বৃষ্টির জল থেকে রক্ষা পেতে বকের সারি বাঁশ বনে লুকিয়েছে।
বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং মেঘের গর্জনও শোনা যাচ্ছে, এজন্য নদীতে খেয়া নেই।
বর্ষাকালে কেয়া ফুল ফোটে, কৃষক আউশ ধান ঘরে তোলেন এবং আমন ধানের চারা রোপণ করেন। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বর্ষাকালে অনেক বৃষ্টি হয়। এগুলো পড়ে বোঝা যায় ছড়াটি বর্ষা ঋতু নিয়ে লেখা।
রাখাল ছেলে মেঘ দেখে দাঁড়িয়ে যায় কারণ মেঘ হলে বৃষ্টি নামে। আর বৃষ্টি হলে সে ভিজে যাবে এবং তার সঙ্গে থাকা পশুরাও ভিজে যারে। তাই সে চিন্তিত হয়ে পথ-ভোলার মতো দাঁড়িয়ে যায়।
বৃষ্টির সময়ে যা যা করতে ভালো লাগে-
১. জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখতে ও বই পড়তে ভালো লাগে।
২. বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালো লাগে।
৩. অল্প পানিতে কাগজের নৌকা ভাসাতে ভালো লাগে।
৪. বৃষ্টিতে গাছপালা ধুয়ে আরও সবুজ হয়ে ওঠে, তাই প্রকৃতির সবুজ রূপ দেখতে ভালো লাগে।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতার কবির নাম ফররুখ আহমদ। তিনি এ কবিতায় হাটখোলা নামে এক গাঁয়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় কাশ বনে বৃষ্টি আসার কথা বলা হয়েছে। কবিতায় বৃষ্টি এলে ঘাস বনে সাড়া জাগে।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় কেয়া ফুল ফোটার কথা বলা হয়েছে। কেয়া ফুল বনের আড়ালে ফোটার কথা বলেছেন কবি।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় রাখাল ছেলে মেঘ দেখে থমকে দাঁড়িয়ে যায়। সে মেঘ দেখে কেমন বৃষ্টি নামবে সে বিষয়ে চিন্তিত হয়ে যায়। এই চিন্তায় রাখাল পথ ভুলে যায়।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় এই পঙক্তির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, আউশ ধান কাটার সময় শেষ হয়েছে। যেহেতু বর্ষা ঋতু চলে এসেছে। এখন এই ফাঁকা মাঠে নতুন আমন ধান চাষের সময় এসেছে।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতায় এই পঙক্তিতে বোঝানো হয়েছে, বৃষ্টির পর প্রকৃতি নতুন ফসলের আশায় মুখিয়ে থাকে। আউশের পর তাই আমন ধানের মৌসুম শুরু হয়। তাই বলা হয়েছে দেশ এখন আমন ধানের দিকে তাকিয়ে আছে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবৃষ্টির জল থেকে রক্ষা পেতে বকের সারি বাঁশ বনে লুকিয়েছে।
বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং মেঘের গর্জনও শোনা যাচ্ছে, এজন্য নদীতে খেয়া নেই।
বর্ষাকালে কেয়া ফুল ফোটে, কৃষক আউশ ধান ঘরে তোলেন এবং আমন ধানের চারা রোপণ করেন। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বর্ষাকালে অনেক বৃষ্টি হয়। এগুলো পড়ে বোঝা যায় ছড়াটি বর্ষা ঋতু নিয়ে লেখা।
রাখাল ছেলে মেঘ দেখে দাঁড়িয়ে যায় কারণ মেঘ হলে বৃষ্টি নামে। আর বৃষ্টি হলে সে ভিজে যাবে এবং তার সঙ্গে থাকা পশুরাও ভিজে যারে। তাই সে চিন্তিত হয়ে পথ-ভোলার মতো দাঁড়িয়ে যায়।
বৃষ্টির সময়ে যা যা করতে ভালো লাগে-
১. জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখতে ও বই পড়তে ভালো লাগে।
২. বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালো লাগে।
৩. অল্প পানিতে কাগজের নৌকা ভাসাতে ভালো লাগে।
৪. বৃষ্টিতে গাছপালা ধুয়ে আরও সবুজ হয়ে ওঠে, তাই প্রকৃতির সবুজ রূপ দেখতে ভালো লাগে।
'বৃষ্টির ছড়া' কবিতার কবির নাম ফররুখ আহমদ। তিনি এ কবিতায় হাটখোলা নামে এক গাঁয়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!