উত্তরঃ

ব্রজবুলি হলো বাংলা ও মৈথিলা ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি একপ্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এ ভাষার স্রষ্টা। এ ভাষা কখনো মানুষের মুখের ভাষা ছিল না; সাহিত্যকর্ম ব্যতীত অন্যত্র এর ব্যবহার নেই। এতে কিছু হিন্দি শব্দ আছে। এ ভাষায় চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস বিভিন্ন বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।

উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হলেন চন্দ্রাবতী। আর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী।

উত্তরঃ

মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি ভাষায় রচিত ‘পদুমাবৎ' অবলম্বনে কবি আলাওল ‘পদ্মাবতী' (১৬৪৮) রচনা করেন ৷

উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত ‘আমার দেখা নয়াচীন' তৃতীয় গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে।

উত্তরঃ

সনেট' ইতালিয়ান শব্দ । সনেটের রয়েছে দুটি অংশ। ৮ পঙক্তিতে গঠিত প্রথম অংশকে বলে অষ্টক এবং শেষ ৬ পঙক্তিতে গঠিত অংশকে বলে ঘটক। এ ধারার আদি কবি পেত্রার্ক। তবে বাংলা
ভাষায় সনেটের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

188

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম গৌরব বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য। রাধা- কৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে এই অমর কবিতাবলির সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে শ্রীচৈতন্যদের প্রচারিত বৈষ্ণব মতবাদের সম্প্রসারণে এর ব্যাপক বিকাশ। জয়দেব-বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাস থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত বৈষ্ণব গীতিকবিতার ধারা প্রবাহিত হলেও প্রকৃতপক্ষে ষোল-সতের শতকে এই সৃষ্টিসম্ভার প্রাচুর্য ও উৎকর্ষপূর্ণ ছিল। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল বৈষ্ণব পদাবলি ।

পদাবলি সাহিত্য বৈষ্ণবতত্ত্বের রসভাষ্য। বৈষ্ণব পদাবলি বৈষ্ণবসমাজে মহাজন পদাবলি এবং বৈষ্ণব পদকর্তাগণ মহাজন নামে পরিচিত। বৈষ্ণবমতে স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান। এই প্রেম সম্পর্ককে বৈষ্ণব মতাবলম্বীগণ রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার রূপকের মাধ্যমে উপলব্ধি করেছেন। রাধা ও শ্রীকৃষ্ণের রূপাশ্রয়ে ভক্ত ও ভগবানের নিত্যবিরহ ও নিত্যমিলনের অপরূপ আধ্যাত্মিক লীলা কীর্তিত হয়েছে। বৈষ্ণবদের উপাস্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। তাঁর আনন্দময় তথা প্রেমময় প্রকাশ ঘটেছে রাধার মাধ্যমে । রাধা মানবী নয়, শ্রীকৃষ্ণরূপ পূর্ণ ভগবৎ-তত্ত্বের অংশ। ভগবানের লীলা চলে। তাঁর স্বরূপভূতা শক্তি রাধার সঙ্গে। বৈষ্ণবেরা ভগবান ও ভক্তের সম্পর্কের স্বরূপ নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে কৃষ্ণকে পরামাত্মা বা ভগবান এবং রাধাকে জীবাত্মা বা সৃষ্টির রূপক মনে করে তাঁদের বিচিত্র প্রেমলীলার মধ্যেই ধর্মীয় তাৎপর্য উপলব্ধি করেছেন। ফলে “এক প্রাচীন গোপজাতির লোকগাথার নায়ক প্রেমিক কৃষ্ণ এবং মহাভারতের নায়ক অবতার কৃষ্ণ কালে লোকস্মৃতিতে অভিন্ন হয়ে উঠেন। গোপী-প্রধানা রাধার সঙ্গে তাঁর প্রণয়ই জীবাত্মা-পরমাত্মার প্রণয়লীলার রূপক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে ধর্ম-দর্শনের ও সাধন-ভজনের অবলম্বন হয়েছে।' নীলরতন সেন মন্তব্য করেছেন, 'পদাবলির কাহিনি, তথ্য উপকরণ এবং ভক্তি-ভাবাশ্রিত সৌন্দর্য চিত্রায়ণে বৈষ্ণব কবিরা উপনিষদ, হালের গাথাসপ্তশতী, আভীর ও অন্যান্য জাতির মৌলিক প্রেমগাথা, ভাগবতসহ বিবিধ পুরাণ, বাৎসায়নের কামসূত্র, অমরুশতক, আনন্দবর্ধনের ধ্বন্যালোক, কবীন্দ্রবচনসমুচ্চয়, সদুক্তিকর্ণামৃত, সুভাষিতাবলী, সূক্তিমুক্তাবলী প্রভৃতি প্রাচীন শাস্ত্র, পুরাণ, লোকধর্ম ও

প্রেমগীতিকে আশ্রয় করে ভারতের পূর্বাচার্যদের অনুসৃত পথেই অগ্রসর হয়েছেন। চৈতন্যদেবের (১৪৮৬-১৫৩৩) যুগান্তকারী আবির্ভাবের পূর্বেই রাধাকৃষ্ণ প্রেম- লীলার মাধুর্য পদাবলিগানের উপজীব্য হয়েছিল। কিন্তু চৈতন্যদেবের প্রভাবে যে নব্য মানবীয় প্রেমভক্তিধারার বিকাশ ঘটে তা অবলম্বনেই বিপুল ঐশ্বর্যময় পদাবলি। সাহিত্যের সার্থকতর রূপায়ণ সম্ভবপর হয়। চৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূর্বে কৃষ্ণলীলা। বিষয়ক গানে ভক্তিরসের রং লাগলেও তা থেকে আদিরসের ক্লেদ দূর হয়ে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা ভক্তহৃদয়ের প্রতিফলন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহাকবি আলাওল বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য কাব্য রচনা করেছেন। তাঁর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো:

  • পদ্মাবতী: আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য। এটি মালিক মোহাম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য পদুমাবতীর অনুবাদ।
  • সয়ফল মুলুক: পারস্য গ্রন্থ সয়ফল মুলুকের অনুবাদ।
  • বদিউজ্জামাল: পারস্য গ্রন্থ বদিউজ্জামালের অনুবাদ।
  • সতীময়না: মধ্যযুগের আরেক কবি দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য শেষ করেছিলেন আলাওল।
  • তোফা: আলাওলের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য।
  • দারাসেকেন্দারনামা: আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্য।

এ ছাড়াও আলাওলের আরো অনেক কাব্য রয়েছে। তিনি তার সপ্ত পয়কর কাব্যে রাসুল বন্দনার প্রসঙ্গও এনেছিলেন।

আলাওলের কাব্যে ভাষার সরলতা, চিত্রকল্পের বৈচিত্র্য এবং বিষয়বস্তুর বহুমুখীতা লক্ষণীয়। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন

Ab. Rahim
Ab. Rahim
2 years ago
1.4k
উত্তরঃ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতী রচিত 'রামায়ণ' হলো নারীদৃষ্টিকোণ থেকে রচিত একটি ব্যতিক্রমী ও করুণরসাত্মক লোককাব্য।

চন্দ্রাবতী রচিত 'রামায়ণ' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এ কাব্যটি সম্পর্কিত প্রধান তথ্যসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:

      
  • কবি পরিচয়: কবি চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী কবি। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম রচয়িতা দ্বিজ বংশীদাস।
  •   
  • সীতা-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি: প্রথাগত রামায়ণে রামের বীরত্ব ও গুণগান প্রাধান্য পেলেও চন্দ্রাবতীর রামায়ণে সীতার জীবনের করুণ কাহিনী, বিরহ ও দুঃখ-কষ্টকে প্রধান বিষয়বস্তু করা হয়েছে। এটি মূলত সীতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রচিত।
  •   
  • কাব্যের গঠন ও বিষয়বস্তু: কাব্যটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত— সীতার জন্ম বৃত্তান্ত, রাম-সীতার বিবাহ ও বনবাস এবং সীতার নির্বাসন ও পাতাল প্রবেশ।
  •   
  • অসমাপ্ত রূপ: রামায়ণ রচনার কাজ অসম্পূর্ণ থাকাকালেই চন্দ্রাবতীর মৃত্যু হয়। ফলে এটি একটি অসমাপ্ত কাব্য।
  •   
  • সংগ্রহ ও আবিষ্কার: সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ মহিলাদের কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে আচার্য দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক 'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা'য় এটি অন্তর্ভুক্ত ও প্রকাশিত হয়।
  •   
  • লোকজ সাহিত্য রূপ: এতে পৌরাণিক জটিলতা বা দেবত্ব আরোপের চেয়ে তৎকালীন বাঙালি গ্রামীণ নারীর মনের আবেগ, সমাজচিত্র ও লোকজ গানের সুর প্রাধান্য পেয়েছে।
Satt AI
Satt AI
17 hours ago
639
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তিনটি গ্রন্থ হলো— ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২), ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তিনটি ঐতিহাসিক গ্রন্থের প্রকাশনা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে প্রদান করা হলো:

১. অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

      
  • প্রকাশকাল: ১৮ জুন, ২০১২।
  •   
  • প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (UPL)।
  •   
  • ভূমিকা লেখক: শেখ হাসিনা।
  •   
  • প্রচ্ছদশিল্পী: সমর মন্ডল।
  •   
  • ইংরেজি অনুবাদ: ‘The Unfinished Memoirs’ (অনুবাদক: অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম)।
  •   
  • বিষয়বস্তু: ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনাবলী।

২. কারাগারের রোজনামচা:

      
  • প্রকাশকাল: ১৭ মার্চ, ২০১৭ (বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মবার্ষিকীতে)।
  •   
  • প্রকাশক: বাংলা একাডেমি।
  •   
  • নামকরণকর্তা: শেখ রেহানা।
  •   
  • প্রচ্ছদশিল্পী: তারিক সুজাত।
  •   
  • ইংরেজি অনুবাদ: ‘Prison Diaries’ (অনুবাদক: অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম)।
  •   
  • বিষয়বস্তু: ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের স্মৃতিচারণ।

৩. আমার দেখা নয়াচীন:

      
  • প্রকাশকাল: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ (অমর একুশে গ্রন্থমেলা)।
  •   
  • প্রকাশক: বাংলা একাডেমি।
  •   
  • সম্পাদনা: শামসুজ্জামান খান।
  •   
  • প্রচ্ছদশিল্পী: সব্যসাচী হাজরা।
  •   
  • ইংরেজি অনুবাদ: ‘New China 1952’ (অনুবাদক: অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম)।
  •   
  • বিষয়বস্তু: ১৯৫২ সালে পিস কনফারেন্সে গণচীন সফরের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যক্ষ বিবরণ।
Satt AI
Satt AI
17 hours ago
265
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে শ্রীচৈতন্য দেবের ভূমিকা অপরিসীম, যা পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতকের সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে এবং বৈষ্ণব সাহিত্যধারার জন্ম দিয়েছে।

শ্রীচৈতন্য দেব (১৪৮৬-১৫৩৪ খ্রি.) ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক নেতা, যাঁর ভক্তি আন্দোলন বাংলা সাহিত্যের গতিপথকে আমূল পরিবর্তন করে। তাঁর আবির্ভাবের ফলে বৈষ্ণব ধর্ম ও দর্শন বাংলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে, যা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় প্রতিফলিত হয়।

        
  • বৈষ্ণব পদাবলী: তাঁর প্রভাবে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং ঈশ্বর ভক্তিকে কেন্দ্র করে এক বিশাল পদাবলী সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি (যদিও মূল মৈথিলী কবি), জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস প্রমুখ কবিরা শ্রীচৈতন্য দেবের ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসংখ্য হৃদয়গ্রাহী পদ রচনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
  •     
  • জীবনী সাহিত্য: শ্রীচৈতন্য দেবের জীবন ও অলৌকিক কার্যকলাপ নিয়ে অসংখ্য জীবনীগ্রন্থ রচিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সমৃদ্ধ ধারা। বৃন্দাবন দাসের 'চৈতন্য ভাগবত', কৃষ্ণদাস কবিরাজের 'চৈতন্য চরিতামৃত', জয়ানন্দ ও লোচন দাসের 'চৈতন্য মঙ্গল' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই গ্রন্থগুলো শুধু জীবনীই নয়, তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির চিত্রও তুলে ধরে।
  •     
  • প্রাকৃত ভাষার প্রসার: শ্রীচৈতন্য দেবের আন্দোলনের মূলমন্ত্র ছিল সহজ ও সরল ভাষায় ঈশ্বর ভক্তি প্রচার। এর ফলে পণ্ডিতি সংস্কৃতের পরিবর্তে সাধারণ মানুষের বোধগম্য বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং তা সাহিত্য রচনার প্রধান মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
  •     
  • ধর্মীয় ও দার্শনিক প্রভাব: তাঁর প্রবর্তিত অচিন্ত্য ভেদাভেদবাদ ও মধুর রসের ভক্তি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দার্শনিক ও ভাবগত গভীরতা এনে দেয়। প্রেম, ভক্তি, বিরহ ও মিলন সম্পর্কিত মানবিক অনুভূতিগুলো সাহিত্যের মূল উপজীব্য হয়ে ওঠে।

সংক্ষেপে, শ্রীচৈতন্য দেবের প্রভাব বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ এনেছিল। তাঁর ভাবাদর্শ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আধুনিক যুগেও বহু কবি-সাহিত্যিককে অনুপ্রাণিত করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
501
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews