হজরত উমর (রা)-এর পিতার নাম খাত্তাব ও মাতার নাম হানতামাহ।
হজরত উমর (রা)-এর উপাধি 'ফারুক'। ফারুক অর্থ সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।
উমর (রা) ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ছিলেন। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।
হজরত উমর (রা) রাতের বেলায় 'ঘুরে বেড়াতেন নগরবাসীর অবস্থা বোঝার জন্য। তিনি মানুষের সমব্যথী ছিলেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্ট বোঝার চেষ্টা করতেন। এজন্যই তিনি রাতের বেলায় ঘুরে বেড়াতেন।
হজরত উমর (রা) এঁক বেদুইন নারীর আর্তস্বর শুনতে পেয়েছিলেন। তিনি প্রসব বেদনায় কাতর ছিলেন।
খলিফা উমর (রা)-এর নিম্নলিখিত গুণগুলো আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়-
১. ন্যায়পরায়ণতা,'
২. মহানুভবতা ও
৩. উদারতা।
উমর ফারুক (রা) ৫৮৩ সালে মক্কা নগরে জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত উমর (রা)-এর অনেক গুণ ছিল। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। বাল্যকালে তিনি শিক্ষাদীক্ষায় সুনাম অর্জন করেন। বড়ো হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। তিনি একাধারে ছিলেন বিখ্যাত কুস্তিগির, সাহসী যোদ্ধা, কবি ও সুবক্তা। তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ শাসক, মানুষের সমব্যথী মানুষ। জনদরদি এই শাসক অতি সাধারণভাবে জীবনযাপন করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মহানুভব ও উদার একজন মানুষ।
মহানুভব উমর (রা) একদিন 'খলিফা হিসেবে জেরুজালেম যাচ্ছিলেন। সঙ্গে একজন ভৃত্য ও বাহন হিসেবে ছিল একটি উট। তিনি ভৃত্যকে বললেন, "এতখানি পথ তুমি একা উটের রশি টেনে নিয়ে যেতে পারবে না। তাই একবার তুমি উটে চড়বে আর একবার আমি।” পালাক্রমে উটের পিঠে চড়ে যখন তারা জেরুজালেম শহরের 'তোরণে পৌঁছালেন তখন উটের পিঠে ছিলেন ভৃত্য। জেরুজালেম শহরের লোকজন ভৃত্যকে খলিফা ভেবে অভ্যর্থনা জানাল। তখন ভৃত্য জানালেন তিনি নন, বরং উটের রশি ধরে থাকা ব্যক্তিই খলিফা। এতে সবাই বিস্মিত হলো। আসলে তিনি ছিলেন এমনই মহানুভব এক শাসক।
"একবার তুমি উটে চড়বে, আর একবার আমি।"-খলিফা উমর (রা) তার সঙ্গী ভৃত্যকে এই কথাটি বলেছিলেন। কারণ তারা জেরুজালেম যাচ্ছিলেন যা ছিল অনেক দূরে। আর সঙ্গে ছিল একটি মাত্র উট। একটি উটে উমর (রা) চড়ে গেলে পুরোটা পথ ও মরুভূমি ভৃত্যকে হেঁটে যেতে হবে যা তার জন্য ভীষণ কষ্টকর হবে। তাই মহানুভব উমর (রা) ভৃত্যের কষ্ট দূর করার জন্য দুজন পালাক্রমে উটে চড়ার কথা বলেছিলেন।
হজরত উমরের (রা) জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ ও জনদরদি শাসক, সমব্যথী, মানুষ। তিনি উঁচু-নিচু, ধনী-গরিব ভেদ করতেন না। তিনি অর্ধ-জাহানের শাসক হয়েও অতি সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তাঁর জীবনের এসব গুণ থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার ও শেখার আছে। বিশেষ করে তার ন্যায়পরায়ণতা, মহানুভবতা ও উদারতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাঁর জীবন থেকে এগুলোই আমাদের শেখার আছে। তাঁর জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
Related Question
View Allহজরত উমর (রা)-এর পিতার নাম খাত্তাব ও মাতার নাম হানতামাহ।
হজরত উমর (রা)-এর উপাধি 'ফারুক'। ফারুক অর্থ সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।
উমর (রা) ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ছিলেন। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।
হজরত উমর (রা) রাতের বেলায় 'ঘুরে বেড়াতেন নগরবাসীর অবস্থা বোঝার জন্য। তিনি মানুষের সমব্যথী ছিলেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্ট বোঝার চেষ্টা করতেন। এজন্যই তিনি রাতের বেলায় ঘুরে বেড়াতেন।
হজরত উমর (রা) এঁক বেদুইন নারীর আর্তস্বর শুনতে পেয়েছিলেন। তিনি প্রসব বেদনায় কাতর ছিলেন।
খলিফা উমর (রা)-এর নিম্নলিখিত গুণগুলো আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়-
১. ন্যায়পরায়ণতা,'
২. মহানুভবতা ও
৩. উদারতা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!


