'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি নিজেই রাখাল ছেলেকে ডাকছেন। তিনি রাখাল ছেলের জীবনের আনন্দ জানতে চান।
রাখাল ছেলেটি গাঁয়ের আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে যাচ্ছিল। তার গন্তব্য ছিল একটি ছোটো কুটির, যেখানে তার মা অপেক্ষা করছেন।
রাখাল ছেলেটির মা সোনার পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরে বসে আছেন। তিনি সেখানে বসে তার ছেলেকে ডাকছেন।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে- চারপাশে নীল আকাশ নেমে এসেছে সবুজ গাছগাছালিতে ভরা গ্রামটিতে।
ভোরবেলায় ঘাসে শিশির জমে। রাখাল ছেলেটি যখন হাঁটে, তখন তার পা শিশিরে ভিজে যায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায়, তার মন সতেজ হয়ে ওঠে।
“রঙিন মেঘের নাও” বলতে মূলত ভোরের আকাশের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। সূর্যের আলোয় মেঘগুলো রঙিন হয়ে ভেসে থাকে। সেই মেঘ যেন নৌকার মতো আকাশে চলেছে। কবি এই দৃশ্যকেই বর্ণনা করেছেন।
রাখাল ছেলেটি ঘুম থেকে উঠে দেখে শিশিরভেজা ঘাস ঝলমল করছে। রাতের স্বপ্ন যেন সকালের কোমল রোদে হাসছে। চারপাশে পাখির ডাক, ফুলের সুবাস আর সকালের হাওয়া বইছে। সেই সুন্দর সকাল তাকে খেলতে টানে।
সরষে ফুলের পাপড়ি বাতাসে দুলে দুলে রাখাল ছেলেকে ডাকছে। ফুল যেন বলছে,- “এসো রাখাল, একটু খেলো!"। এতে রাখাল ছেলের প্রতি প্রকৃতির মিষ্টি আহ্বান প্রকাশ পায়।
কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে, মাঠের সবকিছুই রাখালকে ডেকেছে। ফুল, ঘাস, হাওয়া, লতা- সবাই তাকে আহ্বান জানাচ্ছে। সে এই ডাকে সাড়া দিতে চায়। কারণ প্রকৃতি তার খেলাধুলার জগৎ।
রাখাল ছেলেটি খুব সরল, আনন্দপ্রিয়। তার মনে কোনো দুঃখ নেই, আছে শুধু খেলার আগ্রহ। সে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়। প্রকৃতির সুরেই তার জীবন গানে ভরে ওঠে।
রাখাল ছেলে গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছে। 'সে সবুজ ঘেরা গাঁয়ে, ছোট্ট কুটিরে মায়ের ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছে।
গ্রামটির প্রকৃতি সবুজ গাছপালায় ঘেরা। গাছের সবুজ প্রকৃতিতে বিরাজিত দেখে মনে হয়, পুরো গ্রামকে সবুজে ঘিরে রেখেছে। মূলত এ কারণেই গ্রামটিকে 'সবুজ ঘেরা' বলা হয়েছে।
রাখাল ছেলের মা ঘরে একলা বসে আছে। অথচ সে যেন প্রকৃতির মায়া থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারছে না। মূলত মা ঘরে একা বসে আছে বলেই রাখাল ছেলে তার কাছে যেতে চায়।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় গ্রামের সকালের বর্ণনা সুন্দরভাবে করা হয়েছে। সকালবেলার রোদের মিষ্টি আলোতে আকাশের মেঘকে মনে হয় যেন রঙিন মেঘের নৌকা। সকালবেলার শিশির-ঝরা ঘাস এবং সেই সাথে সকালের নির্মল হাওয়ায় সরষে ফুলের পাপড়ির দোলা দেখতে মনোমুগ্ধকর।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় বর্ণিত প্রকৃতি খুব সুন্দর, নির্মল ও শান্ত। সেখানে নীল-সবুজে ঘেরা মাঠ, কলার পাতার দোলা, শিশির-ঝরা ঘাস, সরষে ফুলের পাপড়ি আর প্রভাতের কোমল হাওয়া- সব মিলিয়ে এক আনন্দময় সকাল। প্রকৃতি যেন হাসছে, খেলছে, রাখাল ছেলেকে ডাকছে। আমাদের চারপাশের প্রকৃতিও অনেক সুন্দর। আমাদের প্রকৃতিতে রয়েছে সবুজ গাছপালা, ফুল, 'পাখি, নীল আকাশ, ভোরের আলো। তবে এখনকার প্রকৃতি আগের মতো ততটা নির্মল নয়। অনেক 'জায়গায় কালো ধোঁয়া, ময়লা-আবর্জনা, বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ দেখা যায়।
Related Question
View All'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি নিজেই রাখাল ছেলেকে ডাকছেন। তিনি রাখাল ছেলের জীবনের আনন্দ জানতে চান।
রাখাল ছেলেটি গাঁয়ের আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে যাচ্ছিল। তার গন্তব্য ছিল একটি ছোটো কুটির, যেখানে তার মা অপেক্ষা করছেন।
রাখাল ছেলেটির মা সোনার পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরে বসে আছেন। তিনি সেখানে বসে তার ছেলেকে ডাকছেন।
'রাখাল ছেলে' কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে- চারপাশে নীল আকাশ নেমে এসেছে সবুজ গাছগাছালিতে ভরা গ্রামটিতে।
ভোরবেলায় ঘাসে শিশির জমে। রাখাল ছেলেটি যখন হাঁটে, তখন তার পা শিশিরে ভিজে যায়। শিশিরের ঠান্ডা ছোঁয়ায়, তার মন সতেজ হয়ে ওঠে।
“রঙিন মেঘের নাও” বলতে মূলত ভোরের আকাশের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। সূর্যের আলোয় মেঘগুলো রঙিন হয়ে ভেসে থাকে। সেই মেঘ যেন নৌকার মতো আকাশে চলেছে। কবি এই দৃশ্যকেই বর্ণনা করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!