আগে গ্রামের মানুষ তাদের ঘরে বা কুটিরে হাতে তৈরি করত কুটির পণ্য। সেক্ষেত্রে কোনো যন্ত্র বা কারখানা ব্যবহার করা হতো না। এরপর তারা পণ্যগুলো বাজারে বা মেলায় বিক্রি করত।
যেসব জিনিস গ্রামীণ কুটিরে হাতে তৈরি হতো সেগুলোকে কুটির পণ্য বলা হয়। এগুলো আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
কুটির শিল্পের মধ্যে জামদানি শাড়ি, তাঁতের কাপড়, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা, মাটির হাঁড়ি, বাঁশ-বেতের আসবাব, পাটের জিনিস ইত্যাদি রয়েছে। এসব জিনিস মানুষ নিজের হাতে তৈরি করে
মসলিন কাপড় সূক্ষ্ম সুতা দিয়ে হাতে তৈরি হতো। মোগল বাদশাহ ও বেগমরা এটি ব্যবহার করতেন। আরব ও ইউরোপের বণিকেরা মসলিন কিনে নিয়ে যেতেন। এভাবে এটি বিশ্বে বিখ্যাত হয়েছিল।
মাটি দিয়ে থালা-বাটি, হাঁড়ি-পাতিল, হাতি-ঘোড়া ও পুতুল তৈরি করা হয়। এসব পণ্য দেখতে সুন্দর এবং বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী। এগুলো গ্রামীণ জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাঁশ দিয়ে তৈরি হয় বেড়া, ঝুড়ি, কুলা, চালুন ও মোড়া। বেত দিয়ে বানানো হয় চেয়ার, টেবিল, দোলনা, বই রাখার তাক ও ধামা। এসব পণ্য ঘরে ব্যবহার করা হয়।
পাট দিয়ে তৈরি করা হয় বস্তা, দড়ি, পাপোশ ও শিকা। এগুলো দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজে লাগে। পাটের পণ্য টেকসই ও পরিবেশবান্ধব।
শীতলপাটি তৈরি হয় মুর্তা নামের এক বিশেষ গাছ দিয়ে। এটি দেখতে চিকন বাঁশের মতো। শীতলপাটি বসার আসন বা মাদুর-হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলাদেশের নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।
হাতপাখা তৈরি করা হয় তালপাতা, বাঁশ ও বেতের চটা, কাপড় ইত্যাদি। দিয়ে। এটি গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে। গ্রামের মানুষ এখনো হাতে বানানো পাখা ব্যবহার করে।
কুটির পণ্য দেখতে সুন্দর ও সাজানো-গোছানো হয়। এগুলোর নকশা ও রঙে সৃজনশীলতা থাকে। তাই গৃহসজ্জায় এগুলোর বিশেষ সমাদর দেখা যায়।
কুটির শিল্প অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এটি দেশের ঐতিহ্য রক্ষা করে এবং বিদেশে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তোলে। তাই এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যেসব জিনিস গ্রামের কুটিরে হাতে তৈরি করা হয়, সেগুলোকে কুটির পণ্য বলা হয়। কুটির পণ্যকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে বলা হয় কুটির শিল্প।
ইবনে বতুতা ছিলেন মরক্কোর একজন ভ্রমণকারী। তিনি চৌদ্দ শতকে বাংলাদেশে ভ্রমণ করতে এসেছিলেন।
বাংলাদেশের নিদর্শন হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে তাঁতে তৈরি জামদানি শাড়ি এবং মুর্তা গাছ দিয়ে তৈরি শীতলপাটি।
গ্রামের নারীরা ঘরের মেঝেতে কাপড় পেড়ে কাঁথা বানাত। তারপর সেই কাঁথায় নকশা করে ফুল, লতা, পাতা এঁকে নকশিকাঁথা তৈরি করত।
কুটির পণ্য সংসার জীবনের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে। ব্যবহার করা হয়। এছাড়া গৃহসজ্জায়ও কুটির পণ্যের সমাদর দেখা যায়।
আমার বাড়িতে আছে- বেতের চেয়ার, পাটের পাপোশ, বাঁশের মোড়া, মাটির ফুলদানি ও নকশিকাঁথা। এছাড়াও আছে শীতলপাটি ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র।
Related Question
View Allআগে গ্রামের মানুষ তাদের ঘরে বা কুটিরে হাতে তৈরি করত কুটির পণ্য। সেক্ষেত্রে কোনো যন্ত্র বা কারখানা ব্যবহার করা হতো না। এরপর তারা পণ্যগুলো বাজারে বা মেলায় বিক্রি করত।
যেসব জিনিস গ্রামীণ কুটিরে হাতে তৈরি হতো সেগুলোকে কুটির পণ্য বলা হয়। এগুলো আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
কুটির শিল্পের মধ্যে জামদানি শাড়ি, তাঁতের কাপড়, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা, মাটির হাঁড়ি, বাঁশ-বেতের আসবাব, পাটের জিনিস ইত্যাদি রয়েছে। এসব জিনিস মানুষ নিজের হাতে তৈরি করে
মসলিন কাপড় সূক্ষ্ম সুতা দিয়ে হাতে তৈরি হতো। মোগল বাদশাহ ও বেগমরা এটি ব্যবহার করতেন। আরব ও ইউরোপের বণিকেরা মসলিন কিনে নিয়ে যেতেন। এভাবে এটি বিশ্বে বিখ্যাত হয়েছিল।
মাটি দিয়ে থালা-বাটি, হাঁড়ি-পাতিল, হাতি-ঘোড়া ও পুতুল তৈরি করা হয়। এসব পণ্য দেখতে সুন্দর এবং বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী। এগুলো গ্রামীণ জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাঁশ দিয়ে তৈরি হয় বেড়া, ঝুড়ি, কুলা, চালুন ও মোড়া। বেত দিয়ে বানানো হয় চেয়ার, টেবিল, দোলনা, বই রাখার তাক ও ধামা। এসব পণ্য ঘরে ব্যবহার করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!