পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সাধারণত দুটি থেকে তিনটি ঋতু দেখা যায়। খুব বেশি হলে চারটি ঋতু দেখা যায়। তাই সেসব দেশে দুমাসে একটি ঋতু হয় না।
বর্ষা ঋতুতে নদীতে ঢল নামে। বৃষ্টির কারণে বর্ষাকালে নদীতে ঢল নামে। এ ঋতুতে কদম, কেয়া ও আরও নানা ফুল ফোটে।
ইলশেগুঁড়ি হলো এক ধরনের বৃষ্টি। বর্ষাকালে কখনো কখনো হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়ে। সেই সময় নদীতে জাল ফেলে জেলেরা ইলিশ মাছ অনেক বেশি পায়। তাই এমন বৃষ্টির নাম হয়েছে ইলশেগুঁড়ি।
হেমন্তকালে ধান কাটা শুরু হয়। এ সময় কৃষকের ঘর সোনালি ফসলে ভরে ওঠে। তখনই শুরু হয় নবান্নের আনন্দ উৎসব। এ উৎসব ঘরে ঘরে আনন্দ নিয়ে আসে।
হেমন্তের শেষ দিকে শীতের আগমন টের পাওয়া যায়। শীতে খেজুরের রস দিয়ে অনেক রকম পিঠাপুলি তৈরি করা হয়। গ্রামে পিঠা-পায়েস তৈরির ধুম পড়ে।
বসন্তে কোকিল ডাকে। এ ঋতুতে গাছে গাছে জেগে ওঠে নতুন সবুজ পাতা। গাছপালা নানা রঙের ফুলে ভরে ওঠে।
গ্রীষ্মকালে মধুর মতো মিষ্টি নানা ফল যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস ও লিচু পাওয়া যায়। তাই গ্রীষ্মকে মধুমাস বলা হয়।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক বিচিত্র ভূমি আমাদের এ বাংলাদেশে প্রকৃতি প্রতিটি ঋতুতে নতুন নতুন রূপে সাজে। বাংলার প্রকৃতি বছরে ছয়বার পরিবর্তিত হয়। কেননা বাংলাদেশে বছরে ছয়টি ঋতু আসে-যায়।
বছরের বারো মাসের নাম হলো- বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র।
বাংলাদেশে প্রতি দুই মাস নিয়ে এক-একটি ঋতু হয়।
যেমন- বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ গ্রীষ্মকাল, আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষাকাল, ভাদ্র-আশ্বিন শরৎকাল, কার্তিক-অগ্রহায়ণ হেমন্তকাল, পৌষ-মাঘ শীতকাল এবং ফাল্গুন-চৈত্র বসন্তকাল।
Related Question
View Allইলশেগুঁড়ি - হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টি। এ ধরনের বৃষ্টিতে নদীতে জাল ফেলে জেলেরা ইলিশ মাছ অনেক বেশি পায়। এ কারণেই এমন বৃষ্টির নাম ইলশেগুঁড়ি। - ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি হলে নদীতে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে।
মুষলধারে - খুব বড়ো বড়ো ফোঁটায় পড়া বৃষ্টি। - আজ সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
পেঁজা তুলো- তুলা খুনে বা টেনে আঁশ বের করা। - আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ দেখা যায়।
ষড়ঋতু - ছয়টি ঋতু। - বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ।
বর্ষাকাল - বৃষ্টির সময়। - বর্ষাকালে কদম ফুল ফোটে।
অসহ্য - যা সহ্য করা বা সওয়া যায় না। - গ্রীষ্মকালে অসহ্য গরম লাগে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!