আমাদের দেশের মানুষজন সরল। তারা কামার, কুমার, জেলেও চাষা। তাদের মতো সহজ-সরল মানুষদের জন্য বাংলা ভাষা সহজ হবে।
কবি এ দেশের মানুষের বেদনা বোঝার জন্য জ্ঞানী, গুণী, মনীষী যারা সামনে এগিয়ে আছেন তাদের আহ্বান জানিয়েছেন। কবি মনে করেন তারাই এদেশের মানুষের বেদনা নিরসন করতে পারবেন।
মায়ের কোলের ছেলেরা ভাষার জন্য প্রাণ দিলেন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল করেছিলেন, হরতাল করেছিলেন। তাঁদের ওপর পুলিশ গুলি চালায় এবং অনেকেই মারা যান। মূলত বাংলা ভাষার মান রাখতেই মায়ের কোলের ছেলেরা প্রাণ দেন।
'মোদের বাংলা ভাষ্য' কবিতায় এ দেশের মানুষের চারটি পেশার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যথা- ১. কামার, ২. কুমার, ৩ জেলে ও ৪. চাষা। এসব মানুষ তাদের নিজ নিজ পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এ দেশের মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। তাই এ দেশের কামার, কুমার, জেলে, চাষা, ধনী, গরিব, শিশু, বৃদ্ধ সবার মুখের ভাষাই বাংলা। 'কামার কুমার জেলে চাষা' এ কারণেই বাংলা ভাষার কথা বলেন।
বাংলাদেশের মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। এ দেশের কামার, কুমার, জেলে, চাষা, ধনী, গরিব সবাই বাংলা ভাষাতেই কথা বলেন। অথচ শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে রেখে উর্দুকে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল। তখন এ দেশের দামাল ছেলেদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। কিন্তু বর্তমানে অনেকে বিজাতীয় ভাষায় কথা বলে। এটাই এ দেশের মানুষের বেদনার কারণ।
বাংলা আমাদের মাতৃভায্য। এই ভাষায় আমরা সহজেই অন্যের কাছে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি। মাকে না বলে মধুর নামে ডাকতে পারি। কিন্তু আমাদের দেশে এখনও বিজাতীয় ভাষ্য ছড়িয়ে আছে। আধুনিকতার নাম করে আমরা সেসব ভাষা ব্যবহারে ঝুঁকে পড়েছি। তাই এ বিজাতীয় ভাষার ছড়াছড়ি সহ্য করতে মানা করা হচ্ছে ।
এ দেশের অধিকাংশ মানুষের মুখের ভাষা বাংলা। তা। সত্ত্বেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা তাদের এই অন্যায় প্রস্তাব মেনে নেননি। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তাঁরা রাজপথে মিছিলে নামেন। পুলিশ ওই মিছিলে গুলি চালালে অনেকে শহিদ হন এবং তাঁদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়। আর তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। শহিদদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষার মুক্তি পাওয়ার কথাই প্রশ্নোক্ত বাক্যে বলা হয়েছে
আমাদের দেশের মানুষের মুখের ভাষা বাংলা। একটি শিশু জন্মের পর প্রথমে তার মায়ের কাছে বাংলা ভাষা শেখে। তাই বাংলাকে আমাদের মাতৃভাষাও বলা হয়। এ দেশের ধনী, গরিব, শিশু, বৃদ্ধ, কামার, কুমার, জেলে, চাষা সবার মাতৃভাষা বাংলা হওয়ায় এ ভাষায় সহজে তাদের মনের ভাব অন্যের কাছে। প্রকাশ করতে পারে। তাই বাংলা ভাষাকে সহজ-সরল ভাষা বলা হয়েছে।
বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানি, ঠাকুরদা-ঠাকুমা সবাই এ ভাষায় কথা বলেন। এ দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছেও বাংলা ভাষ্য খুব সহজ-সরল। তাই সবাই এ ভাষায় কথা বলে। তা সত্ত্বেও শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে রেখে উর্দুকে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল। আমাদের দেশের দামাল ছেলেরা তাদের সেই অন্যায় প্রস্তাব মেনে নেননি। তাঁরা নিজেদের রক্তের বিনিময়ে এ ভাবার স্বীকৃতি ছিনিয়ে আনেন। আমরা যেন তাঁদেরকে শ্রদাভরে স্মরণ করি এবং বাংলা ভাষায় কথা বলতে গিয়ে কোনো বিজাতীয়। ভাষা ব্যবহার না করি।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!