'বাঘখেকো শিয়ালের ছানা' গল্পটির লেখক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। গল্পের চরিত্রগুলো হলো শিয়াল, শিয়ালনী, তাদের তিনটি ছানা, বায় ও বানর।
শিয়াল পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচ। তারা হলো শিয়াল, শিয়ালনী এবং তাদের তিনটি ছানা।
শিয়াল ও শিয়ালনী তাদের তিনটি ছানা নিয়ে নিরাপদে-থাকার জন্য গর্ত খুঁজছিল। তাদের ছানাগুলো বৃষ্টিতে ভিজে মারা যেতে পারে এজন্যও তারা গর্ত খুঁজছিল।'
'ওরা বায় খেতে চায়' শুনে 'বাঘ থমকে দাঁড়িয়ে ভাবল, তার গর্তের ভেতর না জানি কী ঢুকে রয়েছে! নিশ্চয় ভয়ানক রাক্ষস হবে। না হলে কি ওদের বাচ্চারা বাঘ খেতে চায়! এসব ভেবে সে অনেক ভয় পেল।
শিয়ালনী ছানাগুলোকে চিমটি কাটল কারণ শিয়াল তাকে এই বুদ্ধি শিখিয়ে দিয়েছে। বুদ্ধিটা হলো- বাঘ এলে শিয়ালনী তার বাচ্চাগুলোকে চিমটি কাটরে। তখন বাচ্চারা চেঁচাবে এবং শিয়ালনী বলবে ওরা বাঘ খেতে চায়।
"তুমি যে অমন করে ছুটে পালাচ্ছো?”- কথাটি বানর বলেছে বায়কে। বাঘ যখন ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছিল তখন বানর বাঘকে উদ্দেশ করে কথাটি বলেছে।
বানর বাঘকে বলেছে সে বোকা। সে মিছামিছি ভয়. পেয়েছে। একথা শুনেই বাঘের ভারি রাগ হয়েছিল।
বানরের খুব সাহস ছিল। কিন্তু ঝপাং আর ভতাং শব্দ দুটি শুনে বানর ভয় পেয়ে এক লাফে গাছে উঠে কোথায় যেন পালিয়ে গেল।
ঝপাং ও ভতাং শব্দ দুটো শুনে বাঘ ভয় পেয়ে গেল।
গর্তের চারধারে বাঘের পায়ের দাগ দেখে শিয়ালনী গর্তে ছানাগুলোকে রাখতে ভয় পেল।
বাঘকে দৌড়াতে দেখে বানর বলল, 'বাঘ ভাই, বাঘ ভাই, কী হয়েছে? তুমি যে অমন করে ছুটে পালাচ্ছো?
বাঘ ও বানরের মধ্যে বাঘ বেশি ভয় পেল। কারণ বাঘ ভয় পেয়ে যেমন দৌড় দিয়েছে এমন দৌড় সে আর কখনো দেয়নি। শেষবার সে এমন দৌড় দিল যে, দুদিনের মধ্যে আর দাঁড়ালই না। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে, বানরের চেয়ে বাঘ বেশি ভয় পেল।
'বাঘখেকো শিয়ালের ছানা' গল্পে শিয়ালের বুদ্ধি বেশি। কারণ গল্পে শিয়াল তার বুদ্ধির জোরে দুবার বাঘকে বোকা বানায় এবং বানরকে একবার বোকা বানায়। বাঘকে শিয়াল এমন বোকা বানাল যে, বাঘ নিজের থাকার গর্তের দিকে আর কখনো ফিরে আসার সাহস পেল না এবং শিয়াল পরিবারসহ বাঘের গর্তে দিনের পর দিন মনের সুখে বসবাস করতে লাগল। তাই আমরা বলতে পারি, গল্পে শিয়ালের বুদ্ধি বেশি।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All'বাঘখেকো শিয়ালের ছানা' গল্পটির লেখক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। গল্পের চরিত্রগুলো হলো শিয়াল, শিয়ালনী, তাদের তিনটি ছানা, বায় ও বানর।
শিয়াল পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচ। তারা হলো শিয়াল, শিয়ালনী এবং তাদের তিনটি ছানা।
শিয়াল ও শিয়ালনী তাদের তিনটি ছানা নিয়ে নিরাপদে-থাকার জন্য গর্ত খুঁজছিল। তাদের ছানাগুলো বৃষ্টিতে ভিজে মারা যেতে পারে এজন্যও তারা গর্ত খুঁজছিল।'
'ওরা বায় খেতে চায়' শুনে 'বাঘ থমকে দাঁড়িয়ে ভাবল, তার গর্তের ভেতর না জানি কী ঢুকে রয়েছে! নিশ্চয় ভয়ানক রাক্ষস হবে। না হলে কি ওদের বাচ্চারা বাঘ খেতে চায়! এসব ভেবে সে অনেক ভয় পেল।
শিয়ালনী ছানাগুলোকে চিমটি কাটল কারণ শিয়াল তাকে এই বুদ্ধি শিখিয়ে দিয়েছে। বুদ্ধিটা হলো- বাঘ এলে শিয়ালনী তার বাচ্চাগুলোকে চিমটি কাটরে। তখন বাচ্চারা চেঁচাবে এবং শিয়ালনী বলবে ওরা বাঘ খেতে চায়।
"তুমি যে অমন করে ছুটে পালাচ্ছো?”- কথাটি বানর বলেছে বায়কে। বাঘ যখন ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছিল তখন বানর বাঘকে উদ্দেশ করে কথাটি বলেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!