সংক্ষিপ্ত-প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

পদার্থের অণু বা পরমাণুগুলো পরস্পরের সাথে যে শক্তির সাহায্যে যুক্ত থাকে তাদেরকে বলে রাসায়নিক শক্তি। যখন কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়, তখন এই শক্তি মুক্ত হয় বা শোষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, খাবারে রাসায়নিক শক্তি সঞ্চিত থাকে যা আমরা খেয়ে শারীরিক কাজ করার জন্য ব্যবহার করি। কোনো পদার্থের রাসায়নিকবন্ধন ভাঙা রা নতুন বন্ধন গঠনের সময় এই শক্তির পরিবর্তন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বস্তু বা যৌগে বন্ধনে আবদ্ধ একটি পরমাণুর সাথে আরেকটি পরমাণু যে আকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকে, তাকে বলে বন্ধন শক্তি। যেমন, NaCl যৌগে আয়নিক, CO2 যৌগে সমযোজী, Fe-খন্ডে ধাতব বন্ধন বিদ্যমান। এসব বন্ধনে একটি পরমাণুর সাথে আরেকটি পরমাণু যে আকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকে তা হচ্ছে বন্ধন শক্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খাবার থেকে শুরু করে গাড়ি চালানো পর্যন্ত, আমরা সবাই রাসায়নিক শক্তির উপর নির্ভর করি। খাবারের মধ্যে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি আমাদের শরীরকে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। কয়লা, পেট্রোল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানিতেও রাসায়নিক শক্তি সঞ্চিত থাকে, যাঁ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গাড়ি চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমযোজী যৌগের অণুসমূহ একে অপরের সাথে যে আকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে যুক্ত তাকে বলা হয় আন্তঃআণবিক শক্তি। এই আকর্ষণ শক্তি অণুগুলোকে একসাথে ধরে রাখে বা একে অপর থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। এই শক্তির প্রকৃতি এবং শক্তি পদার্থের অণুর গঠন এবং অবস্থার উপর নির্ভর করে। আন্তঃআণবিক শক্তি পদার্থের ভৌত ধর্ম যেমন গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক এবং দ্রাব্যতা নির্ধারণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আয়নিক যৌগে আয়নসমূহের মধ্যে যে আকর্ষণ শক্তি থাকে, তা সমযোজী অণুর আন্তঃআণবিক শক্তির চেয়ে বেশি। এজন্য আয়নিক পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সমযোজী পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অপেক্ষা বেশি। এজন্য আয়নিক যৌগসমূহ সাধারণত কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) আয়নিক যৌগে একটি সোডিয়াম আয়নের চারদিকে চটি ক্লোরাইড আয়ন অবস্থান করে। এখানে 1টি Na+ও 6টি Cl- আয়নের মধ্যে আকর্ষণ বিদ্যমান থাকে। আবার প্রত্যেকটি CI- আয়নের চারদিকে 6টি Na আয়ন অবস্থান করে। এখানে প্রত্যেকটি ক্লোরাইড আয়ন, ও 6টি সোডিয়াম আয়নের মধ্যে আকর্ষণ তথা আন্তঃআণবিক শক্তি বিদ্যমান থাকে।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

H2 এবং HCI উভয়ই অণু, কিন্তু তাদের আন্তঃআণবিক শক্তির প্রকৃতি আলাদা। H2 একটি সমযোজী অণু, যার মধ্যে শুধুমাত্র ড্যানডারওয়ালস বল কাজ করে। অন্যদিকে, HCI একটি পোলার অণু, যার মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল কাজ করে। স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল ভ্যান্ডারওয়ালস বলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। সুতরাং, HCI এর আন্তঃআণবিক শক্তি H2এর চেয়ে অনেক বেশি হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

। গ্রাম পানির তাপমাত্রা। °C বাড়াতে যে পরিমাণ তাপশক্তি প্রদান করতে হয় তাকে এক ক্যালরি (সংক্ষেপে Cal) বলে। অন্যদিকে কোনো বস্তুর উপর। নিউটন বল প্রয়োগ করলে যদি বলের দিকে। মিটার সরণ ঘটে তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় কাজকে। জুল বলে। জুল ও ক্যালরির সম্পর্ক হচ্ছে: 1 Cal = 4,1 8 J

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন বিক্রিয়ার সম্ভাযুক্ত সমীকরণ মতে, বিক্রিয়ক সমূহের সংখ্যানুপাতিক মোল পরিমাণে সম্পূর্ণরূপে বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণকে বিক্রিয়া তাপ বলে। বিক্রিয়া তাপ হলো কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় শক্তির আদান-প্রদান! যখন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তখন বিক্রিয়কের বন্ধন ভেঙে যায় এবং নতুন বন্ধন গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় তাপ শোষিত বা নির্গত হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

AH বা বিক্রিয়া তাপের মান বিক্রিয়ার প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। যদি কোনো বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হয়, তাহলে AH এর মান ধনাত্মক হয়। একে তাপহারী বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে, যদি কোনো বিক্রিয়ায় তাপ নির্গত হয়, তাহলে ∆H এর মান ঋণাত্মক হয়। একে তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ার ফলে তাপ উৎপন্ন হয় তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয়। এই ক্ষেত্রে বিক্রিয়কের চেয়ে উৎপাদের মোট শক্তি কম হয়। তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার একটি সাধারণ উদাহরণ হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের দহন।

বিক্রিয়া: CH4 + O2  CO2 + H2O

              মিথেন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জানা আছে

∆H = উৎপাদসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি

বিক্রিয়কসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি

= 20 kJ/mol-50 kJ/mol

=-30 kJ/mol

যেহেতু ∆H এর মান ঋণাত্মক, তাই এই বিক্রিয়াটি এক্টি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া। অর্থাৎ, এই বিক্রিয়ায় 30 kJ/mol তাপ পরিবেশে নির্গত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপ প্রদান করে যে বিক্রিয়া ঘটানো হয় সেই বিক্রিয়াকে বলা হয় তাপহারী বিক্রিয়া। তাপহারী বিক্রিয়া হলো এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া, যেখানে বিক্রিয়া চলার জন্য পরিবেশ থেকে তাপ শক্তি শোষণ করা হয়। অর্থাৎ, বিক্রিয়কের চেয়ে উৎপাদের মোট শক্তি বেশি হয়।
যেমন: CaCO3  CaO + CO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জানা আছে

∆H = উৎপাদসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি

– বিক্রিয়কসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি।

সুতরাংH = 80 kJ/mol - 70 kJ/mol  

= + 10 kJ/mol

যেহেতু ∆H এর মান ধনাত্মক, তাই এই বিক্রিয়াটি একটি তাপহারী বিক্রিয়া। অর্থাৎ, এই বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য পরিবেশ থেকে 10 kJ/mol তাপ শোষণ করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো মৌল বা যৌগকে বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বলে দহন বিক্রিয়া। দহন বিক্রিয়া তাপোৎপাদী বিক্রিয়া। যেহেতু বিক্রিয়াটিতে তাপ উৎপন্ন হয়, তাই এটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া হয়।দহন বিক্রিয়ায় সবসময় তাপ উৎপন্ন হয়। যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে CO2, H2O ও তাপ উৎপন্ন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া। এক্ষেত্রে চুন পানিতে মিশালে তাপ উৎপন্ন তথা নির্গত হয়। কারণ এক্ষেত্রে উৎপাদ Ca(OH2), এর মধ্যে স্থিত রাসায়নিক শক্তি বিক্রিয়ক CaO  H2O মধ্যে মোট স্থিত রাসায়নিক শক্তির চেয়ে কম। CaO+H2O Ca(OH)2 + তাপ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শামুকের খোলস হলো CaCO3, বা চুনের উৎস। প্রথমে সংগৃহীত শামুককে পরিষ্কার করে এর খোলসকে চূর্ণবিচূর্ণ করতে হয়। চূর্ণকৃত শামুক টুকরাগুলোকে একটি চুল্লীতে নিয়ে 840 °C বা এর উপরে তাপ দিলে এগুলো বিযোজিত হয়ে CaO বা চুনে পরিণত হবে। CaCO3    CaO + CO2.

                             শামুক                         চুন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শুকনো চুন হলো ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO)। ক্যালসিয়াম অক্সাইডে পানি ঢাললে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন হয়। এটি একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া, অর্থাৎ বিক্রিয়ার ফলে তাপ উৎপন্ন হয়। সেজন্যই মিশ্রণ গরম হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপোৎপাদী ও তাপহারী বিক্রিয়ার মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ:

তাপোৎপাদী বিক্রিয়াতাপহারী বিক্রিয়া
১. তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় সর্বদা তাপ উৎপন্ন হয়।১ . তাপহারী বিক্রিয়ায় সর্বদা তাপ শোষিত হয়।
২. এ বিক্রিয়ায় ∆H এর মান ঋণাত্মক।২. এ বিক্রিয়ায় AH এর মান ধনাত্মক।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো বস্তুর অণুতে বিভিন্ন পরমাণু বা আয়নের মাঝে রাসায়নিক বন্ধন বিদ্যমান। এ সকল বন্ধন শক্তির আধার। একটি বন্ধন ভাঙতে শক্তি যোগান দিতে হয় আবার ঐ বন্ধন সৃষ্টি হলে সেই শক্তি নির্গত হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। এক্ষেত্রে বন্ধন ভাঙা ও গড়ায় সর্বমোট যে শক্তির পরিবর্তন হয়, তাই-ই বিক্রিয়ায় তাপ শক্তি পরিবর্তনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

CI-CI এর বন্ধন শক্তি 244 কিলোজুল/মোল বলতে বুঝায় যে। মোল CI-CI এর বন্ধন শক্তি 244 কিলোজুল তাপ দিতে হয় অথবা 1 মোল CI-CI বন্ধন তৈরি হতে 244 কিলোজুল তাপ নির্গত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানির দহন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া যেখানে জ্বালানি অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। এই প্রক্রিয়ায় জ্বালানির মধ্যে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি তাপ ও আলো শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কাঠ পোড়ালে কাঠের মধ্যে থাকা রাসায়নিক শক্তি তাপ ও আলোতে রূপান্তরিত হয়ে আমাদেরকে উষ্ণতা ও আলো দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আতশ-বাজিতে আলো ও শব্দ উৎপন্ন হয়, কারণ আতশ-বাজির মধ্যে যে রাসায়নিক পদার্থগুলো থাকে তাদের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি থেকে আলো ও শব্দ- এ দুই শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে আলো ও শব্দ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাই সেল বা ড্যানিয়েল সেল হলো একটি রাসায়নিক কোষ, যেখানে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। ড্রাইসেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সঞ্চিত শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয় এবং এই বিদ্যুৎ শক্তিকে আমরা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চালাতে ব্যবহার করি। উদাহরণস্বরূপ, টর্চলাইট, রেডিও ইত্যাদি চালাতে ড্রাইসেল ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকে, এই ক্লোরোফিলের সহায়তায় এবং সূর্যালোক ব্যবহার করে উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষিত পানি ও বায়ু থেকে শোষিত কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করিয়ে গ্লুকোজ (C6H12O6%) নামক শর্করা তৈরি করে, সেই সাথে অক্সিজেনও উৎপন্ন হয়। উদ্ভিদ যে সূর্যালোক ব্যবহার করে তা রাসায়নিক শক্তি হিসেবে শর্করার মধ্যে থেকে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। ক্লোরোফিলের সহায়তায় এবং সূর্যালোক ব্যবহার করে উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষিত পানি ও বায়ু থেকে শোষিত কার্বন ডাইঅক্সাইড এর মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ (CnH12O6) নামক শর্করা তৈরি করে, সেই সাথে অক্সিজেনও উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বায়ুর CO2 এবং মাটি থেকে সংগৃহীত পানি দিয়ে ক্লোরোফিলের সাহায্যে গ্লুকোজ তৈরি করে। এই বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যালোক রাসায়নিক শক্তিরূপে গ্লুকোজে সঞ্চিত হয়। অর্থাৎ বিক্রিয়ায় তাপশক্তির প্রয়োজন হয়। সালোকসংশ্লেষণ একটি তাপহারী বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ জ্বালানি পুরোপুরি দহন করে সর্বাধিক পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে। অশুদ্ধ জ্বালানিতে অন্যান্য অজৈব যৌগ থাকে, যা পুরোপুরি দহন করতে পারে না এবং পরিবেশে ক্ষতিকর পদার্থ নির্গত করে। ফলে, শক্তি উৎপাদন কম হয় এবং বায়ু দূষণ বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, অশুদ্ধ জ্বালানি ইঞ্জিনের ক্ষতি করে স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়। সুতরাং, উচ্চমানের দহন এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য বিশুদ্ধ জ্বালানি ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় 2এর সরবরাহ পর্যাপ্ত না হলে হাইড্রোকার্বনের অসম্পূর্ণ দহন ঘটে। অসম্পূর্ণ দহনে CO2 এর পরিবর্তে অতি বিষাক্ত CO ও C উৎপন্ন হয়, যা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর।

বিক্রিয়া: 2CH4(g) + 3O2(g)  2CO(g) + 4H2O (g) + তাপশক্তি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বল্প বাতাসে কাঠ পোড়ালে কাঠের উপাদান কার্বনের অসম্পূর্ণ দহন ঘটে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে কার্বন মনোক্সাইডও উৎপন্ন হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া কিছু কার্বন জারিত না হয়ে কার্বন কণা হিসেবে প্রকৃতিতে মিশে যায় এবং কালো ধোঁয়ার সৃষ্টি করে। এসব কালো ধোঁয়া পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই স্বয় বাতাসে কাঠ পোড়ানো ক্ষতিকারক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানির দহনে সালফার ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড তৈরি হয়। এগুলো জলীয় বাষ্পের সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন এসিড উৎপন্ন করে, যা এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে। জ্বালানির দহনে ফটোক্যামিক্যাল ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়, যা ওজোন স্তরের মারাত্মক ক্ষয়সাধন করে। উৎপন্ন এসিড বৃষ্টি ও ওজোন স্তরের ক্ষয় পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলের টিকে থাকার জন্য অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়ায় কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড ও অব্যবহৃত জ্বালানি (যেমন- মিথেন) থাকে। সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে এগুলো নানা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাসের ধোঁয়া সৃষ্টি করে। এদেরকে 'ফটোকেমিক্যাল ধোঁয়া (photochemical smog) বলে। এ ধোঁয়ার বিভিন্ন উপাদান বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তরের ক্ষয়সাধন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফটোক্যামিকেল ধোঁয়ায় বিদ্যমান গ্যাসগুলো CO, N2O  CH4 সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে এই গ্যাসগুলো বিষাক্ত ধোয়ার সৃষ্টি করে। এছাড়াও এ গ্যাসগুলো বায়ুমন্ডরের ওজোন (O3) স্তরের মারাত্মক ক্ষতি করে। এজন্য ফটোক্যামিকেল ধোঁয়া পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন মনুষ্য সৃষ্ট কারণে দিনে দিনে বায়ুমণ্ডলে CO2 এর ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। CH4, CFC, CO2 প্রভৃতি গ্রিন হাউজ গ্যাসের মধ্যে CO2গ্যাসটির তাপধারণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি। এছাড়া CO2পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি অবস্থান করে। পৃথিবীর তাপমাত্রা - বৃদ্ধিজনিত এই ঘটনাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা Global warming বলে। গ্যাস ওজনে ভারী হওয়ায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউস গ্যাস হলো এমন কিছু গ্যাস যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত থাকে এবং সূর্যের তাপকে শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। CO2, CH4, N2O এবং ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) হলো এর উদাহরণ। এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলের মধ্যে একটি আবরণ তৈরি করে, যা সূর্যের তাপকে বের হয়ে যেতে বাধা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউস প্রভাব হলো বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি প্রক্রিয়া। যখন সূর্যের তাপ পৃথিবীতে আসে, তখন এর একটি অংশ পৃথিবী থেকে প্রতিফলিত হয় এবং অন্য অংশ গ্রিন হাউস গ্যাস দ্বারা শোষিত হয়। এই শোষিত তাপ বায়ুমণ্ডলে আটকে পড়ে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এই প্রক্রিয়াকেই বলা হয় গ্রিন হাউস প্রভাব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন- কেরোসিন, পেট্রোল, ডিজেল প্রভৃতির - মতো ইথানলকে পোড়ালে তাপ উৎপন্ন হয়। তাহলে খনিজ জ্বালানির মতো ইথানলকে তাপ ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান প্রভৃতি চালনো যেতে পারে। ইথানল হলো একটি জৈব রাসায়নিক যৌগ, যা শ্বেতসার জাতীয় শস্য থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন করা যায়। এজন্য ইথানলকে জৈব জ্বালানি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইথানল একটি জৈব তরল জ্বালানি যার মজুদ/ স্টক সীমিত নয়। কারণ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় এটি প্রস্তুত করা হয়। অপরদিকে পেট্রোল একটি জীবাশ্ম জ্বালানি, যার মজুদ সীমিত। তাই জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমানোর জন্য উন্নত দেশে পেট্রোলের সাথে ইথানল মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হলো এমন একটি যন্ত্রিক ব্যবস্থা যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে বা বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি একটি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে একটি ইলেকট্রোডে জারণ এবং অন্য ইলেকট্রোডে বিজারণ ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন প্রবাহিত হয়, ফলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে কোষে বাইরের কোনো উৎস থেকে তড়িৎ প্রবাহিত করে কোষের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো যায় সেই কোষকে বলে তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষ। এই কোষে একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণকে বিদ্যুৎ প্রবাহের মধ্যে রাখা হয়। বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে দ্রবণে উপস্থিত আয়নগুলো ইলেকট্রোডে গিয়ে জারণ বা বিজারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং নতুন পদার্থ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক বা ভোল্টায়িক কোষ হলো সেই সকল কোষ, যেখানে কোষের ভিতরের পদার্থসমূহের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয়। গ্যালভানিক কোষে যে পাত্র দুটি ব্যবহৃত হয়, সেই পাত্র দুটিকে সল্ট ব্রিজ দ্বারা সংযুক্ত করা হয়। একটি স্বতঃস্ফূর্ত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে এটি কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, ড্রাইসেল একটি গ্যাল্ডানিক কোষ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থের মধ্যদিয়ে ইলেকট্রনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় সেসব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। ধাতু (Fe, Cu, Ni), গ্রাফাইট এবং অর্ধপরিবাহী ইলেকট্রনীয় পরিবাহীর উদাহরণ। এই পদার্থগুলোতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যা বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজে চলাচল করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে, তাদেরকে বিদ্যুৎ পরিবাহী (conductor) বলে। আর যাদের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না, তাদেরকে কুপরিবাহী (insulator) বলে। ধাতু, কার্বন, গ্রাফাইট, গলিত লবণ ও এসিড-ক্ষার ও লবণের দ্রবণ প্রভৃতি বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসাবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সকল ধাতুরই শেষ কক্ষপথে কমসংখ্যক ইলেকট্রন থাকে। তাই ধাতব কেলাসে এই ইলেকট্রনগুলো পরমাণুর কক্ষপথ থেকে বের হয়ে সমগ্র ধাতব খন্ডে মুক্তভাবে চলাচল করে। ফলে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রভাবে বা ধাতব খণ্ডকে ব্যাটারির সাথে যুক্ত করে বর্তনী পূর্ণ করলে সহজেই বর্তনীর ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে মুক্ত ইলেকট্রনসমূহ ধনাত্মক প্রান্তের দিকে চলাচল করে এবং এভাবেই বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থের মধ্যদিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তাদেরকে ধাতব পরিবাহী বলে। এক্ষেত্রে ইলেকট্রন একস্থান হতে অন্যস্থানে চলাচল করে, কিন্তু ধাতুর মূল অংশ নিউক্লিয়াস স্থির থাকে। ফলে পদার্থের গঠনের কোনোরূপ পরিবর্তন হয় না। ধাতুর এক পরমাণু হতে অপর পরমাণুতে ইলেকট্রনের চলাচলের মাধ্যমে তড়িৎ পরিবাহিত হয় বলে ধাতব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পরিবাহী ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে তাদের ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। লোহাকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলা হয়, কারণ লোহায় বিদ্যমান মুক্ত ইলেকট্রনসমূহ বিদ্যুৎ পরিবহনে ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপার তথা Cu বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। কারণ Cu ধাতুর স্ফটিকে যুক্তভাবে বিচরণশীল ইলেকট্রনগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনের কাজটি করে থাকে। একটি Cu ধাতুর খন্ডের দুই প্রান্তের সাথে ব্যাটারির ধনাত্মক (+) ও ঋণাত্মক (-) প্রান্ত সংযুক্ত করলে ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে প্রবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ তড়িৎ বিশ্লেষণের জন্য একটি উপযুক্ত মাধ্যম। এই কোষে তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে বিদ্যুৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এছাড়াও ইলেকট্রোপ্লেটিং ও ধাতু বিশোধনেও এটি ব্যবহার করা হয়। তাই তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের গুরুত্ব অত্যধিক

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনের সাথে সাথে রসায়নিক পরিবর্তন ঘটায় তাদেরকে তড়িৎবিশ্লেষ্য পরিবাহী বা তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। লবণ, অ্যাসিড এবং ক্ষার তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ। এই পদার্থগুলো দ্রবীভূত হলে আয়নে বিভক্ত হয় এবং এই আয়নগুলো দ্রবণে তড়িৎ পরিবহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনীয় পরিবাহী ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীর মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে লেখা হলো:

ইলেকট্রনীয় পরিবাহীতড়িৎবিশ্লেষ্য পরিবাহী
১. ইলেকট্রনীয় পরিবাহীতে, যেমন ধাতুতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য মুক্ত ইলেকট্রন দায়ী।১ তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীতে, যেমন লবণের জলীর দ্রবণে, তড়িৎ প্রবাহের জন্য আয়ন দায়ী।
২. ইলেকট্রনীয় পরিবাহীতে তড়িৎ প্রবাহের ফলে কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন হয় না।২. তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীতে তড়িৎ প্রবাহের ফলে ইলেকট্রোডে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং নতুন পদার্থ তৈরি হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ দ্রবণে প্রায় সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয়। ফলে এরা দ্রবণে ভালোভাবে তড়িৎ পরিবহন করে। অন্যদিকে, মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ দ্রবণে আংশিকভাবে আয়নিত হয়। ফলে এরা দ্রবণে খুব কম পরিবহন করে। উদাহরণস্বরূপ, সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য, আর অ্যাসিটিক এসিড (CH3COOH) একটি মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ বিগলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তাদের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন দ্বারা তড়িৎ পরিবহন করে এবং সে সাথে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। MgCl2যৌগটি একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। কারণ এটি জলীয় দ্রবণে বিযোজিত হয়ে Mg2+ .2CI- আয়ন উৎপন্ন করে এবং আয়নন্বয়ের মধ্যে তড়িৎ পরিবহন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

CH3COOH একটি দুর্বল তড়িৎবিশ্লেষ্য। কারণ, আমরা জানি, জলীয় দ্রবণে যে পদার্থ যত বেশি বিয়োজিত হবে তার শক্তিমাত্রা তত বেশি। CH3COOH একটি জৈব এসিড হওয়ায় জলীয় দ্রবণে খুবই কম মাত্রায় বিয়োজিত হয়। এজন্য CH3COOH একটি দুর্বল তড়িৎবিশ্লেষ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিষ্ক্রিয় ধাতুর অ্যানোড ও ক্যাথোড ব্যবহার করে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে এসিড মিশ্রিত পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে অ্যানোডে অক্সিজেন গ্যাস এবং ক্যাথোডে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত এসিড শুধু দ্রবণের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার কাজ করে কিন্তু এসিডের কোনো পরিবর্তন হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষে ক্যাথোডে ধাতু সঞ্চিত হয়, কারণ-
১. ক্যাথোডে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে।
২. ক্যাথোডে ধাতব আয়ন প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতব পরমাণুতে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ হাইড্রোক্লোরিক এসিড তড়িৎ পরিবাহী নয়। কারণ কোনো যৌগকে তড়িৎ পরিবাহী হতে হলে অবশ্যই ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন উৎপন্ন করতে হবে। কিন্তু বিশুদ্ধ অবস্থায় HCI আণবিক অবস্থায় থাকে। HCI এর হাইড্রোজেন পরমাণু বিয়োজিত হয়ে H+ আয়ন উৎপন্ন করতে পারে না বলে বিশুদ্ধ হাইড্রোক্লোরিক এসিড তড়িৎ পরিবাহী নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎদ্বার হলো একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে জারণ বা বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে। এটি সাধারণত একটি ধাতুর টুকরো বা গ্রাফাইটের একটি রড হয়, যা কোষের ভেতরে রাসায়নিক দ্রবণের সংস্পর্শে থাকে। তড়িৎদ্বারের উপাদান এবং এর সাথে যুক্ত দ্রবণের ধরন কোষের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। তড়িৎদ্বারের মাধ্যমেই কোষের অভ্যন্তরে ইলেকট্রন আদান-প্রদান হয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষে ক্যাথোড ও অ্যানোড দুটি তড়িৎদ্বার থাকে। একটি তড়িৎদ্বারে জারণ ঘটে এবং অপরটিতে বিজারণ ঘটে। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষে ক্যাথোডে বাইরের উৎস থেকে ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় এবং কোষের ধনাত্মক আয়ন সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়ে চার্জ নিরপেক্ষ ধাতুতে পরিণত হয়। এজন্য ক্যাথোডকে বিজারণ তড়িৎদ্বার বলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Ag/Ag+ (aq) তড়িদদ্বার হলো ধাতু/ধাতব আয়ন তড়িদ্বার। এটি একটি জারণ তড়িদদ্বার। তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় Ag(s) একটি ইলেকট্রন ছেড়ে দিয়ে Ag+(aq) আয়নে পরিণত হলে সৃষ্ট তড়িৎ দ্বারটিকে Ag/Ag+(aq) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

X| X2+ তড়িদ্বার বলতে জারণ তড়িদ্‌দ্বার বা অ্যানোড়কে বুঝানো হয়েছে। কেননা এখানে X ধাতু ২টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে X2+আয়নে পরিণত হয়েছে। X-2e-X2+

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Cu ধাতুর দণ্ড বা ধাতব পাত CuSO4 এর জলীয় দ্রবণে ডুবানো থাকলে তাকে Cu/Cu2+ তড়িৎদ্বার বলে। এটি একটি জারণ তড়িৎদ্বার, কেননা Cu ধাতু দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Cu2+ আয়নে পরিণত হয় এবং Cu/Cu2+তড়িৎদ্বার তৈরি করে। Cu/Cu2+ তড়িৎদ্বারে নিম্নেরূপে বিক্রিয়া সংঘটিত হয়- Cu(s) Cu2+(aq) + 2e

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনে দুটি তড়িদদ্বার যথা : অ্যানোড ও ক্যাথোড তড়িদদ্বার ব্যবহার করা হয়। অ্যানোড তড়িদদ্বারে জারণ বিক্রিয়া ঘটে এবং ক্যাথোড তড়িদদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে।
অ্যানোড তড়িদদ্বার: Zn(s)Zn2+(aq) + 2e- ( জারণ-বিক্রিয়া)

ক্যাথোড তড়িদদ্বার Cu2+(aq) + 2e- Cu(s) (বিজারণ-বিক্রিয়া)
সুতরাং, তড়িদদ্বার বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষে দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষণের মধ্যে যে ২টি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী প্রবেশ করানো হয় তা হচ্ছে তড়িদ্‌দ্বার। আবার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের যে তড়িদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে ক্যাথোড তড়িদ্‌দ্বার বলে। যেমন- ক্যাটায়নসমূহ ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্যাথোডে বিজারিত হয়। ক্যাথোডে নিম্নরূপ বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। Mn+ +  ne-  M+  [বিজারণ]

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানোড ও ক্যাথোড এর মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ:
১. অ্যানোড ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার, অন্যদিকে ক্যাথোড ধনাত্মক তড়িৎদ্বার।
২. অ্যানোডে জারণ বিক্রিয়া ঘটে, অন্যদিকে ক্যাথোডে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গলিত বা দ্রবীভূত' অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় উক্ত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের যে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষণ (Electrolysis) বলা হয়। যেমন- গলিত সোডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস আর ক্যাথোডে সোডিয়াম ধাতু উৎপন্ন হয়। প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ- 2NaCl(1)  2Na(s) + Cl2(g)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানি বিয়োজিত হয়ে ক্যাটায়ন (H+) ও অ্যানায়ন (OH)- উৎপন্ন করে। অ্যানোডে হাইড্রক্সিল আয়ন (OH)- জারিত হয়ে অক্সিজেন গ্যাস এবং ক্যাথোডে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) বিজারিত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। অ্যানোডে উৎপন্ন ইলেকট্রন তারের মাধ্যমে ক্যাথোডে পৌঁছায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ বলতে পানির আয়নগুলো দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন বুঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ হলো একটি সারণি, যেখানে বিভিন্ন ধাতুকে তাদের রাসায়নিক সক্রিয়তার, ক্রম অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। এই সারণিতে সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু উপরে এবং সবচেয়ে কম সক্রিয় ধাতু নিচে থাকে। আবার এই সারির যেকোনো ২টি মৌলের আয়নের মধ্যে যে আয়নটি নিচে অবস্থিত, সেটি আগে ইলেকট্রন গ্রহণ করে আগে চার্জযুক্ত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির তড়িৎ বিশ্লেষণের অর্ধকোষ বিক্রিয়া হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানায়ন ও ক্যাটায়ন এর চার্জমুক্ত হওয়ার প্রবণতা ৩টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। এগুলো হলো:
(i) ক্যাটায়ন বা অ্যানায়ন এর চার্জমুক্ত হওয়ার প্রবণতা
(ii) ক্যাটায়ন বা অ্যানায়ন এর ঘনমাত্রা
(iii) তড়িৎদ্বারের প্রকৃতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ আয়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
বিশুদ্ধ পানি খুবই অল্প পরিমাণে আয়নিত হয়। তাই এটি বিদ্যুৎ অপরিবাহীর মতো কাজ করে। H2O = H+ + OH- অপরদিকে ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূৰ্ণৰূপে আয়নিত অবস্থায় থাকে।

NaOH(aq) Na+ + OH-

উৎপন্ন Na+ এবং OH- বিদ্যুৎ পরিবহনের কাজ করে।
তাই ক্ষার মিশ্রিত পানি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোনো ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে একটি ধাতুকে অন্য ধাতুর আয়ন দিয়ে আবৃত করা হয়। ইলেকট্রোপ্লেটিং এর মাধ্যমে ধাতুকে সুন্দর দেখানো, মরিচা থেকে রক্ষা করা এবং অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদান করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং হচ্ছে মরিচারোধক প্রলেপ। এটির ব্যবহারে লোহার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। কোনো ধাতুর উপর ইলেকট্রোপ্লেটিং করলে তা মসৃণ হয়। ইলেকট্রোপ্লেটিং এর ফলে অলংকারের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। তাই ইলেকট্রোপ্লেটিং দেয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতুকে ক্ষয় হতে রক্ষা করার জন্য অধিক সক্রিয় ধাতুর উপরে কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে। লোহাকে উন্মুক্ত অবস্থায় রাখলে তা বাতাসের অক্সিজেন ও পানির সাথে বিক্রিয়া করে পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা (Fe2O3.3H2O) তৈরি করে। তাই লোহাকে মরিচা হতে রক্ষা করার জন্য। ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু বিশোধনের ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে অ্যানোড এবং বিশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় পাতকে একটি উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইট দ্রবণে ডুবিয়ে রাখা হয়। তড়িৎপ্রবাহ প্রয়োগ করলে, অশুদ্ধ ধাতুর পাত থেকে ধাতু আয়ন দ্রবণে মুক্ত হয় এবং বিশুদ্ধ ধাতুর পাতে জমে। এইভাবে অশুদ্ধ ধাতুকে বিশুদ্ধ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতু বিশোধনের ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে অ্যানোড এবং বিশুদ্ধ ধাতুর একটি পাতকে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় পাতকে একটি উপযুক্ত ইলেকট্রোলাইট দ্রবণে ডুবিয়ে রাখা হয়। তড়িৎপ্রবাহ প্রয়োগ করলে, অশুদ্ধ ধাতুর পাত থেকে ধাতু আয়ন দ্রবণে মুক্ত হয় এবং বিশুদ্ধ ধাতুর পাতে জমে। এইভাবে অশুদ্ধ ধাতুকে বিশুদ্ধ করা হয়।
 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাণিজ্যিকভাবে ইলেকট্রোপ্লেটিং এর মাধ্যমে লোহার উপর অন্য ধাতুর বিশেষ করে দন্তা ও ম্যাগনেসিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়। এতে লোহাটি মরিচারোধী হয় এবং লোহার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ইলেকট্রোপ্লেটিং এর ফলে লোহার তৈরি জিনিসের উপরিভাগ মসৃণ ও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এজন্য বাণিজ্যিকভাবে লোহার তৈরি জিনিসের উপর ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষ সাধারণত দুটি ভিন্ন ধাতুর তৈরি তড়িৎদ্বার এবং একটি লবণ সেতু দিয়ে তৈরি হয়। এই দুটি তড়িৎদ্বারকে তাদের নিজ নিজ আয়নিক দ্রবণে ডুবিয়ে রাখা হয়। লবণ সেতু আয়নগুলোকে একটি তড়িৎদ্বার থেকে অন্য তড়িৎদ্বারে প্রবাহিত হতে দেয় এবং কোষের বৈদ্যুতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষ রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। এই কোষে দুটি ভিন্ন ধাতুর তৈরি তড়িৎদ্বার থাকে, যা একটি লবণ সেতু দ্বারা সংযুক্ত থাকে। এই তড়িৎদ্বারগুলোতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, যার ফলে একটি তড়িৎদ্বার থেকে ইলেকট্রন বের হয়ে আসে এবং অন্য তড়িৎদ্বারে প্রবেশ করে। এই ইলেকট্রনের প্রবাহকেই আমরা বিদ্যুৎ বলি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষে দুটি ভিন্ন মৌল দিয়ে তৈরি দুটো ইলেকট্রোডকে দুটি ভিন্ন পাত্রের তড়িৎবিশ্লেষ্যের দ্রবণের মধ্যে আংশিকভাবে ডুবানো থাকে। তড়িৎদ্বার দুটির মধ্যে অধিক সক্রিয় ধাতুর ইলেকট্রোড অ্যানোড হিসাবে কাজ করে। অ্যানোডে জারণ বিক্রিয়া ঘটে বলে গ্যালভানিক কোষে অ্যানোড ঋণাত্মক হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

U-আকৃতির কাচের নলের মধ্যে আগার-অ্যাগার নামের একটি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে KCI লবণের দ্রবণ মিশানোর ফলে জেলির মতো মিশ্রণ তৈরি হয়, যাকে বলা হয় লবণ সেতু। লবণ সেতু গ্যালডানিক কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা দুটি ভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কিন্তু তাদেরকে মিশ্রিত হতে দেয় না। লবণ সেতু কোষের বৈদ্যুতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখে এবং তড়িৎ প্রবাহ নির্বিঘ্নে চলতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়, তখন, একটি তড়িৎদ্বারে ধনাত্মক আয়ন এবং অন্য তড়িৎদ্বারে ঋণাত্মক আয়ন জমা হয়। লবণ সেতুতে থাকা তড়িৎ বিশ্লেষ্যের আয়নগুলো এই অসাম্যতা দূর করে। অর্থাৎ কোষের উভয় অংশে আয়নিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং ইলেকট্রন প্রবাহ অব্যাহত রাখতে লবণ সেতুতে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষে লবণ সেতু ব্যবহার করা হয়; কারণ-
(১) লবণসেতু অর্ধকোষদ্বয়ের উভয় দ্রবণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোষের বর্তনী পূর্ণ করে।
(২) লবণসেতুর মধ্যস্ত তড়িৎবিশ্লেষ্য উভয় অর্ধকোষের দ্রবণের সাথে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। বরঞ্চ উভয় তরলের মধ্যে প্রয়োজনমতো ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন বিনিময়ের ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমরূপে কাজ করে। ফলে উভয় তরলের বৈদ্যুতিক নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেল বা শুষ্ক কৌষ হলো একটি প্রাথমিক কোষ, যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। সাধারণত এতে দস্তা (Zn)-কে অ্যানোড এবং কার্বন (C)-কে ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এদের মধ্যে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4,CI) বা জিঙ্ক ক্লোরাইড (ZnCl2) এর মতো তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ থাকে। এই পদার্থগুলোর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেল বা শুষ্ককোষ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। ঘড়ি, টর্চ, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা, ক্যামেরা এবং অন্যান্য ছোট ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র চালাতে ড্রাইসেল ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, অনেক ধরনের সেন্সর, মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসেও ড্রাইসেল ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেলে ক্যাথোড হিসেবে MnO2 এর ভারী আবরণযুক্ত কার্বন দণ্ড ব্যবহার করা হয়। ড্রাইসেলে অ্যানোডে Zn দণ্ড ২টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয় এবং ক্যাথোডে অবস্থিত MnO2 l অ্যানোডে উৎপন্ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। কার্বন দণ্ড অ্যানোডে উৎপন্ন ইলেকট্রন পরিবহন করে।

2NH4+ (aq) + 2MnO2 + 2e-  2NH3 (g) + MnO3 + H2O

এ কারণে ড্রাইসেলে MnO2 ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শুষ্ক কোষের অ্যানোড ও ক্যাথোডে সংঘটিত বিক্রিয়া:

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাটারিতে বিভিন্ন ধাতুর অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। এসব ধাতু ও ধাতব যৌগসমূহ বিষাক্ত, যা জীবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হিসেবে পরিচিত। অব্যবহৃত ব্যাটারি ফেলে দিলে তা হতে ক্ষতিকর ধাতু ও ধাতব যৌগসমূহ মাটি ও পানির সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে এগুলোকে পানি ও মাটি হতে উদ্ভিদ ও ফসল গ্রহণ করে এবং তা খাদ্যশিকলের মাধ্যমে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীতে প্রবেশ করে। এভাবে পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফুয়েল সেল তড়িৎ বিশ্লেষণ কৌশল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের অ্যানোডে হাইড্রোজেন অণু জারিত হয় এবং ক্যাথোডে অক্সিজেন অণু বিজারিত হয়ে পানি উৎপন্ন করে। ফলে কোষ ইলেকট্রন অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে প্রবাহিত হয়। এই ইলেকট্রন প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ কৌশল ব্যবহার করে মানবদেহের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নির্ণয়ে সেন্সর ব্যবহার করা হয়। এই সেন্সরে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মাঝখানে একটা ছোট ফাঁকা নালি (Channel) থাকে, যেখানে রক্ত দেয়া হলে একটি তড়িৎ কোষ গঠিত হবে। ফাঁকা নালিতে রক্ত দিলে কোষে সংযুক্ত উৎস হতে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে রক্তে অবস্থিত গ্লুকোজ অণু অ্যানোডে জারিত হয়। গ্লুকোজের জারণের ফলে উদ্ভুত ইলেকট্রনের সংখ্যা নির্ণয় করে রক্তে অবস্থিত গ্লুকোজের পরিমাণ যন্ত্রটি মনিটরে ডিজিটের সাহায্যে প্রকাশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে বলে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া। এই পরিবর্তনের ফলে নতুন ধরনের পরমাণু, শক্তি এবং কণা উৎপন্ন হতে পারে। নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া দুই প্রকার: নিউক্লিয়ার ফিশন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন। এই বিক্রিয়াগুলো পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং মেডিকেল ইমেজিংয়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে। এই প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ শক্তি এবং নিউট্রন নির্গত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইউরেনিয়াম-235 এর নিউক্লিয়াসকে একটি নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এটি দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়ে য়ায় এবং একই সাথে কয়েকটি নিউট্রন নির্গত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে বলে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া। উদাহরণ- 21H+31H42He+40n+ বিপুল শক্তি নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া হাইড্রোজেন বোমা তৈরির ভিত্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে বিক্রিয়া একবার শুরু হলে তাকে চালু রাখার জন্য অতিরিক্ত কোনো শক্তির প্রয়োজন হয় না তাকে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া বলে। নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয়ে আরও নিউট্রন নির্গত করে এবং সেই নিউট্রনগুলো আবার অন্য নিউক্লিয়াসকে বিভক্ত করে। এই প্রক্রিয়াটি একটি শৃঙ্খলের মতো চলতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার ফিশন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ :

নিউক্লিয়ার কিশননিউক্লিয়ার, ফিউশন
১. ফিশন বিক্রিয়ায় একটি অতি বৃহৎ নিউক্লিয়াস দুটি প্রায় কাছাকাছি ভর বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়।১. ফিউশন বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয় অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে।
২. নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া হলো চেইন বা শিকল বিক্রিয়া যা অনবরত চলতে থাকে।২. নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া চেইন বিক্রিয়া নয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার মধ্যে ২টি পার্থক্য নিম্নরূপ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ারাসায়নিক বিক্রিয়া
১. নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে।১. রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যোজ্যতা ইলেকট্রনসমূহের পরিবর্তন ঘটে।

২. নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয়।

21H+31H41He +10n

২. রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয় না, শুধু পরমাণুর স্থানান্তর ঘটে। Zn(s) + H2SO4ZnSO4(aq) + H2(g)
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বড় মৌলসমূহ বিশেষ করে যাদের পারমাণবিক সংখ্যা ৪3 এর বেশি তাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে ছোট ছোট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। বড় নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়ার সময় পোলোনিয়াম -210 হতে প্রচুর পরিমাণে a, B, y রশ্মি নির্গত হয়। এক্ষেত্রে পোলোনিয়াম -210 210(Po) স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে সিসা -206 উৎপন্ন হয়। তাই পোলোনিয়াম-210 কে তেজস্ক্রিয় মৌল বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া, বিশেষ করে নিউক্লিয়ার ফিশন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি শক্তিশালী উৎস হিসেবে কাজ করে। একটি ক্ষুদ্র পরিমাণ নিউক্লিয়ার জ্বালানি থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা যায়, যা অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় অনেক বেশি। নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত করে না, ফলে এটি একটি পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

০-৪ এর বন্ধন শক্তি 464 কিলোজুল/মোল।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপ প্রদান করে যে বিক্রিয়া ঘটনো হয় সেই বিক্রিয়াকে তাপহারী বা তাপশোষী বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোন বিক্রিয়ার সমতাযুক্ত সমীকরণ মতে বিক্রিয়কসমূহের সংখ্যানুপাতিক মোল পরিমাণে সম্পূর্ণরূপে বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণকে বিক্রিয়া তাপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর উপর 1 নিউটন বল প্রয়োগ করলে যদি বলের দিকে 1 মিটার সরণ ঘটে তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় কাজকে এক জুল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্ধনে আবদ্ধ একটি পরমাণুর সাথে আরেকটি পরমাণু যে আকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকে তাকে বন্ধন শক্তি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও atm চাপে। মোল কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থকে অক্সিজেনে সম্পূর্ণভাবে দহন করলে এনথালপির যে পরিবর্তন ঘটে তাকে দহন তাপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়ায় থাকা CO, N2O ও অব্যবহৃত জ্বালানি বায়ুতে মিশে সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিষাক্ত গ্যাসের ধোঁয়া সৃষ্টি করে, একে ফটোকেমিক্যাল ধোঁয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী ২০০ মিলিয়ন বা এর চেয়ে বেশি বছর মাটির নিচে থেকে উচ্চ তাপ ও চাপে কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা খনিজ তেলে পরিণত হয়, এগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব জ্বালানি পোড়ানোর ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ তৈরি হয় না তাদেরকে বিশুদ্ধ জ্বালানি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তিনটি উল্লেখযোগ্য খনিজ জ্বালানি হলো- কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওজোনস্তর সূর্যের আলোতে উপস্থিত অতিবেগুনি রশ্মিকে পৃথিবীতে আসতে বাধা প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কার্বন ডাইঅক্সাইড  (CO2) কে গ্রিন হাউজ গ্যাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থের মধ্যদিয়ে ইলেকট্রনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় সেসব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনের সাথে সাথে রসায়নিক পরিবর্তন ঘটায় তাদেরকে তড়িৎবিশ্লেষ্য পরিবাহী বা তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর উপর অন্য একটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ প্রলেপন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার (Zn) পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Ag/Ag+ (aq) তড়িদদ্বার হলো ধাতু/ধাতব আয়ন তড়িদ্বার। এটি একটি জারণ তড়িদদ্বার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে যে দুটি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী অর্থাৎ ধাতব দন্ড বা গ্রাফাইট দন্ড প্রবেশ করানো হয় তাদেরকে তড়িৎদ্বার বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় উক্ত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের যে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষণ (Elcctrolysis) বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে বা গলিত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে আয়নিত অবস্থায় থাকে তাদেরকে তীব্র তড়িৎবিশ্লেষ্য বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না, তাকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল তড়িৎবিশ্লেষ্য দ্রবণে খুব অল্প পরিমাণে আয়নিত অবস্থায় থাকে তাদেরকে মৃদু তড়িৎবিশ্লেষ্য বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বিভিন্ন ক্ষুদ্রাংশ যেমন- তড়িদদ্বার, তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণ, লবণসেতু প্রভৃতি নিয়ে গঠিত Page

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে ক্যাথোড বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে আয়ন ধনাত্মক চার্জযুক্ত হয় এবং তড়িৎ বিশ্লেষণকালে ঋণাত্মক তড়িদদ্বারে (ক্যাথোডে) আকৃষ্ট হয় তাকে ক্যাটায়ন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি ধাতুর উপর টিনের প্রলেপ দেওয়াকে টিন প্লেটিং বলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক বা ভোল্টায়িক কোষ হলো সেই সকল কোষ, যেখানে কোষের ভিতরের পদার্থসমূহের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

U-আকৃতির কাচের নলের মধ্যে আগার-অ্যাগার নামের একটি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে KCI লবণের দ্রবণ মিশানোর ফলে জেলির মতো মিশ্রণ তৈরি হয়, যাকে লবণ সেতু বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্র হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন (Fusion) বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি অণু অন্য অণুর সাথে কীসের সাহায্যে যুক্ত থাকে আকর্ষণ শক্তিl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বন্ধন শক্তি ও আন্তঃআণবিক শক্তিগুলোকে রাসায়নিক শক্তি বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুসমূহ পরস্পরের সাথে বন্ধন শক্তি শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহার মধ্যে আয়রন পরমাণুসমূহের মধ্যে ধাতব বন্ধন বন্ধন বিদ্যমান l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমযোজী যৌগের অণুসমূহ একে অপরের সাথে আন্তঃআণবিক শক্তি  শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইড, যৌগে একটি সোডিয়াম আয়নের চারদিকে 6টি ক্লোরাইড আয়ন অবস্থান করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমযোজী যৌগ. H2এবং HCI এর মধ্যে HCI আন্তঃআণবিক শক্তি বেশি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিকভাবে শক্তির একক জুল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

cal = 4.18 J জুল

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাজার ক্যালরি  কিলো ক্যালরি  কিলো ক্যালরি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ন্যাপথলিনের অণুসমূহ পরস্পরের সাথে আন্তঃআণবিক শক্তি  শক্তির মাধ্যমে যুক্ত থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ যে শক্তি ধারণ করে তাকে অভ্যন্তরীণ শক্তি বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে E2- E1  এর মান ঋণাত্মক l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কসমূহের মোট অভ্যন্তরীণ শক্তি ৪০ kJ/mol এবং উৎপাদসমূহের অভ্যন্তরীণ শক্তি 90 kJ/mol হলে AH এর মান 10 kJ/mol l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

mol মিথেন গ্যাস দহনে 890 kJ/mol পরিমাণ তাপ উৎপন্ন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চুনের পানির সংকেত Ca(OH)2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়াম অক্সাইডে পানি ঢাললে 63.95 kJ/mol পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শামুক বা ঝিনুকের খোলস থেকে চুন (CaO) তৈরি করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শামুক বা ঝিনুকের খোলসের মূল উপাদান CaCO3 l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শামুক বা ঝিনুকের খোলসগুলোতে প্রায় 98% পরিমাণ CaCO3 থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালসিয়াম কার্বনেটের বিয়োজন বিক্রিয়ায় ∆H এর মান 176.8 kJ/moll

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

C-CI বন্ধন শক্তির মান 326 kJ/mol l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

০=০ বন্ধন শক্তির মান 498 kJ/mol l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

I mol N = N বন্ধনকে ভাঙতে 946 কিলোজুল পরিমাণ তাপ দিতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

mol C = O বন্ধন তৈরি হতে 724 কিলোজুল পরিমাণ তাপ নির্গত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

। মোল H H বন্ধনকে ভাঙতে 436 kJ পরিমাণ তাপ দিতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

।-। বন্ধন শক্তির মান 15.1 kJ/mol l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তাপ, আলো, বিদ্যুৎ, শব্দ বা যান্ত্রিক ইত্যাদি যেকোনো শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে রাসায়নিক শক্তি  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানির দহনে প্রাপ্ত তাপশক্তির উৎস পদার্থের রাসায়নিক শক্তি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আতশবাজি থেকে আলো, শব্দ ও যান্ত্রিক শক্তি  শক্তি পাওয়া যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টেলিভিশনের রিমোটে ব্যবহৃত পেন্সিল ব্যাটারি মূলত ড্রাইসেল

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেলের রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তি শক্তিতে রূপান্তরিত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাসে, ট্রাকে ব্যবহৃত ব্যাটারি মূলত ডেনিয়েল সেল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে সকল প্রকার শক্তির মাঝে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শক্তি রাসায়নিক শক্তি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাঠের দহনে রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে শক্তিতে রূপান্তরিত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোটর গাড়ি ও বিমানে শক্তির তাপশক্তি যান্ত্রিক শক্তি  ধরনের রূপান্তর ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিরামিকস, ইস্পাত কারখানায় শক্তির তাপশক্তি রূপ প্রচুর প্রয়োজন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শর্করার মধ্যে সূর্যালোক রাসায়নিক শক্তি   শক্তি হিসেবে জমা থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ গ্লুকোজ (C6H12O6) খাদ্য তৈরি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2)গ্যাস ব্যবহার করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণে উপজাত হিসেবে অক্সিজেন (O2) গ্যাস নির্গত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটিন ও চর্বি জাতীয় পদার্থে শক্তির রাসায়নিক শক্তি রূপ মজুদ থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক শক্তি শক্তি ব্যতীত প্রাণের অস্তিত্ব অসম্ভব l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে শক্তির রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তি  ধরনের রূপান্তর ঘটেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবছর জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে 21.3.বিলিয়ন পরিমাণ CO2 তৈরি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ গ্যাসের মধ্যে CO2তাপ ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবাশ্ম জ্বালানির পরিমিত ব্যবহার বিষয়টি নিশ্চিতকরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের উপর চাপ কমবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

CO2থেকে সৃষ্ট H2CO3(কার্বনিক এসিড)যৌগটি এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ীl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্বপ্ন বায়ুর উপস্থিতিতে জ্বালানির দহনে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড (CO) গ্যাসটি উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবিশুদ্ধ জ্বালানিতে নাইট্রোজেন, সালফার ও ফসফরাস মৌলের যৌগ মিশ্রিত থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নাইট্রোজেনের HNO3 যৌগটির এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যানবাহনের নির্গত ধোঁয়া সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে যে বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি করে তাকে ফটোকেমিক্যাল ধোঁয়া বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফটোকেমিক্যাল ধোঁয়া বায়ুমণ্ডলের ওজোন (O3) স্তর স্তরের ক্ষয়সাধন করেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে – এর মূল কারণ বৈশ্বিক উষ্ণতা l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর তাপমাত্রা' বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিন হাউজ প্রভাব বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রে গাড়িতে পেট্রোলের সাথে ইথানল(CH3) - CH2-OH)জৈব যৌগ মিশানো হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইথানলের অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইথানলের রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর স্তর সূর্যের আলোর ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানি পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে তাপশক্তি  শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষ রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহা, কপার, নিকেল ইলেকট্রনীয় পরিবাহী ধরনের পরিবাহী l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

NaCl, CuSO4তড়িৎবিশ্লেষ্য ধরনের পরিবাহী l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তীব্র তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ দাও NaCl, CuSO4, H2SO4 l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মৃদু তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ H2O, CH3COOH l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জারণ বিক্রিয়া ঘটে অ্যানোডে তড়িদ্বারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে ক্যাথোডে  তড়িদ্বারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গলিত সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণে অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস  উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষে তড়িৎবিশ্লেষ্যের মধ্যে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী হিসেবে  গ্রাফাইট দণ্ড বা তড়িদ্বারপ্রবেশ করানো হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরিন গ্যাস পানির সাথে বিক্রিয়ায় উৎপাদ যৌগ HCI, HOCI

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণে H+' আয়ন আয়নের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা বেশি দেখা যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণে ক্যাথোডেH2গ্যাস উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণে অ্যানোডে Cl2 গ্যাস উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণে কোষের নিচে উপজাত হিসেবে NaOH ক্ষার  উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক সারণিতে সবচেয়ে নিচে অবস্থিত ক্যাটায়ন Au3+ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক সারণিতে সবার উপরে অবস্থিত অ্যানায়ন  NO3- l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির বিয়োজনে অ্যানায়ন OH আয়নের ঘনমাত্রা 10-7 মোলার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির তড়িৎ বিশ্লেষণে তড়িদ্‌দ্বার প্লাটিনাম ধাতুর তৈরিl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধিতে পানিতে সালফিউরিক এসিড যৌগ যোগ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশুদ্ধ পানির তড়িৎ বিশ্লেষণে অ্যানোডে অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সক্রিয় ধাতুসমূহ তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিষ্কাশন করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোডে সোডিয়াম ধাতু উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে জিঙ্ক, লেড, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ধাতু বিশুদ্ধকরণ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে ধাতুকে বিশুদ্ধ করতে চাই ঐ ধাতুর বিশুদ্ধ দণ্ড ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তে যুক্ত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং এর জন্য সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি ধাতু ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লোহার তৈরি চামচের উপর সিলভার প্রলেপ দিতে AgNO3 দ্রবণ দ্রবণ ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনে তড়িৎ বিশ্লেষণপদ্ধতি ব্যবহার করা হয়  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রুপা ও তামা ধাতুর বৈদ্যুতিক রোধ সবচেয়ে কম l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানির তড়িৎ বিশ্লেষণে উৎপন্ন ক্লোরিন জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিমান তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক বা ভোল্টায়িক ধরনের কোষ  ধরনের কোষের ভিতরে পদার্থসমূহের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষে অধিক সক্রিয় ধাতু অ্যানোড হিসেবে ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষে জিঙ্ক ধাতুর তড়িদ্বারকে ZnSO4 তড়িৎবিশ্লেষ্যের দ্রবণে রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেনিয়েল কোষ প্রথম আবিষ্কার করেন জন ফ্রেডরিক ডেনিয়েল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেনিয়েল কোষের পাত্র দুটির দ্রবণের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য U-আকৃতির লবণ সেতু ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেনিয়েল কোষে অ্যানোড হিসেবে কাজ করে জিঙ্ক দণ্ডতড়িদ্বার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেনিয়েল কোষে ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে কপার দণ্ড তড়িদ্বার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যালভানিক কোষে শক্তির রাসায়নিক শক্তি → বিদ্যুৎ শক্তি ধরনের রূপান্তর ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষে অ্যানোডের চার্জ ধনাত্মক চার্জযুক্ত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে সহজে তৈরি করা যায় ধাতু-ধাতুর আয়ন তড়িদ্বার তড়িদ্বারl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Zn দণ্ডকে  ZnSO4এর দ্রবণে রেখে সৃষ্ট তড়িদ্বারকে Zn | Zn2+ লেখা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক সারির অধিক সক্রিয় মৌল অ্যানোড  তড়িদ্বার হিসেবে কাজ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক সারির কম্ সক্রিয় মৌল মৌলগুলো ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লবণ সেতুতে সাধারণত কোন লবণ ব্যবহার করা KCI l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লবণ সেতুতে আগার-আগার রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে KCI লবণে দ্রবণ মেশানো হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেনিয়েল কোষের তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে KCI দ্রবণ পূর্ণ লবণ সেতু ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেলে অ্যানোড হিসেবে জিঙ্কের তৈরি কৌটা ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেলে ক্যাথোড হিসেবে কার্বন দণ্ড ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেলে ক্যাথোড. 2টি ইলেকট্রন গ্রহণ করায় NH3, Mn2O3যৌগ উৎপন্ন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে অ্যানোডে হাইড্রোজেন জারিত হয় ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে ক্যাথোডে অক্সিজেন বিজারিত হয় ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে ইলেকট্রন কোনদিকে প্রবাহিত অ্যানোড হতে ক্যাথোড হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাস; ট্রাকে লেড স্টোরেজ ব্যাটারি ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেড স্টোরেজ ব্যাটারির মূল রাসায়নিক পদার্থ Pb, PbO2

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিক রোগীর রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ কৌশল নির্ভর সেন্সর ব্যবহার হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বন্ধন গঠনের ক্ষেত্রে সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান বা শেয়ার ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ভারী মৌলের নিউক্লিয়ার ভেঙে ছোট ছোট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়াবলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ায় তৈরি মৌলকে স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে আঘাত করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূলত প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন বোমা তোরর ভিত্তি নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়াl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

 21H + 31H  42H e   +  10n  + প্রচুর শক্তি; নিউক্লিয়ার ফিউশন ধরনের বিক্রিয়া l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সরকার দেশের পাবনা জেলার রূপপুরে অঞ্চলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প গ্রহণ করেছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার মাধ্যমে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারমাণবিক চুল্লি যন্ত্রের সাহায্যে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পারমাণবিক চুল্লির ভিতরে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া সংঘটিত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের একমাত্র প্রস্তাবিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি হিলিয়াম পরমাণু তৈরিতে 15 মিলিয়ন °C তাপমাত্রা প্রয়োজনl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
276

কাঠ পোড়ালে আগুন জ্বলে আবার পেট্রল বা ডিজেল এগুলো পাড়ির ইঞ্জিনে পোড়ালে তার জন্য গাড়ি চলে। তাহলে এগুলোর মধ্যে শক্তি থাকে। এ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি বলে। পদার্থের মধ্যে এ রাসায়নিক শক্তি কীভাবে থাকে? আবার কীভাবেই বা এ শক্তি আমাদের কাজে লাগে? টর্চের ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে আলো জ্বালায়। খনিজ তেল পুড়িয়ে তা থেকে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। এ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ সকল কীভাবে ঘটে? এ নিয়ে অবশ্যই তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগে। বিভিন্ন দেশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ সবগুলোর সাথেই রসায়ন তথা রাসায়নিক বিক্রিয়া অথবা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া জড়িত। আবার, এ বিক্রিয়াগুলোর কিছু বিরূপ প্রভাব আছে পরিবেশ ও আমাদের শরীরের উপর। এ সমস্ত বিষয়ই এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • রাসায়নিক পরিবর্তনের সাথে শক্তি উৎপাদনের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • শক্তি উৎপাদনে জ্বালানির বিশুদ্ধতার গুরুত্ব অনুধাবন, পরিবেশ সুরক্ষায় এগুলোর ব্যবহার
     
  • সীমিত রাখতে ও উপযুক্ত জ্বালানি নির্বাচনে সচেতনতার পরিচয় দিতে পারব।
     
  • নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রাসায়নিক বিক্রিয়া-সংশ্লিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা অনুসন্ধানের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে পাৱৰ
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার সংঘটনে এবং শক্তি উৎপাদনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হব।
     
  •  জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ইলেকট্রনীয় মতবাদ ব্যবহার করে চলবিদ্যুতের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বিক্রিয়া সংঘটন করতে পারব।
     
  • বিভিন্ন পদার্থের তড়িৎ বিশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ এবং এর বাণিজ্যিক ব্যবহার সম্পর্কে মতামত দিতে পারব।
     
  •  গ্যালভানিক কোষের তড়িৎদ্বার গঠন করতে পারব।
     
  • তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ ও গ্যালভানিক কোষের মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • তড়িৎ রাসায়নিক কোষের প্রয়োগ ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পর্কে মতামত দিতে পারব।
     
  •  তাপহারী ও তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ার পরীক্ষা করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর দিকসমূহ সম্পর্কে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব। 
  •  বিশুদ্ধ জ্বালানি ব্যবহারে আগ্রহ প্রদর্শন করতে পারব।
     
  • লবণ দ্রবীভূত ও রাসায়নিক পরিবর্তন হওয়ার সময় তাপের পরিবর্তন পরীক্ষার সাহায্যে দেখাতে পারব।
     

Related Question

View All
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে কোনো সক্রিয় ধাতুর ওপর অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেয়ার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
288
উত্তরঃ

তড়িৎ রাসায়নিক কোষে লবণ সেতু ব্যবহার হয় প্রধানত দুটি কারণে।
i. লবণ সেতু অর্ধকোষদ্বয়ের উভয় দ্রবণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোষের বর্তনী পূর্ণ করে।
ii. জারণ অর্ধকোষে উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন (যেমন- Zn2+) বৃদ্ধি পাওয়ায় এতে লবণ সেতু থেকে ঋণাত্মক আয়নের ব্যাপন ঘটে। অনুরূপভাবে বিজারণ অর্ধকোষে ধনাত্মক (যেমন- Cu2+) আয়ন হ্রাস পাওয়ায় এতে লবণ সেতু থেকে ধনাত্মক আয়নের ব্যাপন ঘটে। ফলে উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে চার্জ নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্বিতীয় বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

U238+n01  B56a + K36r +3nn01+ শক্তি 

রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মৌলসমূহের (বিক্রিয়কের) পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়ায় নতুন পদার্থ (উৎপাদ) গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিক্রিয়কের বন্ধন ভেঙ্গে উৎপাদ গঠিত হওয়ার সময় নতুন বন্ধন গঠিত হয়। এতে তাপের শোষণ বা উদ্‌দ্গীরণ ঘটে। এ ধরনের বিক্রিয়ার মৌলিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মৌলসমূহের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের বা শেয়ারের মাধ্যমে নতুন যৌগের সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে একটি ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে দুটি মৌলের সৃষ্টি হয় (Ba ও Kr)। এটি একটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া। কেননা, এতে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন নিউট্রনের আঘাতে একটি নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে দুটো নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। এতে ইলেকট্রনের কোন ভূমিকা থাকে না। যে সব বিক্রিয়ায় কোন মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে এক বা একাধিক অপেক্ষাকৃত হালকা নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়, তাদেরকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। উল্লেখিত নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় একটি বড় নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে দুটো ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হয় বলে একে নিউক্লিয়ার ফিসন বিক্রিয়া বলা হয়। নিউক্রিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই (ii) নং বিক্রিয়াটি রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
388
উত্তরঃ

উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং (ii) নং বিক্রিয়াটি নিউক্লিয় বিক্রিয়া। রাসায়নিক ও নিউক্লিয় বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ।

রাসায়নিক বিক্রিয়ানিউক্লিয় বিক্রিয়া
iরাসায়নিক বিক্রিয়ায় যোজ্যতা ইলেকট্রনসমূহের পরিবর্তন ঘটে।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে।
iiরাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয় না; শুধু পরমাণুর স্থানান্তর ঘটে। Zn(s)+H2SO4(aq)ZnSO4(aq) + H2(g) নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় নতুন মৌল সৃষ্টি হয়।H12+H13  H24e+n01
iiiরাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির পরিবর্তনের পরিমাণ তুলনামূলক খুবই কম।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় শক্তির পরিবর্তনের পরিমাণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার তুলনায় শত লক্ষ গুণ বেশি।
ivরাসায়নিক বিক্রিয়াকালে মৌলের প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় মৌলের প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তিত হয়।
vরাসায়নিক বিক্রিয়া কাচপাত্রে যেমন টেস্ট টিউবে ঘটানো যায়।নিউক্লিয় বিক্রিয়া নিউক্লিয় চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটানো হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
257
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় কোনোরূপ রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে না, সঞ্চারণশীল ইলেকট্রন দ্বারা তড়িৎ পরিবাহিত হয়, তাদেরকে ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী হলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
561
উত্তরঃ

যদি পরিবাহীর আয়ন দ্বারা বিদ্যুৎ প্রবাহ সাধিত হয় তবে, এসব পরিবাহীকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী বলে। যেমন গলিত লবণ, এসিড, ক্ষার ও লবণের দ্রবণ।

ধাতব প্লাটিনাম (Pt) পাতের অ্যানোড ও ক্যাথোড ব্যবহার করে এসিড মিশ্রিত পানির মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে নিম্নোক্ত বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
অ্যানোড বিক্রিয়ায়: 2H2O(l)  O2(g)+4H+(aq)+4e-

ক্যাথোড বিক্রিয়া : 4H++ 4e- 2H2(g)2H2O(l) 2H2(g)+O2(g)

অর্থাৎ এসিড মিশ্রিত পানি পরিবহনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে বিধায় এসিড মিশ্রিত পানিকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী বলে। এখানে উল্লেখ্য যে, বিক্রিয়ায় সালফিউরিক এসিডের কোনো পরিবর্তন বা ব্যয় হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
619
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews