ষোড়শ শতাব্দীতে সংঘটিত ত্রিশ বর্ষব্যাপী যুদ্ধে ইউরোপের বেশ। কয়েকটি দেশ জড়িয়ে পড়ে। ধর্মীয় কারণ ছাড়াও অনেক দেশ রাজনৈতিক কারণে এ যুদ্ধে সম্পৃক্ত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালে ২৮ জুন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মহাদেশীয় ব্যবস্থা হচ্ছে সমগ্র ইউরোপ ব্যাপী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেপোলিয়ন কর্তৃক আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ। নেপোলিয়ন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। তিনি মনে করতেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ বাস্তবায়ন হলে ইংল্যান্ড দুর্বল হয়ে ফ্রান্সের নিকট নতিস্বীকার করবে এবং ইউরোপে ফ্রান্সের সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে। ইংল্যান্ডের প্রতি আরোপিত এ অর্থনৈতিক অবরোধই মহাদেশীয় ব্যবস্থা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের যুদ্ধের সাথে ১ম বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের নীতিতে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার বিষয়ে মিল রয়েছে।  

১৯১৪ সালে অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়ার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। এ যুদ্ধটি পরিকল্পিতভাবে শুরু না হলেও সাম্রাজ্যবাদী ইউরোপীয় শক্তি রাষ্ট্রগুলো দুটি রাষ্ট্রের সংঘাতের সুযোগ নিয়ে নিজেদেরকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে এবং দুটি সামরিক শিবিরে বিভক্ত হয়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়িয়ে দেয়। এ বিশ্বযুদ্ধ জলে ও স্থলে সর্বত্র বিস্তৃত হয়েছিল। এ যুদ্ধের অক্ষশক্তি হিসেবে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি এবং মিত্রশক্তি হিসেবে ছিল ফ্রান্স, ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এই যুদ্ধে অক্ষশক্তি পরাজিত হয় এবং জার্মানকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অসহনীয় অপমান ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হয়। অর্থাৎ যে রাজনৈতিক নীতি সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টায় ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে সেই প্রচেষ্টায় তারা সফল হয়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে দুটি বলয়ে যুদ্ধ হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে ১ম বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সর্বাধিক ও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তিচুক্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ১৪ দফা দাবি প্রকাশ করেন যার মধ্যে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী জর্জ লয়েডের বিবৃতির মিল রয়েছে। প্যারিস শান্তি সম্মেলনেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আদর্শবাদিতার প্রতীক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব শর্ত কার্যকর হয়নি। বরং সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ যুদ্ধকালীন বিভিন্ন দেশ বহু চুক্তি করেছিল যার লক্ষ্য ছিল জার্মানিকে পদানত করা ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা। এভাবে প্যারিস শান্তি সম্মেলনে পরস্পর বিরোধী ধারার সৃষ্টি হয়। একদিকে ন্যায়, সততা, মানবতা ও স্থায়ী শান্তি অপরদিকে, জার্মানিকে দুর্বল করার ও জার্মানির নিকট ক্ষতিপূরণ গ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপে সাম্য বজায় রাখার ইচ্ছা। এ দুই শক্তির মধ্যে আদর্শ ও সততার নীতি বাদ দিয়ে জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নীতি বাস্তবায়িত হলো। প্যারিস শান্তি সম্মেলনের ৫টি সন্ধির মধ্যে ভার্সাইয়ের চুক্তি জার্মানির জন্য ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক চুক্তি। যার সুবিধা গ্রহণ করে মিত্রশক্তির সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

সুতরাং, উপর্যুক্ত পর্যালোচনায় আলোকে বলা যায় যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল সর্বাধিক ও আলোচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
25

Related Question

View All
উত্তরঃ

'লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার ও ৫. গ্র্যান্ড ক্রস

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
129
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনাটি আমার পাঠ্যপুস্তকের ভার্সাই সন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট।
সারায়েভো হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় এবং প্রায় পুরো বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তিনটি মহাদেশের ৩৪টি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। চার বছরের অধিককাল স্থায়ী এ যুদ্ধে জার্মানি পরাজিত হলে বিজয়ী বিশ্বশক্তি জোট ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানিকে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করে। সন্ধি স্বাক্ষরের পূর্বে ভার্সাই সন্ধির খসড়া জার্মানিকে দেওয়া হয়নি। তাই পরবর্তীতে জার্মানিরা এ সন্ধিকে চাপিয়ে দেওয়া সন্ধি বলে অভিহিত করে এবং প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আড়পাড়া ও জামতৈল গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত অন্যান্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসে একতরফাভাবে আড়পাড়াকে দায়ী করে এবং তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দেয়, যা ভার্সাই সন্ধির ঘটনাকে ইঙ্গিত করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ভার্সাই সন্ধির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
116
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনার অর্থাৎ ভার্সাই সন্ধির প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী-উক্তিটি যথার্থ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম। বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়।। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানির সৈন্য সংখ্যা এক লাখে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি নিষিদ্ধ করা

হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ। সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস
লোরেন ও খনিসমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যুব্জ হয়ে পড়েছি জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুরি পাওয়ার জন্য। এ সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলাটের আবির্ভাব ঘটে হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মানবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরূদ্দে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির ক্ষতিকর প্রভাবই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
109
উত্তরঃ

উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জার্মান দার্শনিক, পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণ এ কথা প্রচার করতে থাকেন যে জার্মানগণ হচ্ছে বিশুদ্ধ আর্য এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি। ক্রমে এ জাতীয়তাবাদী ধারণা ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, রাশিয়া প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। জার্মান জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার জাতিগত বিদ্বেষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ অবস্থাকে উগ্র জাতীয়তাবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
120
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews