লোকটি প্রসাদ ভোজনের কথা বলল। সে সবরি কলা খেতে চায়।
ভজন হলো প্রার্থনাসংগীত। ছড়ায় ভজনের সঙ্গে প্রসাদ ভোজনের কথা বলা হয়েছে।
লোকটি চাংড়িপোতা যাচ্ছে। সেখানে তার নিমন্ত্রণ রয়েছে। সেখানে ভজন শেষে প্রসাদ ভোজন হবে। তাই সে সেখানে যাচ্ছে।
এ কবিতার বেশকিছু খাবারের নাম রয়েছে। যেমন-ছানার পোলাও, সরপুরিয়া, রাবড়ি পায়েস, ক্ষীর, কদলী, সবরি কলা এবং ফজলি আম।
লোকটির কাছে সব ধরনের খাবারই খুব প্রিয়। তবে রাবড়ি পায়েস সে খুব আয়েস করে খেতে চায়।
লোকটি সবরি কলা, ফজলি আম এসব খেতে চায়।
সে ফজলি আম খেতে চাইছে।
ভজন হচ্ছে দেব-দেবীর আরাধনা করা। অর্থাৎ দেব-দেবীকে খুশি করার জন্য যে প্রশংসামূলক গান গাওয়া হয় সেটাকে ভজন বলে। আর ভোজন হচ্ছে আহার করা। ভজন শেষে যে আশীর্বাদমূলক প্রসাদ বা খাবার দেওয়া হয় এখানে সেটাকেই ভোজন বলা হয়েছে।
Related Question
View Allএকধরনের গান, যে গানের মাধ্যমে ঈশ্বর বা দেব-দেবীর প্রশংসা করা হয়।
-মধ্যযুগে ভজন গানের বেশ প্রচলন ছিল।
দেবতার উদ্দেশে নিবেদিত খাদ্যসামগ্রী।
-পূজার পর প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
আহার গ্রহণ, ভক্ষণ, খাওয়ানো।
- লোকটি ভোজনে পটু।
ইচ্ছা।
- আমার পাখির মতো উড়তে সাধ হয়।
দুধের সর দিয়ে তৈরি একরকম মিষ্টি।
-সরপুরিয়া খেতে বেশ সুস্বাদু।
আরাম, তৃপ্তি।
- বৃদ্ধরা শীতের সময় লেপ-কাঁথা গায়ে দিয়ে বেশ আয়েস করে ঘুমান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!