সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

লোকশিল্পীদের শিল্পকর্মের পাঁচটি উদাহরণ হলো-

১. শখের হাঁড়ি,
২. নকশিকাঁথা,
৩. পাটের শিকা,
৪. নকশি পিঠা,
৫. মাটি টিপে টিপে তৈরি হাতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কারুশিল্পীদের শিল্পকর্মের পাঁচটি উদাহরণ হলো-

১. ফুলদানি,

২. বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র,

৩. তাঁতের শাড়ি

৪. জামদানি শাড়ি,

৫. মাটির ভাস্কর্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চারু ও কারুশিল্পীরা উপার্জন ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কাজ করে চলছেন এমন দশটি বিষয় ও সংস্থানের নাম নিচে দেওয়া হলো-
দশটি বিষয়ের নাম:

১. ছবি এঁকে

২. প্রদর্শনী করে;

৩. ভাস্কর্য শিল্প তৈরি করে;

৪. জামদানি শাড়ি;

৫. আদিবাসীদের তাঁতের শাড়ি;

৬. আসবাবপত্র তৈরিতে;

৭. সংগীতচর্চায় যন্ত্র তৈরিতে;

৮. নকশি কাঁথা;

৯. পাটের তৈরি শিকা ও

১০. মাটির তৈরি ফুলদানি।

দশটি সংস্থানের নাম:

১. বিজ্ঞাপনী সংস্থায়;
২. বই-পুস্তকের ছবি আঁকায়;
৩. খবরের কাগজে;
৪. সিনেমা শিল্পে;
৫. টেলিভিশনের সেট নির্মাণে;
৬. লোক শিল্পে;
৭. ঔষধ শিল্পে;
৮. বিভিন্ন কলকারখানায়;
৯. ইনটেরিয়র ডিজাইন ও
১০. স্থাপনা শিল্পে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ শিল্পকলায় সমৃদ্ধ একটি দেশ। আধুনিককালে আমরা
যেমন অনেক মানসম্মত লোকশিল্পের দেখা পাই তেমনি প্রাচীন আমলেও বাংলা অঞ্চল ছিল মানসম্মত শিল্পকলায় সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকলা বলতে সাধারণত প্রাচীন জনপদ থেকে আবিষ্কৃত শিল্পকলাকে বোঝায়।

বাংলাদেশের তিনটি প্রাচীন জনপদ হলো রাজশাহীর পাহাড়পুর, কুমিল্লার ময়নামতি ও বগুড়ার মহাস্থানগড়। এসব অঞ্চল থেকে দীর্ঘদিন টিকে থাকা এমন সব শিল্পকলার সন্ধান মিলেছে যা বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা হিসেবে পরিচিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহা ও তামার হাতিয়ার, হাড়ি-পাতিল, মূর্তি, পোড়া মাটির ভগ্নপাত্র, ফলকচিত্র, পাথরের মূর্তি, পাথরের ফলকচিত্র, শিলালিপি বা পাথরে উৎকীর্ণ লেখা ফরমান, খিলান, স্তন্ত, ভগ্নদশায় ভবন ও ঘরবাড়ির কাঠামো, সে সময়ে ব্যবহৃত ধাতব মুদ্রা ও অলংকার। এ সকল প্রাচীন শিল্পকলার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কষ্টিপাথর বা কালো পাথরের তৈরি মূর্তি। প্রাচীন জনপদ ছাড়াও অনেক পুরানো ইমারতে প্রাচীন স্থাপত্যকলার নির্দশন পাওয়া যায়। যেমন, রাজশাহীর 'ছোট সোনা মসজিদ, বাঘা মসজিদ, পুঠিয়ার রাজবাড়ীর মন্দির, লালবাগ দুর্গ, বাগের হাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ, আহসান মঞ্জিল, তারা মসজিদ প্রভৃতি। এ সকল স্থাপত্যের দেয়ালে প্রাচীন শিল্পকলার ব্যবহার রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি যে, যেসব দ্রব্য সাধারণত হালকা-পাতলা ও পচনশীল সেগুলো মাটির নিচে বেশিদিন টিকে থাকে না। সময়ের বিবর্তনে এক সময় ক্ষয়ে অথবা পচে মাটির সাথে মিশে যায়। যেমন, কাগজ, হালকা-ও অধিকতর পাতলা ধাতব পদার্থ, চামড়া জাতীয় দ্রব্য ইত্যাদি। এগুলো মাটির নিচে বেশিদিন স্থায়ী হয় না। আর বাংলার যে জনপদগুলো মাটির নিচ থেকে খননের মাধ্যমে আবিষ্কার করা হয়েছে সেগুলো ছিল হাজার বছরেরও আগের। ধ্বংস ও মাটির নিচে চাপা পড়া এ সব জনপদের যে জিনিসগুলো কঠিন ধাতব পদার্থ কিংবা পাথর দ্বারা তৈরি ছিল সেগুলোই শুধুমাত্র রক্ষা পেয়েছে। এ কারণে কষ্টি পাথরের মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক ও শিলালিপি প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শন হিসেবে এখনও টিকে আছে। অপচনশীল ও কঠিন পদার্থ হওয়ায় এগুলো কালের পরিক্রমায় পচে কিংবা ক্ষয়ে মাটির সাথে মিশে যায় নি। এছাড়াও সে সময়ের মুদ্রা, তামা ও লোহার হাতিয়ার, অলংকার এগুলোও রক্ষা পেয়েছে।
বর্তমানে এগুলো সংগ্রহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিভিন্ন জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মাটির স্তূপ ও গড় অঞ্চল খনন করে বেশ কিছু জনপদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো হলো-১. রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর, ২. কুমিল্লার ময়নামতি, ৩. বগুড়ার মহাস্থানগড়, ৪. নরসিংদী জেলার উয়ারী বটেশ্বর এবং ৫. সর্বশেষ মুন্সীগঞ্জ জেলার নাটেশ্বর।
রাজশাহী অঞ্চলে পাহাড়পুর ও কুমিল্লার ময়নামতি উভয়ই প্রাচীন জনপদ। এ দুটি জনপদ ধ্বংস হয়ে গেছে। কারণ গত কয়েক হাজার বছর ধরে বাংলা অঞ্চল কখনো গোটা অঞ্চল কখনো ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন রাজা ও শাসকদের দ্বারা শাসিত হয়েছে। এক অঞ্চলের সাথে অন্য অঞ্চলের রেষারেষি ও যুদ্ধবিগ্রহ সব সময় লেগেই ছিল, পরাজিত অঞ্চলে লুট করা, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া, ধ্বংস করে দেওয়া এসব স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। তাই কোনো কোনো অঞ্চল বিরান অর্থাৎ মানবশূন্য হয়ে যেত। দীর্ঘকাল বিরান থেকে এক সময় মাটি চাপা পড়ে যেত। ঝড়ঝঞ্ঝা ও ভূমিকম্পের কারণেও এরকম মাটি চাপা পড়ে যেত। এভাবেই রাজশাহী অনালের পাহাড়পুর ও কুমিল্লার ময়নামতি জনপদ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আবিষ্কৃত বেশ কিছু কালো পাথরের মূর্তি সংরক্ষিত আছে। এগুলোর মধ্যে অশোক, অজন্তা, দশভুজা, দশরথের মূর্তিই প্রধান। অজন্তা মূর্তি হলো একটি নারী মূর্তি। এটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট সৌন্দর্যের দেবী হিসেবে পরিচিত। কালো পাথর কেটে খোদাই করে মূর্তিটির গায়ে পোশাক-পরিচ্ছদ ও বিভিন্ন অলঙ্কারের আকৃতি দেওয়া হয়েছে যা সত্যই মনোমুগ্ধকর। এসব মূর্তি অনেক দামী। অনেক জায়গায় এসব মূর্তি ম্যাগনেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ময়নামতির শালবন বিহারের দেয়ালে আমি যে পোড়ামাটির ফলকচিত্র দেখেছি তার বিবরণ নিচে প্রদান করা হলো-

ফলকটি লম্বায় প্রায় ১৫-২০ ফুট হবে। এতে ভাগ ভাগ করে বিভিন্ন প্রকোষ্ঠের আকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকোষ্ঠে রয়েছে তৎকালীন একটি প্রাণীর অথবা বিভিন্ন ভঙ্গিমায় মনুষ্য মূর্তি। যে সব প্রাণীর মূর্তি দেখেছি তার মধ্যে আছে হাতি, ঘোড়া, শূকরের মূর্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ময়নামতি, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ষাটগম্বুজ মসজিদ, কান্তজির মন্দির, বাঘা মসজিদ, পুঠিয়ার রাজবাড়ি মন্দির, তারা মসজিদ।
উত্তর: আমি কান্তজির মন্দির পরিদর্শন করে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা নিচে বর্ণনা করা হলো- মন্দিরটি দিনাজপুর শহর থেকে ১২-১৩ মাইল দূরে অবস্থিত। যে স্থানে মন্দিরটি অবস্থিত সে স্থানকে বলে কান্তনগর। একটি নদী পার হয়ে মন্দিরটিতে যেতে হয়। মন্দিরটির দেয়ালে পোড়ামাটির কাজ ও পোড়ামাটির ফলক রয়েছে। এসব ফলকে হিন্দু দেব-দেবীদের প্রতিমূর্তি খোদাইকৃত আছে। আরও আছে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ রামায়ণে উল্লিখিত বিভিন্ন ঘটনার সচিত্র বিবরণ। পোড়ামাটির সাহায্যে এসব ঘটনাকে জীবন্ত রূপ দেওয়া হয়েছে। মন্দিরের ভিতরের দেয়ালেও বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি আঁকা রয়েছে। মন্দিরের ভিতরে একটি মূর্তি রয়েছে যাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দেবী হিসেবে পূজা করে। মন্দিরটির পোড়ামাটির কাজ সত্যিই বিস্ময়কর। এখানে তিনশ বছর আগে থেকে প্রবর্তী সময়ের পর্যায়ক্রমিক চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে অবস্থিত প্রাচীন শিল্পকলাগুলো হাজার হাজার বছর পূর্বের সভ্যতা ও সংস্কৃতির নিদর্শন বহন করে। এসব নিদর্শন থেকে আমরা প্রাচীনযুগের মানুষের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও জীবনধারা সম্পর্কে জানতে পারি। এসব প্রাচীন শিল্পকর্মের মধ্যে শিল্পনৈপুণ্য ও কারুকাজে উল্লেখযোগ্য হলো কষ্টিপাথর বা কালো পাথরের মূর্তি। এছাড়াও পোড়ামাটির ফলকচিত্র। পাথরে খোদাই করা ফলক ও শিলা লিপি বিখ্যাত প্রাচীন শিল্পকর্ম। এ ধরনের প্রাচীন শিল্পকর্মের পরিচয় পাওয়া যাবে ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরের সংগ্রহশালায়। এসব প্রাচীন নির্দশন পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন সভ্যতার সাথে আধুনিক সভ্যতার মিল খুঁজে পাই। এ থেকে বুঝা যায় প্রাচীন সভ্যতার পরিবর্তিত রূপই হচ্ছে আধুনিক সভ্যতা। তাই প্রাচীন যুগের মতো আধুনিক যুগেও অনেক মানুষ শিল্পকর্মের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে।
এছাড়া আমাদের রুচিশীল জীবনযাপনেও প্রাচীন শিল্পকলার অবদান রয়েছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনায় প্রাচীন শিল্পকলা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মাটির স্তূপ ও গড় অঞ্চল খনন করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন বাংলার কয়েকটি জনপদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো হলো রাজশাহীর পাহাড়পুর, কুমিল্লার ময়নামতি, বগুড়ার মহাস্থানগড়, নরসিংদীর ওয়ারী বটেশ্বর এবং মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নাটেশ্বর সভ্যতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব বস্তু বাংলা অঞ্চলের প্রাচীন শিল্পকলা ও স্থাপত্যের নিদর্শন সেগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো: লোহা ও তামার হাতিয়ার, হাঁড়ি-পাতিল, মূর্তি, পোড়া মাটির ভগ্নপাত্র, ফলকচিত্র, শিলালিপি বা পাথরে উৎকীর্ণ লেখা, ফরমান, খিলান, স্তন্ড, পিলার, ভগ্নদশায় ভবন ও অলংকার। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বাড়িঘরের খিলান, স্তন্ড, দেয়াল, ভিত্তি ও কাঠামো থেকেও আমরা প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিম্নে পাঁচটি ফলকচিত্রমণ্ডিত বিখ্যাত ইমারতের নাম উল্লেখ করা হলো:
১. রাজশাহীর ছোট সোনা মসজিদ; ২. বাঘা মসজিদ; ৩. পুঠিয়ার রাজবাড়ির মন্দির; ৪. বাগেরহাটের যাটগম্বুজ মসজিদ এবং ৫. খান জাহান আলীর মসজিদ। এগুলো প্রাচীন স্থাপত্যকলার নিদর্শন হিসেবেও উল্লেখযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশের কুমোরদের তৈরি কয়েকটি কারুশিল্পের নাম হলো: মাটির হাঁড়ি-পাতিল, মাটির কলস, ছোটবড় নানা আকৃতির ফুলদানি, সরা, মটকা, বাসন-কোসন, পেয়ালা, সুরাই, মাটির ভাস্কর্য, মাটির গহনা, ডালা, পিঠা তৈরির ছাঁচ, পুতুল ও নানা ধরনের পশু-পাখি, মাছ ইত্যাদি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তাঁতের শাড়ি হলো একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি শাড়ি, যা বাংলাদেশের, টাঙ্গাইল ও ঢাকা জেলা থেকে উদ্ভুত এবং সাধারণ বাঙালি মহিলারা ব্যবহার করেন। এ শাড়ি রং, নকশা ও ছবির জনা দেশে-বিদেশে বিখ্যাত। নকশাদার তাঁতের শাড়ির কদর শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের বহু দেশের মানুষ আগ্রহসহকারে তা সংগ্রহ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উল্লেখযোগ্য তাঁতের শাড়িগুলো হলো: জামদানি, ঢাকাই বিটি, টাঙ্গাইল শাড়ি, মেঘডম্বুর, নীলাম্বরী, জলতরঙ্গা, গঙ্গাজলি, বেগমবাহার, আনারকলি, অসমন্তরা, গঙ্গা-যমুনা, পাছা-পেরে ইত্যাদি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকগুলো চারু ও কারুশিল্প শিক্ষার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে প্রতিবছর প্রায় চারশতাধিক চিত্রশিল্পী উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন সংস্থায় নিজেদের চারু ও কারুশিল্পে অবদান রাখতে সমর্থ হচ্ছেন। যেমন- বিজ্ঞাপনী সংস্থায়, বইপুস্তকে ছবি আঁকায়, খবরের কাগজে, সিনেমাশিল্পে, টেলিভিশনের সেট নির্মাণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিল্পকর্মে, পোশাকশিল্পে, ওষুধশিল্প ও বিভিন্ন কলকারখানায় ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু স্থাপনাশিল্প সুন্দর ও বুচিশীলভাবে সম্পন্ন করে চলেছেন এদেশের চারু ও কারুশিল্পীরা। পাশাপাশি তারা ছবি এঁকে প্রদর্শনী করে, ভাস্কর্যশিল্প তৈরি করেও সংস্কৃতিসম্পন্ন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নাম নিচে
উপস্থাপন করা হলো-
১. লোহার হাতিয়ার,
২. তামার তৈজসপত্র,
৩. পাথরের মূর্তি,
৪. খিলান,

৫. স্তন্ড,

৬.পিলার,

৭. ঘরবাড়ির কাঠামো,

৮. দেয়াল ভিত্তি,

৯. পোড়ামাটির দ্রব্য ও

১০. ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
29
আহসান মঞ্জিল, ঢাকা

 

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

• বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বর্ণনা দিতে পারব।

• প্রাচীন শিল্পকলার নির্মাণশৈলীর বর্ণনা দিতে পারব।

 • জীবন ও জীবিকার জন্য চারু ও কারুকলা শিক্ষার গুরুত্ব উল্লেখ করতে পারব।

• চারু ও কারুকলার ব্যবহারিকক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পারব।

• কালের বিবর্তনে টিকে যাওয়া শিল্পকর্মগুলোর নাম বলতে পারব।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

লোকশিল্পীদের শিল্পকর্মের পাঁচটি উদাহরণ হলো-

১. শখের হাঁড়ি,
২. নকশিকাঁথা,
৩. পাটের শিকা,
৪. নকশি পিঠা,
৫. মাটি টিপে টিপে তৈরি হাতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
77
উত্তরঃ

কারুশিল্পীদের শিল্পকর্মের পাঁচটি উদাহরণ হলো-

১. ফুলদানি,

২. বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র,

৩. তাঁতের শাড়ি

৪. জামদানি শাড়ি,

৫. মাটির ভাস্কর্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
75
উত্তরঃ

চারু ও কারুশিল্পীরা উপার্জন ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কাজ করে চলছেন এমন দশটি বিষয় ও সংস্থানের নাম নিচে দেওয়া হলো-
দশটি বিষয়ের নাম:

১. ছবি এঁকে

২. প্রদর্শনী করে;

৩. ভাস্কর্য শিল্প তৈরি করে;

৪. জামদানি শাড়ি;

৫. আদিবাসীদের তাঁতের শাড়ি;

৬. আসবাবপত্র তৈরিতে;

৭. সংগীতচর্চায় যন্ত্র তৈরিতে;

৮. নকশি কাঁথা;

৯. পাটের তৈরি শিকা ও

১০. মাটির তৈরি ফুলদানি।

দশটি সংস্থানের নাম:

১. বিজ্ঞাপনী সংস্থায়;
২. বই-পুস্তকের ছবি আঁকায়;
৩. খবরের কাগজে;
৪. সিনেমা শিল্পে;
৫. টেলিভিশনের সেট নির্মাণে;
৬. লোক শিল্পে;
৭. ঔষধ শিল্পে;
৮. বিভিন্ন কলকারখানায়;
৯. ইনটেরিয়র ডিজাইন ও
১০. স্থাপনা শিল্পে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
81
উত্তরঃ

বাংলাদেশ শিল্পকলায় সমৃদ্ধ একটি দেশ। আধুনিককালে আমরা
যেমন অনেক মানসম্মত লোকশিল্পের দেখা পাই তেমনি প্রাচীন আমলেও বাংলা অঞ্চল ছিল মানসম্মত শিল্পকলায় সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকলা বলতে সাধারণত প্রাচীন জনপদ থেকে আবিষ্কৃত শিল্পকলাকে বোঝায়।

বাংলাদেশের তিনটি প্রাচীন জনপদ হলো রাজশাহীর পাহাড়পুর, কুমিল্লার ময়নামতি ও বগুড়ার মহাস্থানগড়। এসব অঞ্চল থেকে দীর্ঘদিন টিকে থাকা এমন সব শিল্পকলার সন্ধান মিলেছে যা বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা হিসেবে পরিচিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহা ও তামার হাতিয়ার, হাড়ি-পাতিল, মূর্তি, পোড়া মাটির ভগ্নপাত্র, ফলকচিত্র, পাথরের মূর্তি, পাথরের ফলকচিত্র, শিলালিপি বা পাথরে উৎকীর্ণ লেখা ফরমান, খিলান, স্তন্ত, ভগ্নদশায় ভবন ও ঘরবাড়ির কাঠামো, সে সময়ে ব্যবহৃত ধাতব মুদ্রা ও অলংকার। এ সকল প্রাচীন শিল্পকলার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কষ্টিপাথর বা কালো পাথরের তৈরি মূর্তি। প্রাচীন জনপদ ছাড়াও অনেক পুরানো ইমারতে প্রাচীন স্থাপত্যকলার নির্দশন পাওয়া যায়। যেমন, রাজশাহীর 'ছোট সোনা মসজিদ, বাঘা মসজিদ, পুঠিয়ার রাজবাড়ীর মন্দির, লালবাগ দুর্গ, বাগের হাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ, আহসান মঞ্জিল, তারা মসজিদ প্রভৃতি। এ সকল স্থাপত্যের দেয়ালে প্রাচীন শিল্পকলার ব্যবহার রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
91
উত্তরঃ

আমরা জানি যে, যেসব দ্রব্য সাধারণত হালকা-পাতলা ও পচনশীল সেগুলো মাটির নিচে বেশিদিন টিকে থাকে না। সময়ের বিবর্তনে এক সময় ক্ষয়ে অথবা পচে মাটির সাথে মিশে যায়। যেমন, কাগজ, হালকা-ও অধিকতর পাতলা ধাতব পদার্থ, চামড়া জাতীয় দ্রব্য ইত্যাদি। এগুলো মাটির নিচে বেশিদিন স্থায়ী হয় না। আর বাংলার যে জনপদগুলো মাটির নিচ থেকে খননের মাধ্যমে আবিষ্কার করা হয়েছে সেগুলো ছিল হাজার বছরেরও আগের। ধ্বংস ও মাটির নিচে চাপা পড়া এ সব জনপদের যে জিনিসগুলো কঠিন ধাতব পদার্থ কিংবা পাথর দ্বারা তৈরি ছিল সেগুলোই শুধুমাত্র রক্ষা পেয়েছে। এ কারণে কষ্টি পাথরের মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক ও শিলালিপি প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শন হিসেবে এখনও টিকে আছে। অপচনশীল ও কঠিন পদার্থ হওয়ায় এগুলো কালের পরিক্রমায় পচে কিংবা ক্ষয়ে মাটির সাথে মিশে যায় নি। এছাড়াও সে সময়ের মুদ্রা, তামা ও লোহার হাতিয়ার, অলংকার এগুলোও রক্ষা পেয়েছে।
বর্তমানে এগুলো সংগ্রহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিভিন্ন জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
130
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মাটির স্তূপ ও গড় অঞ্চল খনন করে বেশ কিছু জনপদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো হলো-১. রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর, ২. কুমিল্লার ময়নামতি, ৩. বগুড়ার মহাস্থানগড়, ৪. নরসিংদী জেলার উয়ারী বটেশ্বর এবং ৫. সর্বশেষ মুন্সীগঞ্জ জেলার নাটেশ্বর।
রাজশাহী অঞ্চলে পাহাড়পুর ও কুমিল্লার ময়নামতি উভয়ই প্রাচীন জনপদ। এ দুটি জনপদ ধ্বংস হয়ে গেছে। কারণ গত কয়েক হাজার বছর ধরে বাংলা অঞ্চল কখনো গোটা অঞ্চল কখনো ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন রাজা ও শাসকদের দ্বারা শাসিত হয়েছে। এক অঞ্চলের সাথে অন্য অঞ্চলের রেষারেষি ও যুদ্ধবিগ্রহ সব সময় লেগেই ছিল, পরাজিত অঞ্চলে লুট করা, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া, ধ্বংস করে দেওয়া এসব স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। তাই কোনো কোনো অঞ্চল বিরান অর্থাৎ মানবশূন্য হয়ে যেত। দীর্ঘকাল বিরান থেকে এক সময় মাটি চাপা পড়ে যেত। ঝড়ঝঞ্ঝা ও ভূমিকম্পের কারণেও এরকম মাটি চাপা পড়ে যেত। এভাবেই রাজশাহী অনালের পাহাড়পুর ও কুমিল্লার ময়নামতি জনপদ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
145
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews