ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক মানবদেহ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বললেন এটি একটি আজব যন্ত্র। এর প্রত্যেকটি অঙ্গের গড়ন খুবই নিখুঁত। এরপর তিনি পাঁচটি বিশেষ অঙ্গের কথা উল্লেখ করে বললেন এগুলো পঞ্চ ইন্দ্রিয় নামে পরিচিত। - এবং এদের যেকোনো একটি ব্যতীত মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব নয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

চেরা স্তরের নিচের স্তরটির নাম হলো কোরয়েড।

উত্তরঃ

আমরা জানি, জিহ্বায় রয়েছে স্বাদ কোরক, যার মাধ্যমে আমরা স্বাদ অনুভব করি। এ স্বাদকোরক জিহ্বার চারপাশে থাকলেও মাঝখানে থাকে না। এজন্য জিহ্বার মাঝখানে কোনো খাদ্যবস্তু রাখলে স্বাদকোরকের অনুপস্থিতির কারণে কোনো স্বাদ অনুভব করি না।

উত্তরঃ

শিক্ষকের উল্লিখিত অঙ্গগুলো হচ্ছে মানবদেহের পঞ্চ ইন্দ্রিয়। নিচে এদের নাম ও প্রধান কাজ উল্লেখ করা হলো-

১. চোখ: এটি মানবদেহের দর্শনেন্দ্রিয়। এর প্রধান কাজ হচ্ছে যেকোনো জিনিস দেখা।

২.কান: এটি শ্রবণেন্দ্রিয় নামে পরিচিত। এর প্রধান কাজ শুনতে ও দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা।

৩.নাক: এটি ঘ্রাণেন্দ্রিয় নামে পরিচিত। এর প্রধান কাজ শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ এবং কোনো কিছুর গন্ধ নেওয়া।

৪.নাক: এটি ঘ্রাণেন্দ্রিয় নামে পরিচিত। এর প্রধান কাজ শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ এবং কোনো কিছুর গন্ধ নেওয়া।

৫. ত্বক: এটি আমাদের দেহের বাইরের আবরণ। এর প্রধান কাজ হচ্ছে দেহের ভেতরের কোমল অংশকে রক্ষা করা ও শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেওয়া।

উত্তরঃ

শিক্ষকের উল্লিখিত শেষ উক্তিটি হচ্ছে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের যেকোনো একটি ব্যতীত মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব নয়-উক্তিটির সাথে আমি একমত। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-

মানবদেহের পাঁচটি সংবেদি ইন্দ্রিয় হচ্ছে চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বক। এগুলোর প্রত্যেকটির কাজ মোটামুটি অনন্য। অর্থাৎ এদের একেকটি একেক রকম কাজ করে দেহকে স্বাভাবিক রাখে। এদের যেকোনো একটির অভাবে দেহের স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটবে। যেমন- চোখে না দেখলে, কানে না শুনলে, নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে না পারলে, জিহ্বা দিয়ে খাদ্যের স্বাদ নিতে না পারলে অথবা দেহের ভেতরকার নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষার জন্য ত্বক না থাকলে মানবজীবন অর্থহীন হয়ে পড়বে। এদের যেকোনো একটির অনুপস্থিতিই আমাদের জীবনকে জটিল করে দিবে অর্থাৎ আমাদের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব হবে না।

অতএব উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উক্তিটি সম্পূর্ণ সঠিক।

150

আমাদের দেহ একটি আজব যন্ত্র। যন্ত্রটির গড়ন এমন নিখুঁত যে এর কথা ভাবতেই অবাক লাগে। যন্ত্রের প্রতিটি অংশ মাপে মাপে বানানো। একটুও কম-বেশি নেই। আর যন্ত্রটিকে ঠিক ঠিক চালানোর জন্য প্রতিটি অংশ নিজ নিজ কাজ করে চলে। কাউকে কিছু বলতে হয় না। কার কী কাজ সে আপনিই বুঝে নিচ্ছে। আমাদের কিছু বুঝার আগেই ঘটনা ঘটে যায়। যেমন- চোখের দিকে সাঁই করে একটি মাছি উড়ে এলো ওমনি চোখের পাতা গেল বন্ধ হয়ে। অসাবধানে গরম চুলায় হাত পড়লে, তুমি হাত সরিয়ে নেবে। পায়ে কাঁটা ফুটার সাথে সাথে 'উঃ মাগো' বলে কাতরাবে। সারা শরীর জেনে গেল কী একটা পায়ে বিধল। আমরা এগুলো অনুভব করতে পারি পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে। এ অধ্যায়ে আমরা পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সম্পর্কে আলোচনা করব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• সংবেদি অঙ্গসমূহের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণে সংবেদি অঙ্গের ব্যবহার প্রদর্শন করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্ন নেওয়ার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সংবেদি অঙ্গের যত্নের বিষয়ে নিজে সচেতন হব ও অন্যকে সচেতন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

চোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।

194
উত্তরঃ

চোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।

১. চোখের ভেতর থেকে আলোর প্রতিফলন হবে না।
২. পিউপিলের মাধ্যমে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।.
৩. সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো লেন্সটি সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারবে না। ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হবে না এবং চোখ বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সহায়তা করতে পারবে না।

512
উত্তরঃ

চিত্রে চোখের 'B' চিহ্নিত অংশটি আইরিশ, যার অবস্থান কর্নিয়ার পেছনে। এটি ঘন কালো গোলাকার একটি অস্বচ্ছ পর্দা। এর 'কেন্দ্রস্থলে একটি ছিদ্র থাকে যাকে পিউপিল বলে। আইরিশের পেশিসমূহের সংকোচন প্রসারণে পিউপিল ছোট বড় হতে পারে। এর ফলে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে। অর্থাৎ আইরিশ চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি

299
উত্তরঃ

চিত্রে চিহ্নিত অংশটি হলো লেন্স।

এটি তারারন্দ্রের ঠিক পেছনে অবস্থিত। লেন্স চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণের ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। যখন কোনো আলোকিত বস্তু হতে আলো চোখে পড়ে তখন তা পিউপিল দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়। লেন্স তখন ঐ বস্তুর একটি ক্ষুদ্র ও উল্টো প্রতিবিম্ব রেটিনার উপর সৃষ্টি করে, তখন আলোর এ উদ্দীপনা অপটিক স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছে। মস্তিষ্ক রেটিনার সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আর এভাবেই 'J' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ লেন্স আমাদের দেখতে সহায়তা করে।

263
উত্তরঃ

যেসব অঙ্গ দিয়ে আমরা দেখি, শুনি, খাবারের স্বাদ গ্রহণ করি, গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ অনুভব করি সেসব অজাকে সংবেদি অঙ্গ বলে।

881
উত্তরঃ

চিত্রের চিহ্নিত অংশটি হলো পিনা বা কর্ণচ্চত্র। এটি কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌছাবে না। ফলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না।

248
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews