শেষ রাতে খুটখাট শব্দ শুনে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘুম ভেঙে যায়। ঘরে কেন শব্দ হচ্ছিল তা তিনি দেখতে চান। এজন্যই তিনি ঘুম থেকে উঠে আলো জ্বালালেন।
শেষ রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিন একটি লোককে খাটের নিচে দেখতে পান। লোকটিকে তিনি বের হয়ে আসতে বললেও সে ভয়ে বের হতে চাইল না। তাই তাকে বের করার জন্যই হাজি মুহম্মদ মুহসিন বাড়ির পাহারাদারকে ডাকলেন।
লোকটি ছিল অনেক গরিব। সে অভাবের কারণে চুরি করতে গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে এসেছিল।'
চুরি করতে আসা লোকটিকে ধরে হাজি মুহম্মদ মুহসিন তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তিনি লোকটির প্রতি দয়া দেখালেন। তাকে টাকা-পয়সা দিয়ে চুরি করতে নিষেধ করলেন এবং ওই টাকা দিয়ে ব্যবসা করার পরামর্শ দিলেন।
গরিব লোকটি গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে চুরি করতে আসে। হাজি মুহসিন তাকে ধরে শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তাকে দয়া করে টাকা-পয়সা দিয়ে ব্যাবসা করার পরামর্শ দিলেন। তাই হাজি মুহম্মদ মুহসিনের প্রতি লোকটি অনেক কৃতজ্ঞ হলো।
হাজি মুহম্মদ মুহসিন খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন।
গভীর রাত, চারদিকে নীরব। হাজি মুহম্মদ মুহসিন ঘুমিয়ে ছিলেন। শেষ রাতে খুটখাট শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে গিয়েছিল।
চুরি করতে আসা লোকটির অভাবের কথা হাজি মুহসিন মন দিয়ে শুনলেন। তাঁর দয়া হলো। তিনি লোকটিকে টাকা-পয়সা দিয়ে চুরি করতে মানা করলেন। টাকাগুলো দিয়ে কিছু কিনে গ্রামের বাজারে দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করার পরামর্শ দিলেন।
হাজি মুহম্মদ মুহসিন ছিলেন একজন মহৎ মানুষ। তিনি ছিলেন অনেক বড়ো হৃদয়ের অধিকারী। তিনি মানুষকে অনেক দান করতেন। তিনি পিতা ও বোনের কাছ থেকে পাওয়া অনেক সম্পত্তি মানুষ ও সমাজের কল্যাণের জন্য ব্যয় করেন। তাই তাঁকে দানবীর বলা হয়।
'মুহসিন সত্যিকারের মহৎ।'- এ কথা দিয়ে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের মহানুভবতাকে বোঝানো হয়েছে। তিনি নিজের ঘরে একটি লোককে চুরি করতে দেখে তাকে ধরেও তার প্রতি দয়া দেখিয়েছেন। লোকটির অভাবের কথা মন দিয়ে শুনছেনে এবং লোকটিকে শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেছেন। হাজি মুহসিন সেই লোকটিকে গ্রামের বাজারে দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করার পরামর্শ দেন। তাঁর চরিত্রের এমন মহানুভবতা বোঝাতেই তাঁকে সত্যিকারের মহৎ বলা হয়েছে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allশেষ রাতে খুটখাট শব্দ শুনে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘুম ভেঙে যায়। ঘরে কেন শব্দ হচ্ছিল তা তিনি দেখতে চান। এজন্যই তিনি ঘুম থেকে উঠে আলো জ্বালালেন।
শেষ রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিন একটি লোককে খাটের নিচে দেখতে পান। লোকটিকে তিনি বের হয়ে আসতে বললেও সে ভয়ে বের হতে চাইল না। তাই তাকে বের করার জন্যই হাজি মুহম্মদ মুহসিন বাড়ির পাহারাদারকে ডাকলেন।
লোকটি ছিল অনেক গরিব। সে অভাবের কারণে চুরি করতে গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে এসেছিল।'
চুরি করতে আসা লোকটিকে ধরে হাজি মুহম্মদ মুহসিন তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তিনি লোকটির প্রতি দয়া দেখালেন। তাকে টাকা-পয়সা দিয়ে চুরি করতে নিষেধ করলেন এবং ওই টাকা দিয়ে ব্যবসা করার পরামর্শ দিলেন।
গরিব লোকটি গভীর রাতে হাজি মুহম্মদ মুহসিনের ঘরে চুরি করতে আসে। হাজি মুহসিন তাকে ধরে শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে তার অভাবের কথা মন দিয়ে শুনলেন। তাকে দয়া করে টাকা-পয়সা দিয়ে ব্যাবসা করার পরামর্শ দিলেন। তাই হাজি মুহম্মদ মুহসিনের প্রতি লোকটি অনেক কৃতজ্ঞ হলো।
হাজি মুহম্মদ মুহসিন খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!