সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর লিখন :

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো আমরা সবাই মানুষ। নাম, বংশ বা জাতিগত পরিচয়ের চেয়ে মানুষের পরিচয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ ঈশ্বর আমাদের প্রত্যেককে তাঁর নিজের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছেন এবং সকল মানুষের সমান মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে মনুষ্যত্ব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তিনি মানুষকে বিবেক, বুদ্ধি, ভালোবাসা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্ববোধের মতো গুণাবলি দান করেছেন, যাতে মানুষ সৃষ্টিজগতের সেবা ও যত্ন নিতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে তাঁর নিজের প্রতিমূর্তিতে ও সাদৃশ্যে সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষ অন্য সব সৃষ্টির চেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন এবং ঈশ্বরের ভালোবাসা, পবিত্রতা ও ন্যায়পরায়ণতার প্রতিফলন বহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে পুরুষ ও নারী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি প্রথমে আদমকে সৃষ্টি করেন এবং পরে আদমের পাঁজর থেকে হবাকে সৃষ্টি করেন। উভয়েই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট এবং সমান মর্যাদার অধিকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী ও পুরুষ উভয়েই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট হওয়ায় তারা মর্যাদা, সম্মান ও অধিকারের দিক থেকে সমান। তাই কারও প্রতি বৈষম্য করা বা কাউকে ছোট মনে করা উচিত নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পৃথিবী ও সকল সৃষ্টির সেবা, যত্ন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য। তিনি মানুষকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, যাতে মানুষ ভালোবাসা ও দায়িত্বের সঙ্গে পৃথিবী পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রথম মানুষটির নাম ছিল আদম। ঈশ্বর তাঁকে নিজের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেন এবং এদেন উদ্যানে বসবাসের জন্য স্থান দেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর আদমকে এদেন উদ্যানে রেখেছিলেন। সেখানে তিনি সুখে-শান্তিতে বাস করতেন এবং ঈশ্বরের নির্দেশ অনুযায়ী উদ্যানের যত্ন নিতেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানুষের একা থাকা ভালো নয়—এই কথা স্বয়ং ঈশ্বর বলেছিলেন। তাই তিনি আদমের জন্য একজন উপযুক্ত সঙ্গী হিসেবে হবাকে সৃষ্টি করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নারীকে সৃষ্টি করেছিলেন পুরুষের যোগ্য সঙ্গী, সহযোগী ও পরিপূরক হিসেবে। যাতে তারা পরস্পরকে ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সম্মানের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজ গঠন করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর আদমের একটি পাঁজর নিয়ে তা দিয়ে নারীকে সৃষ্টি করেন। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে নারী ও পুরুষ পরস্পরের পরিপূরক এবং উভয়েই সমান মর্যাদার অধিকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রথম নারীর নাম হবা। ঈশ্বর আদমের পাঁজর থেকে হবাকে সৃষ্টি করেন এবং তাঁকে আদমের যোগ্য সঙ্গী হিসেবে প্রদান করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

আদম নারীকে দেখে আনন্দে বলেছিলেন, “এই হলো আমার অস্থির অস্থি, মাংসের মাংস। এর নাম নারী হবে, কেননা নরদেহ থেকেই তাকে তুলে আনা হয়েছে।” এই কথার মাধ্যমে তিনি নারীকে নিজের সমমর্যাদার সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুরুষ ও নারী সৃষ্টি ঈশ্বরের পরিকল্পনা, ভালোবাসা ও ইচ্ছার প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে নারী ও পুরুষ উভয়েই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট এবং তারা পরস্পরের সহযোগী ও পরিপূরক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানুষকে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করার অর্থ হলো মানুষ ঈশ্বরপ্রদত্ত মর্যাদা, বিবেক, ভালোবাসা, ন্যায়পরায়ণতা ও স্বাধীন ইচ্ছার অধিকারী। তাই মানুষ অন্য সব সৃষ্টির তুলনায় বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষের মধ্যে অমর আত্মা দিয়েছেন। এই আত্মার মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরকে জানতে, ভালোবাসতে এবং ন্যায় ও সত্যের পথে চলতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষের মধ্যে পবিত্রতা, ন্যায়পরায়ণতা ও ভালোবাসা প্রদান করেছেন। এই গুণগুলোর মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের সাদৃশ্য প্রকাশ করে এবং অন্যদের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে পৃথিবী ও সকল সৃষ্টির সেবা, সংরক্ষণ এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। মানুষ যেন দায়িত্বশীলভাবে প্রকৃতি ও জীবজগতের কল্যাণে কাজ করে—এটাই ঈশ্বরের ইচ্ছা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর শুরুতে একজন পুরুষ (আদম) এবং একজন নারী (হবা) সৃষ্টি করেছিলেন। এর মাধ্যমে এক স্বামী ও এক স্ত্রীর পবিত্র দাম্পত্য জীবনের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

এই অধ্যায় অনুযায়ী একজন পুরুষের মাত্র একজন স্ত্রী থাকার কথা বলা হয়েছে। কারণ ঈশ্বর শুরুতে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে সৃষ্টি করে তাদের পবিত্র দাম্পত্য সম্পর্কে আবদ্ধ করেছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

এই অধ্যায়ে বলা হয়েছে, একজন নারীর মাত্র একজন স্বামী থাকবে। কারণ ঈশ্বর শুরুতে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে সৃষ্টি করে তাদের মধ্যে পবিত্র দাম্পত্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা ও পারস্পরিক সম্মান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে ষষ্ঠ দিনে সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার পর তিনি মানুষকে তাঁর নিজের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেন এবং পৃথিবী ও সকল সৃষ্টির দেখাশোনার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

মানুষ সামাজিক জীব, কারণ সে একা বাস করতে পারে না। মানুষ পরিবার, সমাজ ও অন্য মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে বাস করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও ভাবের আদান-প্রদানের মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সুস্থ সম্পর্ক বলতে এমন সম্পর্ককে বোঝায় যেখানে পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ভালোবাসা, সহযোগিতা, সহানুভূতি এবং সুন্দরভাবে ভাবের আদান-প্রদান থাকে। এ ধরনের সম্পর্ক মানুষকে একে অপরের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক, কারণ ঈশ্বর তাঁদের সেইভাবেই সৃষ্টি করেছেন। যদিও তাদের মধ্যে কিছু শারীরিক ও মানসিক পার্থক্য রয়েছে, তবুও তারা পরস্পরের সহযোগী, সহায়ক এবং একে অপরের অভাব পূরণকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের মধ্যে প্রধানত শারীরিক গঠন, মানসিক বৈশিষ্ট্য, চিন্তাধারা, দৃষ্টিভঙ্গি, ইচ্ছা-অনিচ্ছা ও চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। তবে এসব ভিন্নতা তাদের মর্যাদার কোনো পার্থক্য সৃষ্টি করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সুস্থ সম্পর্কের প্রথম শর্ত হলো পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা প্রদান। একে অপরকে সম্মান করলে বিশ্বাস, সহযোগিতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় এবং সম্পর্ক দৃঢ় হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সুস্থ সম্পর্ক গড়তে বন্ধুসুলভ, ভাইবোনসুলভ, সহযোগিতামূলক, সহানুভূতিশীল ও শ্রদ্ধাশীল মনোভাব প্রয়োজন। এতে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সহানুভূতি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও প্রয়োজন বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো, সহযোগিতা করা এবং সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও মানবিক করে তোলা সম্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক নষ্ট হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা কমে যায়। তখন মানুষ একে অপরকে স্বার্থের জন্য ব্যবহার করতে শুরু করে, ফলে সন্দেহ, স্বার্থপরতা, পারিবারিক ভাঙন, অশান্তি এবং নৈতিক অবক্ষয় দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক না থাকলে মানুষ একে অপরকে পণ্য বা ভোগের বস্তু হিসেবে ব্যবহার করে। তখন ভালোবাসা, সম্মান ও মানবিকতার পরিবর্তে স্বার্থপরতা ও ভোগের মানসিকতা প্রাধান্য পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নৈতিক অবক্ষয়ের ফলে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং সমগ্র মানবজাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নষ্ট হয়ে সমাজে অশান্তি, পারিবারিক ভাঙন ও অপরাধ বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

দাম্পত্য জীবনে নারী-পুরুষের সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র সম্পর্ক বলা হয়। খ্রিষ্টধর্মে এই সম্পর্ক একটি পবিত্র সাক্রামেন্ট, যা ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা ও দায়িত্ববোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

খ্রিষ্টভক্তদের জন্য বিবাহ একটি পবিত্র সাক্রামেন্ট। এই সাক্রামেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ করেন এবং আজীবন ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা ও পারস্পরিক দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী ঈশ্বরের অনুগ্রহ ও আশীর্বাদ লাভ করেন। তারা ভালোবাসা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ঈশ্বরের সৃষ্টিকাজে অংশগ্রহণ করেন এবং একটি সুন্দর পরিবার গড়ে তোলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের সমতা বলতে বোঝায়, উভয়েই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট এবং মর্যাদা, সম্মান ও অধিকারের দিক থেকে সমান। তাই নারী বা পুরুষ—কাউকেই ছোট বা বড় মনে করা উচিত নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের মধ্যে শারীরিক গঠন, মানসিক বৈশিষ্ট্য, চিন্তাধারা ও দৃষ্টিভঙ্গির কিছু পার্থক্য রয়েছে। তবে এসব পার্থক্য তাদের মর্যাদা বা অধিকারের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য সৃষ্টি করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ। নারী ও পুরুষ উভয়েই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট। তাই তারা সমান মর্যাদা, সম্মান ও অধিকার লাভ করেছে এবং সমাজে সমানভাবে মূল্যবান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের অসমতার একটি প্রধান কারণ হলো পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থা। এছাড়া নারীদের সম্পর্কে ভুল ধারণা, কুসংস্কার, বৈষম্যমূলক সামাজিক রীতি এবং শিক্ষার অভাবও অসমতার জন্য দায়ী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থার ফলে অনেক ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্য, অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার হয়। তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়, যা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু যীশু পৃথিবীতে এসেছিলেন মানুষের কাছে ঈশ্বরের ভালোবাসার পরিচয় তুলে ধরতে এবং সেই ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দিতে। তিনি সকল মানুষকে—ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, এমনকি শত্রুদেরও ভালোবেসে ক্ষমা, দয়া ও প্রেমের শিক্ষা দিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু সকল মানুষকে ভালোবেসেছিলেন। তিনি ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, পাপী ও শত্রু—সবার প্রতি সমান ভালোবাসা, দয়া ও ক্ষমা প্রদর্শন করেছেন এবং তাদের কল্যাণ কামনা করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধু পল করিন্থীয়দের প্রতি প্রথম পত্রের ১৩ অধ্যায়ে (১ করিন্থীয় ১৩) ভালোবাসার শিক্ষা দিয়েছেন। সেখানে তিনি ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ, গুণাবলি ও গুরুত্ব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধু পলের মতে, মানুষের যত জ্ঞান, প্রতিভা, বিশ্বাস বা দানশীলতাই থাকুক না কেন, যদি তার মধ্যে ভালোবাসা না থাকে, তবে তার কোনো প্রকৃত মূল্য নেই। ভালোবাসাহীন মানুষ ঈশ্বরের কাছে পূর্ণতা লাভ করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধু পলের মতে, ভালোবাসা সহিষ্ণু ও স্নেহকোমল। এছাড়া ভালোবাসা ঈর্ষা করে না, অহংকার করে না, রুক্ষ আচরণ করে না, স্বার্থপর হয় না এবং অন্যের মঙ্গল কামনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধু পল তিনটি ঐশগুণের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো—বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসা। এই তিনটি গুণ মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনকে সুন্দর ও পরিপূর্ণ করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

সাধু পলের মতে, ভালোবাসা সর্বশ্রেষ্ঠ ঐশগুণ। কারণ ভালোবাসা চিরস্থায়ী, নিঃস্বার্থ এবং মানুষের সঙ্গে ঈশ্বর ও অন্য মানুষের সম্পর্ককে দৃঢ় করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রকৃত ভালোবাসা হলো শর্তহীন, নিঃস্বার্থ, পবিত্র, সহিষ্ণু, ক্ষমাশীল ও পরোপকারী। এতে কোনো স্বার্থ, অহংকার, ঈর্ষা বা হিংসার স্থান নেই। প্রকৃত ভালোবাসা অন্যের কল্যাণ ও সুখ কামনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু পাপী নারীকে অনুতাপ, ক্ষমা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, আন্তরিক অনুতাপ ও বিশ্বাস থাকলে ঈশ্বর মানুষকে ক্ষমা করেন এবং নতুন জীবন দান করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু পাপী নারীকে বলেছিলেন, “তোমার বিশ্বাসই তোমাকে উদ্ধার করেছে; এবার যাও তুমি, শান্তিতেই থাক।” এর মাধ্যমে তিনি বোঝিয়েছেন যে সত্যিকারের বিশ্বাস ও অনুতাপ মানুষের মুক্তি ও শান্তির পথ খুলে দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
7

সপ্তম অধ্যায়

পুরুষ ও নারী

কেউ যখন আমাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করে তখন আমরা সচরাচর আমাদের নাম ও বংশ পরিচয় দিয়ে

থাকি । কিন্তু আমাদের প্রত্যেকেরই এর চাইতে বড় একটি পরিচয় আছে । আর তা হলো আমরা প্রত্যেকেই মানুষ । ঈশ্বর আমাদের প্রত্যেককেই মনুষ্যত্ব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন নিজের প্রতিমূর্তিতে, পুরুষ ও নারী করে । আমরা নারী-পুরুষ হলেও আমাদের প্রত্যেকের সমান মর্যাদা ও অধিকার রয়েছে । সেই কারণে সবার প্রতি প্রেম বা ভালোবাসার মনোভাব পোষণ করা আমাদের প্রত্যেকেরই দরকার ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

ঈশ্বর কর্তৃক পুরুষ ও নারী হিসেবে মানুষ সৃষ্টির বিষয় বর্ণনা করতে পারব;

  • নারী-পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নারী-পুরুষের সমতা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ভালোবাসা সম্পর্কে প্রেরিত পলের শিক্ষা বিশ্লেষণ করতে পারব এবং
  • নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল হবো ।

ঈশ্বরের সৃষ্টি পুরুষ ও নারী

আমাদের চারপাশের সমস্ত কিছু পরম করুণাময় প্রভু ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। তিনি নিজেই ভালোবাসা এবং তাঁর নিজের এই ভালোবাসা দিয়ে তিনি পরম যত্নে সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন । অন্য সবকিছু সৃষ্টি করার পর তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন । এই মানব সৃষ্টির মধ্য দিয়ে শুরু হলো পৃথিবীতে নরনারীর রহস্যময় ইতিহাস

ঈশ্বর মানুষের বাসযোগ্য করে এই পৃথিবীর সমস্ত কিছু সৃষ্টি করার পর তাঁর আপন প্রতিমূর্তিতে ও আপন সাদৃশ্যে প্রথম মানব আদমকে সৃষ্টি করলেন এবং তাঁকে নিয়ে এদেন উদ্যানে রাখলেন। কিন্তু পরে এক সময় ঈশ্বর বললেন, মানুষের একা থাকা ভালো নয় । তাই ঈশ্বর তাঁরই মতো করে এমন আর একজনকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করলেন, যে তাকে সাহায্য করবে ও তার যোগ্য সঙ্গী হবে। তাই আদমের ওপর গভীর তন্দ্রার আবেশ নামিয়ে এনে তাঁর একটি পাঁজর খুলে নিয়ে তিনি তা মাংস দিয়ে ঢেকে দিলেন। আদমের বুক থেকে খুলে নেওয়া সেই পাঁজর দিয়ে ঈশ্বর একজন নারীকে গড়ে তুললেন । এরপর তাঁকে আদমের কাছে নিয়ে এলেন । আদম তাঁকে দেখে আনন্দে অভিভূত হয়ে বলে উঠলেন, এই হলো আমার অস্থির অস্থি, মাংসের মাংস । এর নাম নারী হবে, কেননা নরদেহ থেকেই তাকে তুলে আনা হয়েছে ।

ঈশ্বরের পরিকল্পনায় পুরুষ ও নারী

পুরুষ ও নারী করে মানুষকে সৃষ্টি করা ছিল ঈশ্বরের নিজস্ব পরিকল্পনা এবং একান্ত ইচ্ছা । এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে দুইটি দিক । একদিকে মানব ব্যক্তি হিসেবে পূর্ণ সমতা ও অন্যদিকে নিজ নিজ সত্তায় পুরুষ ও নারীরূপ । পুরুষ হওয়া বা নারী হওয়া হলো একটি সত্য যা ভালো ও ঈশ্বরের ইচ্ছা প্রসূত । 

 

 

মানুষের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো--মানুষ ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া । ঈশ্বর অনাদি অনন্ত । তিনি ছিলেন, আছেন ও থাকবেন । সেই ঈশ্বর মানুষের মধ্যে দিয়েছেন অমর আত্মা । পবিত্র, ন্যায়বান, প্রেমময় ঈশ্বর মানুষের মধ্যেও দিয়েছেন পবিত্রতা, ন্যায্যতা ও ভালোবাসা । মানুষকে ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন সকল সৃষ্টির ওপর সেবা ও যত্ন করার উদ্দেশ্যে। দ্বিতীয়ত, ঈশ্বর এক। নিজের প্রতিমূর্তিতে মানুষকে পুরুষ ও নারী করে সৃষ্টি করে তাদের দুইজনকে তিনি এক করেছেন ।

সকল সৃষ্টির পরে মানুষকে সৃষ্টি করে ঈশ্বর দেখলেন, সকল সৃষ্টির দেখাশুনা করার জন্য তাঁর সহকর্মী প্রয়োজন । কারণ ঐ সৃষ্টিগুলো অন্যান্য সৃষ্টিকে তাঁর মতো করে দেখাশুনা করার যোগ্যতা অর্জন করেনি । ঐগুলো তাঁর প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট ছিল না। মানুষকে সৃষ্টি করে ঈশ্বর তৃপ্ত হলেন । পূর্ণ তৃপ্তির জন্য ঈশ্বর মানুষের মধ্যে নিজের প্রতিমূর্তি, নিজের সাদৃশ্য দিলেন ।

শুরুতে ঈশ্বর শুধু একজন পুরুষ ও একজন নারী সৃষ্টি করেছেন । এর অর্থ এই যে, একজন পুরুষের মাত্র একজন স্ত্রী থাকবে এবং একজন নারীর একজন স্বামীই থাকবে । তারা দুইজনই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া । এই কারণে দুইজনেই সমান মর্যাদার অধিকারী । ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন ষষ্ঠ দিনে, সকল সৃষ্টি সমাপ্ত করার পর । এর অর্থ হলো, মানুষ ঈশ্বরের সৃষ্টজীব । সে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া হলেও ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্মে তার কোন হাত নেই । নিজের প্রতিমূর্তিতে গড়ে তাকে তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন সৃষ্টিকে দেখাশুনা করার ।

কাজ: জোড়ায় জোড়ায় বসে ঈশ্বরের সৃষ্ট পুরুষ বা নারী হিসেবে তুমি তোমার অনুভূতি সহভাগিতা করবে ।

নারী পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক

সম্পর্ক হলো ভাবের আদান প্রদান । একজন মানুষ তার মনের ভাব বা ইচ্ছা অন্য একজন মানুষের কাছে প্রকাশ করবে, এটাই স্বাভাবিক । সুস্থ সম্পর্ক আমাদের সহায়তা করে সুন্দরভাবে ভাবের আদান প্রদান করতে । ভালো বা সুস্থ সম্পর্ক একে অন্যের আরও কাছাকাছি যেতে সাহায্য করে ।

আমরা জানি, মানুষ সামাজিক জীব । সমাজবদ্ধভাবে বাস করা তার স্বভাব । সমাজের সবার সাথে একটা সুন্দর সম্পর্ক থাকবে, সেটাই সকলে কামনা করে । কিন্তু সম্পর্কটা যখন দুই বিপরীত লিঙ্গের মধ্যে হয়, তখন অনেকের বেলায় একটা অহেতুক ভয় বা দ্বিধা কাজ করে । এটা রক্ষণশীল সমাজে আরও বেশি হয় । এই কারণে আমাদের এই পর্যায়ে সুন্দর মানসিকতা নিয়ে গড়ে উঠতে হবে । আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে যে, আমরা প্রত্যেকে একই ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছি।

নারী ও পুরুষ একই ঈশ্বরের সৃষ্টি । ঈশ্বর নারী ও পুরুষকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন যা আমরা পূর্বেই জেনেছি । মানুষ হিসেবে নারী ও পুরুষ এক হলেও শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে কিছু ভিন্নতা রয়েছে । একে অন্যের চাওয়া-পাওয়া, ইচ্ছা-অনিচ্ছা, দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদির মধ্যে সেই ভিন্নতা বেশি করে লক্ষ করা যায় । তাই নারী-পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে যেহেতু এই বিষয়গুলো বেশি প্রভাব বিস্তার করে তাই সব সময় সচেতন থাকতে হয় ।

নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক বলতে সাধারণত: নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে বোঝায়: একে অন্যকে সম্মান করা বা মর্যাদা দেওয়া, বুঝতে পারা, একে অন্যের প্রয়োজনে ভাইবোনসুলভ মনোভাব নিয়ে

 

 

পাশে দাঁড়ানো, বন্ধুসুলভ মনোভাব পোষণ করা, দৈহিক লালসাকে নিজের আয়ত্বে রেখে মানবীয় দিকের প্রতি প্রাধান্য দেওয়া; একে অন্যের প্রতি দরদবোধ বা সহানুভূতি দেখানো । এসবের মধ্য দিয়ে একে অন্যের কাছাকাছি আসা ও ভাবের আদান প্রদান করা ।

নারী ও পুরুষের মধ্যে এ বিষয়গুলোর অভাব ঘটলে সেখানে আর সুস্থ সম্পর্ক থাকে না। তখন নারী পুরুষের সম্পর্কটা সীমাবদ্ধ হয়ে যায় শুধুমাত্র ভোগের মধ্যে। মানুষ তখন একে অন্যকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে । শুধুমাত্র নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য একে অন্যকে ব্যবহার করে। তখন মানবীয় দিকটি বাদ পড়ে যায় বা তা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন উচ্ছৃঙ্খলতা বৃদ্ধি পায়। ফলে পরস্পরের মধ্যে দেখা দেয় সন্দেহ, স্বার্থপরতা, পারিবারিক ভাঙ্গন, পারস্পরিক অশ্রদ্ধা বা অমর্যাদা ইত্যাদি । ফলে ঘটে নৈতিক

অবক্ষয়--যা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা গোটা মানবতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় । এটা মানব জীবনে মোটেই কাম্য নয়। 

পারিবারিক বা দাম্পত্য জীবনে নারী পুরুষের সম্পর্ক

পারিবারিক বা দাম্পত্য জীবনে নারী-পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক বলতে বিবাহিত জীবনের মধ্য দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ককে বোঝায় । ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করার পর বলেছেন, মানুষের একা থাকা ভালো নয়। আর তাই তাঁরই মতো করে আর একজনকে সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে তিনি স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়েছেন । তারা হৃদয়ের টানে একে অপরের কাছে আসে এবং প্রত্যেকে একে অপরের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করে । খ্রিষ্টভক্তদের জন্য তা একটি পবিত্র সাক্রামেন্ত যা গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বামী-স্ত্রী ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ করে । তারা তাদের ভালোবাসার দায়িত্ব গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সৃষ্টিকাজে তাদের নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে । কাজেই এই সম্পর্ক পবিত্র । এই সম্পর্কের মর্যাদা ও পবিত্রতা বজায় রাখা খ্রিষ্টীয় স্বামী-স্ত্রীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ।

কাজ: শ্রেণীকক্ষের কয়েকজন ভালো বক্তা নিয়ে “পুরুষ ও নারীর সুস্থ সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকাই অধিক” এই বিষয়ের ওপর বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে । যারা বিতর্কে অংশগ্রহণ করবে না তারা মন দিয়ে শুনবে ও পরে মতামত ব্যক্ত করবে ।

 

 

নারী পুরুষের সমতা

আমরা আগেই জেনেছি, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকে ঈশ্বর তাঁর আপন প্রতিমূর্তিতে, আপন সাদৃশ্যে এবং পুরুষ ও নারী করে সৃষ্টি করেছেন । এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিটি মানুষকে স্ব-স্ব মর্যাদা ও সম্মান দান করেছেন । তাই পুরুষ ও নারীর মধ্যে কোন ধরনের ভেদাভেদ বা পার্থক্য থাকতে পারে না । তারা সম্মান ও মর্যাদার দিক দিয়ে প্রত্যেকে সমান । তবে শারীরিক গঠন ও মানসিক ধ্যান-ধারণা বা চিন্তাধারার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা আমরা প্রত্যেকেই জানি ও স্বীকার করি । এই ভিন্নতা সৃষ্টিকে আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে, মানুষকে করে তুলেছে পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক বা সহায়ক ।

মানুষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকে একক সত্তার অধিকারী বা স্বতন্ত্র । মানুষ হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে । আমরা আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব ধ্যান-ধারণা, চিন্তা-ভাবনায় অনন্য । পুরুষ বা নারী বলে কেউ ছোট বা বড়--তা নয় । তেমনিভাবে কোন এক শ্রেণির মানুষ কম বুদ্ধিমান আবার আর এক শ্রেণির মানুষ বেশি বুদ্ধিমান, এক শ্রেণি উঁচু স্তরের আবার এক শ্রেণি নিচু স্তরের--তা নয়। মানুষ হিসেবে মর্যাদার মাপকাঠিতে আমরা পুরুষ ও নারী সবাই সমান ।

নারী পুরুষের অসমতার ধারণা

অনেকে মনে করেন, ঈশ্বর আদমের পাঁজর থেকে হবাকে সৃষ্টি করেছেন বলে পৃথিবীতে নারীজাতি দ্বিতীয় শ্রেণির । ফলে পুরুষ সব সময় নারী জাতির ওপর তার সব ক্ষমতা, প্রভাব ও কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে থাকবে অর্থাৎ নারী জাতিকে সব সময় হেয় জ্ঞান করবে, এমনটি হওয়া ন্যায্যতার প্রকাশ নয় । অন্য একটি বিষয় হলো পুরুষশাসিত সমাজ ব্যবস্থা । আমাদের দেশে পুরুষশাসিত সমাজ-ব্যবস্থার কারণে এক শ্রেণির পুরুষ সব সময় নারীদেরকে তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করে আসছে। ফলে তাদের সুবিধা আদায়ের জন্য নারী জাতিকে ঘরকোণো করে নিজেদের আয়ত্বে রাখতে চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ন্যায় একটি উন্নয়নশীল দেশে এর প্রভাব প্রকট । ফলে নারী বিভিন্ন নিয়মের বেড়াজালে দিনের পর দিন নিষ্পেষিত হচ্ছে।

ছকপূরণ : নারী ও পুরুষের মধ্যেকার বৈষম্যসমূহ ও তার দূরীকরণের উপায়সমূহ নির্ণয় কর (প্রয়োজনে ঘরের লাইন বাড়ান যেতে পারে)

 

ভালোবাসা ও সাধু পলের শিক্ষা

প্রভু যীশু খ্রিষ্ট এই জগতে এসেছেন মানুষের মাঝে ঈশ্বরের ভালোবাসার পরিচয় তুলে ধরতে ও এর বিস্তার ঘটাতে । তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু, শিক্ষিত-অশিক্ষিত--সর্ব স্তরের মানুষকে ভালোবেসেছেন ও কাছে টেনে নিয়েছেন। যারা তাঁকে ভালোবেসেছে তিনি শুধু তাদেরই ভালোবাসেননি । তিনি তাঁর শত্রুদেরকেও ভালোবেসেছেন, তাদের ক্ষমা করেছেন ও প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি

নিজে ভালোবেসে আমাদেরকে ভালোবাসার মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।

ভালোবাসা কী?

সাধু পৌল করিন্থীয়দের কাছে তাঁর প্রথম পত্রে ভালোবাসা সম্পর্কে আমাদেরকে একটা পরিষ্কার ধারণা দিয়েছেন । আমরা খুব বড় মাপের দানশীল মানুষ হতে পারি বা খুব জ্ঞানী বা বুদ্ধিমান হতে পারি অথবা খুব সুন্দর সুন্দর কথা মানুষের ভাষায় বা স্বর্গদূতদের ভাষায় বলতে পারি । কিন্তু আমাদের অন্তরে যদি ভালোবাসা না থাকে তাহলে সাধু পৌলের কথা অনুসারে আমরা কিছুই নই । অর্থাৎ ভালোবাসা না থাকলে আমাদের কোন মূল্যই নেই । তাঁর কথানুসারে ভালোবাসা হলো:

“আমি যদি মানুষের ও স্বর্গদূতদের ভাষায় কথা বলতে পারি, অথচ আমার অন্তরে যদি ভালোবাসা না থাকে, তাহলে আমি ঢং ঢঙানো কাঁসর বা ঝনঝনে করতাল ছাড়া আর কিছুই নই! আর আমি যদি প্রাবক্তিক বাণী ঘোষণা করতে পারি, যদি উপলব্ধি করতে পারি সমস্ত রহস্যাবৃত সত্য, জানতে পারি ধর্মজ্ঞানের সমস্ত কথা, যদি আমার অন্তরে থাকে পর্বত সরিয়ে দেবার মতো পূর্ণ বিশ্বাস, অথচ অন্তরে না থাকে ভালোবাসা, তাহলে আমি তো কিছুই নই!. . . আর আমি যদি আমার অন্তরে সমস্ত কিছুই দীনদরিদ্রের মধ্যে বিলিয়ে দিই, এমন কি আমার নিজের দেহ-ও আগুনে সঁপে দেই, অথচ আমার অন্তরে যদি না থাকে ভালোবাসা, তাহলে তাতে আমার কোন লাভই নেই” (১করি ১৩:১-৩)।

সাধু পলের মতে, ভালোবাসার মধ্যে কোন অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা, হিংসাবিদ্বেষ, রুক্ষতা ইত্যাদি থাকতে পারে না । তিনি বলেন :

“ভালোবাসা নিত্য-সহিষ্ণু, ভালোবাসা স্নেহকোমল । তার মধ্যে নেই কোন ঈর্ষা । ভালোবাসা কখনো বড়াই

করে না, উদ্ধতও হয় না, রুক্ষও হয় না । সে স্বার্থপর নয়, বদমেজাজীও নয়। পরের অপরাধ সে কখনো

ধরেই রাখে না । তার বিশ্বাস সীমাহীন, সীমাহীন তার আশা ও তার ধৈর্য” (১করি ১৩: ৪-৭)।

সাধু পল তিনটি ঐশগুণের কথা তুলে ধরেন । গুণগুলো হলো: বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসা । কারণ আমরা প্রত্যেকে ঈশ্বরের কাছ থেকে প্রয়োজন অনুসারে এই তিনটি গুণ বা দান পেয়েছি । এই গুণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রধানটি হলো ভালোবাসা । তিনি বলেন:

“ভালোবাসার মৃত্যু নেই । প্রাবক্তিক বাণী ঘোষণা? তা তো একদিন মূল্যহীন হয়ে যাবে । অজ্ঞাত ভাষায় কথা বলা? তা তো একদিন শেষ হয়ে যাবে। ধর্মীয় জ্ঞান? তা-ও তো মূল্যহীন হয়ে যাবে, কারণ আমাদের সমস্ত জানা-ই যে অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ আমাদের সমস্ত প্রাবক্তিক বাণী ঘোষণা । কিন্তু যা পূর্ণ, তা যখন আসবে, তখন যা-কিছু অসম্পূর্ণ, তা সবই অসার হয়ে যাবে । আপাতত বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসা, এই তিনটিই থেকে যাচ্ছে বটে কিন্তু ভালোবাসাই সর্বশ্রেষ্ঠ” (১করি ৮-১০, ১৩)।

 

 

 

ভালোবাসা সম্পর্কে অনেক কিছুই বলা যায় । বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে এর ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন । তবে ভালোবাসা সম্পর্কে বলতে পারা বা ব্যাখ্যা করতে পারাই সব কিছু নয় । ভালোবাসা হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে পারা হলো মুখ্য বিষয় । ভালোবাসা হলো পবিত্র । এখানে কখনো কোন শর্ত থাকে না । বরং শর্তহীন ভাবে হৃদয়ের টানে যখন পরস্পর পরস্পরের কাছাকাছি আসে, পরস্পরের কথা চিন্তা করে, পরস্পরের মঙ্গল কামনা করে তা-ই প্রকৃত ভালোবাসা । ভালোবাসা মানুষকে মহান করে তোলে ।

কাজ: খ্রিষ্টের শিক্ষানুসারে কীভাবে পরস্পরের সাথে সুস্থ ভালোবাসার সম্পর্ক গড়া যায় তা দলে আলোচনা কর ।

নীতিভ্রষ্ট মানুষের মন পরিবর্তনের প্রতি যীশুর শিক্ষা

যীশুর সংস্পর্শে এসে এক পাপী নারী ভক্তিপ্রাণা হয়ে উঠল : (লুক ৭:৩৬-৫০)

একদিন ফরিসিদের একজন যীশুকে খাওয়ার নিমন্ত্রণ জানালেন । সেই ফরিসির বাড়িতে এসে যীশু খাবার আসনে বসলেন । সেই সময়ে একটি মেয়ে সেখানে এসে উপস্থিত হলো; শহরে সে পাপের জীবন যাপন করত । যীশু ফরিসিদের বাড়িতে খেতে বসেছেন শুনে সে সাদা ফটিকের একটি পাত্রে করে সুগন্ধি তেল নিয়ে এসেছিল । যীশুর পেছনে তাঁর পায়ের কাছে এসে সেখানেই সে বসে রইল; সে কাঁদছিল; যীশুর পা দুইখানি তার চোখের জলে ভিজে যেতে লাগল । সে তখন নিজের মাথার চুল দিয়ে তাঁর পা দুইটি মুছিয়ে তা চুম্বন করল আর সেই সুগন্ধি তেল তাতে মাখিয়ে দিল । তাই দেখে যে-ফরিসি যীশুকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, তিনি মনে মনে বলতে লাগলেন: ‘লোকটা প্রবক্তা হলে তো বুঝতেই পারত, যে-মেয়ে এখন ওকে স্পর্শ করছে, সে কে, কেমন-ধারা মেয়ে । বুঝতেই পারত, সে একটা পাপিনী!”

তখন তাঁর এই মনের চিন্তার উত্তর দিতে গিয়ে যীশু বললেন: ‘সিমোন, আপনার সঙ্গে আমার একটা কথা আছে!' তিনি উত্তর দিলেন: “বলুন গুরু!” যীশু বললেন: ‘এক মহাজনের কাছে দুইজন লোকের ঋণ ছিল: একজনের দেনা ছিল পাঁচ শো রূপোর টাকা আর একজনের পঞ্চাশ রূপোর টাকা । তাদের শোধ করার ক্ষমতা না থাকায় মহাজন দুইজনেরই দেনা মাপ করে দিল ।

এখন বলুন, এই দুইজনের মধ্যে কে মহাজনটিকে বেশি ভালোবাসবে ?' সিমোন উত্তর দিলেন: ‘আমার তো মনে হয়, মহাজন যার বেশি দেনা মাপ করেছে, সে-ই তাকে বেশি ভালোবাসবে!” যীশু বললেন: “ঠিক কথাই বলেছেন ।' তারপর সেই মেয়েটির দিকে ফিরে তিনি সিমোনকে বললেন: ‘আপনি এই মেয়েটিকে দেখছেন তো ? আমি আপনার বাড়িতে এলাম, অথচ আপনি আমাকে পা ধোবার জল দিলেন না । এই মেয়েটি কিন্তু তার চোখের জলে আমার পা দু'টো ভিজিয়ে দিল: মুছিয়ে দিল নিজের চুল দিয়েই । আপনি তো আমাকে চুম্বন করে স্বাগত জানালেন না; এ কিন্তু আমি এখানে আসার সময় থেকেই আমার পা দুইটাতে চুম্বন করেই চলছে! আপনি তো আমার মাথায় একটু তেল মাখিয়ে দিলেন না; এ কিন্তু আমার পায়ে সুগন্ধি তেল মাখিয়ে দিল! তাই আমি আপনাকে বলছি, এর পাপ, এর যে-বহু পাপ, তা ক্ষমা করাই হয়েছে । এর এতখানি ভালোবাসাই তো সেই ক্ষমার প্রমাণ । যাকে অল্প ক্ষমা করা হয়, সে অল্পই ভালোবাসে।' তারপর তিনি মেয়েটিকে বললেন: ‘তোমার পাপ ক্ষমা করাই হয়েছে!' যারা সেখানে তাঁর সঙ্গে খেতে বলেছিল, তারা মনে মনে বলতে লাগল: ‘কে এই লোক, যে কিনা পাপও ক্ষমা করে ?' যীশু তখন মেয়েটিকে বললেন: ‘তোমার বিশ্বাসই তোমাকে উদ্ধার করেছে! এবার যাও তুমি, শান্তিতেই থাক!”

উপরের শাস্ত্রাংশে দেখতে পাই যে ঐ মেয়েটি যে পাপী ছিল তা সকলেই জানত । মেয়েটি যীশুকে স্পর্শ করলে লোকে মন্দ বলবে তা জেনেও যীশু মেয়েটিকে কিছু বলেননি । মেয়েটি তাঁর পা স্পর্শ করেছে । শেষে তিনি

 

 

পুরুষ ও নারী

মেয়েটিকে বললেন, ‘তোমার পাপ ক্ষমা করাই হয়েছে!' যীশুকে কি অস্বাভাবিক বলে মনে হয় ? অন্যেরা এ ধরনের মেয়েকে যেভাবে দেখে যীশু কেন সেভাবেই দেখেননি? এ ধরনের মানুষের প্রতি আমার মনোভাব কেমন ? আমি কি শিষ্টাচারী ? আমি কি নিজের পবিত্রতা বা সদগুণের জন্য গর্বিত বা অহংকারী? আমি কার দলে--যীশুর না ফরিসিদের ? তিনি শুধু অনুতাপীদেরই ক্ষমা করেন । আমরা সকলেই যীশুর ক্ষমা পেতে পারি ।

অনুশীলনী

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

১. ঈশ্বর আদমের পাঁজর দিয়ে কাকে বানালেন ?

ক. মারীয়াকে

খ. যীশুকে

গ. হবাকে

ঘ. সাধু যোসেফকে

2. মানুষের একা থাকা ভালো নয় কারণ তার-

i. সঙ্গীর প্রয়োজন

ii. সাহায্যের প্রয়োজন

iii. ত্যাগের প্রয়োজন

নিচের কোনটি সঠিক ?

ক. i

খ. i ও ii

গ. i ও iii

ঘ. i, ii ও iii

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩ ও ৪নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

অপূর্ব বিদেশে থাকেন । প্রায়ই তিনি টেলিফোনে তার স্ত্রী বিথির সাথে কথা বলেন। তিনি তার স্ত্রীকে এতই ভালোইবাসেন, যে কারণে তিনি বেশিদিন বিদেশে না থেকে স্বদেশে চলে আসেন ।

৩. স্ত্রীর সাথে অপূর্বের কথা বলার মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পায় ?

ক. কঠোর মনোভাব

খ. সচেতন সম্পর্ক

গ. ভাবের আদান-প্রদান

ঘ. সামাজিকতা

৪ । অপূর্ব ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে কোন বৈশিষ্ট্য নিহিত রয়েছে-

ক. সরলতা

খ. শিল্প নৈপুণ্য

গ. ভালো সম্পর্ক

ঘ. শ্রদ্ধা ও ভক্তি

 

 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১. ঈশ্বর মানুষকে নারী ও পুরুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন কেন ?

২. নারী-পুরুষের মধ্যে সু-সম্পর্ক রাখা উচিত কেন ?

৩.  নারী-পুরুষের সমতা বলতে কী বোঝায় ? ৪. ভালোবাসা সম্পর্কে সাধু পলের শিক্ষা কী ?

৫. নারী-পুরুষকে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হয় কেন ?

সৃজনশীল প্রশ্ন

১. অরুণ ও রুনা একে অপরকে ভালোবাসে । দুইজনই দুইজনকে খুব উপলব্ধি করে । প্রতিদিন তারা দেখা করে কথা বলে । নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলে । তাদের মধ্যে পবিত্র ভালোবাসার সম্পর্ক চলছে। তবে অরুণ রুনাকে এতই ভালোবাসে যে সে রুনাকে খুব কাছে পেতে চায়। রুনাও অরুণকে ভীষণ ভালোবাসে । তবে তার পারিবারিক এবং ধর্মীয় সুশিক্ষা দ্বারা রুনা বৃদ্ধি লাভ করেছে। এজন্য সে ভালোবাসার পবিত্রতা সম্পর্কে অরুণকে বোঝাতে সক্ষম হয় ।

ক. ঈশ্বর মানুষকে কততম দিনের সৃষ্টি করেছেন ?

খ. ঈশ্বর মানুষকে তার প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করলেন কেন ?

গ. অরুণ ও রুনার মধ্যে যীশুর কী ধরনের শিক্ষা বিদ্যমান - ব্যাখ্যা কর ।

ঘ. ধর্মীয় ও পারিবারিক সুশিক্ষা রুনার মাধ্যমে অরুণ গ্রহণ না করলে তাদের সম্পর্কের পরিণতি কী হতে পারে- তা বিশ্লেষণ কর ।

জলি ও তুলি পাড়া প্রতিবেশী এবং বান্ধবী । তারা দুইজনে যে কোন জায়গায় একত্রে যায়, একত্রে থাকে । তারা দুইজন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে একজন আরেকজনের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকবে । তুলিদের পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না বলে জলি তাকে প্রায়ই সাহায্য সহযোগিতা করত যেন তুলির লেখাপড়া চালিয়ে যেতে সমস্যা না হয় । একদিন দুই বান্ধবী রাস্তায় চলার সময় ছিনতাইকারীরা তাদেরকে আটক করে ঘিরে ফেলে । ছিনতাইকারীরা জলির গলা থেকে মূল্যবান স্বর্ণের গহনা খুলে নিতে জোরাজারি করছিল । এমতাবস্থায় জলির বিপদে পাশে না থেকে তুলি নিজে বিপদমুক্ত হতে ঐ স্থান ছেড়ে চলে গেল ।

ক. সাধু পল কয়টি ঐশগুণের কথা তুলে ধরেন ?

খ. বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসার মধ্যে ভালোবাসা প্রধান কেন ?

গ. জলির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ভালোবাসার কোন শিক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে – বর্ণনা কর ।

ঘ. তুলির আচরণ পরিবর্তন না করলে তার পরিণতি কেমন হবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত ব্যক্ত কর ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষকে তার প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছেন। কারণ মানুষকে ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন সব সৃষ্টির উপর প্রভুত্ব করার উদ্দেশ্যে। তবে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া হলেওঁ ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্মে তার কোনো হাত নেই। নিজের প্রতিমূর্তিতে গড়ে মানুষকে তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন সৃষ্টিকে দেখাশোনা করার। তাছাড়া মানুষকে নিজ প্রতিমূর্তিতে নারী ও পুরুষরুপে সৃষ্টি করেছেন তাদের মাঝে সমতা আনার জন্য।

মূলকথা: ঈশ্বর মানুষের মধ্যে নিজের প্রতিমূর্তি প্রতিষ্ঠা করলেন।

405
উত্তরঃ

অরুণ ও রুনার মধ্যে ভালোবাসার সুসম্পর্কের শিক্ষা বিদ্যমান। 

সম্পর্ক হলো ভাবের আদান-প্রদান। সুস্থ সম্পর্ক আমাদের সুন্দরভাবে ভাবের আদান-প্রদান করতে সহায়তা করে। নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক বলতে সাধারণত একে-অন্যকে সম্মান করা বা মর্যাদা দেওয়া, বুঝতে পারা, একে-অন্যের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, বন্ধুসুলভ মনোভাবপোষণ করা, দৈহিক কামনাকে নিজের আয়ত্তে রেখে মানবীয় দিকের প্রতি প্রাধান্য দেওয়া, একে- অন্যের প্রতি দরদবোধ বা সহানুভূতি দেখানোকে বোঝায়। অরুণ ও রুনা একে অপরকে ভালোবাসে। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলে। অরুণ রুনাকে এতই ভালোবাসে যে সে রুনাকে খুব কাছে পেতে চায়। কিন্তু পারিবারিক এবং ধর্মীয় সুশিক্ষা দ্বারা রুনা বৃদ্ধি লাভ করেছে। সে অরুণের ইচ্ছায় সাড়া দেয় না। দৈহিক কামনাকে নিজের আয়ত্তে রেখে মানবীয় দিকের প্রতি প্রাধান্য দেয়, অরুণকে বোঝাতে চেষ্টা করে। অরুণও রুনার প্রতি বিরক্ত না হয়ে তার কথাকে সম্মান করে। এভাবে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সুতরাং বলা যায়, অরুণ ও রুনার মধ্যে সুস্থ সম্পর্কের দিকটি ফুটে উঠেছে।

মূলকথা: সুস্থ সম্পর্কের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা যায়।

249
উত্তরঃ

ধর্মীয় ও পারিবারিক সুশিক্ষা রুনার মাধ্যমে অরুণ গ্রহণ না করলে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটত। 

কারণ নারী ও পুরুষের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলে একে অপরকে সম্মান করতে শেখে। একে অন্যের প্রয়োজনে বন্ধুসুলভ মনোভাবপোষণ করে। দৈহিক কামনাকে নিজের আয়ত্তে রেখে মানবীয় দিকের প্রতি প্রাধান্য দেয়। এসবের মধ্য দিয়ে একে অন্যের কাছাকাছি আসে এবং ভাবের আদান-প্রদান করে। অরুণ ও রুনা এ নীতি অবলম্বন করায় তাদের মাঝে সুস্থ সম্পর্ক বিদ্যমান।

অন্যদিকে ধর্মীয় ও পারিবারিক সুশিক্ষা রুনার মাধ্যমে অরুণ গ্রহণ না করলে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটত। তাদের সম্পর্কটা শুধু ভোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যেত। শুধু নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য একে অপরকে ব্যবহার করত। তখন মানবীয় দিকটি বাদ পড়ে যায় বা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যৌন উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পেত। ফলে পরস্পরের মধ্যে দেখা দিত সন্দেহ, স্বার্থপরতা, পারিবারিক ভাঙন, পারস্পরিক অশ্রদ্ধ বা অমর্যাদা ইত্যাদি। এতে নৈতিক অবক্ষয় ঘটে; যা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা সমগ্র মানবতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। 

সুতরাং বলা যায়, ধর্মীয় ও পারিবারিক সুশিক্ষা রুনার মাধ্যমে অরুণ গ্রহণ না করলে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটত। 

মূলকথা: ধর্মীয় ও পারিবারিক শিক্ষা সম্পর্কের উন্নতি ঘটায়।

243
উত্তরঃ

বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসার মধ্যে ভালোবাসা প্রধান। 

কারণ ভালোবাসার মৃত্যু নেই। ভালোবাসা হলো পবিত্র। শর্তহীন হৃদয়ের টানেই যখন পরস্পর কাছে আসে, পরস্পরের মঙ্গল কামনা করে তা-ই প্রকৃত ভালোবাসা। ভালোবাসা মানুষকে মহান করে তোলে। 

মূলকথা: ভালোবাসা সর্বশ্রেষ্ঠ।

492
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews