খোকা মাকে নিয়ে অনেক দূরে বিদেশ ঘুরতে যাচ্ছে।
মা যাচ্ছে পালকিতে চড়ে। দরজা দুটো একটুখানি ফাঁকা রেখে। আর খোকা রাঙা ঘোড়ায় চেপে টগবগিয়ে মায়ের পাশে পাশে যাচ্ছে।
তারা সন্ধ্যার সময় জোড়াদিঘির ঘাটে পৌঁছাল। এমন সময় একদল ডাকাত তাদের আক্রমণ করল। বেয়ারাগুলো ভয়ে পাশের কাঁটাবনে গিয়ে লুকাল। আর সাহসী খোকা একা ডাকাতের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হলো।
ডাকাতের ভয়ে বেয়ারারা পাশের কাঁটাবনে পালাল।
খোকা তার মাকে নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা হলে তারা কোনো এক জোড়াদিঘির ঘাটে গিয়ে পৌঁছায়। এমন সময় একদল ডাকাত তাদের ওপর আক্রমণ করলে সাহসী খোকা একাই ডাকাতদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে। তাই মা একথা বললেন।
'বীরপুরুষ' কবিতার সাহসী খোকা বীরপুরুষ। সে তাদের ওপর আক্রমণকারী একদল ডাকাতকে হারিয়ে বীরপুরুষ হয়।
জোড়াদিঘির মাঠটি ছিল নির্জন। কোথাও জনমানব তো ছিলই না, বরং যেকোনো দিকে তাকালেই ধু ধু ফাঁকা মাঠ দেখা যাচ্ছিল।.
মা পালকিতে চড়ে খোকার সঙ্গে দূর দেশে যাচ্ছিলেন। আর খোকা রাঙা ঘোড়ায় চড়ে টগবগিয়ে মায়ের পাশে পাশে যাচ্ছিল।
মা ভয়ে ঠাকুর দেবতা স্মরণ করেছেন। জোড়াদিঘির মাঠে অন্ধকারে দিঘির ধারে আলো দেখতে পান। এরপর 'হাঁরে রেরেরেরে' করে ডাকাত দল ডাক ছেড়ে আসছে দেখে মা ভয়ে পালকির এক কোণে বসে ঠাকুর-দেবতাকে স্মরণ ? করেছেন।
দিঘির ধারে ডাকাত দলকে 'হাঁয়ে রে রে রে রে' করে ডাক ছেড়ে আসছে দেখে বেরারাগুলো ভয় পায়। ডাকাতদের ভয়ে বেয়ারাগুলো পালকি ছেড়ে পাশের কাঁটাবনে বসে ঘরঘর করে কাঁপছে।
যুদ্ধে ডাকাতদের কুপোকাত করে খোকা এসে মাকে জানায় লড়াই থেমে গেছে। তখন মা পালকি থেকে নেমে খোকাকে চুমু খেয়ে কোলে নেয়। তারপর বলে ভাগ্যিস খোকা সঙ্গে ছিল। তা না হলে যে কী হতো
Related Question
View Allস্মরণ - কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।
পালকি - আমি পালকির ছবি দেখেছি, কিন্তু বাস্তবে দেখিনি।
তলোয়ার - শিশু দুটি প্লাস্টিকের তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!