'বই পড়তে অনেক মজা' রচনায় পৃথিবীর যেসব জগতের কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো- পশুপাখির জগৎ, গাছপালার জগৎ, পোকামাকড়ের জগৎ, মাছেদের জগৎ এবং বইয়ের জগৎ।
বইয়ের জগতের দুইটি বিষয় হলো-
১. পশুপাখি নিয়ে বই ও পোকামাকড় নিয়ে বই।
২. গাছপালা নিয়ে বই।
দুই রকমের বইয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো-
১. ছোটোদের বই ও গল্পের বই।
২. বড়োদের বই।
রবিনসন ক্রুসো, আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ, টম সয়ারের অভিযান- এই বইগুলো সারা দুনিয়ার শিশুদের প্রিয়।
বাংলাদেশে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায় ও হুমায়ূন আহমেদের বই ছোটোদের খুব প্রিয়।
বই উপহার দেওয়া খুব ভালো। জন্মদিনে বা নানা ধরনের উৎসব ও প্রতিযোগিতায় বই উপহার দেওয়া হয়
বইয়ের জগৎ জানার জগৎ ও আনন্দের জগতের মতো।
বই অনেক রকমের হয়।
ঠাকুরমার ঝুলি আর গ্রিম ভাইদের রূপকথা পড়তে বসলে আর উঠতে মন চায় না।
ছাপাখানা প্রথম জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বই সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বই পড়লে শরীর ও মন ভালো থাকে।
বিজ্ঞানীরা বই পড়ার শারীরিক ও মানসিক উপকারিতার কথা বলেছেন। বিজ্ঞানীরা বলেন, বই পড়লে শরীর ও মন ভালো থাকে। যারা বই পড়ে, তারা ভালো লিখতে পারে, ভালো বলতে পারে।
Related Question
View Allঅসংখ্য নক্ষত্রপুঞ্জের আলোকরেখা, আকাশগঙ্গা।
- মহাকাশে একটি ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে।
প্রাচীন গ্রিসের একজন গল্পলেখক।
-ঈশপের গল্প পড়তে আমার খুব ভালো লাগে।
হিমালয় পর্বতমালার উচ্চতম শৃঙ্গ।
-এভারেস্ট পর্বতশৃঙ্গে ওঠা অনেক কষ্টকর।
যে গৃহে বইপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ছাপার কাজ হয়।
-তার একটি ছাপাখানা আছে।
সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়ানো।
-বিশ্বভ্রমণ করলে মানুষের জ্ঞান বাড়ে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!