সমাজ হলো ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক সংগঠন। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। নিরাপদে ও শান্তিতে, বেঁচে থাকার জন্য, সরাই দলবদ্ধভাবে বাস করে। আর মিলেমিশে থাকা একতাবদ্ধ মানবগোষ্ঠীকে বলা হয় সমাজ।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। এভাবে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে গিয়ে মানুষ সমাজ গড়ে তুলেছে।
মানুষ একাকী বাস করতে পারে না। নিরাপদে ও শান্তিতে বেঁচে থাকার জন্য সবাই দলবদ্ধভাবে বাস করে। ফলে গড়ে ওঠে সাহায্য-সহযোগিতা, সহানুভূতি, দ্বন্দ্ব ও পারস্পরিক নির্ভরতার মতো 'রিভিন্ন সম্পর্ক। সামাজিক এসব সম্পর্কের মাধ্যমেই সমাজ গড়ে ওঠে।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হচ্ছে পরিবার। মা-বাবা তাদের এক বা একাধিক সন্তান নিয় একসাথে বসবাস করে যা এক রকমের পরিবার। কোনো কোনো পরিবারে বাবা-মা ও তাদের সন্তান ছাড়াও ভাই-বোন, চাচা-চাচি, দাদা-দাদিসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের বন্ধন ও কার্যকলাপের সমন্বয়ে পরিবার গড়ে ওঠে।
মানুষ একাকী বাস করতে চায় না। এজন্য মানুষ সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করে এবং সমাজের মধ্যে ছোটো ছোটো প্রতিষ্ঠান ও সংঘ গড়ে তুলে। যেমন- পরিবার, গোত্র, ক্লাব, সমিতি ইত্যাদি।
খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য মানুষ সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। পরিবার থেকে গোত্র, সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। এভাবে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সমাজের উদ্ভব হয়েছে।
সাধারণভাবে সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এর প্রথমটি হচ্ছে, রহুলোকের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস করা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
পৃথিবীর প্রধান সভ্যতাগুলো নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। যেমন- সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধু সভ্যতা, নীল নদের তীরে মিশরীয় সভ্যতা, টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতা গঙ্গা অববাহিকতায় বিকাশ লাভ করেছে।
কুটিরশিল্প বিকাশে ভৌগোলিক পরিবেশের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। যেমন- নদীবহুল ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ঢাকার, ডেমরায় তাঁতিরা বাস করে এবং এখানেই বিখ্যাত ঢাকাই শাড়ি বোনা হয়। রাজশাহীতে রেশমি শাড়ি তৈরির জন্য বস্ত্রশিল্প গড়ে উঠেছে। কারণ এ অঞ্চলে তুঁতগাছ জন্মে এবং তুঁতগাছে রেশম কীট বাসা বাঁধে।
যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত সেখানে সহজেই শিল্পায়ন ঘটে এবং নগর গড়ে ওঠে। নৌ-যোগাযোগ ভালো বলে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অনেক আগে থেকেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ যে এলাকায় 'যোগাযোগ ব্যবস্থা যত ভালো সে এলাকায় তত বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
কালের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে সয়াজের পরিবর্তনকে ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. শিকার ও সংগ্রহভিত্তিক সমাজ;
২. উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ;
৩. পশুপালন সমাজ;
৪. কৃষিভিত্তিক সমাজ;
৫. শিল্পভিত্তিক সমাজ;
৬. শিল্পবিপ্লব পরবর্তী সমাজ।
শিকার ও খাদ্য ও সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানবসমাজের আদিতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত।
যে সমাজে হাতিয়ার হিসেবে পাথর ব্যবহার করা হতো, সেই সমাজকেই প্রাগৈতিহাসিক বা প্রস্তরযুগের সমাজ বলা হয়। প্রস্তুরযুগে মেয়েরা ফলমূল সংগ্রহ করত। আর পুরুষেরা শিকার করত। ঐ যুগের মানুষ ফলমূল সংগ্রহ ও শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করত।
প্রাগৈতিহাসিক যুগের হাতিয়ারগুলো হচ্ছে খাঁজকাটা বল্লম, মাছ ধরার হারপুন এবং হাড়ের সুই ইত্যাদি। শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজে খাদ্য সংগ্রহকারী মানুষ খাদ্য উৎপাদন করতে শিখে। এই সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে ।
আর ফলমূল আহরণের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। ফলমূল সগ্রহ করতে গিয়ে কখনো তারা নিয়ে আসত বুনো গম ও বার্লি, মেটে আলু, কচুর মূল ইত্যাদি।
কৃষিকাজের বিবর্তনের একটি পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ। আস্তানার আশপাশে গম ও বার্লির যেসব দানা পড়ত তা থেকে গর্জিয়ে উঠত চারাগাছ। এসব চারাগাছে পরে শিষ ও দানা দেখা দিত। এ ধরনের ঘটনা থেকে বীজ ছিটিয়ে খাওয়ার উপযোগী শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এই পর্যায় উদ্যান চাষ নামে পরিচিত।
উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের মেয়েরা বসবাসের আশপাশে পতিত জমিতে একটি লম্বা লাঠি বা পশুর শিং দিয়ে মাটি চিরে গর্তে বীজ ফেলে ফসল ও ফলমূল উৎপাদন করত। ফসল পাকলে পশুর চোয়ালের হাড় দিয়ে ফসল কাটত।
পশুপালন সমাজ বলতে সেই সমাজকে বোঝায় যেখানে মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল। এসময় বুনো ষাঁড়, ভেড়া, ছাগল, ঘোড়া প্রভৃতি মানুষের হাতে ধরা পড়ত। এগুলো ছিল তাদের জীবন্ত খাদ্যভান্ডার। মানুষ ক্রমে বুঝতে পারে গরু, ছাগল, ভেড়াকে না মেরে বাঁচিয়ে রাখলে বেশি লাভজনক। এভাবে পশুপালন সমাজ গড়ে উঠে।
একটি পণ্যের বিনিময়ে অন্য কোনো পণ্য বিনিময় সনাতন পদ্ধতি হলো বিনিময় প্রথা। পশুপালন সমাজে বিনিময় প্রথার উদ্ভব ঘটে। এ সমাজে একজনের পণ্যের সঙ্গে অন্য পশু কিংবা অন্য কিছু বদল করার প্রচলন চালু ছিল।
বন্যা ও বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষিকাজ বিস্তার লাভ করে। লাঙল ও হালের বলদ ব্যবহার করে চাষ শুরু হলে উৎপাদন বাড়তে থাকে। যেসব অঞ্চলে রন্যা হতো এবং জমিতে পলি পড়ত মানুষ সেসব জমিতে গম ও বার্লির বীজ ছিটিয়ে দিত। যে যুগে পশ্চিম এশিয়া ও আফ্রিকায় প্রচুর বৃষ্টি হতো। তাই কৃষিকাজ এসব অঞ্চলে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে।
কৃষিকাজের মধ্য দিয়ে সমাজজীবন ও সভ্যতার উন্নতি হতে থাকে। কৃষিকাজের উপযোগী স্থানে মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। এ সমাজের উদ্বৃত্ত ফসল অবসর জীবনযাপনকারী শ্রেণির উদ্ভব করে। এেেদর মধ্যে কেউ কেউ ব্যবসায়-বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করে এবং নগর জীবনের বিকাশে ভূমিকা রাখে। কৃষির উদ্বৃত্ত ফসল সভ্যতার সূচনা করে। একারণে বলা হয়, সভ্যতা হচ্ছে: কৃষির অবদান।
কৃষিভিত্তিক সমাজের তিনটি বৈশিষ্ট হলো-
১. খাদ্য উৎপাদনে পশুর ব্যবহার শুরু হয়।
২. সমাজজীবন ও সভ্যতার উন্নতি হতে থাকে।
৩. মানুষ স্থায়ীভাবে এক স্থানে বসবাস শুরু করে।
রেনেসাঁ বলতে বোঝায় ইউরোপে মধ্যযুগের অন্ধকার যুগের পর নতুন একটি আলোকিত যুগের সূচনা। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেড়ে যায়। ইউরোপের মানুষ আবিষ্কার করে প্রাচীন গ্রিস ও রোমের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ঐতিহ্য। এটি ইউরোপের নবজাগৃতি বা রেনেসাঁ নামে পরিচিত।
আঠারো শতকে ইংল্যান্ডে বাষ্পচালিত ইঞ্জিন আবিষ্কার হলে উৎপাদন ব্যবস্থায় বিপ্লবের সূচনা হয়। এই ইঞ্জিনের ধারণা কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানীরা পরপুর আবিষ্কার করেন সুতা কাটার মাকু, বাষ্পচালিত জাহাজ ও রেলের ইঞ্জিন প্রভৃতি। এভাবেই সূচনা হয়. শিল্পবিপ্লবের। শিল্পবিপ্লব শুরু হয়েছিল ইউরোপে, পথিকৃৎ ছিল ইংল্যান্ড।
উপনিবেশ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী শিল্পবিপ্লবের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। আঠারো-উনিশ শতকে কয়লা, গ্যাস, পেট্রোল ও বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হলে উনিশ শতকে রেল যোগাযোগ চালু হয়। ক্রমবর্ধমান শিল্পকারখানার শ্রম ও কাঁচামালের চাহিদা মেটাতে ইউরোপের, মানুষ এশিয়া ও আফ্রিকায় উপনিবেশ স্থাপন করে। তখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শিল্পবিপ্লবের প্রভাব পড়তে থাকে।
সমস্ত পৃথিবীকে একটি গ্রামে পরিণত করার প্রক্রিয়াই হলো বিশ্বায়ন। বর্তমানে স্বযংক্রিয় যন্ত্র, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন এবং যোগাযোগের নানা মাধ্যম যেমন ফেসবুক পৃথিবীর মানুষকে অনেক কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বলা হচ্ছে সমস্ত পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। এ প্রক্রিয়াই বিশ্বায়ন নামে পরিচিত।
শিল্পভিত্তিক সমাজের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রশিল্পের ব্যবহার।
২. বাষ্পচালিত জাহাজ ও রেল ইঞ্জিনের ব্যবহার।
৩. বাষ্পীয় ইঞ্জিন দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
কালের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের সমাজ পরিবর্তন হয়ে আধুনিক সমাজে রূপ পেয়েছে। কৃমিল্লার লালমাই, নরসিংদীর উয়ারি-বটেশ্বর, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বাঙালির প্রাচীন বসতির নির্দশন পাওয়া গেছে। বাঙালির এ আদি পুরুষরাই এ অঞ্চলের কৃষির সূচনা করেছিল।
ঔপনিবেশিক যুগে প্রবেশ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শিল্পায়নের সম্ভাবনা নষ্ট হয়। অষ্টাদশ শতকে পলাশীর যুদ্ধে হারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ঔপনিবেশিক যুগে প্রবেশ করে। এ কারণে ব্রিটিশ আমলে এদেশের স্থানীয় শিল্পায়নের সম্ভাবনা নষ্ট করে গড়ে ওঠে পর নির্ভর উন্নয়ন ভাবনা যা পাকিস্তান আমল পর্যন্ত চালু ছিল।
তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষের সময়ে বাংলাদেশও যোগ দিয়েছে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবে। এখন বাংলাদেশের প্রশাসনিক, শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রসহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সর্বত্রই ব্যবহার হচ্ছে ইন্টারনেট, সফটওয়ার, নেটওয়ার্কিংসহ নানা মাত্রার প্রযুক্তি জ্ঞান।
Related Question
View Allপোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে। সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!