সংক্ষিপ্ত-প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপন প্রক্রিয়ার কারণে আতর ছড়ালে তার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাপন হলো একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানের অণুগুলো ছড়িয়ে পড়া। আতরের নিকটবর্তী স্থানে আতরের অণুগুলো অধিক ঘনত্ব সম্পন্ন হওয়ায় ব্যাপন প্রক্রিয়ায় আশেপাশের কম ঘনত্বের স্থানের দিকে ধাবিত হয়। এর ফলে আতরের সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপনের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পদার্থের অণু উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
২. ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি চোষক শক্তির সৃষ্টি হয় যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সহজেই মাটি থেকে পাতায় পানি পরিবহন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপনের দুটি গুরুত্ব হলো-
১. ব্যাপন ক্রিয়ার দ্বারা কোষে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয়ে যায়।
২. উদ্ভিদদেহে শোষিত পানি বাষ্পাকারে প্রস্বেদনের মাধ্যমে দেহ থেকে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীদের শ্বসনের সময় অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের আদান-প্রদান, রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন প্রভৃতি লসিকায় বহন এবং লসিকা থেকে কোষে পরিবহন করা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে পর্দা দিয়ে কেবল দ্রবণের দ্রাবক অণু চলাচল করতে পারে কিন্তু দ্রব অণু চলাচল করতে পারে না তাকে অর্ধভেদ্য পর্দা বলে। ডিমের খোসার ভিতরের পর্দার মধ্য দিয়েও দ্রাবক অণু চলাচল করতে পারে কিন্তু দ্রব অণু চলাচল করতে পারে না। এ কারণেই ডিমের এ পর্দাকে অর্ধভেদ্য বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অভিস্রবণের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।
২. দ্রাবক পদার্থের অণুগুলো কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দিকে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অভিস্রবণের দুটি গুরুত্ব হলো-
১. অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার দ্বারা উদ্ভিদ কোষের রসস্ফীতি ঘটে।
২. অভিস্রবণের মাধ্যমে প্রাণীর অস্ত্রে খাদ্য শোষিত হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পর্দাকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১.অভেদ্য পর্দা

২. ভেদ্য পর্দা ও

৩. অর্ধভেদ্য পর্দা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অর্ধভেদ্য পর্দার দুটি উদাহরণ হলো-
১. কোষপর্দা এবং

২. মাছের পটকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভেদ্য পর্দা হলো ঐসব পর্দা যার মধ্য দিয়ে দ্রাবক ও দ্রব উভয়েরই অণু সহজে চলাচল করতে পারে। কোষপ্রাচীরের মধ্য দিয়েও দ্রাবক ও দ্রব উভয়ের অণুই সহজে চলাচল করতে পারে বিধায় কোষপ্রাচীরকে ভেদ্য পর্দা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের খনিজ লবণের শোষণ দুইভাবে সম্পন্ন হয়। যথা:
১. নিষ্ক্রিয় শোষণ ও

২. সক্রিয় শোষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয় শোষণ ও নিষ্ক্রিয় শোষণের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ-

সক্রিয় শোষণ

নিষ্ক্রিয় শোষণ

১. বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয়।

১. বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না।

২. রাসায়নিক প্রক্রিয়া।

২. ভৌত প্রক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য পানি ও খনিজ লবণের প্রয়োজন। উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের উৎস হচ্ছে মাটিস্থ পানি। মাটিদ্ধ পানিতে খনিজ লবণগুলো দ্রবীভূত থাকলেও পানি শোষণের সঙ্গে উদ্ভিদের লবণ শোষণের কোনো সম্পর্ক নেই, দুটো প্রক্রিয়াই ভিন্ন। কারণ, উদ্ভিদ কখনো লবণের সম্পূর্ণ অণুকে শোষণ করতে পারে না। লবণগুলো কেবল আয়ন হিসেবে শোষিত হয়। কিন্তু উদ্ভিদ পানির সম্পূর্ণ অণুকে শোষণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সেলুলোজকে পানিগ্রাহী পদার্থ বলা হয়। কারণ, সেলুলোজ তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে তা সহজেই তরল পদার্থ অথবা পানি শুষে নেয়, আবার তরল পদার্থের অভাবে সংকুচিত হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি কলয়েডধর্মী পদার্থ হলো- ১. স্টার্চ ও ২. জিলেটিন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ পানি শোষণ করে স্ফীত হয় তাদেরকে হাইড্রোফিলিক পদার্থ বলে। যেমন- সেলুলোজ, স্টার্চ, আঠা, প্রোটিন, জেলাটিন ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ অঙ্গুরোদগমের সময় অধিক পরিমাণে মাটি থেকে ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় তরল পদার্থ শোষণ করে নেয়। উদ্ভিদ তার অঙ্কুরোদগমের সময় পানি ও অন্যান্য জৈব চাহিদার ঘাটতি পূরণ করতে ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে। আর এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কলয়েডধর্মী পদার্থ ব্যবহার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। যথা- ১. পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদন, ২. ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন ও ৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদনের মাধ্যমে উদ্ভিদ তার প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত পানি পাতায় অবস্থিত রন্দ্র অর্থাৎ পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে বের করে দেয়। ফলে পাতা অধিক তাপমাত্রা থেকে রক্ষা পায় এবং উদ্ভিদদেহকে ঠান্ডা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। শোষিত পানির কিছু অংশ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে। পরবর্তীতে এই বাষ্প ঘনীভূত হয়ে প্রথমে মেঘ এবং মেঘ থেকে বৃষ্টি আকারে পৃথিবীতে ফিরে আসে। এভাবে প্রস্বেদন বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অভিস্রবণ ও প্রস্বেদনের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

অভিস্রবণ

প্রস্বেদন

১. অভিস্রবণের মাধ্যমে উদ্ভিদ খনিজ লবণ ও পানি শোষণ করে।

১. প্রস্বেদনের মাধ্যমে উদ্ভিদ অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডল ত্যাগ করে।

২. অভিস্রবণ দুইভাবে ঘটে।

২. প্রস্বেদন তিনভাবে ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিম্নরূপ-
১. প্রস্বেদনের ফলে কোষরষের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
২. প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পানি পরিবহনে প্রস্বেদন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রস্বেদনের ফলে খাদ্য তৈরির জন্য পাতায় অবিরাম পানি সরবরাহ সম্ভব হয়। প্রস্বেদনের ফলে জাইলেম বাহিকায় পানির যে টান সৃষ্টি হয়, তা মূলরোম কর্তৃক পানি শোষণ ও উদ্ভিদের শীর্ষে পরিবহনে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রস্বেদনের ফলে প্রতিনিয়ত উদ্ভিদদেহ থেকে পানি তথা জলীয়বাষ্প পরিবেশে নিষ্কাশিত হচ্ছে। এ জলীয়বাষ্প আবহাওয়াকে আর্দ্র রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ প্রস্বেদন পরিবেশকে আর্দ্র ও ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ঘটায়। এভাবে উদ্ভিদের প্রস্বেদন আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পরিবহন বলতে মাটি থেকে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ এবং পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যের চলাচলকে বোঝায়। উদ্ভিদের মূলরোম দিয়ে পানি অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় এবং পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ নিষ্ক্রিয় ও শোষণ পদ্ধতিতে শোষিত হয়ে জাইলেম টিস্যুর মাধ্যমে পাতায় পৌঁছায়। আর পাতায় তৈরিকৃত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন এলাকায় ফ্লোয়েমের মাধ্যমে পৌঁছায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের মূলরোম দ্বারা শোষিত পানি ও খনিজ লবণ মূল থেকে পাতায় পৌছানো এবং পাতায় তৈরি খাদ্যবস্তু সারাদেহে ছড়িয়ে পড়াকে পরিবহন বলে। জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে উদ্ভিদে পরিবহন ঘটে। জাইলেমের মাধ্যমে মূল দ্বারা শোষিত পানি পাতায় যায় এবং ফ্লোয়েম দ্বারা পাতায় উৎপন্ন তরল খাদ্য সারাদেহে পরিবাহিত হয়। এ কারণে জাইলেম ও ফ্লোয়েমকে উদ্ভিদের পরিবহনের পথ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
51

উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে মাটি থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ শোষণ করে এবং সেই পানি ও রস কাণ্ডের ভিতর দিয়ে পাতায় পৌঁছায়। আবার দেহে শোষিত পানি উদ্ভিদ বাষ্প আকারে দেহ থেকে বের করে দেয়। উদ্ভিদ যে প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন গ্যাস ত্যাগ করে, দেহে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ শোষণ করে ঐ রস দেহের নানা অঙ্গে পরিবহন করে ও দেহ থেকে পানি বাষ্প আকারে বের করে দেয় সেই সব প্রক্রিয়া ব্যাপন, অভিস্রবণ, শোষণ, পরিবহন ও প্রস্বেদনের মাধ্যমে ঘটে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • ব্যাপন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • অভিস্রবণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের পানি পরিত্যাগ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • উদ্ভিদের পানি শোষণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি ও খনিজ লবণ মূলরোম দ্বারা শোষণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
178
উত্তরঃ

ব্যাপন ও অভিস্রবণের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচের ছকে দেখানো হলো-

ব্যাপন

অভিস্রবণ

১. ব্যাপন হচ্ছে কোনো পর্দার বাঁধা ছাড়া ঘন দ্রবণ থেকে দ্রব্যের অণুর পাতলা দ্রবণের দিকে ছড়িয়ে পড়া।

১. অভিস্রবণ হচ্ছে অর্ধভেদ্য পর্দার ভেতর দিয়ে পাতলা দ্রবণ থেকে ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবকের চলন।

২. ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দ্রব ও দ্রাবক' উভয়ের ব্যাপন ঘটে।

২. অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় শুধু দ্রাবকের ব্যাপন ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
190
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেন্ট এর ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে তা হলো ব্যাপন। নিচে ব্যাপন প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো-
আমরা জানি সব পদার্থই কতকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু দিয়ে তৈরি। এ অণুগুলো গতিশীল বা চলমান অবস্থায় থাকে। তরল ও গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলোর চলন দ্রুত হয় এবং বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে অণুগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না অণুগুলোর ঘনত্ব দুই স্থানে সমান হয়। অণুগুলোর এরূপ চলন প্রক্রিয়াকে বলে ব্যাপন। ব্যাপনকারী পদার্থের অণু-পরমাণুগুলোর গতিশক্তির প্রভাবে এক প্রকার চাপ সৃষ্টি হয় যার প্রভাবে অধিক ঘনত্বযুক্ত স্থান থেকে কম ঘনতযুক্ত স্থানে অণুগুলো ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই সেন্ট এর ঘ্রাণ ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
111
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি হলো ব্যাপন। নিচে ব্যাপন প্রক্রিয়াটি গুরুত্ব আলোচনা করা হলো-

জীবের সব রকম শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের সময় বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এ অত্যাবশ্যক কাজ ব্যাপন দ্বারা সম্ভব হয়। জীবকোষে শ্বসনের সময় গ্লুকোজ জারণের জন্য অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়। ব্যাপন ক্রিয়ার দ্বারা কোষে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয়ে যায়। উদ্ভিদ দেহে শোষিত পানি বাষ্পাকারে প্রস্বেদনের মাধ্যমে দেহ থেকে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
107
উত্তরঃ

উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
185
উত্তরঃ

উদ্ভিদ পরিবহনের পথ বলতে বুঝায় জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুকে।

কারণ জাইলেম ও ফ্লোয়েম নামক পরিবহন টিস্যুর মাধ্যমে উদ্ভিদে পরিবহন ঘটে। জাইলেম উদ্ভিদে ঊর্ধ্বমুখী পরিবহন পথ হিসেবে কাজ করে। জাইলেমের মাধ্যমে মূল দ্বারা শোষিত পানি পাতায় পৌছে। আর ফ্লোয়েম উদ্ভিদে নিম্নমুখী পরিবহন পথ হিসেবে কাজ করে। ফ্লোয়েমের মাধ্যমে পাতায় উৎপন্ন তরল খাদ্য সারা দেহে পরিবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
112
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews