'সাইক্লোন' কবিতায় প্রথমে চাল, ডাল, গরু ও মোষ উড়তে দেখা যায়।
'সাইক্লোন' কবিতায় বই ও পাঁজি উড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এগুলো দ্বারা জ্ঞানের ও সভ্য জগতের ধ্বংস বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় সরষে ও যব ফসলের কথা এসেছে কৃষির প্রসঙ্গে। এখানে ফসল ও জীবিকার ক্ষতি বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় পাখির ঝড়ে উড়ে যাওয়ার অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এখানে লক্ষ্মীপ্যাঁচা ও পক্ষীছানার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া শালিকের কথাও আছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় তিনজন মানুষের নাম আছে। যথা-হারান মাঝি, পরান শেখ এবং চম্পাবতী।
"উঠল আজান, বাজল. শাঁখ”- এর দ্বারা ধর্মীয় প্রার্থনা বা সাহায্য কামনার বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। যার যার ধর্মানুযায়ী মানুষ বিপদের মুখে আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে।
সাইক্লোন' কবিতার শেষে সবকিছু ডুবে গিয়েছে। শেয়াল, কুকুর, কুঁকড়ো, শালিক, চর সবকিছু ডুবে গিয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় চারটি পশুর কথা আছে। যথা- গরু, মহিষ, শেয়াল, কুকুর।
কবিতায় সাইক্লোন নামক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বলা হয়েছে।
ঝড়ে যা যা উড়ছে তার তালিকা নিচে দেওয়া হলো-১. চাল, ২. ডাল, ৩. গরু, ৪. মোষ, ৫. খই, ৬. বই, ৭. পাঁজি, ৮. বিশ্বকোষ, ৯. সরষে, ১০. যব, ১১. মাছ, ১২. গাছ।
ঘূর্ণিঝড়ের পানির তোেড় প্রচণ্ড। এই পানি সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আর ঘূর্ণিঝড়ের পানির তোড়ের কারণেই চম্পাবতী ভেসে গেছে এবং তার কেশ ভাসছে।
ঝড়ের প্রচণ্ডতা রুখে দেওয়ার জন্য আজান দেওয়া ও শাঁখ বাজানোর কথা বলা হয়েছে। সাইক্লোনের তীব্রতায় মনে হয় যেনআকাশ ভেঙে কাচের মতো গুঁড়ো হয়ে গিয়েছে। এই তীব্রতা আর ভয়ংকর পরিস্থিতি যেন থেমে যায় তাই মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ আজান দিচ্ছে আর হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ শাঁখ বাজাচ্ছে। এ বিষয়টি তুলে ধরতেই আজান দেওয়া ও শাঁখ বাজানোর কথা বলা হচ্ছে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All'সাইক্লোন' কবিতায় প্রথমে চাল, ডাল, গরু ও মোষ উড়তে দেখা যায়।
'সাইক্লোন' কবিতায় বই ও পাঁজি উড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এগুলো দ্বারা জ্ঞানের ও সভ্য জগতের ধ্বংস বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় সরষে ও যব ফসলের কথা এসেছে কৃষির প্রসঙ্গে। এখানে ফসল ও জীবিকার ক্ষতি বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় পাখির ঝড়ে উড়ে যাওয়ার অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এখানে লক্ষ্মীপ্যাঁচা ও পক্ষীছানার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া শালিকের কথাও আছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় তিনজন মানুষের নাম আছে। যথা-হারান মাঝি, পরান শেখ এবং চম্পাবতী।
"উঠল আজান, বাজল. শাঁখ”- এর দ্বারা ধর্মীয় প্রার্থনা বা সাহায্য কামনার বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। যার যার ধর্মানুযায়ী মানুষ বিপদের মুখে আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!