সংক্ষিপ্ত-প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

মহাকাশে অসংখ্য জ্যোতিষ্ক রয়েছে। এরা সুশৃঙ্খলভাবে নিজস্ব কক্ষপথে নির্দিষ্ট গতিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের মধ্যে কোনোটার আলো আছে আবার কোনো কোনোটার আলো নেই। মহাকাশে চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি সবকিছুই রয়েছে। এদের সবাইকে নিয়ে গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরিশ এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬,০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলে। সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী সৌরজগতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য একটি গ্রহ। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে। এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে। এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো। এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমণ্ডল, কালপুরুষ, ক্যাসিওপিয়া, লঘুসপ্তর্ষি, বৃহৎ কুকুরমণ্ডল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে নক্ষত্র ও নক্ষত্রমণ্ডলীর মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো-

নক্ষত্র

নক্ষত্রমণ্ডলী

১. যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।

১. মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে। এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।

২. খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই।পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে

২. এক একটি নক্ষত্র দলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা মুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে। এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে। প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। এদের কোনোটি দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটি শিকারির মতো। 1 এদের একটি হলো ক্যাসিওপিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কখনো কখনো রাতের মেঘমুক্ত আকাশে হঠাৎ কোনো তারকাকে ছুটে যেতে দেখা যায়। এ ছুটে যাওয়া তারকাকে উল্কা বলে। উল্কা মহাকর্ষ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে প্রচন্ড বেগে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। এ ঘটনা উল্কাপাত নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রহের নিজস্ব কোনো আলো ও তাপ নেই। এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়। গ্রহ তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না। তাই গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ছুটন্ত তারা অর্থাৎ উল্কা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসার কারণ পৃথিবীর টান বা অভিকর্ষ। মহাকাশে অনেক জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিন্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচন্ড গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। উল্কা পৃথিবীর অভিকর্ষ টানে বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে ওঠে আর এগুলোই ছুটন্ত তারা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে ধূমকেতু পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়। ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে গ্রহ ও উপগ্রহের মধ্যে ২টি পার্থক্য দেখানো হলো-

গ্রহ

উপগ্রহ

১. যেসব জ্যোতিষ্কের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই, সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়। এরা তারায় মতো মিটমিট করে জ্বলে না এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।

১. কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বা চাঁদ বলে।

২. মহাকর্ষ বলের প্রভাবে গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

২. উপগ্রহ মহাকর্ষ বলের প্রভাবে গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়। এদের উপগ্রহ বা চাঁদ বলে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এদের নিজস্ব আলো বা তাপ নেই। যেমন- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কৃত্রিম উপগ্রহ হচ্ছে মানুষের তৈরি করা একটি উপগ্রহ। মানুষের তৈরি করা কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তথ্য আদান, গোয়েন্দা নজরদারি, খনিজ সম্পদের সম্মান, পরিবেশ দূষণ নির্ণয় ইত্যাদি কাজে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে যে পরিবার গঠিত তাকে সৌরজগৎ বলে। এর অন্যতম দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। ২. সূর্যকে কেন্দ্র করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ-কর্ম চলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিস্ময়কর এ মহাবিশ্বে সূর্য তার নিজস্ব আলোয় আলোকিত। সূর্য একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড যা হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে তৈরি। শুধু তাই নয় এ গ্যাস অতি উঁচু (প্রায় ৬,০০০° সে.) তাপমাত্রায় জ্বলছে। সূর্য থেকে পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহ আলো নিয়ে আলোকিত হয়। নক্ষত্রের সকল বৈশিষ্ট্যের সাথে সূর্যের বৈশিষ্ট্য শতভাগ মিলে যায়। তাই সূর্যকে নক্ষত্র বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো গ্রহকে বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে হলে সেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাধ্যাকর্ষণ বল থাকতে হয়। এ গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বল এতই কম যে, এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না। এ কারণে বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভোরের আকাশ শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা দেখা যায়। শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই একে ভুল করে তারা বলি। এটা আসলে শুক্র গ্রহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো-

বুধ গ্রহ

বৃহস্পতি গ্রহ

১. বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ।

১. বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।

২. বুধের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।

২. বৃহস্পতির ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রহ হলো পৃথিবী। এর বায়ুমণ্ডলে উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানবজাতির জন্য বসবাসের উপযোগী যেসব উপাদান রয়েছে তা সৌরজগতের অন্যকোনো গ্রহে সহনীয় মাত্রায় নেই। তাই পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রাণী ও উদ্ভিদকুল বসবাস করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মঙ্গল গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম। এ গ্রহে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (প্রায় ৯৯ শতাংশ) যে, কোনো প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বৃহস্পতির ব্যাস ১.৪২,৮০০ কিলোমিটার। আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কি. মি. দূরে অবস্থিত। বৃহস্পতিই সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। তাই | একে গ্রহরাজ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী নামক গ্রহে উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী দুটি সুবিধা হলো -
বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে।
প্রাণী ও উদ্ভিদকূলের বেঁচে থাকার জন্য বায়ু পানি ও অন্যান্য উপাদান সহনীয় মাত্রায় রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোলাকার নয়। উত্তর-দক্ষিণে কিছুটা চাপা। পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি হলো অনেকটা অভিগত গোলকের মতো। পৃথিবীর আকৃতি যেহেতু সম্পূর্ণ গোলাকার নয় সেহেতু পৃথিবীর নিরক্ষীয় 'পূর্ব-পশ্চিম' ব্যাস ও মেরুদেশীয় 'উত্তর-দক্ষিণ' ব্যাস ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটি পৃথিবী। কোনো নমনীয় বস্তু যদি নিজের অক্ষের উপর লাটিমের মতো ঘুরতে থাকে তবে তার মধ্যে একই সঙ্গে কেন্দ্রমুখী এবং কেন্দ্রবিমুখী বলের উদ্ভব হয়। যার প্রভাবে গোলকৃতি বস্তুর প্রান্তদেশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ কিছুটা স্ফীত হয়। আবর্তন গতির প্রভাবেই জন্মকালে নমনীয় পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটু চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত হয়ে যায় যা দেখতে কমলালেবুর মতো। আর এ জন্য পৃথিবী গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০ এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়। সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। পৃথিবীর আকৃতি যেহেতু সম্পূর্ণ গোলাকার নয় সেহেতু পৃথিবীর নিরক্ষীয় 'পূর্ব-পশ্চিম' ব্যাস ও মেরুদেশীয় 'উত্তর-দক্ষিণ' ব্যাস ভিন্ন। মেরুদেশীয় ব্যাস ১২,৭১৪ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় ব্যাস ১২,৭৫৭ কিলোমিটার। অর্থাৎ মেরু থেকে নিরক্ষীয় ব্যাসের দৈর্ঘ্য ৪৩ কি.মি. বেশি। তাই বলা যায়, নিরক্ষরেখা পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রশান্ত মহাসাগরের উপর মানচিত্রে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। তারিখ ও বারের। যে সমস্যা হয় তার সমাধানকল্পে ১৮৮৪ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে স্থির করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করার সূত্র হলো: পশ্চিমগামী যানের জন্য একদিন যোগ করতে হবে এবং পূর্বগামী যানের জন্য একদিন বিয়োগ করতে হবে। কারণ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা থেকে পূর্বদিকে সময় বাড়ে আর পশ্চিমে সময় কমে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর বিপরীত বিন্দুকে সেই বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলে। প্রতিপাদ স্থান নির্ণয় করার জন্য ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যদিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়। ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে ভূপৃষ্ঠের বিপরীত পাশে এসে পৌছায়, সেই বিন্দুই পূর্ব বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিপাদ স্থান নির্ণয় করার জন্যে ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়। যেখানে রেখাটি শেষ হয় সে স্থানটি প্রথম স্থানের প্রতিপাদ স্থান। প্রতিপাদ স্থান দুটির দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০। সুতরাং স্থান দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য হবে (১৮০ × ৪) = ৭২০ মিনিট বা ১২ ঘণ্টা। [১ দ্রাঘিমার সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা ছিটকে না পড়ার কারণ হলো-
ভূপৃষ্ঠে অবস্থান করার কারণে মানুষ, জীবজন্তু, বায়ুমণ্ডল প্রভৃতি পৃথিবীর সঙ্গে একই গতিতে আবর্তন করছে।
ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত সকল বস্তুকে পৃথিবী অভিকর্ষ বল দ্বারা নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করছে।
পৃথিবীর আয়তনের তুলনায় আমরা অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের আবর্তন গতি সুনির্দিষ্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

'পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও অনুভব না করার কারণগুলো নিম্নরূপ:
ভূপৃষ্ঠে অবস্থান করার কারণে মানুষ, জীবজন্তু, বায়ুমণ্ডল প্রভৃতি পৃথিবীর সঙ্গে একই গতিতে আবর্তন করছে। ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত সকল বস্তুকে পৃথিবী অভিকর্ষ বল দ্বারা নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করছে। পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের আবর্তন গতি সুনির্দিষ্ট। পৃথিবীর আয়তনের তুলনায় আমরা এত বেশি ক্ষুত্র যে, পৃথিবীর আবর্তন গতি অনুভব করতে পারি না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একবার সূর্যকে পূর্ণ পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একে সৌরবছর বলে। কিন্তু আমরা ৩৬৫ দিনকে একবছর ধরি। এতে প্রতিবছর প্রায় ৬ ঘণ্টা - অতিরিক্ত সময় থেকে যায়। এ অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে সময়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একবার সূর্যকে পূর্ণ পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে - ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একে সৌরবছর বলে। কিন্তু আমরা ৩৬৫ দিনকে একবছর ধরি। এতে প্রতিবছর প্রায় ৬ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় থেকে যায়। এ অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে সময়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়। এভাবে যে বছর ফেব্রুয়ারি মাসকে ১ দিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয় এবং ঐ বছর ৩৬৬ দিন ধরা হয়। সেই বছরকে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবী যখন সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে তখন পৃথিবী কখনো সূর্যের কাছাকাছি আবার কখনো সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। আবার, পৃথিবীর গোলাকার আকৃতি এবং পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থানের কারণেও সূর্যের আলো পৃথিবীর উপর তির্যকভাবে বা লম্বভাবে পতিত হয়। এতে কোনো স্থান অধিক তাপ পায় আবার কোনো স্থান কম তাপ পায়। ফলে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ঋতুর আবির্ভাব ঘটে। এভাবে সূর্যের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ঋতু পরিবর্তিত হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে। ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিন উত্তর গোলার্ধে- সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত। ২২- ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়ণের শেষ দিন এবং তারপর থেকে পুনরায় সূর্য উত্তর দিকে আসতে থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এ সময় উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হওয়ায় শীতকাল বিরাজ করে। ২২ ডিসেম্বরের দেড় মাস পূর্ব থেকেই উত্তর গোলার্ধে শীতকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত বিরাজ করে। ২২ ডিসেম্বরের পরবর্তী দেড় মাসের মধ্যস্থিত তারিখ ১৫ জানুয়ারি তাই উত্তর গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

২১ এ জুনে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে। ফলে ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়। ঐ দিনই সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে। দিন বড় হওয়ার কারণে উত্তর গোলার্ধে ৩০ জুন গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
140

পৃথিবী মানবজাতির আবাসস্থল। পৃথিবীর চারদিকে ঘিরে রয়েছে অসীম মহাকাশ। সৌরজগতের কেন্দ্রে সূর্য রয়েছে। মহাকাশে এরূপ বহু নক্ষত্র রয়েছে। পাশাপাশি চন্দ্র (উদাহ), পৃথিবী (গ্রহ), ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা প্রভৃতি রয়েছে। ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে আমাদের এই পৃথিবী, দূর-দূরান্ত্রের সকল জ্যোতিষ্ক এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। এ অধ্যায়ে আমরা মহাকাশ, মহাবিশ্ব, সৌরজগৎ, পৃথিবী ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখা পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।

নিরক্ষরেখার মান ০° ধরা হয়। নিরক্ষরেখার অপর নামগুলো হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা, মহাবৃত্ত (Great circle) প্রভৃতি।

3.7k
উত্তরঃ

P' চিহ্নিত গ্রহটি হলো পৃথিবী। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।

জীবকূলের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো গ্যাসীয়
উপাদান, উত্তাপ ও পানি। সূর্যের ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় এ তিনটি উপাদানের যথেষ্ট উপস্থিতি রয়েছে। তাই পৃথিবী জীবের বসবাসের জন্য উপযোগী গ্রহ।

বায়ুমণ্ডল: পৃথিবীর রয়েছে আদর্শ বায়ুমণ্ডল। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্যে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও অন্যান্য গ্যাস সরবরাহ করে এই বায়ুমণ্ডল। কিন্তু অন্যান্য গ্রহে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের পরিমাণ এত বেশি যে, কোনো প্রাণীর পক্ষে সেখানে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই পৃথিবী এক্ষেত্রে বসবাসের জন্য আদর্শস্বরূপ।

অনুকূল তাপমাত্রা: সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব এবং এর আবর্তন গতির ফলে নির্দিষ্ট সময় পরপর পৃথিবীতে দিন-রাত্রি সংগঠিত হয়। এ কারণে এখানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের অনুকূল তাপমাত্রা রয়েছে।

মাটি ও পানি: বেশিরভাগ গ্রহের উপরিভাগ পাথরে ঢাকা। পৃথিবীর উপরিভাগে মাটি ও পানির সমন্বয় রয়েছে। যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্যে অপরিহার্য।

তাই বলা যায়, বায়ুমণ্ডলের প্রয়োজনীয় উপাদান, অনুকূল পরিবেশ, পানির অস্তিত্ব ইত্যাদির সমন্বয় হওয়ায় পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের জন্য উপযোগী।

2.5k
উত্তরঃ

চিত্রে 'Q' এবং 'R' চিহ্নিত গ্রহ দুটি যথাক্রমে শনি ও বৃহস্পতি। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি। একে গ্রহরাজ বলা হয়। অন্যদিকে শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। দুটি গ্রহের কোনটিতেই প্রাণের অস্তিত্ব সম্ভব নয়।

নিচে গ্রহ দুটির বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

i . সূর্য থেকে শনি এবং বৃহস্পতি গ্রহের দূরত্ব যথাক্রমে ১৪৩ ও ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার।

ii. শনি এবং বৃহস্পতি গ্রহের ব্যাস যথাক্রমে ১,২০,০০০ এবং ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ বৃহস্পতি শনি গ্রহ থেকে প্রায় ১.১৮ গুণ বড়।

iii. সূর্যের চারদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান। অপরদিকে, বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।

iv. শনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন এবং অ্যামোনিয়া গ্যাস রয়েছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা তৈরি।

v. শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা উপরিভাগে খুবই কম এবং অভ্যন্তরে অত্যন্ত বেশি।

সুতরাং উপরের বিশ্লেষণ থেকে বলা যায়, বৈশিষ্ট্য ও গঠনগত দিক থেকে গ্রহ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।


1k
উত্তরঃ

পৃথিবীতে ৩৬৫ দিনে এক বছর।

সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। ফলে প্রতিবছর ৬ ঘণ্টা সময় অতিরিক্ত থেকে যায়। এ অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর পরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয়। ফলে বছরটি হয় ৩৬৬ দিনে। এই বছরকে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলে।

3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews