সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর লিখন :

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতা হলো বলপ্রয়োগ, শক্তি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অন্যের জীবন, সম্পদ, অধিকার ও মর্যাদার ক্ষতি সাধন করা। সাধারণভাবে যা বৈধ নয় বা আইনসম্মত নয় এবং যার মাধ্যমে অন্যের ক্ষতি করা হয়, তাকে সহিংসতা বলা হয়। এটি মানুষের মানবিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে এবং ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে যা বৈধ নয় বা বৈধভাবে করা হয় না এবং যার মাধ্যমে অন্যের ক্ষতি করা হয়, তাকে সহিংসতা বলা হয়। বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্যাতন, হুমকি বা অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করার মতো কাজগুলো সহিংসতার অন্তর্ভুক্ত। এটি সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বলপ্রয়োগ, অমানবিকতা, অন্যায়, ঘৃণা, প্রতিহিংসা এবং ধ্বংসাত্মক আচরণ। এতে ব্যক্তি বা সমাজের জানমাল, অধিকার ও মর্যাদার ক্ষতি হয়। সহিংসতা কখনো শান্তি বা উন্নয়ন বয়ে আনে না; বরং সংঘাত ও অস্থিরতা বৃদ্ধি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার সঙ্গে অমানবিকতা, অনৈতিকতা, ঘৃণা, ছলচাতুরী, ভণ্ডামি, অসাধুতা এবং অন্যায় বিচার জড়িত। এসব কারণে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও সহমর্মিতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ব্যক্তি ও সমাজে অশান্তি এবং বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

আধ্যাত্মিক অর্থে সহিংসতা হলো ভালোবাসার মৃত্যু। যখন মানুষের হৃদয় থেকে ভালোবাসা, দয়া, ক্ষমাশীলতা ও মানবিকতা হারিয়ে যায়, তখন অমানবিক স্বভাবের জন্ম হয়। এর ফলে মানুষ ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও অন্যায়ের পথে পরিচালিত হয় এবং সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ভালোবাসার পরিবর্তে যখন মানুষের মনে ঘৃণা, প্রতিহিংসা, হিংসা ও অমানবিক আচরণের জন্ম হয়, তখন তাকে ভালোবাসার বিকৃতরূপ বলা হয়। এই বিকৃতরূপই সহিংসতার সৃষ্টি করে। ফলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তির পরিবর্তে অশান্তি বিরাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে। তাই কোনো অবস্থাতেই সহিংসতা কাম্য নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতা মানুষের মধ্যে ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও নিষ্ঠুরতার জন্ম দেয়। এর ফলে মানুষ তার বিবেক, ন্যায়বোধ, দয়া ও সহমর্মিতা হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে সে অমানবিক কাজে জড়িয়ে পড়ে এবং প্রকৃত মানবিক গুণাবলি থেকে দূরে সরে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শারীরিক সহিংসতা হলো অন্যকে শারীরিকভাবে আঘাত, নির্যাতন বা ক্ষতি করা। যেমন—মারধর, হত্যা, নির্যাতন, জখম করা বা শক্তি প্রয়োগ করে কারও শারীরিক ক্ষতি করা। এসব কাজ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানসিক সহিংসতা হলো এমন আচরণ যা মানুষের মনে ভয়, কষ্ট বা অপমানের সৃষ্টি করে। এর দুটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো—
১. অন্যকে হুমকি দেওয়া।
২. ব্ল্যাকমেইল বা ভয় দেখিয়ে নিজের স্বার্থ আদায় করা।

এ ধরনের আচরণ মানুষের আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি নষ্ট করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ব্ল্যাকমেইল হলো কাউকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বা গোপন তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে নিজের স্বার্থ আদায় করা। এতে শারীরিক আঘাত না থাকলেও মানুষের মানসিক ক্ষতি হয় এবং তার স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণ্ন হয়। তাই ব্ল্যাকমেইলকে মানসিক সহিংসতার একটি রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রয়েছে। যখন কাউকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তখন সে মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই কারণে অন্যের অধিকার অস্বীকার করা সহিংসতার একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতা এক ব্যক্তি বা একটি পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকে না; ধীরে ধীরে তা সমাজ ও রাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ে। একজনের প্রতিশোধ অন্যজনের প্রতিশোধের জন্ম দেয়। ফলে হিংসা, ভয় ও অস্থিরতা ক্রমেই বৃদ্ধি পায়। এ কারণেই সহিংসতাকে সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার কারণে পরিবারে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসা নষ্ট হয়। সদস্যদের মধ্যে সন্দেহ, কলহ, ঝগড়া ও মারামারির সৃষ্টি হয়। অনেক সময় পারিবারিক সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং পরিবারে অশান্তি ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

পরিবারে সহিংসতার দুটি প্রধান কুফল হলো—

১. পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালোবাসা ও পারস্পরিক বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়।

২. ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি ও পারিবারিক অশান্তি বৃদ্ধি পায়, যা অনেক সময় বিচ্ছেদ বা প্রাণহানির কারণও হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সমাজে সহিংসতার দুটি প্রধান ক্ষতিকর প্রভাব হলো—

১. সামাজিক সম্প্রীতি, একতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নষ্ট হয়ে যায়।

২. অসামাজিক কার্যকলাপ, অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পায়, যা সমাজের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতা মানুষের মধ্যে ঘৃণা, হিংসা ও প্রতিহিংসার মনোভাব সৃষ্টি করে। এর ফলে সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহানুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মতো সামাজিক মূল্যবোধ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এতে সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার কারণে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা, অস্থিরতা ও ভয় সৃষ্টি হয়। মানুষ শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধার সম্মুখীন হয়। ফলে সামাজিক অগ্রগতি ব্যাহত হয় এবং উন্নয়নের গতি মন্থর হয়ে পড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের ওপর সহিংসতার দুটি প্রধান ক্ষতিকর প্রভাব হলো—
১. দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে এবং অপরাধ বৃদ্ধি পায়।
২. দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার কারণে শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যাহত হয়। সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ঘটে এবং উৎপাদন কমে যায়। ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং জাতীয় অগ্রগতি ব্যাহত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার ফলে দেশে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে। হত্যা, ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ বৃদ্ধি পায়। মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়। ফলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার কারণে হত্যা, খুন, মারামারি, ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি, অপহরণ, গুম, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ বৃদ্ধি পায়। এসব অপরাধ সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি ও নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহিংসতার বিপরীত দিক হলো অহিংসা বা ভালোবাসা। ভালোবাসা মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, ক্ষমাশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয় এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

অহিংসা হলো এমন একটি নীতি যেখানে কারও প্রতি ঘৃণা, প্রতিশোধ বা ক্ষতিকর আচরণ করা হয় না। বরং ভালোবাসা, ক্ষমাশীলতা, সহমর্মিতা ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে আচরণ করা হয়। অহিংসা শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উপায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ভালোবাসা মানুষের মধ্যে ক্ষমাশীলতা, সহানুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলে। এতে ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও হিংসাত্মক মনোভাব দূর হয়। ফলে বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয় এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

একটি সহিংস ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আবার নতুন সহিংসতা সৃষ্টি হয়। প্রতিশোধের মনোভাব মানুষের মধ্যে আরও সংঘাত ও হিংসার জন্ম দেয়। ফলে অশান্তি ক্রমেই বৃদ্ধি পায় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বলা হয়, "সহিংসতা সহিংসতার জন্ম দেয়।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু যীশু শিক্ষা দিয়েছেন যে, মানুষকে শুধু বন্ধু নয়, শত্রুকেও ভালোবাসতে হবে। তিনি প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, ভালোবাসা ও শান্তির পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানান। তাঁর এই শিক্ষা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

গেৎসিমানি বাগানে যখন শত্রুরা প্রভু যীশুকে গ্রেপ্তার করতে আসে, তখন শিষ্য পিতর তরবারি দিয়ে একজন সৈনিকের কান কেটে ফেলেন। তখন যীশু তাঁকে অস্ত্র ব্যবহার না করতে বলেন এবং আহত ব্যক্তিকে সুস্থ করে দেন। এর মাধ্যমে তিনি ভালোবাসা ও অহিংসার শিক্ষা দেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু যীশু বলেছেন, "যে অস্ত্র ব্যবহার করে, সে অস্ত্রের আঘাতেই বিনাশ হয়।" তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে সহিংসতা কখনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না। তাই মানুষের উচিত অস্ত্রের পরিবর্তে ভালোবাসা ও শান্তির পথ অনুসরণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ভালোবাসা মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, ক্ষমাশীলতা, দয়া ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে। এটি হিংসা, বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসা দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে। তাই ভালোবাসাকে সকল দানের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দান বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তি হলো এমন একটি মানসিক ও সামাজিক অবস্থা, যেখানে অরাজকতা, যুদ্ধ, হিংসা, কলহ ও ভয় থাকে না। বরং সেখানে ভালোবাসা, ন্যায়, একতা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিরাজ করে। শান্তি মানুষের মনকে প্রশান্ত করে এবং সমাজে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানসিক শান্তি হলো উৎকণ্ঠা, ভয়, দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা থেকে মুক্ত একটি প্রশান্ত অবস্থাকে বোঝায়। যখন মানুষের মন স্বস্তি, নিরাপত্তা ও আত্মতৃপ্তি অনুভব করে, তখন তাকে মানসিক শান্তি বলা হয়। এটি সুন্দর ও সুখী জীবন গঠনের অন্যতম ভিত্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তিপূর্ণ সমাজে ভালোবাসা, একতা, সহযোগিতা, ন্যায়পরায়ণতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিদ্যমান থাকে। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, অপরাধ কম হয় এবং মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে। এমন সমাজে উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক নাগরিকের উচিত আইন মেনে চলা, অন্যের অধিকারকে সম্মান করা এবং সহিংসতা পরিহার করা। সমাজে ন্যায়, সততা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এর মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, দয়া, সহমর্মিতা, ন্যায়বোধ ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটে। মানুষ একে অপরকে সম্মান করতে শেখে এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে। ফলে প্রকৃত মনুষ্যত্বের বিকাশ সম্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু যীশু মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, ক্ষমা ও শান্তির বার্তা প্রচার করেছেন। তিনি সহিংসতার পরিবর্তে অহিংসা ও ভালোবাসার শিক্ষা দিয়েছেন এবং মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। তাই তাঁকে শান্তিরাজ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুনরুত্থানের পর প্রভু যীশু তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, "তোমাদের শান্তি হোক।" এই আশীর্বাদের মাধ্যমে তিনি তাঁদের শান্তি, সাহস ও আধ্যাত্মিক শক্তি দান করেছিলেন এবং শান্তির বার্তা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে উৎসাহিত করেছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শিক্ষার্থীদের উচিত নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করা, সহিংসতা ও মাদক থেকে দূরে থাকা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করা। তারা পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শিক্ষার্থীদের নিজ জীবনে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা চর্চা করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং সভা-সেমিনার, প্রচারাভিযান ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে হবে। ভবিষ্যতে সৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার মাধ্যমে তারা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

শিক্ষার্থীদের মাদক ও সকল ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকতে হবে এবং অন্যদেরও নিরুৎসাহিত করতে হবে। মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সৃজনশীল কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি হলো প্রতিটি বিষয়কে আশাবাদী ও গঠনমূলকভাবে দেখার মানসিকতা। এতে মানুষ ভালো বিষয় গ্রহণ করে এবং নেতিবাচক চিন্তা ও কাজ থেকে দূরে থাকে। ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্তিত্ব গঠনে এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ইতিবাচক মনোভাব শিক্ষার্থীদের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। এটি হতাশা, হিংসা ও নেতিবাচক চিন্তা দূর করে। ফলে তারা সুশৃঙ্খল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সৃজনশীলতা হলো নতুন চিন্তা, নতুন ধারণা এবং নতুন কিছু সৃষ্টি করার ক্ষমতা। এটি মানুষের মেধা, কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতার পরিচয় বহন করে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সৃজনশীলতা মানুষের সমস্যার গঠনমূলক ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। এটি সহিংসতার পরিবর্তে যুক্তি, উদ্ভাবন ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে। ফলে ব্যক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সময়ানুবর্তিতা মানুষের জীবনে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে। সময়মতো কাজ সম্পন্ন করলে জীবনে সফলতা আসে এবং বিশৃঙ্খলা কমে যায়। একজন সময়ানুবর্তী ব্যক্তি সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

আত্মবিশ্বাস হলো নিজের যোগ্যতা, সামর্থ্য ও সিদ্ধান্তের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখা। আত্মবিশ্বাস মানুষকে সাহসী, কর্মঠ ও সফল হতে সাহায্য করে। এটি ব্যক্তিত্ব গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ এবং শান্তিপূর্ণ জীবন গঠনে সহায়ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ন্যায্যতা হলো প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার প্রাপ্য অধিকার, সুযোগ ও মর্যাদা প্রদান করা। এতে বৈষম্য, অন্যায় ও পক্ষপাতিত্বের স্থান থাকে না। ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হলে মানুষের অধিকার সংরক্ষিত হয় এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ন্যায্যতা মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে এবং বৈষম্য ও অন্যায় দূর করে। যখন সবাই সমান সুযোগ ও ন্যায়বিচার পায়, তখন বিরোধ, অসন্তোষ ও সংঘাত কমে যায়। ফলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

বন্ধুত্ব মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, বিশ্বাস, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি করে। প্রকৃত বন্ধু একে অপরের পাশে দাঁড়ায় এবং সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। এর ফলে বিভেদ কমে এবং সমাজে একতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

একজন শিক্ষার্থীর উচিত সকলের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করা, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা, সহিংসতা ও মাদক পরিহার করা এবং অন্যকে সহযোগিতা করা। পরিবারে শ্রদ্ধাশীল, বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাবান এবং সমাজে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এছাড়া পরিবেশ রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
165

ত্রয়োদশ অধ্যায়

সহিংসতা ও শান্তি

 

বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, প্রায় সর্বত্র মানুষে মানুষে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হিংসা-বিদ্বেষ, দলাদলি, মারামারি, কাটাকাটি, যুদ্ধ-বিগ্রহ ইত্যাদি লেগেই আছে । কেউ যেন কাউকে সহ্য করতে পারছে না । কাকে ছোট করে কে বড় হবে, কে কাকে মেরে নিজের অবস্থান গড়বে এমনই প্রতিযোগিতায় যেন অগণিত মানুষ মেতে উঠেছে । আমাদের দেশের চিত্রও কম ভয়াবহ নয় । প্রতিদিনের খবরের কাগজ বা রেডিও-টেলিভিশনের খবর দেখে বা শুনে হত্যা, ভাঙচুর, ধ্বংস, জ্বালাও-পোড়াও-এর যে প্রতিহিংসামূলক চিত্র আমরা দেখতে পাই, তা উপলব্ধি করে সত্যি আমাদের মর্মাহত হতে হয়। এসবের ফলে আমাদের মনে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক । এ অবস্থা থেকে আমরা সবাই মুক্তি চাই । চাই একটু শান্তি বা একটু সান্ত্বনা ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • বিভিন্ন প্রকারের সহিংসতার বর্ণনা দিতে পারব;
  • সহিংসতার কুফলসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • শান্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • সহিংসতা বর্জন করব এবং
  • শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করব ।

সহিংসতা

কাজ: খবরের কাগজ থেকে সহিংসতার কিছু সমসাময়িক চিত্র উপস্থাপন করা হবে । তা দেখে নিম্নলিখিত প্রশ্নের আলোকে তোমরা বিশ্লেষণ করবে ।

ক. চিত্রগুলোতে কী দেখতে পাচ্ছ?

খ. তা দেখার পর তোমার প্রতিক্রিয়া কেমন হচ্ছে?

গ. সহিংসতা কি সমস্ত সমস্যার সমাধান দিতে পারে ?

ঘ. এ পরিপ্রেক্ষিতে কার কী করণীয় লিপিবদ্ধ কর ।

 

সহিংসতা বিষয়টি অনেক ভয়াবহ । প্রগতিশীল ও কল্যাণকামী পৃথিবীর বিপরীত হলো সহিংসতা ৷ এটি হচ্ছে ভালোবাসার বিকৃতরূপ । সাধারণভাবে যা-কিছু বৈধ নয় বা বৈধভাবে করা হয় না, তাকেই সহিংসতা বলা হয় । বলপূর্বক, শক্তি বা ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জানমালের ক্ষতি সাধন করাই হলো সহিংসতা । সহিংসতা হলো বর্বরতামূলক কোন কাজ যেখানে জড়িত থাকে অমানবিকতা, অনৈতিকতা,

 

 

ঘৃণা, ছলচাতুরী, ভণ্ডামী, অসাধুতা, অন্যায় বিচার ইত্যাদি । সংক্ষেপে বলা যায়, প্রকৃত মানবিকতার অপমৃত্যু বা বিবেক-দংশিত রূপই হলো সহিংসতা ।

ধ্বংস করা বা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে আনন্দ পাওয়া অনেক মানুষের অভ্যাস । প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে মানুষ যে দমন বা নিপীড়নের পথ বেছে নেয় তা-ই সহিংসতা । এর ফলে মানুষ তার মনুষ্যত্ববোধ বিসর্জন দিয়ে অবৈধ বা আইন বিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে । কোন পরিবার, সমাজ, জাতি, দেশ যখন দুর্নীতির চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে যায় অর্থাৎ হানাহানি, মারামারি, অরাজকতায় পর্যবসিত হয়, তখন সেখানে বিরাজ করে সহিংসতা । বর্তমানে ধৈর্য ও সহনশীলতার অভাবে মানুষের মাঝে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে তা-ই সহিংসতার রূপ নিচ্ছে । ব্যক্তি, সমাজ তথা দেশের ক্ষতি সাধন করে সহিংসতা । সহিংসতা কখনো কোনো দেশ, কাল, সমাজ বা ব্যক্তি জীবনে কাম্য নয় ।

আধ্যাত্মিক অর্থে সহিংসতা হলো ভালোবাসার মৃত্যু । কেননা যখনই ভালোবাসার মৃত্যু হয় তখন অমানবিক স্বভাব মানুষকে প্রভাবিত করে । তখন মানুষ সৃষ্টিকর্তার সেই সৃষ্টিশীল রূপকে ঘৃণা করে, অমানবিক রূপটি উম্মোচিত হয় । আর এই অমানবিক স্বভাবের প্রভাবে বিপদগ্রস্ত হয় সমগ্র জাতিসত্তা ।

তবে সহিংসতা শুধু শারীরিকভাবে নির্যাতনকে বোঝায় না । অন্যকে হুমকি দেওয়া, ব্ল্যাকমেইল করা, অন্যের অধিকার অস্বীকার করা ইত্যাদি সব এই সহিংসতার মধ্যে পড়ে। শারীরিক আঘাত বা শাস্তি মানুষকে মানবিক মর্যাদা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করে । তা আমাদের অনেক ক্ষেত্রে হীনমন্য করে তোলে ।

বিশ্বের সর্বত্রই আজ সহিংসতা বিরাজ করছে। সহিংস ব্যক্তিরা সবাই জানে যে, সহিংসতার মধ্য দিয়ে কেউ কখনো জগতের উন্নতি সাধন করতে পারেনি । বরং সহিংসতা দ্বারা মানসিক, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক নানবিধ ক্ষতিকর প্রভার বিস্তৃত হয় । এটা অনেকটা সংক্রামক ব্যাধির মতো । এটা যদি কখনো কোনো পরিবার, সমাজ বা দেশে বাসা বাঁধতে শুরু করে তবে তা অচিরেই সংক্রমিত হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে এর প্রসার ঘটতে থাকে ও শক্তি বৃদ্ধি হয় । এর ফলে পরিবার, সমাজ বা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভয়াবহ প্রভাব পড়ে । সহিংসতার কুফলগুলোকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার-বিশ্লেষণ করলে এর একটা স্পষ্ট চিত্র আমাদের কাছে ধরা পড়বে এবং এর ভয়াবহ পরিণতি বুঝতে সুবিধা হবে ।

কাজঃ প্রামাণ্য চিত্র বা খবরের কাগজ থেকে বিভিন্ন ছবির ওপর আলোচনা করবে । এর মাধ্যমে সহিংসতা ও এর বিভিন্ন কুফল বর্ণনা করবে ।

 

 

 

পরিবারের ওপর সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব

পরিবার হলো সমাজের মৌলিক উপাদান । এই পরিবার থেকেই মানব জীবনের যাত্রা শুরু । আর সহিংসতার কারণে পরিবার নামক ক্ষেত্রটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে দেখা যায় পরিবারে একে অপরের প্রতি সন্দেহ, সম্পর্কের ফাটল এবং এরকম আরও অনেক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি । এর পরিণতি গিয়ে দাঁড়ায় ঝগড়া, মারামারি, হানাহানি ইত্যাদিতে । অনেক সময় জীবনও দিতে হচ্ছে অনেককে ।

সমাজের ওপর সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব

সহিংসতার ফলে পরিবারের ক্ষতিকর দিকগুলোর প্রভাব গিয়ে পড়ে সমাজের ওপর । ফলে দেখা যায় সমাজের মধ্যে যে একতা বা সম্পৃক্ততা থাকার কথা তার অবক্ষয় ঘটে । ছোট ছোট সমাজেও দলাদলি শুরু হয় । তা থেকে নানারকম কোন্দল সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে । এর ফলে অসামাজিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়, যা সামাজিক উন্নয়ন ও গতিশীলতার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে । রাষ্ট্রের ওপর সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব

পরিবার ও সমাজের ক্ষতিকর প্রভাবগুলোর রেশ গিয়ে পড়ে দেশ বা রাষ্ট্রের ওপর । সহিংসতা যখন দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তখন দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে; দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়; দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বাধার সম্মুখীন হয় । ফলে দেখা যায় মিটিং, মিছিল, ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি, নিখোঁজ ও গুম হওয়া, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, খুন ইত্যাদির মধ্য দিয়ে দেশের শান্তি বিনষ্ট হয় ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ।

সহিংসতা বনাম ভালোবাসা

সহিংসতার বিপরীত দিক হলো অহিংসা অর্থাৎ ভালোবাসা। যদি আমরা অহিংসায় বিশ্বাস করি তাহলে আমরা আমাদের শত্রুকে ভালোবাসব । তখন একই নীতি আমরা সবার ওপর প্রয়োগ করব । যারা আমার বন্ধু তাদের প্রতি যেমন, তেমনি যারা আমার শত্রু তাদের প্রতিও তেমনি ব্যবহার করব । এই কারণে প্রভু যীশু খ্রিষ্ট বলেছেন, তোমরা তোমাদের শত্রুকেও ভালোবাসবে । একথা তিনি শুধু মুখেই বলেননি, তাঁর আপন জীবনে শত্রুদের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়েছেন । গেৎসিমানি বাগানে যখন শত্রুরা বিভিন্ন অস্ত্রশাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁকে ধরতে এল তখন পিতর তরবারি দিয়ে একজন সৈনিকের কান কেটে ফেলেছিলেন। সেই মুহূর্তে যীশু বলেছেন, যে অস্ত্র ব্যবহার করে অস্ত্রের আঘাতেই তার বিনাশ ঘটে । কথায় বলে ‘সহিংসতা সহিংসতার জন্ম দেয়' । এই কারণে তিনি ভালোবাসার কথা বলেছেন । কারণ সমস্ত দানের মধ্যে মহৎ দান হলো ভালোবাসা । এই ভালোবাসা মানুষকে সাহসী ও উদ্যমী করে তোলে । এই ভালোবাসা সমস্ত কিছুকে জয় করতে সাহায্য করে । একমাত্র ভালোবাসাই সহিংসতাকে দূর করতে পারে এবং সহিংসতার কুফল থেকে পরিবার, সমাজ বা দেশকে রক্ষা করতে পারে ।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা

শান্তি সবাই চায়! সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শান্তি চায় । আমরাও সকলে নিশ্চয়ই শান্তি চাই বা শান্তিতে জীবন যাপন করতে চাই । একটু শান্তির পরশ পাওয়ার জন্য মানুষ কত কী-না করে । সমাজ ও দেশের কিছু সংখ্যক মানুষের ওপর কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও ক্ষমতা অর্পণ করা হয়ে থাকে । যেমন, শিক্ষাকাজে

 

 

 

নিয়োজিত শিক্ষক, দেশ রক্ষার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, পুলিশ, বেসরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা । তারা শান্তির জন্য কাজ করে থাকেন । পৃথিবীতে আবার এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা শান্তির জন্য তাদের নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিচ্ছেন । পোপ দ্বিতীয় জন পল সহিংসতা বন্ধের জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছিলেন । তিনি বিশ্ব শান্তি দিবসের মূলভাব হিসেবে ‘সহিংসতা নয়, শান্তি চাই' শ্লোগানের মধ্য দিয়ে সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করেছিলেন ।

শান্তি কী

প্রথমত শান্তি হচ্ছে উৎকণ্ঠাহীনতা-একটা মানসিক প্রশান্তিপূর্ণ অবস্থা । সমাজের মানুষের মানসিক শান্তি চারিদিকে বিস্তৃত হয় । আবার শান্তি হচ্ছে এমন একটি পারিপার্শ্বিক অবস্থা যেখানে সর্বদা বিরাজ করে একতা । অর্থাৎ বলা যায়, শান্তি হচ্ছে অরাজকতা, যুদ্ধ, হিংসা, ক্রোধ, কলহ, অপরাধবোধ ইত্যাদি না থাকার অনুভূতি । এসবের পরিবর্তে শান্তির অবস্থা হচ্ছে এমন অবস্থা যেখানে আছে একতা, গভীর নীরবতা যা মানুষকে তার প্রকৃত সত্তা বা অস্তিত্বকে বুঝতে বা জানতে শেখায়, নাগরিক দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করে, সেবার মনোভাব গড়ে ওঠে, ন্যায়পরায়ণতা বিরাজ করে এবং বন্ধত্বের মনোভাব গড়ে ওঠে । তাই বলা যায় শান্তি হচ্ছে মনুষ্যত্ব বিকাশের একটি উত্তম বা সর্বোকৃষ্ট মাধ্যম ।

প্রভু যীশু খ্রিষ্ট হলেন শান্তিরাজ । তিনি এই জগতে মানুষের মাঝে শান্তি দিতে এসেছেন । তাই তো তিনি তাঁর পুনরুত্থানের পর ‘তোমাদের শান্তি হোক' বলে শিষ্যদের ওপর তাঁর শান্তি ছড়িয়ে দিয়েছেন । খ্রিষ্টের দেখানো পথে চলে ও তাঁর দেওয়া শান্তি গ্রহণ করে আমরা শান্তির মানুষ হয়ে উঠতে পারি ।

বর্তমানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । শিক্ষার্থীদের এটা এমন একটা সময় যে, এ সময় সে তার জীবনে ভবিষ্যৎ লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ঠিক করে এবং জীবনকে সুন্দর দিক নির্দেশনা দানের মধ্য দিয়ে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে । এই বয়সের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা ধরনের বাধা ও প্রলোভন আসে যা তাদেরকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এর ফলে ব্যক্তির মনে আসতে পারে অশান্তি । শান্তি প্রতিষ্ঠায় যে বিষয়গুলো মূলত নির্ভর করে তা হচ্ছে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধ, এবং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ । তাই শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা যদি নিজেদের মধ্যে প্রকৃত মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারি তবে পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি বিরাজ করবে । শান্তি প্রতিষ্ঠায় মূল্যবোধগুলোর পাশাপাশি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:

দুর্নীতি দমনে একত্রিত হওয়া: সারা বিশ্বে দুর্নীতি এখন চরমে পৌঁছেছে । প্রতিটি দেশে উন্নতি বা শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধান অন্তরায় হচ্ছে দুর্নীতি । তাই দুর্নীতি দূর করার জন্য এসময় থেকেই শিক্ষার্থীরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলে এ ব্যাধি দূর করা সম্ভব হবে এবং দেশ ও সমাজের মধ্যে শান্তি বিরাজ করবে । কারণ আজকের শিক্ষার্থীরাই হবে ভবিষ্যৎ কর্ণধার । তাই আমরা জনসচেতনতামূলক সমাবেশ বা সভা-সেমিনার করে দুর্নীতি দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চেষ্টা করব ।

মাদক সেবন দূরীকরণ: এই সময় দেখা যায় অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত হয়ে তাদের ভবিষৎ ধ্বংস করে ফেলে । কিন্তু এসময়টি হলো নিজেকে গঠন করার, ভালো-মন্দ বোঝার এবং সেই অনুসারে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার । শিক্ষার্থীরাই পারে ব্যক্তিগতভাবে মাদক বা অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যকে ‘না' বলতে এবং অন্যকেও তা সেবনে নিরুৎসাহিত করতে ।

 

 

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: শিক্ষার্থীদের এই সময়টি হলো নিজের ব্যক্তিত্ব বিকশিত করার সময় । তাই সব কিছুর মধ্যে একটা ইতিবাচক মনোভাব থাকা দরকার । মূলত তাদের এই নীতির বিরুদ্ধে না গিয়ে বরং যা ভালো তা গ্রহণ করা ও সেই অনুসারে জীবন যাপন করাই শ্রেয় ।

সৃজনশীলতা: এই সময়টিতে শিক্ষার্থীরা পারে অসম্ভবকে সম্ভব করতে, অজানাকে জানার কৌতূহল সৃষ্টি করতে এবং নতুন নতুন জিনিস উদ্ভাবন করতে । তাই এটাই সৃজনশীলতা প্রকাশের প্রকৃত সময় ।

সময়ানুবর্তিতা: শান্তি প্রতিষ্ঠায় সময়ানুবর্তিতার গুরুত্ব অনেক বেশি । এই সময় যদি তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয় তবে ভবিষৎ জীবনকে তারা সঠিক ও সুন্দরভাবে গোছাতে পারবে। এর ফলশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা দেখা দেবে ।

আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাসের অর্থ হচ্ছে নিজেকে ও নিজের সামর্থ্যকে বিশ্বাস করা। মানব চরিত্র সমৃদ্ধ করণে এর অবদান অতুলনীয় । নিজের প্রতি যে যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়, অন্যের প্রতিও তার ঠিক তেমনি হওয়া উচিত । তাই এই সময়টি আত্মবিশ্বাস সৃষ্টির উত্তম সময় ।

ন্যায্যতা: যার যা পাওনা তাকে তা দান করাই হচ্ছে ন্যায্যতা। ন্যায্যতা মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করে । তাই ন্যায্যতা শিক্ষার মধ্য দিয়ে এ সময় শিক্ষার্থীরা ন্যায্যতার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে । ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হলে শান্তি আসবে ।

বন্ধুত্ব: বন্ধুত্ব হচ্ছে দুইজন ব্যক্তির ভালোবাসাপূর্ণ অঙ্গীকার বা গৃহীত দায়িত্ব । এটি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্নেহ-ভালোবাসার ওপর নির্ভরশীল । বন্ধুত্ব আমাদের একতা সৃষ্টিতে সহায়তা করে যা শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম উপায় ।

আলোচ্য বিষয়গুলো হচ্ছে এক একটি গুণ যা শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যম । এ মাধ্যমগুলো অনুশীলন ও চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করতে সক্ষম । শান্তি হচ্ছে সকল সুখের মূল । আর এই শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সকলেরই এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য ।

একক কাজ: শান্তি প্রতিষ্ঠায় তুমি তোমার পরিবার, পাড়া, বিদ্যালয় ইত্যাদি স্থানে কী ভূমিকা রাখতে পার তার একটা তালিকা তৈরি কর ।

 

অনুশীলনী

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

১. সহিংসতার বিপরীত দিক কোনটি ?

ক. প্রশংসা

খ. ভালোবাসা

গ. শান্তি

ঘ. ন্যায্যতা

শিক্ষার্থীরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে ।

ক. খেলাধুলার মাধ্যমে

খ. বই পড়ার মাধ্যমে

গ. ন্যাযতার মাধ্যমে

ঘ. মিটিং মিছিল করে

নিচের চিত্রটি দেখে ৪নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

৩. উদ্দীপকের ছবির মাধ্যমে কী প্রকাশ পায় ?

ক. সহিংসতা

খ. সহীনশীলতা

গ. অহিংসা

ঘ. অনুশাসন

 

৪. উদ্দীপকের কাজের প্রভাব

i. মূল্যবোধের অবক্ষয় হবে

ii. দুর্নীতি বৃদ্ধি পাবে

iii. সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাবে

নিচের কোনটি সঠিক ?

ক. i

খ. ii

গ. i ও ii

ঘ. ii ও ii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১. সহিংসতা বলতে কী বোঝায় ? ব্যাখ্যা কর ।

২. শান্তি বলতে কী বোঝায় ?

৩. শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীর ভূমিকাগুলো লেখ ।

8. কীভাবে আমরা ভালোবাসার মাধ্যমে সহিংসতাকে দূর করতে পারি? 

৫. সৃজনশীলতা বলতে কী বোঝায় ? ব্যাখ্যা কর ।

সৃজনশীল প্রশ্ন

 

ক. শান্তি কী ?

খ. ন্যায্যতা বলতে কী বোঝায় ? ব্যাখ্যা কর ।

গ. উদ্দীপকের ‘?’ চিহ্নিত স্থান কী হবে ব্যাখ্যা কর ।

ঘ. উদ্দীপকের তথ্য থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র অবলম্বন ভালোবাসা - মূল্যায়ন কর

 

 

২. আনন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় একটি আদর্শ বিদ্যালয় । প্রধান শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে । শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে খুব বেশি লেখাপড়া করতে পারে । লেখাপড়ার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে তাদের। এছাড়াও বিদ্যালয়ের চারিদিকে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ লাগিয়ে বিদ্যালয়ের পরিবেশকে মনোরম করেছে। তারা একে অন্যের সমস্যায় এগিয়ে যায় এবং দরিদ্রদেরও বিভিন্নভাবে সাহায্য করে। শিক্ষকমণ্ডলীও শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও ব্যবহারে খুবই আনন্দিত। বিদ্যালয়ের প্রত্যেকেই যেন একই পরিবারে মিলেমিশে বাস করছে।

ক. আধ্যাত্মিক অর্থে সহিংসতা কী?

খ. ন্যায্যতা বলতে কী বোঝায় ? ব্যাখ্যা কর ।

গ. উদ্দীপকের বিদ্যালয়টিতে কী বিরাজ করছে ? বর্ণনা দাও ।।

ঘ. উদ্দীপকে এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের ভূমিকা মূল্যায়ন কর ?

Related Question

View All
উত্তরঃ

শান্তি হচ্ছে মনুষ্যত্ব বিকাশের একটি উত্তম বা মাধ্যম।

403
উত্তরঃ

যার যা পাওনা তাকে তা দান করাই মরা সর্বোৎকৃষ্ট মাথা মতা মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করে। শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় হলো ন্যায্যতা। তাই ন্যায্যতা শিক্ষার মধ্য দিয়ে সহিংসতা দূর করা সম্ভব, যা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে। 

মূলকথা: যার যা পাওনা তাকে তা দান করাই ন্যায্যতা?

625
উত্তরঃ

উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানে সহিংসতা হবে। কারণ দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হিংসা-বিদ্বেষ, দলাদলি, মারামারি, কাটাকাটি, যুদ্ধবিগ্রহ, ভাংচুর, ধ্বংস, জ্বালাও-পোড়াও- এসব প্রতিহিংসামূলক চিত্রই প্রগতিশীল, কল্যাণকামী পৃথিবীর বিপরীতরূপ, যাকে এককথায় বলা যায় সহিংসতা। সহিংসতা বিষয়টি অনেক ভয়াবহ। সাধারণভাবে যা কিছু বৈধ নয় বা বৈধভাবে করা যায় না, তাকে সহিংসতা বলে। বলপূর্বক, শক্তি বা ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জানমালের ক্ষতি সাধন হয়। সহিংসতা হলো বর্বরতামূলক কোনো কাজ, যেখানে জড়িত থাকে অমানবিকতা, অনৈতিকতা, ঘৃণা, ছলচাতুরী, ভণ্ডামি, অসাধুতা, অন্যায়, অবিচার ইত্যাদি। এর ফলে মানুষ। তার মনুষ্যত্ববোধ বিসর্জন দিয়ে আইনবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে মানুষের মধ্যে ধৈর্য ও সহনশীলতার অভাব লক্ষণীয়। 

মূলকথা: '?' চিহ্নিত স্থানে সহিংসতা হবে।

323
উত্তরঃ

পৃথিবীজুড়ে আজ সহিংসতার চিত্র বিরাজমান। এ সহিংসতা পরিবার, সমাজ, দেশ সর্বত্র ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। সহিংসতা হলো ভালোবাসার মৃত্যু। কেননা যখনই ভালোবাসার মৃত্যু হয়, তখন অমানবিক স্বভাব মানুষকে প্রভাবিত করে। মানুষ সৃষ্টিকর্তার রূপকে ঘৃণা করে ও অমানবিকরূপটি উন্মোচিত করে। সহিংসতার বিপরীত দিক হলো ভালোবাসা। যদি আমরা ভালোবাসায় বিশ্বাস করি, তাহলে আমরা আমাদের শত্রুকেও ভালোবাসব। এ কারণে প্রভু যীশুখ্রিষ্ট বলেছেন, তোমরা তোমাদের শত্রুকেও ভালোবাসবে।

এ কথা তিনি শুধু মুখেই বলেননি, তাঁর নিজ জীবনে শত্রুদের প্রতি ভালোবেসে দেখিয়েছেন। তিনি মনে করেন, সব দানের মহৎ দান হলো ভালোবাসা। 

এ ভালোবাসা মানুষকে সাহসী ও উদ্যমী করে তোলে। একমাত্র ভালোবাসাই সহিংসতা দূর করতে পারে এবং সহিংসতার কুফল থেকে পরিবার, সমাজ বা দেশ রক্ষা করতে পারে। সুতরাং বলা যায়, সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র অবলম্বন হলো ভালোবাসা। 

মূলকথা: ভালোবাসার মূত্যই হলো সহিংসতা।

315
উত্তরঃ

যার যা পাওনা তাকে তা দান করাই হচ্ছে ন্যায্যতা। ন্যায্যতা মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করে। শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় হলো ন্যায্যতা। তাই ন্যায্যতা শিক্ষার মধ্য দিয়ে সহিংসতা দূর করা সম্ভব, যা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে। 

মূলকথা: যার যা পাওনা তাকে তা দান করাই ন্যায্যতা।

618
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews