লোকটি মনের সুখে অনর্গল কথা বলছে। আর একবার লোকটির কথা ছুটলে তাকে থামানো যায় না। সে কথা বলতেই থাকে।
লোকটির মনের মাঝে তবলা বাজে। তার মনে ধাঁই ধপাধপ তবলা বাজে।
আবোল-তাবোল কথা বলার মানে হলো মনের খেয়ালে কথা বলতে থাকা। আবোল-তাবোল কথা হলো যে কথার কোনো অর্থ নেই, যে কথা দিয়ে কিছু বোঝাতে চাওয়া হয় না। আবোল-তাবোল কথা এমনি এমনি অহেতুক বলা হয়।
লোকটি ঘুমানোর আগ পর্যন্ত অনেক কিছু চিন্তা করে একাই কথা বলছে। সে নিজেই নিজের কথার উত্তর দিচ্ছে। আর এ কারণেই কথা দিয়ে সে তার কথার প্যাঁচ দূর করছে।
কথা ছুটছে যাকে থামানো যাচ্ছে না।
যে মনের খেয়ালে আবোল-তাবোল কথা বলে যাচ্ছে, থামার কোনো চেষ্টা করছে না তার মনের মাঝে ধাঁই ধপাধপ আওয়াজে তবলা বাজছে।
আবোল-তাবোল কথা বলতে বলতে যখন লোকটার চোখে ঘুম ঘনিয়ে এলো তখন গানের পালা সাঙ্গ হলো।
কথায় কাটে কথার প্যাঁচ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!