মহান আল্লাহ আমাদের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন এমন পাঁচটি সৃষ্টি হলো- গাছপালা, পশুপাখি, নদী ও বৃষ্টি, সূর্য, চাঁদ।
মহান আল্লাহর সৃষ্টি উদ্ভিদ থেকে আমরা খাদ্যশস্য, ওষুধের কাঁচামাল, তুলা, কাঠ ইত্যাদি পাই।
হজরত আবু বকর (রা.) সেনাবাহিনীকে যুদ্ধে প্রেরণের সময় গাছ না কাটা, কৃষিজমি ধ্বংস না করা এবং পশু হত্যা 'না করার নির্দেশ দিতেন।
পরিবেশ রক্ষায় বিদ্যালয়ে যেসব কাজ করা যায় তা হলো-
১. গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করা যায়।
২. বিদ্যালয়ের চারপাশ পরিষ্কার রাখা যায়।
৩ ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
সূরা আন-নাহল এর ৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, "তিনি চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছেন; তোমাদের জন্য তাতে শীত নিবারক উপকরণ (পশম ও চামড়া) এবং আরও বিবিধ উপকার রয়েছে; আর তা হতে তোমরা আহার করে থাক।" (সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৫)
পবিত্র কুরআনে প্রায় ২০০টি আয়াতে প্রাণীজগতের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন প্রাণীর নামেও কয়েকটি সূরার নামকরণ করা হয়েছে। যেসব প্রাণীর নামে সূরার নাম রাখা হয়েছে। তা হলো- সূরা বাকারা (গাভি), সূরা আন'আম (চতুষ্পদ জন্তু), সূরা নাহল (মৌমাছি), সূরা নামল (পিপীলিকা), সূরা আনকাবুত (মাকড়সা), সূরা ফিল (হাতি) ইত্যাদি।
মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজন। আমাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, ওষুধপত্র, কাঠ, বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল ইত্যাদি আমরা জীবজগৎ থেকে পাই। উদ্ভিদ থেকে আমরা খাদ্যশস্য, ওষুধের কাঁচামাল, তুলা, কাঠ ইত্যাদি পাই। আবার প্রাণী থেকে পাই মাছ, গোশত, দুগ্ধসামগ্রী, চামড়া: মধু ইত্যাদি। আমাদের বাড়িঘর নির্মাণ, আসবাবপত্র তৈরি, জ্বালানি.. কাগজ উৎপাদন প্রভৃতি কাজের জন্য আমরা যে কাঠ ব্যবহার করি, তা গাছ থেকে পাই।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জীববৈচিত্র্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে। নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর, হাওর-বাঁওড়সহ জলাশয়গুলো পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া পরিবেশকে শীতল রাখা, বর্ষা মৌসুমে বন্যা প্রতিরোধ, শহরে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানির চাহিদা পূরণ ও আবর্জনা পরিশোধনে জলাভূমিগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
বৃক্ষনিধনের ফলে জীববৈচিত্র্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে জলবায়ু বিপর্যয়, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়।
পবিত্র কুরআন ও হাদিসে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কোনো প্রাণী যদি বিপন্ন হয় এবং তার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে তা সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হজরত নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবনের সময় মহান আল্লাহ প্রাণিকূলের অস্তিত্ব রক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মহানবি (স.) পশুপাখির অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ছিলেন। অযথা প্রাণীহত্যা থেকে বিরত থাকতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে চড়ুই বা তার চেয়ে ছোটো পাখিকে হত্যা করে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।” (সুনানে নাসায়ি)
Related Question
View Allপরিবেশ দূষণ রোধে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখা আবশ্যক।
মহানবি (স.) নিজে গাছপালার পরিচর্যা করতেন।
পরিবেশ রক্ষায় আমরা নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করব।
জীবজগৎ সংরক্ষণের জন্য প্রাণীদের অযথা হত্যা করব
জীবজগৎ ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে আমরা তাদের সংরক্ষণ করব।
আমাদের চারপাশে রয়েছে বিশাল প্রকৃতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!