সংক্ষিপ্ত-প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের ক্ষেত্রে বীজ উৎপাদন কষ্টকর অথবা বীজ তৈরি হয় না। সেসব ক্ষেত্রে বংশবিস্তারের একমাত্র উপায় হচ্ছে বংশবিস্তারক উপকরণ। বংশ বিস্তারক এসব বীজ না উৎপাদন করতে পারা উদ্ভিদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বংশবিস্তারক উপকরণের মাধ্যমে যে কোনো সময় মাতৃ গুণাগুণ সম্পন্ন চারা পাওয়া সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চারটি প্রকৃত বীজের নাম হলো-
১. ধান,
২. গম,
৩. সরিষা,
৪. কাঁঠাল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কৃষিতত্ত্ব অনুসারে চারটি অঙ্গজ বীজের নাম হলো-
১. আমের কলম,
২. আলুর কন্দ,
৪. আখের কান্ড ও
৪. আনারসের মুকুট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ হলো ফসলের নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বক।
উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বক।
২. সপুষ্পক উদ্ভিদ থেকে উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ ও কৃষিতাত্ত্বিক বীজের মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখা হলো-

উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ

কৃষিতাত্ত্বিক বীজ

১. উদ্ভিদের নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বক।

১. উদ্ভিদের যেকোনো অংশ বা উপযুক্ত পরিবেশ নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে।

২. এর অপর নাম প্রকৃত বীজ।

২. এর অপর নাম অঙ্গজ বীজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফসল বীজ উৎপাদনের ধাপগুলো হলো-
১. বীজ জমি নির্বাচন,
২. বীজ জমি পৃথকীকরণ,
৩. বীজ সংগ্রহ,
৪. বীজের হার নির্ধারণ,
৫. নির্বাচিত জমি প্রস্তুতকরণ,
৬. বীজ বপন,
৭. রোগিং বা বাছাইকরণ ও
৮. বীজ সংগ্রহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফসল বীজ উৎপাদনের জন্য খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। যেমন- জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করা, প্রয়োজনমতো সেচ দেওয়া, নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করা। বৃষ্টির পানি বা সেচের পানি জমলে তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও রোগ বা পোকার আক্রমণ হলে তা দমনের ব্যবস্থা করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ সংগ্রহের সময় বীজের জাতের নাম, উৎপাদনকারীর নাম ও নম্বর, অন্য জাতের বীজের শতকরা হার, বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা, বীজের আর্দ্রতা, বীজ পরীক্ষার তারিখ ইত্যাদি জানা প্রয়োজন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজের হার নির্ধারণ বীজের বিশুদ্ধতা, সজীবতা, অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা, আকার, বপনের সময় ও মাটির উর্বরতার উপর নির্ভর করে। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে হেক্টর প্রতি বীজের হার নির্ধারণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ফুল ও ফলের চারা অঙ্গজ পদ্ধতিতে উৎপাদনের প্রচলন বেশি কারণ এসব গাছের বংশবিস্তার প্রকৃত বীজের মাধ্যমে হলে ফুল, ফল পেতে বেশি সময় লাগে ও মাতৃগাছের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে না। এছাড়াও অনেক ফসলের প্রকৃত বীজ দ্বারা বংশবিস্তার সম্ভব হয় না। অল্প সময়ে অধিক চারা উৎপন্ন করার জন্য অঙ্গজ পদ্ধতি বেশি প্রচলিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ আলুর ভালো ফলন পাওয়ার জন্য সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম। নির্বাচিত জমি অন্যান্য সোলানেসি গোত্রভুক্ত জমি থেকে ৩০ মিটার দূরে থাকতে হবে। ৫ ৬টি চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরা আগাছা মুক্ত করতে হবে। চাষ অন্তত ১৫ সেমি. গভীর হতে হবে। মাটি 'জো' অবস্থা আসার পর আলু লাগাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ জমি পৃথকীকরণের উদ্দেশ্য বীজের জন্য উৎপাদিত শস্যের সাথে অন্য বীজের সংমিশ্রণ রোধ করা।
বীজ ফসলের পাশেই একই ফসলের জমি থাকলে বীজ ফসলের বীজের সাথে যেকোনো মাধ্যমে সংমিশ্রণ হবার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি পরাগায়নের মাধ্যমে জাতের বিশুদ্ধতা নষ্ট হতে পারে  কারণে বীজ জমি পৃথক রাখতে হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলুর বীজ শোধন করা না হলে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ সংক্রমণ ঘটবে। এতে করে সব আলুই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করার জন্য আলুর বীজ শোধন করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলু চাষে প্রতি শতাংশে সারের পরিমাণ হলো- কম্পোস্ট ৪০ কেজি, ইউরিয়া ১৪০০ গ্রাম, টিএসপি ৯০০ গ্রাম, এমওপি ১০৬০ গ্রাম, বোরন সার ২৫ গ্রাম, জিঙ্ক সালফেট ৫০ গ্রাম এবং জিপসাম। ৫০০ গ্রাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলুতে সুষম সার ব্যবহারের দুটি কারণ হলো-
১. সুষম সার প্রয়োগ করলে আলুর উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদিত বীজ আলুর গুণগত মান ভালো হয়।
২. গাছে কোনো খাদ্যোপাদনের অভাবজনিত লক্ষণ সৃষ্টি হলে ভাইরাস রোগের উপস্থিতি নির্ণয় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ আলু উৎপাদনের জন্য বীজের হার হলো প্রতি হেক্টরে ১.৫ টন ২ টন অথবা প্রতি একরে ৬০০ ৮০০ কেজি। রোপণ দূরত্ব হলো আস্ত আলুর ক্ষেত্রে বীজ থেকে বীজের দূরত্ব ২৫ সে.মি. এবং লাইন থেকে লাইন ৬০ সে.মি.। অপরদিকে কাটা আলুর ক্ষেত্রে বীজ থেকে বীজের দূরত্ব ১০ ১৫ সে.মি. এবং লাইন থেকে লাইন ৬০ সে.মি.।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ ফসলের জন্য ফসলকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ও সজীব সতেজ হতে হয়। আর এ ক্ষেত্রে রোগিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রোগিংয়ের মাধ্যমে রোগাক্রান্ত, অস্বাস্থ্যবান, বৃদ্ধিহীন গাছগুলোকে তুলে ফেলা হয়। এতে বাকি বিদ্যমান সবগুলো গাছ সতেজ ও স্বাস্থ্যবান হয়। ফলে এটি বীজ হিসেবে ব্যবহার করলে পরবর্তীতে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলু চাষে ভেলি বরাবর মাটি উঠিয়ে দিতে হয় যেন আলু মাটির বাহিরে চলে না যায় এবং স্টোলন ও আলু মাটির ভিতরে থাকে। এছাড়াও সূর্যের আলো থেকে আলুকে রক্ষা করার জন্য ভেলি বরাবর মাটি উঠিয়ে দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলুর চারটি রোগের নাম হলো-
১. মড়ক রোগ (লেইট ব্লাইট),
২. ঢলে পড়া রোগ,
৩. দাঁদ রোগ ও
৪. কান্ড পচা রোগ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলুর কাটুই পোকা দমনের দুটি উপায় হলো-
১. খুব সকালে যেসব গাছ কাটা পাওয়া যায় সেগুলোর গোড়ার মাটি সরিয়ে পোকার কীড়া বের করে মারা।
২. আক্রমণ তীব্র হলে অনুমোদিত মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীজ আলু উৎপাদনের চারটি পদ্ধতি হলো-
ক. টিস্যু কালচার পদ্ধতি,
খ. স্প্রাউট ও টপ শুট কাটিং পদ্ধতি,
গ. বিনাচাষে বীজ আলু উৎপাদন ও
ঘ. আলুর প্রকৃত বীজ উৎপাদন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফসল বীজের চারটি গুরুত্ব হলো-
১. ফসল বীজ ফসল উৎপাদনের মৌলিক উপকরণ।
২. ফসল বীজ মানুষ ও পশুপাখির খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ফসল বীজের মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশধারা টিকে থাকে।
৪. ফসল বীজের মাধ্যমে উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাটির উপরে গাছের সম্পূর্ণ অংশকে উপড়ে ফেলাকে হাম পুলিং বলে। আলু সংগ্রহের ৭-১০ দিন পূর্বে হাম পুলিং করতে হবে। এতে সম্পূর্ণ শিকড়সহ গাছ উপরে আসবে কিন্তু আলু মাটির নিচে থেকে যাবে। হাম পুলিং-এর ফলে আলুর ত্বক শক্ত হয়, রোগাক্রান্ত গাছ থেকে রোগ বিস্তার কম হয় ও আলুর সংরক্ষণগুণ বৃদ্ধি পায়। বীজ আলুতে অবশ্যই হাম পুলিং করতে হবে, তবে খাবার আলুর বেলায় হাম পুলিং জরুরি নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলু তোলার পর কোনো অবস্থাতেই স্তূপাকারে ক্ষেতে রাখা যাবে না, কারণ ক্ষেতে আলু খোলা রাখলে তা বিভিন্ন প্রকার রোগ ও পোকা দ্বারা আক্রান্ত হবে। এছাড়াও আলু স্তূপাকারে খোলা অবস্থায় রাখলে বিভিন্ন ছত্রাকের আক্রমণ হবে এবং পচন ধরবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আলু উত্তোলনের পর বাড়িতে এনে সাথে সাথে কাটা, দাগী ও পচা আলু আলাদা করে বেছে ফেলতে হবে। তারপর ৭.১০ দিন মেঝেতে আলু বিছিয়ে রাখতে হবে। অতঃপর আবারও দাগী ও পচা আলু বেছে বাদ দিয়ে ভালো আলু বস্তায় ভরে হিমাগারে পাঠাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের চারপাশে বড় গাছপালা না লাগালে পুকুর প্রচুর আলো-বাতাস পাবে। ফলে পুকুরে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হবে এবং মাছের খাদ্য বেশি তৈরি হবে। এছাড়াও পানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন মিশবে। এ কারণে পুকুরের পাড়ে বড় গাছপালা না লাগানো উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানির একটি ভৌত গুণাগুণ হলো সূর্যালোক। যে পুকুরে সূর্যালোক বেশি পড়ে সেখানে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়। ফলে পুকুরে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বেশি উৎপাদিত হয় ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষের পুকুরের পানির চারটি রাসায়নিক গুণাগুণ নাম
হলো-
১. দ্রবীভূত অক্সিজেন,
২. দ্রবীভূত কার্বন ডাইঅক্সাইড,
৩. পিএইচ (pH) ও
৪. ফসফরাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পানিতে ফসফরাস প্রয়োজন। কারণ প্রাকৃতিক পানিতে অতি অল্প পরিমাণ ফসফরাস থাকে। এ ফসফরাস, ফসফেটে রূপান্তরিত হয়। পরিমিত ফসফেটের উপস্থিতিতে প্রচুর পরিমাণ ফাইটোপ্ল্যাঙ্কন জন্মায়। এজন্য পুকুরের পানিতে ফসফরাস প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন মাছ চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ পুকুরে বসবাসকারী মাছ, জলজ উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণী এ অক্সিজেন দ্বারা শ্বাসকার্য চালায়। তাই মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম/লিটার (পিপিএম) দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষে pH এর মান ঠিক রাখতে হয়। pH এর মানের উপর পুকুরে চুন ও সার প্রয়োগ নির্ভর করে। মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানির pH ৬.৫ হতে ৮.৫ এর মধ্যে হলে ভালো হয়। pH 8 এর নিচে বা ১১ এর উপরে হলে মাছ মারা যায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে সার প্রয়োগের ফলে পানিতে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি হয়। মাছের প্রধান প্রাকৃতিক খাবার হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্লাঙ্কটন। সার প্রয়োগের ফলে পানিতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যেমন-ফসফরাস, পটাশিয়াম পানিতে মিশে যায়। এ পুষ্টি উপাদান ব্যবহার করে পানিতে ফাইটোপ্লাঙ্কটন তৈরি হয়। ফাইটোপ্লাঙ্কটনের ওপর নির্ভর করে জু-প্লাঙ্কটন তৈরি হয়। আর এগুলো মাছের লাভজনক উৎপাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সার মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে না। তবে সার প্রয়োগ দ্বারা পুকুরে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য প্লাঙ্কটন অর্থাৎ উদ্ভিদ কণা ও প্রাণিজ কণ্য উৎপন্ন হয় যা মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। তাই প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির জন্য পুকুরে জৈব রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পানির pH কমে অম্লীয় হয়ে গেলে পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হবে। অপরদিকে পানির pH বেড়ে ক্ষারীয় হয়ে গেলে অ্যামোনিয়াম সালফেট অথবা তেঁতুল গুলে পানিতে প্রয়োগ করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পিএইচ পানির একটি রাসায়নিক গুণ। পিএইচ এর মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত হয়। মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানির পিএইচ ৬.৫ থেকে ৮.৫ এর মধ্য হলে ভালো হয়। ৬.৫ এর নিচে পিএইচ হলে মাছের বৃদ্ধি কমে যায়। পিএইচ ৪ এর নিচে বা ১১ এর উপরে হলে মাছ মারা যায়। তাই মাছ চাষের ক্ষেত্রে পুকুরের পানির pH মান জানা গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে হলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে মাছের উৎপাদন পাওয়া যাবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্থায়ী পুকুর ও অস্থায়ী পুকুরের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

স্থায়ী পুকুরঅস্থায়ী পুকুর
১. এ ধরনের পুকুরে সারাবছর পানি থাকে।১. এ ধরনের পুকুরে বছরে নির্দিষ্ট সময় (৩-৮ মাস) পানি থাকে।
২. এ ধরনের পুকুরের মাটি বেশি সময় পানি ধরে রাখতে পারে না; যেমন- বেলে মাটির পুকুর।২. এ ধরনের পুকুরের মাটি সবসময় পানি ধরে রাখতে পারে; যেমন- এঁটেল ও দোঁআশ মাটির পুকুর।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চাষকৃত মাছের বয়সের উপর ভিত্তি করে পুকুরের শ্রেণিবিভাগ হলো-
১. আঁতুড় বা নার্সারি পুকুর,
২. লালন পুকুর ও
৩. মজুদ পুকুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বয়স ও দৈর্ঘ্য অনুসারে মাছের পোনার বিভিন্ন পর্যায়ের ভাগসমূহের নাম হলো- ডিম পোনা, রেণু পোনা, ধানী পোনা এবং আঙুলে বা চারা পোনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের তলদেশে মাছের খাদ্য হিসেবে জু-প্ল্যাঙ্কটন, কীটপতঙ্গের লার্ভা, জৈব-আবর্জনা, কেঁচো, শামুক-ঝিনুক ইত্যাদি পাওয়া যায়। যা মৃগেল, কালবাউশ, পাঙ্গাশ, শিং, মাগুর প্রভৃতি মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়কে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. প্ল্যাঙ্কটন,
২. সাঁতারু বা নেকটন,
৩. তলবাসী বা বেনথোস ও
৪. জলজ উদ্ভিদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন মূলত সবুজ উদ্ভিদ কণা যা পুকুরের উপরিভাগের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন কারণে পুকুরে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন কম জন্মায়, সূর্যালোকের অভাব পানির ঘোলাত্ব তাপমাত্রা, কার্বন ডাইঅক্সাইডের অভাব ইত্যাদি কারণে পুকুরে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন কম থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি জুপ্ল্যাঙ্কটন ও দুটি ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের নাম নিচে লিখা
হলো- জুপ্ল্যাঙ্কটন - ড্যাফনিয়া এবং রটিফার।
ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ক্লোরেলা এবং এনাবেনা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পানির রং বাদামি সবুজ, লালচে সবুজ বা হলদেটে সবুজ হলে বুঝা যাবে যে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের পাশাপাশি পুকুরে জুপ্ল্যাঙ্কটনের উৎপাদনও ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের তলদেশে কাদার উপরে বা ভিতরে যেসব জীব থাকে তাদেরকে তলবাসী বা বেনথোস বলে। যেমন- পচনকারী ব্যাকটেরিয়া, শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি। বেনথোস পুকুরের তলা থেকে প্ল্যাঙ্কটনের পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন ও ফসফরাস মুক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে পানিতে প্ল্যাঙ্কটনের পুষ্টি উপাদান বাড়ে যা মাছ চাষের জন্য ভালো। এভাবে বেনথোস মাছের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চারটি জলজ উদ্ভিদের নাম হলো-
১. স্পাইরোগাইরা,
২. কচুরিপানা,
৩. টোপাপানা ও
৪. শাপলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নির্গমশীল উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এসব উদ্ভিদের শিকড় পানির নিচে মাটিতে থাকে।
২. এসব উদ্ভিদের পাতা ও কান্ডের উপরের অংশ বা শুধু পাতা পানির উপর ভেসে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্ভিদের শিকড় পানির নিচে মাটিতে থাকে কিন্তু পাতা ও কাণ্ডের উপরের অংশ বা শুধু পাতা পানির উপরে দাঁড়িয়ে থাকে বা ভেসে থাকে সেসব উদ্ভিদকে নির্গমশীল উদ্ভিদ বলে। শাপলা ফুল গাছের শিকড় মাটিতে থাকে কিন্তু পাতা ও কান্ডের উপরের অংশ পানির উপরে ভেসে থাকে। তাই শাপলাকে নির্গমশীল উদ্ভিদ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ডুবন্ত উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের শিকড় মাটিতে থাকে।
২. এদের পাতা ও ডাল কখনো পানির উপরে আসে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি লতানো উদ্ভিদের নাম হলো- ১. কলমিলতা ও ২. মালঞ্জ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নির্গমশীল উদ্ভিদ ও নিমজ্জিত উদ্ভিদের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

নির্গমশীল উদ্ভিদনিমজ্জিত উদ্ভিদ
১. শিকড় পানির নিচে মাটিতে এবং পাতা পানির উপর থাকে।১. এদের পাতা ও ডাল কেনো পানির উপরে আসে না।'
২. যেমন- শাপলা, আড়াইল।২. যেমন- কাঁটাঝাঁঝি, পাতাঝাঁঝি।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তাপমাত্রা বৃদ্ধির উপর মাছের বৃদ্ধি নির্ভর করে কারণ তাপমাত্রা কমে গেলে মাছ খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দেয় ফলে মাছের বৃদ্ধি কমে যায়। যেমন- শীতকালে মাছের বৃদ্ধি কম হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রেণু পোনা বড় হয়ে ধানের মতো আকার (২ বা ২ সেমি এর উপর) হলে একে ধানী পোনা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত মাছের বৃদ্ধির হার ১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো হয়। ১ বছরের পর মাছের বৃদ্ধির হার কমে যায়। এক্ষেত্রে ১ বছরের পর খাদ্য দিলেও মাছের বৃদ্ধির হার কম হয়। এ কারণে ১ বছরের উপর মাছ লালন না করাই ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে মাছ চাষে পুকুরের আকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। পুকুরের আকৃতি আয়তাকার হলে জাল টেনে মাছ আহরণ করা সহজ হয়। এ কারণে পুকুরের আকৃতি আয়তাকার হলে ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষের জন্য পুকুর খননের সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে তা হলো-
১. পুকুরটি যথাসম্ভব অ্যয়তাকার রাখতে হবে।
২. গভীরতা এমনভাবে করতে হবে যেন সারাবছর ১.৫ থেকে ২ মিটার পানি থাকে।
৩. পুকুর খননের সময় পাড়ের ঢাল ন্যূনতম ১.৫: ২ রাখতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে বালির পরিমাণ বেশি হলে পুকুর পাড়ের ঢাল ১: ৩ করা নিরাপদ। উপরের মাটি ভালো ও উর্বর হলে তা আলাদা করে সরিয়ে নিতে হবে। খনন শেষে তলায় বালু মাটির উপরে তা বিছিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় পাড় ভেঙে গিয়ে অল্পদিনে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নতুন পুকুর খননের পর তা দরমুজ দিয়ে পিটিয়ে পাড়ের মাটি শক্ত করতে হবে। পুকুরের পাড়ে ঘাস লাগিয়ে দিতে হবে। ফলে পুকুরের পাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা বর্ষায় পাড়ের মাটি ক্ষয়ে যাবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের গভীরতা বেশি হলে সূর্যের আলো পুকুরের অধিক গভীরতা পর্যন্ত পৌছাতে পারে না। ফলে অধিক গভীর অঞ্চলে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য প্ল্যাঙ্কটন তৈরি হয় না। আবার সেখানে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে। এজন্যই পুকুরের গভীরতা বেশি হওয়া ভালো নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুর প্রস্তুতি মাছ চাষের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাছ চাষের পূর্বে পুকুর সংস্কারের মাধ্যমে ভালোভাবে প্রস্তুত করে নিলে মাছ সাস্থ্যসম্মত বসবাসের অনুকূল পরিবেশ পায়। এতে মাছের দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে ও রোগবালাই কম হয়। ফলে মাছের উৎপাদন লাভজনক হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছ চাষের জন্য পুকুর প্রস্তুতির চারটি ধাপ হলো-
১. পুকুরের পাড় ও তলদেশ মেরামত করা।
২. জলজ আগাছা দমন করা।
৩. রাক্ষুসে ও অচাষযোগ্য মাছ দূরীকরণ।
৪. পুকুরের প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের পাড় ও তলদেশ মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো-
১. অতিরিক্ত বৃষ্টি বা বন্যায় মাছ ভেসে যেতে কিংবা রাক্ষুসে মাছ ঢুকতে বাধা দেয়।
২. পুকুরের পাড়ের গাছ কেটে বা ছেঁটে দিলে সূর্যালোক পড়তে সহযোগিতা করে।
৩. পুকুরের তলদেশের কাদা শুকিয়ে বিষাক্ত গ্যাস, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ রোধ করা যায়।
৪. পুকুরের তলদেশ চালু থাকলে মাছ ধরতে ও জাল টানতে সুবিধা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৩৪ বছর পর পর পুকুর কড়া রোদে শুকাতে হয় সাথে তলায় হালকা চাষ দিয়ে নিতে হয়। এতে করে পুকুরের তলা থেকে বিষাক্ত গ্যাস, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও পোকামাকড় দূর হয়। ফলে পুকুর মাছ চাষের উপযোগী হয় এবং মাছের উৎপাদন লাভজনক হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সফলভাবে মাছ চাষের জন্য জলজ আগাছা দমন করা প্রয়োজন কারণ আগাছা সূর্যের আলো পড়তে বাধা দেয়। আগাছা পুকুরে দেওয়া সার শোষণ করে নেয় এবং মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা দেয়। এছাড়াও আগাছার মধ্যে মাছের বিভিন্ন শত্রু যেমন-রাক্ষুসে মাছ, সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি লুকিয়ে থাকে যা মাছ ধরে খায়। ফলে মাছের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রোটেনন দিয়ে রাক্ষুসে মাছ নিধনে পুকুর শুকানোর ঝামেলা নেই। এক্ষেত্রে পুকুরের আয়তন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ রোটেনন পানিতে গুলিয়ে পুকুরে ছিটিয়ে দিলেই মাছ দম বন্ধ হয়ে মারা যায়। রোটেনন বিষাক্ত না হওয়ায় মৃত মাছ খেতেও সমস্যা নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে রাক্ষুসে ও অচাষযোগ্য মাছ নিধনে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে রোটেনন বা মহুয়ার খৈল ব্যবহার করা হয়। এতে মৃত মাছ খাওয়া যায় এবং পরবর্তীতে জৈব সার হিসেবেও কাজ করে। এছাড়া রাক্ষুসে মাছ মারার জন্য রাসায়নিক বিষ ফসটক্সিন টেবলেট ব্যবহার করা হয় তবে এতে মৃত মাছ খাওয়া যায় না। সাধারণত পুকুরে নতুন মাছ ছাড়ার আগে বিষ দিয়ে ক্ষতিকর প্রাণীগুলোকে মারা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জৈবিক পদ্ধতিতে আগাছা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিচে
দেওয়া হলো-
১. সহজ উপায়ে জলজ আগাছা দমন।
২. একই সাথে একাধিক জাতের মাছ চাষ সম্ভব হয়। যেমন- অন্য মাছের সাথে গ্রাসকার্প বা সরপুঁটি উদ্ভিদভোজী মাছ চাষ।
৩. মাছের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
৪. অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ কম হলেও হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো হলো-
১. সেক্কিডিঙ্ক পরীক্ষা,
২. হাত পরীক্ষা ও
৩. প্লাস পরীক্ষা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পুকুরের পানি নিয়ে সূর্যের আলোর দিকে' ধরতে হবে। সেখানে যদি পানির রং সবুজ বা বাদামি সবুজ দেখা যায় এবং পানিতে অসংখ্য সূক্ষ্ম কণা ও ছোট পোকার মতো দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরিমাণ মতো তৈরি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

২০ সে.মি. ব্যাসযুক্ত টিনের একটি সাদা-কালো থালা (একে সেক্সিডিস্ক বলে) সুতা দ্বারা পানিতে ডুবানোর পর যদি ২৫-৩০ সে.মি. গভীরতায় থালা না দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য রয়েছে। যদি ৩০ সে.মি. এর অধিক গভীরতায় সেভিডিস্ক দেখা যায় তবে বুঝতে হবে খাবার অনেক কম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে পোনা মজুদের পূর্বেই সার প্রয়োগের ৫-৭ দিন পর পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হয়। আর একেই পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য উপস্থিতির পরীক্ষা বলে।
কয়েকটি পদ্ধতিতে এটা করা যায়। যেমন-
১. সেক্সিডিস্ক, ২. হাত পরীক্ষা, ৩. গ্লাস পরীক্ষা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে পুকুরে বিষ ব্যবহার করে মাছ মারা হয়েছে সেখান থেকে বালতি বা পাতিলে পানি সংগ্রহ করতে হবে। সেই বালতি বা পাতিলে ১০- ১৫টি পোনা ছেড়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এ সময়ে কোনো মাছ মারা গেলে তখন বুঝতে হবে বিষক্রিয়া এখনো বিদ্যমান। যদি মাছ না মরে তবে পানিতে বিষক্রিয়া নেই। তখন পুকুরে পোনা মজুদ করা যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দূরবর্তী স্থানে পরিবহনের ক্ষেত্রে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করা উচিত। সেই পলিথিন ব্যাগে অক্সিজেন সরবরাহ করে দূরবর্তী স্থানে পোনা পরিবহন করা হয়। ব্যাগে পরিমাণমতো অক্সিজেন সরবরাহ করা না হলে পোনা মারা যেতে পারে। ফলে ব্যাগের ৩ ভাগের ১ ভাগ পানি ও ২ ভাগ অক্সিজেন দিতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে পোনা ছাড়ার জন্য পোনা সংগ্রহ করার উৎসগুলো হলো-
১. সরকারি হ্যাচারি,
২. বেসরকারি হ্যাচারি ও
৩. নার্সারি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে পোনা ছাড়ার পূর্বে পোনা শোধনের প্রয়োজনীয়তা নিম্নরূপ :
১. পোনা ছাড়ার পূর্বে শোধন করে নিলে পোনাগুলো ক্ষতিকর পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত থাকলে তা দূর হবে।
২. পোনাগুলো রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
৩. পোনাগুলোর মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি বালতি বা পাতিলে ১০ লিটার পানি নিয়ে ১ চা চামচ পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট বা ২০০ গ্রাম লবণ মেশাতে হবে। তারপর একটি বালতি বা পাতিলে ৩০০- ৫০০টি পোনা আধামিনিট গোছল করাতে হবে। একবার তৈরিকৃত মিশ্রণে ৪ ৫ বার পোনা শোধন করা যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাছের পোনা সরাসরি পুকুরের পানিতে ছাড়া উচিত নয় কারণ মাছের পাত্রের তাপমাত্রা ও পুকুরের পানির তাপমাত্রা এক নয়। এতে করে মাছের পোনা মারা যেতে পারে। এজন্য পোনা ছাড়ার পূর্বে পোনাকে পুকুরের পানির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। এ জন্য পোনাভর্তি পলিব্যাগ বা পাত্র পুকুরের পানিতে ১০-২০ মিনিট ভাসিয়ে রাখতে হবে। এ সময় অল্প অল্প করে পলিথিনে বা পাত্রে পুকুরের পানি মেশাতে হবে এবং তাপমাত্রা সমান হয়ে গেলে পোনা পানিতে ছাড়তে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পোনা ছাড়ার পূর্বে পোনাকে পুকুরের পানির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। এজন্য পোনাভর্তি পলিব্যাগ বা পাত্র পুকুরের পানিতে ১৫ - ২০ মিনিট ভাসিয়ে রাখতে হবে। এ সময় অল্প অল্প করে পাত্রে পুকুরের পানি মেশাতে হবে। এতে করে পুকুর ও পানির তাপমাত্রা প্রায় সমান হবে। এরপর পাত্র কাত করে পানির ঢেউ দিলে পোনা পুকুরে চলে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার চারটি কারণ
হলো-
১. অতিরিক্ত পানি ব্যবহার,
২. কৃষিকাজে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার,
৩. শিল্পায়নের ফলে পানি দূষণ এবং
৪. নির্বিচারে ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ নিধন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণগুলো হলো-
১. জনসংখ্যা বৃদ্ধি।
২. অতিরিক্ত পানির ব্যবহার।
৩. কৃষিকাজে কীটনাশক ব্যবহার ও শিল্পায়নের ফলে পানি দূষণ।
৪. অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ ও নির্বিচারে ডিমওয়ালা পোনা মাছ নিধন।
৫. নদীতে অপরিকল্পিত বাঁধ ও অবকাঠামো নির্মাণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সে সাথে মাছের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলেরা দেশের বিভিন্ন জলাশয় থেকে প্রায় ছোট বড় সব মাছই ধরছে। এ থেকে রেহাই পাচ্ছে না পোনা ও প্রজননক্ষম মাছও। ফলে প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে ক্রমান্বয়ে মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চারটি মুক্ত জলাশয়ের নাম হলো- নদ-নদী, বিল, কাপ্তাই লেক ও সুন্দরবনের জলাভূমি।
চারটি বদ্ধ জলাশয়ের নাম হলো- পুকুর, দিঘি, ডোবা ও চিংড়ি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট স্বাদুপানির প্রজাতির সংখ্যা ২৬০টি। এরমধ্যে চরম বিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ৯টি, বিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ৩০টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতির সংখ্যা ২৫টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রজাতি বিপন্ন না হলেও মধ্যমেয়াদি ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতি বলে। দুটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতির মাছের নাম হলো- ১. আইড় ও ২. কাজলি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি বিপন্ন প্রজাতির মাছ হলো- ১. চিতল ও ২. টেংরা এবং দুটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতির মাছ হলো- ১. আইড় ও ২. কাজলি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রজাতি প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে অচিরেই বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকি মোকাবেলা করছে তাকে চরম বিপন্ন প্রজাতি বলে। বাংলাদেশে স্বাদুপানির ২৬০টি প্রজাতির মধ্যে চরম বিপন্ন প্রজাতি হলো ১২টি। এগুলোর মধ্যে সরপুঁটি, মহাশোল, বাঘাআইড় উল্লেখযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে প্রজাতির মাছ অদূর ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হবার ঝুঁকি মোকাবিলা করছে তাকে বিপন্ন প্রজাতি বলে। দুটি বিপন্ন প্রজাতির মাছের নাম হলো- ১. চিতল ও ২. টেংরা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের ২টি গুরুত্ব নিচে দেওয়া হলো-
১. মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের বা ঘোষণার মাধ্যমে মাছের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা যায়।
২. মাছের অবাধ প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণ, এবং সম্প্রসারণ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সে সাথে মাছের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলেরা দেশের বিভিন্ন জলাশয় থেকে প্রায় ছোট বড় সব মাছই ধরছে। এ থেকে রেহাই পাচ্ছে না পোনা ও প্রজননক্ষম মাছও। ফলে প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে ক্রমান্বয়ে মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতি বছরের জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেমি (৯ ইঞ্চি) এর ছোট রুই মাছ ধরা নিষিদ্ধ। অপরদিকে ফেব্রুয়ারি হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেমি (১২ ইঞ্চি) আকারের ছোট বোয়াল মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য সংরক্ষণ আইনের দুটি বিধি হলো-
১. জলসেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা নর্দমার উদ্দেশ্য ব্যাতিত নদী-নালা, খাল এবং বিলে অস্থায়ী বা স্থায়ী বাঁধ বা কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না।
২. অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ, পরিবেশ দূষণ, বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধ্বংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মাছ ধরার জাল সম্পর্কিত একটি বিধি রয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেমি বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁসবিশিষ্ট ফাঁসজাল (প্রচলিত নাম কারেন্ট জাল) ব্যবহার নিষিদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ বিধিটি হলো- ইলিশ মাছের অবাধ প্রজননের সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রজনন ক্ষেত্রগুলোতে প্রতি বছর ১৫ - ২৪শে অক্টোবর (১ -১০ই আশ্বিন) ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য সংরক্ষণ আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি নিম্নরূপ:
১. প্রথমবার আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি হবে কমপক্ষে ১ মাস হতে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ১০০০/-টাকা জরিমানা।
২. পরবর্তীতে প্রতিবার আইন ভঙ্গের জন্য কমপক্ষে ২ মাস হতে সর্বোচ্চ ১ বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ২০০০/- জরিমানা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পাখির আবাসনের চারটি উদ্দেশ্য হলো-
১. আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
২. সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
৩. বন্য পশুপাখির আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
৪. সহজে খাদ্য ও পানি সরবরাহ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁস-মুরগির আবাসনের স্থান নির্বাচনের সময় অনেকগুলো বিষয় লক্ষ রাখতে হয়। যেমন- উঁচু ও বন্যামুক্ত এলাকা হতে হবে। এছাড়াও উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের সুবিধা, বাজারজাত করার সুবিধা, পানি নিষ্কাশন সুবিধা এবং প্রয়োজনে যেন খামার বড় করা যায় সেই সুবিধা থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শেড টাইপ ও গ্যাবল টাইপ ঘরের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

শেড টাইপ ঘরপ্যাবল টাইপ ঘর
১. খোলা বা অর্ধ-আবদ্ধ অবস্থায় হাঁস-মুরগি পালনের জন্য উপযোগী।১. আবদ্ধ অবস্থায় হাঁস-মুরগি পালনের জন্য উপযোগী।
২. এ ধরনের ঘর তৈরিতে খরচ কম লাগে।২. এ ধরনের ঘর তৈরিতে খরচ বেশি লাগে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্যাবল টাইপ ঘরের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. গ্যাবল টাইপ ঘর দোচালা হয়ে থাকে।
২. এ ধরনের ঘরের ছাদ ঢালু থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্যাবল টাইপ ঘর হলো দোচালা ঘর। এ ধরনের ঘরের ছাদ ঢালু থাকে। অধিক বৃষ্টি হলে ঘরের ছাদে পানি জমে থাকে না। তাই গ্যাবল টাইপ ঘর বৃষ্টিপ্রবণ এলাকার জন্য অনেক উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন উদ্দেশ্য অনুযায়ী হাঁস-মুরগি পালনের জন্য নানা ধরনের ঘর থাকতে পারে। যেমন-
১. বাচ্চার ঘর বা ব্রুডার ঘর,
২. গ্রোয়ার ঘর,
৩. ডিম পাড়া হাঁস-মুরগির ঘর,
৪. হ্যাচারি ঘর ও
৫. ব্রয়লার ঘর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে খামারে মাংস উৎপাদনকারী ব্রয়লার মুরগি পালন করা হয়. তাকে ব্রয়লার খামার বলে এবং যে ঘরে পালন করা হয় তাকে ব্রয়লার ঘর বলে। ব্রয়লার ঘরে মুরগিকে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত পালন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে খামারে বীজ ডিম থেকে ইনকিউবেটরের সাহায্যে বাচ্চা ফোটানো হয় তাকে হাঁস, মুরগির হ্যাচারি খামার বলে। হ্যাচারি খামারের যে ঘরে বাচ্চা ফোটে তাকে হ্যাচারি ঘর বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে ঘরে সদ্য ফোটা বাচ্চাদের জন্ম থেকে ৪ ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত বিশেষ যত্নে পালন করা হয় তাকে ব্রুডার ঘর বলে। ব্রুডার ঘরে কৃত্রিমভাবে তাপ প্রদান, টিকা, লিটার, খাদ্য ও পানির ব্যবস্থা করা হয়। বিভিন্ন রোগবালাই থেকে বাচ্চাদের রক্ষার জন্য ব্রুডার ঘর প্রয়োজন। যেখানে বাচ্চা বিশেষ যত্নে সুস্থ-সবলভাবে বেড়ে উঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির ঘরের দেয়াল মাটি, বাঁশ, কাঠ, ইট, তারের নেট ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা যায়। দেয়ালের উচ্চতা ব্রয়লারের ক্ষেত্রে ০.৩ মিটার (১ ফুট) ও লেয়ারের ক্ষেত্রে ০.৬ মিটার (২ ফুট) পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে। দেয়ালের উপরের অংশে তারের নেট দেওয়া হয়ে থাকে। তবে শীতের দিনে উপরের নেটের অংশটুকু চটের বস্তা বা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁস-মুরগির ঘরের ছাদ সাধারণত টিন, অ্যাসবেস্টাস এবং করোগেটেড শিট দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পালনের জন্য সিমেন্ট ও কংক্রিটের তৈরি ছাদ ব্যবহৃত হয়। গ্রামীণ পরিবেশের পারিবারিক খামারে ছন ও গাছের পাতা ব্যবহার করে ছাদ তৈরি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রোয়ার ঘর হলো বাড়ন্ত হাঁস-মুরগির ঘর। এখানে ডিম উৎপাদনকারী হাঁস-মুরগির বাচ্চাকে লালন করা হয়। সাধারণত এখানে ৫/৭ সপ্তাহ থেকে ২০ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত পালন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে ঘরে ডিম উৎপাদনকারী হাঁস-মুরগিকে ডিম উৎপাদনের জন্য পালন করা হয় তাকে ডিমপাড়া হাঁস-মুরগির ঘর বলে। এখানে ডিম উৎপাদনকারী হাঁস-মুরগি ২১ থেকে ৭২ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত পালন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁস-মুরগি পালনের জন্য আয়তাকার ঘর সবচেয়ে ভালো। হাঁস-মুরগির সংখ্যার উপর ঘরের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে। ঘরের দৈর্ঘ্য যাই হোক না কেন প্রস্থ ৪.৫-৯.০ মিটারের মধ্যে হতে হবে। হাঁস-মুরগির ঘর পূর্ব-পশ্চিমে লম্বালম্বি এবং দক্ষিণমুখী হতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পাখির স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধির জন্য খাদ্য সরবরাহ করা গুরুত্বপূর্ণ। খামার পরিচালনার প্রায় ৭০ ভাগ খরচ খাদ্যের পিছনে ব্যয় হয়। দেহের বৃদ্ধি, ভরণপোষণ ও উৎপাদনের জন্য পাখিকে খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। প্রয়োজনীয় পুষ্টি সম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ না করলে রোগবালাই বেড়ে যাবে, উৎপাদন কমে যাবে এবং খামার লাভজনক হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পাখির খাদ্যের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. দানাশস্য. ও এদের উপজাতসমূহ সতেজ ও মানসম্মত হতে হবে।
২. খাদ্যে পাখির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকতে হবে।
৩. খাদ্য জীবাণু, ছত্রাক ও পরজীবী মুক্ত হতে হবে।
৪. খাদ্য সহজপাচ্য হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সুষম রেশনে উপস্থিত উপাদানসমূহ হলো-
১. শর্করা, ২. আমিষ, ৩. চর্বি, ৪. খনিজ লবণ ও ৫. ভিটামিন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লেয়ার মুরগিকে ৩ প্রকারের রেশন সরবরাহ করা হয়। সেগুলো হলো-
১. লেয়ার স্টার্টার: ০- ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত।
২. বাড়ন্ত মুরগির রেশন: ৯-১৯ সপ্তাহ পর্যন্ত।
৩. ডিমপাড়া মুরগির রেশন: ২০ ৭২ সপ্তাহ পর্যন্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রয়লার মুরগিকে ৩ প্রকার রেশন সরবরাহ করা হয়। সেগুলো
হলো-
১. ব্রয়লার স্টার্টার বা প্রারম্ভিক রেশন: ০-২ সপ্তাহ পর্যন্ত।
২. ব্রয়লার গ্রোয়ার ৩  -৪ সপ্তাহ পর্যন্ত।
৩. ব্রয়লার ফিনিসার রেশন: ৫ -৬ সপ্তাহ পর্যন্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির খাদ্য তৈরিতে প্রধাণত দানাশস্য ও এদের উপজাত ব্যবহার করা হয়। রেশন তৈরির জন্য দানাশস্য হিসেবে প্রধাণত গম, ভুট্টা ও ভুসি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বসতবাড়িতে পারিবারিক মুরগি পালনে যেকোনো শস্যদানা যেমন- ধান, চাল, খুদ, ডাল, সরিষা ইত্যাদি মুরগিকে খেতে দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের ভূমিকা অপরিসীম। আমিষ জাতীয় খাদ্য হিসেবে শুঁটকি মাছের গুঁড়া, তিলের খৈল, সরিষার খৈল, সয়াবিন মিল ইত্যাদি প্রদান করা হয়। অপরদিকে স্নেহ জাতীয় খাদ্য হিসেবে বিভিন্ন উদ্ভিজ তৈল যেমন- পাম তৈল, তিলের তৈল, সয়াবিন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির রেশনে পুষ্টি উপাদান হিসেবে খনিজ পদার্থ অপরিহার্য। চারটি খনিজ পদার্থের উৎসের নাম হলো-
১. খাদ্য লবণ,
২. ঝিনুক খোসা চূর্ণ,
৩. হাড়ের গুঁড়া ও
৪. ডিমের খোসা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির খাদ্য গ্রহণ ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির জন্য ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়াও খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ মুরগির জাত, বয়স, তাপমাত্রা, খাদ্যের মান, বাসস্থান, খাদ্যের আকার ও পরিবেশনের উপর নির্ভর করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুরগির জন্য বর্তমানে বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাদ্য বাজারে পাওয়া যায়, যা আধুনিক ফিড মিলে তৈরি করা হয়। আকারের ভিত্তিতে বাজারে প্রাপ্ত মুরগির খাদ্য হলো- ম্যাশ (পাউডার), ক্র্যাম্বল (দানা) এবং পিলেট (বড়ি)। যা মুরগির বয়স ও উদ্দেশ্য অনুসারে খাওয়ানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লেয়ার বা ডিমপাড়া মুরগির খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ বিদ্যমান। সেগুলো হলো- গম বা ভুট্টা ভাঙা, গমের ভুসি, চালের মিহিকুঁড়া, খৈল, শুটকি মাছের গুঁড়া, ঝিনুক চূর্ণ ও হাড়ের গুঁড়া, লবণ, প্রয়োজনমতো ভিটামিন এবং বিশুদ্ধ পানি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁসকে জলজ পাখি বলা হয়। কারণ এরা খাল, বিল, হাওর ও নদীর ছোট জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। হাঁসের প্রাকৃতিক খাদ্যের বেশিরভাগ অংশ জলে বিদ্যমান। এছাড়াও হাঁস তৃণলতা এবং খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ খেয়েও ভালো উৎপাদন দিতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁসের খাবারের সাথে পানি মিশিয়ে খাওয়াতে হয়। কারণ হাঁস শুষ্ক খাদ্যের চেয়ে ভেজা খাদ্য বেশি পছন্দ করে। হাঁসকে শুষ্ক খাদ্য দিলে যে-খাদ্যের বেশির ভাগ অংশ নষ্ট হয়। তাই হাঁসকে গুঁড়া ও ভেজা খাদ্য প্রদান করা উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁসের রেশন তিন প্রকার। এগুলো হলো-
১. হাঁসের বাচ্চার বা প্রারম্ভিক রেশন: ০-৪ সপ্তাহ পর্যন্ত।
২. বাড়ন্ত হাঁসের রেশন ৫ -১৯ সপ্তাহ পর্যন্ত।
৩. ডিমপাড়া হাঁসের রেশন: ২০ সপ্তাহ থেকে বাকি সময় পর্যন্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাঁসকে বয়স ও উদ্দেশ্য অনুসারে তিন প্রকারের রেশন সরবরাহ করা হয়। হাঁসের দৈনিক খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ হাঁসের জাত, বয়স, খাদ্যের মান, বাসস্থান ও খাদ্যের আকার ও পরিবেশের উপর নির্ভর করে। সাধারণত বয়স্ক হাঁস বেশি পরিমাণ রেশন গ্রহণ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত তুলনামূলক বিচারে লিগিউম জাতীয় ঘাসে সাধারণ ঘাসের তুলনায় বেশি পুষ্টি উপাদান থাকে। লিগিউম জাতীয় ঘাসে বেশি পরিমাণ প্রোটিন, শক্তি, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে। যেমন- আলফা-আলফা, কাউপি, খেসারি, মাষকলাই, ইপিল ইপিল-ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দানাজাতীয় খাদ্যকে উৎসের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- প্রাণিজ উৎস ও উদ্ভিজ্জ উৎস। প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ফিসমিল, ব্লাডমিল, ফেদার মিল ইত্যাদি। উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে গম, ভুট্টা, সরগাম, খৈল, ভুসি ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঘাস সংরক্ষণের সুবিধা হলো-
১. প্রতিকূল পরিবেশে গবাদিপশুর জন্য ঘাসের যোগান দেওয়া যায়।
২. ঘাসকে বিভিন্ন প্রকার রোগ-জীবাণু থেকে রক্ষা করা যায়।
৩. অনেকদিন ধরে ঘাস প্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আঁশজাতীয় খাদ্য ও দানাজাতীয় খাদ্যের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ-

আঁশ জাতীয় খাদ্য

দানাজাতীয় খাদ্য

১. খাদ্যে আঁশের পরিমাণ বেশি ও শক্তির পরিমাণ কম।

১. খাদ্যে আঁশের পরিমাণ কম ও শক্তির পরিমাণ বেশি।

২. যেমন- সবুজ ঘাস, হে, সাইলেজ ইত্যাদি।

২. যেমন- গম, ভুট্টা, ব্লাডমিল, ফিশমিল ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের ঘাস দিয়ে সাইলেজ তৈরি করা গেলেও ভুট্টা ও আলফা আলফা দিয়ে তৈরি সাইলেজ অত্যন্ত উন্নতমানের হয়। ভুট্টার সাইলেজ গবাদি পশু বিশেষ করে গাভীর জন্য অত্যন্ত উপকারী। ভুট্টার সাইলেজে বেশি পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লিগিউম জাতের ঘাসে পুষ্টিমান বেশি থাকে। কারণ লিগিউম জাতীয় গাছের মূলে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া বায়ুংগুলের নাইট্রোজেন ধরে রাখে যা প্রোটিন গঠনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া লিগিউম ঘাসে সাধারণ ঘাসের তুলনার বেশি মাত্রায় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হে তৈরির জন্য লিগিউম জাতীয় ঘাস চাষ করা হয়। এ গাছে সাধারণ ঘাসের চেয়ে বেশি পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ। উপাদান থাকে। কারণ লিগিউম গাছের মূলে রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন ধরে রাখে যা প্রোটিন গঠনে ব্যবহৃত হয়। গবাদিপশুকে পর্যাপ্ত আমিষ সরবরাহে হে তৈরিতে তাই লিগিউম জাতীয় ঘাস প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাইলেজ ও হে পদ্ধতির মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ-

সাইলেজ

হে

১. রসালো অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।

১. শুদ্ধ অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।

২. যথেষ্ট আর্দ্রতাসহ সংরক্ষণ করা হয়।

২. আর্দ্রতা ২০% এর কমে নামিয়ে আনা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভুট্টা গাছ সাইলেজ তৈরির জন্য উৎকৃষ্ট কারণ এতে বেশি পরিমাণ পুষ্টি উপাদান থাকে। সাইলেজ তৈরির জন্য ভুট্টা গাছের গোড়ায় কালো দাগ আসার সাথে সাথে কাটতে হয়। কারণ এ সময় ভুট্টা গাছে শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ ৩০- ৩৫% হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হে-এর খাদ্যমান ঘাসের গুণগত মানের উপর নির্ভর করে। হে-এর গুণগত মান ঘাসের পূর্ণতাপ্রাপ্তি, পাতার পরিমাণ, ঘাসের রং প্রভৃতি দ্বারা মূল্যায়ন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গুণগত মানের হে-এর দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. হে উজ্জ্বল সবুজ বর্ণের হতে হবে যাতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ বিদ্যমান থাকে।
২. হে আগাছামুক্ত হতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হে তৈরির জন্য সঠিক পূর্ণতাপ্রাপ্তির সময়ে গাছ কাটতে হবে। যত কম বয়সে গাছ কাটা যাবে, হে এর গুণগত মান তত বেশি হবে। যত বেশি বয়সে গাছ কাটা হবে, হে এর গুণগত মান তত কমে যাবে। তবে ফুল আসার সময় কাটাই উত্তম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হে সঠিকভাবে শুকানোর প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো-
১. হে তৈরির সময় গাছকে সঠিকভাবে শুকাতে হবে যাতে করে মোল্ডমুক্ত ও অতিরিক্ত তাপমুক্ত অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়।
২. গাছগুলোকে দ্রুত শুকাতে হবে যাতে ভালো মানের হে পাওয়া যায়।
৩. অতিরিক্ত সূর্যালোক পরিহার করতে হবে যাতে অতি তাপমাত্রায় পাতা ঝরে না যায়।
৪. ভালো মানের হে তে সর্বোচ্চ ২০- ২৫ ভাগ আর্দ্রতা থাকে, তাই সঠিকভাবে শুকানো প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
60

ফসল ফলানোর জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণ। এদের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে আমরা যেমন বছরের পর বছর ফসল উৎপাদন করতে পারি, তেমনি একটি দেশে নতুন ফসল আত্তীকরণ ও সংযোজন করতে পারি, একটি ফসলের জীবতাত্ত্বিক গুণাগুণ ধরে রাখতে পারি এবং নানা জীব কৌশল প্রয়োগের মধ্য দিয়ে উন্নততর করে তুলতে পারি ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণ ও ধাপগুলো সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের পুকুরের স্বরূপ ও পুকুর প্রস্তুতির ধাপগুলো বর্ণনা করতে পারব;
মাছের পুকুর প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
পুকুরের বিভিন্ন স্তরের বর্ণনা ও বাস্তুসংস্থান ব্যাখ্যা করতে পারব; স্থায়ী মৌসুমী ও আঁতুড় পুকুর বর্ণনা এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের অভয়াশ্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের আবাসস্থল রক্ষায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির আবাসন স্বরূপ এবং আবাসন তৈরির ধাপগুলো বর্ণনা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির আবাসন তৈরির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির খাদ্য এবং খাদ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
গবাদিপশুর খাদ্য ও খাদ্য তৈরির পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
গবাদিপশুর খাদ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

গবাদিপশু যে সকল উপাদান খাদ্যরূপে গ্রহণ করে এবং পরিপাক, শোষণ ও বিপাকের মাধ্যমে দেহে শক্তি উৎপাদন করে তাকে গো-খাদ্য বলে।

3.5k
উত্তরঃ

যে খাদ্যে কম পরিমাণ আঁশ এবং বেশি পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায় তাকে দানাজাতীয় খাদ্য বলে।
দুধাল বা মাংস উৎপাদনকারী গবাদিপশুর ক্ষেত্রে শুধু আঁশ জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। কারণ দানাজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ থাকে যা গবাদিপশুর দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়ায়।

2.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস শুকিয়ে হে তৈরির মাধ্যমে যথোপযুক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন।
তিনি হে তৈরির জন্য মে সঠিক পূর্ণতাপ্রাপ্ত গাছ (ফুল আসার আগে) কেটেছিলেন। কেননা সুগিত মানের হে তৈরির জন্য কম বয়সের গাছ বেশি উপযুক্ত। এরপর ঘাসগুলোকে সঠিকভাবে শুকিয়েছিলেন যাতে এটি মোল্ডমুক্ত ও অতিরিক্ত তাপমুক্ত অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়। অতিরিক্ত সূর্যের আলো পরিহার করে ঘাসগুলোকে দ্রুত শুকিয়েছিলেন। ঘাসগুলোকে কেটে রৌদ্রে এমনভাবে উল্টাপাল্টা করে দিয়েছিলেন যেন এগুলোর পাতা ঝরে পড়ে না যায়। এরপর এগুলো শুষ্ক অবস্থায় (১৫-২০% আর্দ্রতায়) সংরক্ষণ করেছিলেন।
উল্লিখিত উপায়ে কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেছিলেন।

1.2k
উত্তরঃ

কনক বড়ুয়া তার গবাদিপশুর সারাবছরের খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেন।
খরা মৌসুমে মাটিতে রসের পরিমাণ কম থাকায় ঘাসের উৎপাদন কমে আসে। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড় জাতীয় খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যের অভাবে কনক বড়ুয়ার গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন কমে যায় এবং পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। কনক বড়ুয়া তার চারণ ভূমিতে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করেছিলেন। এভাবে সবুজ ঘাস সংরক্ষণের মাধ্যমে সারাবছর গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশির পশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো যায়। এতে করে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে না। মাংস ও দুধের উৎপাদনও হ্রাস পায় না। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। যারা পশু পালনের সাথে জড়িত তাদের সবার উচিত এভাবে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ বা হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। অর্থাৎ, কনক বড়ুয়ার কার্যক্রমটি সঠিক ও সুদূরপ্রসারি ছিল।

1k
উত্তরঃ

মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে প্রতি লিটারে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।

2.2k
উত্তরঃ

পানির পিএইচ কমে গেলে পুকুরে চুন প্রয়োগ করে পানির পিএইচ ঠিক করা হয়।
চুন পানির ঘোলাত্ব দূর করে পানি পরিষ্কার করে। সার প্রয়োগের আগে চুন প্রয়োগের মাধ্যমে সারের কার্যকারিতা বাড়ানো যায়। এভাবে চুন পানির উর্বরতা বাড়িয়ে পানির গুণগত মান বৃদ্ধি করে।

1.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews