশ্যজনিত জ্ঞানের উপর নির্ভরশীল। সাদৃশ্যানুমানের কার্যকারণ নিয়মের উপর কোনো নির্ভরতা নেই। এখানে সাদৃশ্যের বিষয়গুলোর সাথে অনুমিত বিষয়ের কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক আছে কি না তা আবিষ্কার করার চেষ্টা করা হয় না। এতে নিছক কয়েকটি অপর্যাপ্ত, সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়।

উপর্যুক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ছাড়াও সাদৃশ্যানুমানের অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
104

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে যদি অনুমান করা হয়, তাদের একটি বিশেষ গুণের অধিকারী বলে অপরটিও ওই গুণের অধিকারী হবে, তাহলে যে অনুমান করা হয় তার নাম সাদৃশ্যানুমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

প্রকৃত আরোহে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মাঝে এমন কিছু ফাঁক বা ব্যবধান থাকে, যা অন্ধের মতো ঝুঁকি নিয়ে অতিক্রম করাই হলো প্রকৃত আরোহের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রকৃত আরোহে এরূপ ব্যবধানে অতিক্রমের প্রক্রিয়াকেই আরোহাত্মক লম্ফ বলে। উদাহরণস্বরূপ, রহিম, করিম, যদু, মধু, জন, ডন প্রমুখ মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এক বিরাট ব্যবধান অতিক্রম করে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতের সব মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে যে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তা আরোহমূলক লম্ফের উপর নির্ভর করেই সম্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
767
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগত আরোহ যুক্তিবিদ্যা বইয়ে যে আরোহ সম্পর্কে জেনেছে, তা হচ্ছে বৈজ্ঞানিক আরোহ। কারণ আরোহের যত প্রকারভেদ রয়েছে, তাদের মধ্যে একমাত্র বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহের সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে। তাই একে প্রকৃত আরোহ বলা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক আরোহের বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-

◇পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতি; 
◇ আরোহমূলক লম্ফ;
◇সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য;
◇বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা;
◇প্রকৃতি নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ সম্পর্ক;
◇ আকারগত ও বস্তুগত সত্যতা; ◇ সর্বদা নিশ্চিত সিদ্ধান্ত; 
◇ বিশেষ বিশেষ ঘটনা পর্যবেক্ষণ।

এসব বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায়, এখানে একটি আরোহের যতগুলো বৈশিষ্ট্য থাকলে তাকে প্রকৃত আরোহ বলা যায়, তার সব বৈশিষ্ট্যই বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান থাকে। এমনকি একমাত্র সঠিকভাবে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত কেবল বৈজ্ঞানিক আরোহই দিতে পারে। তাই এটি একটি প্রকৃত আরোহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
255
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাগতের বন্ধু যে জ্যামিতিক চিত্র দেখেছে, তা আরোহ যুক্তিবিদ্যার যুক্তিসাম্যমূলক আরোহের বিষয়বস্তু। কারণ একমাত্র যুক্তিসাম্যমূলক আরোহে জ্যামিতিক চিত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই একে জ্যামিতিক আরোহ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

এ প্রকার অনুমানে একটি মাত্র দৃষ্টান্তের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত টানা হলেও এর সিদ্ধান্ত সচরাচর নিশ্চিত। যে যুক্তি দিয়ে একটি সার্বিক বাক্যের অন্তর্গত কোনো একটি বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়, সেই একই যুক্তি দিয়ে তার অন্তর্গত সমশ্রেণিভুক্ত অন্যান্য বিশেষ ঘটনাকে প্রমাণ করা যায়- এই নীতির উপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াকে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ বলে। যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ জ্যামিতির ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য। এখানে জ্যামিতির সূত্র ব্যবহার করে যুক্তিসাম্যমূলক আরোহ যুক্তি গঠন করে তা নিচে জ্যামিতিক চিত্রে তুলে ধরা হলো-

কোনো জ্যামিতিক প্রমাণে আমরা প্রথমে কোনো প্রদত্ত চিত্রের বৈশিষ্ট্য বা গুণকে প্রমাণ করি এবং তারপর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, প্রদত্ত চিত্রটিতে প্রমাণিত বৈশিষ্ট্য সেই একই শ্রেণির চিত্রের ক্ষেত্রেও সত্য হবে। যেমন: আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান; অর্থাৎ ১৮০০। এটি একটি জ্যামিতিক সূত্র। ত্রিভুজের তিনটি কোণ ABC নামক ত্রিভুজ অঙ্কন করে যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ মিলে ১৮০° হয়। অনুরূপ যুক্তি দিয়ে আমরা সার্বিককরণ করে বলতে পারি যে X, Y, Z কিংবা A, B, C। অর্থাৎ সব ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণের সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
267
উত্তরঃ

কার্যকারণ নিয়মের অর্থ হলো, প্রত্যেক কার্য বা ঘটনার একটি কারণ আছে। কোনো ঘটনার আগে যা ঘটে তাকে কারণ বলে। আর সেই ঘটনার পরে যা ঘটে তাকে কার্য বা ফল বলে। কারণ ছাড়া কার্য বা ফল হয় না, বিনাকারণে কোনো ঘটনা ঘটে না, নিছক শূন্য (০) থেকে কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। শূন্য থেকে শুধু শূন্য পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এমন কোনো ঘটনা নেই, যার কোনো কারণ নেই; প্রতিটি ঘটনাই কার্যকারণে আবদ্ধ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews