চিলের বাসায় বাবা-চিল, মা-চিল ও তিনটি রাচ্চা চিল থাকত।
চিলের মা-বাবা সব সময় বাসায় থাকত না কারণ মাঝে মাঝে তারা খাবার আনতে বের হয়ে যেত।
চিলের বাসার পাশের গাছেই ছিল কোকিলের বাসা। কোকিলের বাচ্চারা মার কাছে গান শিখত। চিলের বাচ্চারা প্রায় সারা দিনই চেঁচামেচি করত। চিলের বাচ্চাদের চেঁচামেচিতে কোকিলের বাচ্চারা অস্থির হয়ে যেত। তাই তারা ঠিকমতো গান শিখতে পারত না।
দরজা খোলার জন্য বিড়াল নিজেকে গাংচিল বলল। গাংচিল বাচ্চা চিলদের আত্মীয়। রিড়াল ভাবে, গাংচিলের পরিচয় দিলে বাচ্চা চিলেরা দরজাটা খুলে দেবে। তাই বিড়াল নিজেকে গাংচিল পরিচয় দেয়।
মা-চিল খাবারের খোঁজে বাইরে যাওয়ার সময় দরজা আটকে দিয়ে যায়। বাচ্চাদের বলে যায় কাউকে যেন বাসায় ঢুকতে না দেয়। কেউ ডাকলে যেন বলে মা-বাবা বাসায় নেই। তাই চিলের বাচ্চারা দরজা খুলতে চাইল না।
চিল পরিবারের বাসা ছিল একটি গাছে। বাসাটি ছিল খড়কুটো দিয়ে তৈরি এবং বেশ বড়ো একটি রাসা।
চিল পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচ এবং তারা হলো মা-চিল, বাবা-চিল এবং তিনটি বাচ্চা।
পাশের গাছে কোকিলের বাসা ছিল এবং তারা ছিল শান্তিপ্রিয়। বাচ্চা কোকিলরা মা কোকিলের কাছে গান শিখত।
চিল বাসার বাইরে বের হয়ে গাছের উঁচু ডালে বসে কিছুক্ষণ চারদিক তাকিয়ে দেখল, তারপর ডানা মেলে উড়ে গেল রূপসা নদীর দিকে।
বিড়াল পুকুর থেকে উঠে রোদে ঘাসের মধ্যে, বসে গা শুকাল। আর চেটে চেটে হাত-পা পেট-পিঠ সাফ করল।
চিলের বাসার কাছাকাছি গিয়ে বিড়াল রাস্তার ধারে এক গর্তে লুকিয়ে থাকল। সে দেখল চিল দরজা বন্ধ করে গাছের মগডালে কিছুক্ষণ বসে উড়ে গেল।
বিড়াল খুব নরম কুণ্ঠে বাচ্চা চিলদের বলেছিল- মাকে দরকার নেই। তোদের একটু দেখব। একটু দেখেই আবার চলে যাব। তোদের দেখার জন্য মনটা কেমন করছে।
পাখি আর চিলকে দেখে বিড়াল খুব ভয় পেয়ে গেল। সে এদিক-ওদিক পালানোর চেষ্টা করতে লাগল। শেষে একদম কাশবনে উধাও হয়ে গেল।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allচিলের বাসায় বাবা-চিল, মা-চিল ও তিনটি রাচ্চা চিল থাকত।
চিলের মা-বাবা সব সময় বাসায় থাকত না কারণ মাঝে মাঝে তারা খাবার আনতে বের হয়ে যেত।
চিলের বাসার পাশের গাছেই ছিল কোকিলের বাসা। কোকিলের বাচ্চারা মার কাছে গান শিখত। চিলের বাচ্চারা প্রায় সারা দিনই চেঁচামেচি করত। চিলের বাচ্চাদের চেঁচামেচিতে কোকিলের বাচ্চারা অস্থির হয়ে যেত। তাই তারা ঠিকমতো গান শিখতে পারত না।
দরজা খোলার জন্য বিড়াল নিজেকে গাংচিল বলল। গাংচিল বাচ্চা চিলদের আত্মীয়। রিড়াল ভাবে, গাংচিলের পরিচয় দিলে বাচ্চা চিলেরা দরজাটা খুলে দেবে। তাই বিড়াল নিজেকে গাংচিল পরিচয় দেয়।
মা-চিল খাবারের খোঁজে বাইরে যাওয়ার সময় দরজা আটকে দিয়ে যায়। বাচ্চাদের বলে যায় কাউকে যেন বাসায় ঢুকতে না দেয়। কেউ ডাকলে যেন বলে মা-বাবা বাসায় নেই। তাই চিলের বাচ্চারা দরজা খুলতে চাইল না।
চিল পরিবারের বাসা ছিল একটি গাছে। বাসাটি ছিল খড়কুটো দিয়ে তৈরি এবং বেশ বড়ো একটি রাসা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!