বাংলা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কয়েকটি ভাষায় মানুষ কথা বলে। যেমন- চাকমা, মারমা, ককবরক, ওঁরাও, মান্দি, সাঁওতালি ইত্যাদি।
বাংলাদেশে নানা কারণে বিভিন্ন উৎসব উদ্যাপন করা হয়। এ দেশের মুসলমানরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নামে প্রধান দুটি উৎসব উদ্যাপন করে। হিন্দুরা দুর্গাপূজা, বৌদ্ধরা বুদ্ধপূর্ণিমা 'আর খ্রিষ্টানরা বড়দিন উৎসব পালন করে। এছাড়া সব ধর্মের মানুষ পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করে। রাখাইনরা সাংগ্রাই আর চাকমারা বিজু উৎসব উদ্যাপন করে।
সড়ক, নদী ও আকাশপথে বিভিন্ন রকম বাহন দেখা যায়। সড়কপথে বাস, মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, রিকশা; সাইকেল ইত্যাদি বাহন দেখা যায়। নদীপথে নৌকা, লঞ্চ ও জাহাজ চলে। আকাশে ওড়ে উড়োজাহাজ। এসব বাহনে আমরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করি।
বাংলাদেশে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন রকমের কাজ করে। কৃষক ফসলের মাঠে লাঙল বা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করেন। জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরেন। কামার আগুন, হাঁপর আর হাতুড়ির সাহায্যে লোহার জিনিস তৈরি করেন। কুমার নরম কাদামাটি দিয়ে চাকায় ঘুরিয়ে মাটির হাঁড়ি ও অন্যান্য জিনিস তৈরি করেন। তাঁতি তাঁতে কাপড় বোনেন। এছাড়া অনেক মানুষ শহর ও গ্রামে নানা রকম কাজ করে।
বিভিন্ন বৈচিত্র্য বাংলাদেশকে সুন্দর করেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে। প্রাকৃতিক কারণে নদী, সড়ক ও আকাশপথে বিভিন্ন যানবাহন চলে। মানুষের চেহারা ও শারীরিক গঠনেও আছে বৈচিত্র্য। এত বৈচিত্র্য বাংলাদেশের জনজীবনে এনেছে নতুনত্ব। ধর্মীয় বৈচিত্র্যের জন্য এত উৎসবমুখর থাকে দেশ। সবাই মিলেমিশে বাস করে। সব পেশার মানুষের পরিশ্রমে দেশ সমৃদ্ধ হয়। পোশাকের বৈচিত্র্য এক ভিন্নমাত্রা আনে মানুষের জীবনে। সর্বোপরি নানা বৈচিত্র্য সত্ত্বেও সবাই বাংলাদেশকে ভালোবাসে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সবাই একসঙ্গে কাজ করে। এভাবে বৈচিত্র্য বাংলাদেশকে সুন্দর করেছে।
বাংলা ভাষা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কয়েকটি ভাষা রয়েছে। যেমন- চাকমা, মারমা, ককবরক, ওঁরাও, মান্দি, সাঁওতালি ইত্যাদি।
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। যেমন- চাকমা, মারমা, মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা এবং অন্যান্য।
বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। তেমনই এ দেশে মানুষের ধর্মেও বৈচিত্র্য বিদ্যমান। এ দেশের প্রধান ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলো হলো- মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান।
বৈচিত্র্যময় এ বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। যেমন- মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান। তাদের উৎসবেও রয়েছে নানা রকম ভিন্নতা। তবুও সব ধর্মের মানুষ এ দেশে মিলেমিশে বসবাস করে। এমন সম্প্রীতি খুব কম দেশেই দেখা যায়।
ধর্মীয় উৎসব ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কিছু উৎসব উদ্যাপন করা হয়। যেমন- পহেলা বৈশাখে উদ্যাপিত হয় বাংলা নববর্ষ। রাখাইন সম্প্রদায় 'সাংগ্রাই' এবং চাকমা সম্প্রদায় 'বিজু' উৎসব উদ্যাপন করে।
বাংলাদেশ যেমন বৈচিত্র্যময় তেমনই এ দেশের মানুষের পেশাও বৈচিত্র্যময়। এ দেশে অনেক পেশার মানুষ আছে। এখানে কেউ কৃষক, কেউ জেলে, কেউ কামার, কেউ কুমার, কেউ তাঁতি। এছাড়া অন্যান্য পেশার মানুষও রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধান ধর্মীয় সম্প্রদায় হলো মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ আর খ্রিষ্টান। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা, বৌদ্ধদের বুদ্ধপূর্ণিমা আর খ্রিষ্টানদের বড়দিন।
বাংলাদেশের মানুষের দুটি পেশার নাম ও পদ্ধতি নিচে লেখা হলো-
১. কৃষক: ফসলের মাঠে কৃষক লাঙল বা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করেন।
২. কামার: আগুন, হাঁপর আর হাতুড়ির সাহায্যে কামার লোহার জিনিস তৈরি করেন।
জেলে ও কুমারের কাজ হলো- জেলে জাল দিয়ে মাছ ধরেন। আর কুমার নরম কাদামাটি নিয়ে চাকায় ঘুরিয়ে মাটির হাঁড়িকুড়ি তৈরি করেন।
বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের পোশাকে বৈচিত্র্য দেখা যায়। চাকমাদের পোশাকের নাম পিনোন ও হাদি। মারমাদের পোশাকের নাম দেয়াহ। সাঁওতালদের পোশাকের নাম পাঞ্চি। গারোদের পোশাকের নাম দকমান্দা।
বাংলাদেশে যানবাহন চলাচলের জন্য তিন ধরনের পথ রয়েছে। সেগুলো হলো- ১. জলপথ, ২. স্থলপথ ও ৩. আকাশপথ।
বাংলাদেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ। এ দেশের মানুষের ভাষা, ধর্ম, উৎসব, পেশা, পোশাক, চেহারা ও শারীরিক গঠনে বৈচিত্র্য থাকলেও একটি জায়গায় মিল রয়েছে। তা হলো- সবাই বাংলাদেশকে ভালোবাসে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করে।
বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের শ্রম বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছে। এ দেশে অনেক পেশার মানুষ আছে। যেমন- কৃষক, জেলে, কামার, কুমার, তাঁতি ইত্যাদি। সব পেশার মানুষই পরিশ্রমী এবং তাদের শ্রম বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছে।
মানুষ যে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে, সেই কাজকে তার পেশা বলে। যেমন- কৃষক, জেলে, কামার, কুমার, তাঁতি ইত্যাদি। কৃষক ফসলের মাঠে লাঙল বা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করেন। জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরেন। তাঁতি কাপড় বোনেন। এভাবে বিভিন্ন পেশায় থেকে বা কাজ করে মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবাংলা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কয়েকটি ভাষায় মানুষ কথা বলে। যেমন- চাকমা, মারমা, ককবরক, ওঁরাও, মান্দি, সাঁওতালি ইত্যাদি।
বাংলাদেশে নানা কারণে বিভিন্ন উৎসব উদ্যাপন করা হয়। এ দেশের মুসলমানরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নামে প্রধান দুটি উৎসব উদ্যাপন করে। হিন্দুরা দুর্গাপূজা, বৌদ্ধরা বুদ্ধপূর্ণিমা 'আর খ্রিষ্টানরা বড়দিন উৎসব পালন করে। এছাড়া সব ধর্মের মানুষ পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করে। রাখাইনরা সাংগ্রাই আর চাকমারা বিজু উৎসব উদ্যাপন করে।
সড়ক, নদী ও আকাশপথে বিভিন্ন রকম বাহন দেখা যায়। সড়কপথে বাস, মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, রিকশা; সাইকেল ইত্যাদি বাহন দেখা যায়। নদীপথে নৌকা, লঞ্চ ও জাহাজ চলে। আকাশে ওড়ে উড়োজাহাজ। এসব বাহনে আমরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করি।
বাংলাদেশে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন রকমের কাজ করে। কৃষক ফসলের মাঠে লাঙল বা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করেন। জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরেন। কামার আগুন, হাঁপর আর হাতুড়ির সাহায্যে লোহার জিনিস তৈরি করেন। কুমার নরম কাদামাটি দিয়ে চাকায় ঘুরিয়ে মাটির হাঁড়ি ও অন্যান্য জিনিস তৈরি করেন। তাঁতি তাঁতে কাপড় বোনেন। এছাড়া অনেক মানুষ শহর ও গ্রামে নানা রকম কাজ করে।
বিভিন্ন বৈচিত্র্য বাংলাদেশকে সুন্দর করেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে। প্রাকৃতিক কারণে নদী, সড়ক ও আকাশপথে বিভিন্ন যানবাহন চলে। মানুষের চেহারা ও শারীরিক গঠনেও আছে বৈচিত্র্য। এত বৈচিত্র্য বাংলাদেশের জনজীবনে এনেছে নতুনত্ব। ধর্মীয় বৈচিত্র্যের জন্য এত উৎসবমুখর থাকে দেশ। সবাই মিলেমিশে বাস করে। সব পেশার মানুষের পরিশ্রমে দেশ সমৃদ্ধ হয়। পোশাকের বৈচিত্র্য এক ভিন্নমাত্রা আনে মানুষের জীবনে। সর্বোপরি নানা বৈচিত্র্য সত্ত্বেও সবাই বাংলাদেশকে ভালোবাসে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সবাই একসঙ্গে কাজ করে। এভাবে বৈচিত্র্য বাংলাদেশকে সুন্দর করেছে।
বাংলা ভাষা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কয়েকটি ভাষা রয়েছে। যেমন- চাকমা, মারমা, ককবরক, ওঁরাও, মান্দি, সাঁওতালি ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!