প্রায় ১৪শ বছর আগে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ভিক্ষুগণ পাহাড়পুরে থাকতেন। সেখানে থেকে তাঁরা ধর্মচর্চা করতেন আর শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন। কিন্তু প্রাচীন এ বিহার এক সময় খালি পড়ে ছিল। অনেকে মনে করেন যুগ যুগ ধরে উড়ে আসা ধুলাবালি ও মাটি এটির চারদিকে জমতে জমতে এক সময় এটি মাটির স্তূপে ঢাকা পড়ে পাহাড়ের মতো হয়ে যায়। এভাবেই এটির নামকরণ হয় পাহাড়পুর।
এখানে প্রায় ১৪শ বছর আগে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ভিক্ষুরা থাকতেন। আর এখানে থেকে তাঁরা নিজেদের ধর্মচর্চা করতেন এবং শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন।
বিহারটি প্রায় ৪০ একর জায়গা জুড়ে লালচে মাটির ভূমিতে বিস্তৃত। এর মাঝে ২৭ একর জমির উপর বিশাল দালান নির্মিত। এ ছাড়াও বিহারটিতে রয়েছে পুকুর, কূপ, স্নানঘাট, স্নানঘর, রান্নাঘর, খাবারঘুর ও টয়লেট।
বৌদ্ধ বিহারটির মাটি ও দেয়াল লালচে রঙের। দেয়ালের গায়ে পোড়ামাটি দিয়ে নানান রকম ফুল-ফল, পাখি, ইত্যাদি তৈরি করা হয়েছে ।
প্রায় ১৪শ বছর আগে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ভিক্ষুগণ কোনো বিশেষ একটা জায়গায় থাকতেন। সেখানে তাঁরা নিজেদের ধর্মচর্চা করতেন আর শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন। এ রকম জায়গার নাম বিহার।
পাহাড়পুর বিহারটি নির্মাণ করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজা দ্বিতীয় ধর্মপাল। এটি নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ভেতরটায় বিশাল উঠানের মাঝখানে বড়ো এক সুন্দর মন্দির আছে। ধাপে ধাপে উঁচু করে মন্দিরটি বসানো হয়েছে। পোড়ামাটির দুই হাজার ফলকের চিত্র দিয়ে মন্দিরের বাইরে আর ভেতরে সাজানো।
পাহাড়পুর বিহারের আরেক নাম সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার। এর পাশে দেখার মতো একটা জাদুঘর আছে। এই জাদুঘরে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা আছে বিহার থেকে খনন করে পাওয়া অনেক পুরোনো আর দুর্লভ জিনিসপত্র।
কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে শালবন বিহার অবস্থিত। এখানে একসময় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বসবাস করতেন। এখানে থেকে তাঁরা নিজেদের ধর্মচর্চা করতেন ও শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন। ঐতিহাসিক এ স্থানটি দেখার জন্য প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে। উঁচু ঢিবির মতো এ প্রাচীন স্থানটিতে অনেক প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে।
মধুপুর গড় সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য দেওয়া হলো-
১. কুমিল্লার লালমাই আর বরেন্দ্র অঞ্চল মধুপুর গড়ের অন্তর্ভুক্ত।
২. দিনাজপুর, নওগাঁ, বগুড়ার পাহাড়পুর ও মহাস্থানগড়ও এর অন্তর্ভুক্ত।
৩. এই অঞ্চলের মাটি হাজার হাজার বছরের পুরোনো।
৪. এই অঞ্চল অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহাসিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
৫. এই অঞ্চলে এক সময় জনবসতি ছিল।
Related Question
View Allভিক্ষু - বৌদ্ধদের মধ্যে যাঁরা সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী (যাঁরা সংসার করেন না); তাঁদের পরনে থাকে গেরুয়া রঙের লম্বা কাপড়, মাথা থাকে মুড়ানো এবং চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই থাকে আলাদা বৈশিষ্ট্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!