সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর  সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকের চলতি হিসাবে সুদ প্রদান করা হয় না। চলতি হিসাবের অর্থ গ্রাহক যেকোনো সময় উত্তোলন করতে পারে। এ অর্থ ব্যাংক বিনিয়োগের সুযোগ পায় না। তাই উত্ত হিসাবে সুদ প্রদান করা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকের স্থায়ী হিসাবে গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সুদসহ টাকা উত্তোলন করতে পারবে না। এককালীন অর্থ জমা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থায়ী হিসাব খোলা হয়। এ হিসাবে ব্যাংক উচ্চ হারে সুদ প্রদান করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত যেসব বাংলাদেশী নাগরিক নিয়মিত বিদেশ সফর করেন তাদের জন্য রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাব বিশেষভাবে প্রযোজ্য। বৈদেশিক সফরে সরকারি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের কোটা অনেক সময় নিয়মিত সফরকারীদের জন্য পর্যাপ্ত না হওয়ায় এই হিসাব বিশেষ ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ক্রেডিট কার্ডের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকার আবশ্যকতা নেই। এ কার্ড দ্বারা গ্রাহক এটিএম থেকে নগদ টাকা উত্তোলন ও বাকিতে কেনাকাটা করতে পারে। এটি একটি ব্যক্তিগত ঋণ সুবিধাসংবলিত কার্ড। ঋণের অর্থ গ্রাহককে নির্দিষ্ট সময়ান্তে সুদসহ পরিশোধ করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক গ্রাহকের নামে যে হিসাব খুলে অর্থ লেনদেনের সুযোগ প্রদান করে তাকে ব্যাংক হিসাব বলে। ব্যাংক হিসাব ব্যাংকার ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। গ্রাহক তার অর্থ জমা ও উত্তোলনসহ যাবতীয় কাজ এ হিসাবের মাধ্যমেই করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকিং ব্যবসায়ের তহবিলের মূল উৎস হলো আমানত। ব্যাংকের আমানত বিভিন্নভাবে সংগৃহীত হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংক মূলত চলতি, সঞ্চয়ী ও স্থায়ী হিসাবের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করে। ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রয়োজনের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের হিসাব খুলে থাকে। এভাবেই ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে, যা তার তহবিলের মূল উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব খোলে আমানত সংগ্রহ করে থাকে। বিশেষ করে চলতি, সঞ্চয়ী ও স্থায়ী হিসাবের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমানত সংগ্রহ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রাহকের ক্ষেত্রে ব্যাংক আমানতের উদ্দেশ্য হলো অর্থের নিরাপত্তা, ব্যবসায়িক লেনদেন, ঋণের সুবিধা, ঝুঁকিহীন বিনিয়োগ, সেবা অর্জন এবং অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন মেটানো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক আমানতের উদ্দেশ্য হলো- সঞ্চয় প্রবণতা সৃস্টি, পুঁজি বা মূলধন গঠন, বিনিয়োগ ও উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যায়। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগের মতো এটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তাই ব্যাংক ঝুঁকিহীন বিনিয়োগের উৎস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হিসাব খোলার মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকিং সেবা অর্জন করে। হিসাব খোলার কারণে ব্যাংক তার গ্রাহককে নানাবিধ সেবা প্রদান করে, যা হিসাব খোলার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রাহকের প্রেক্ষাপটে ব্যাংক হিসাবের গুরুত্ব রয়েছে। একজন গ্রাহক ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নিরাপদে অর্থ সংরক্ষণ করতে পারেন। নগদ অর্থ ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করেন। তিনি প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে ঋণও নেন। সর্বোপরি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে একজন গ্রাহক যাবতীয় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ী যাবতীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। চেক, বিনিময় বিল, প্রত্যয়পত্র ইত্যাদি দলিল ব্যবসায়ীদের নিত্য প্রয়োজনীয় বিনিময়ের মাধ্যম। ব্যবসায়ীরা চলতি হিসাবের মাধ্যমে প্রয়োজনে ঋণ সুবিধাও নিতে পারেন। সর্বোপরি নিরাপদ আর্থিক লেনদেনে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংক হিসাব অধিক ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকে টাকা জমা রাখা বেশি নিরাপদ। কেননা এ বিনিয়োগ থেকে নির্দিষ্ট হারে নিশ্চিত আয় পাওয়া যায়। ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের, হিসাবে অর্থ জমা রাখলে বিভিন্ন হারে সুদ পাওয়া যায়। পক্ষান্তরে, বিনিয়োগের অন্যান্য ক্ষেত্র, যেমন: শেয়ার বাজারের বিনিয়োগের মতো এটি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তাই ব্যাংককে ঝুঁকিবিহীন বিনিয়োগের ক্ষেত্র বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক হিসাব প্রধানত তিন প্রকার। যথা চলতি হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব ও স্থায়ী হিসাব। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক বিভিন্ন প্রকারের হিসাব খোলার ব্যবস্থা রাখে। কারণ মানুষের জীবিকা, প্রয়োজন, সময়, অবস্থান ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকে। এক্ষেত্রে ব্যাংক সাধারণত গ্রাহকদের চলতি, সঞ্চয়ী ও স্থায়ী হিসাব খোলার সুবিধা দিয়ে থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে হিসাবে যতবার খুশি অর্থ জমা রাখা, যায় কিন্তু সপ্তাহে দুইবার বা নিয়মানুযায়ী অর্থ উত্তোলন করা যায় তাকে সঞ্চয়ী হিসাব বলে। সাধারণত অব্যবসায়ী নির্দিষ্ট আয়ের জনগণ সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে এ হিসাব খুলে থাকে। এ হিসাবে জমাকৃত অর্থের ওপর ব্যাংক স্বল্পহারে সুদ প্রদান করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ


যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংক চলাকালীন যতবার ইচ্ছা টাকা জমা দেওয়া যায় এবং উত্তোলন করা যায় তাকে চলতি হিসাব বলে। ব্যবসায়ীদের জন্য এ হিসাব অধিক উপযোগী। কেননা ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন অসংখ্যবার লেনদেন করেন; যার সুবিধা শুধু চলতি হিসাবের মাধ্যমেই পাওয়া যায়। তাছাড়া এ হিসাবের মাধ্যমে জমাতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

: চলতি হিসাবের মাধ্যমে প্রতিদিন ইচ্ছামতো টাকা জমা রাখা ও উত্তোলন করা যায়। র‍্যাংক এ হিসাবের অর্থ কোথাও বিনিয়োগ করতে পারে না। কারণ গ্রাহক যেকোনো সময়ই জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারে। বিনিয়োগ করা যায় না বলে ব্যাংক এ হিসাব থেকে আয়ও করতে পারে না। তাই ব্যাংক গ্রাহককে এ হিসাবের বিপরীতে কোনো সুদ দেয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এককালীন অর্থ জমা দিয়ে যে হিসাব খোলা হয়, তাকে স্থায়ী হিসাব বলে। স্থায়ী হিসাবে সাধারণত এক মাস, তিন মাস, ছয় মাস, ১ বছর, ২ বছর, ৫ বছর ইত্যাদি মেয়াদের জন্য টাকা জমা রাখা হয়। এ হিসাবে ব্যাংক উচ্চহারে সুদ প্রদান করে তবে মেয়াদপূর্তির আগে গ্রাহক তার টাকা উত্তোলন করতে পারে না। তরে বিশেষ প্রয়োজনে উত্তোলন করতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রাহক কোনো সুদ পায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

সঞ্চয়ী হিসাব

চলতি হিসাব

১. যে হিসাবে যতবার ইচ্ছা টাকা জমা রাখা যায়, কিন্তু সপ্তাহে দু'বারের বেশি উত্তোলন করা যায় না তাকে সঞ্চয়ী হিসাব বলে।

১. যে হিসাবের মাধ্যমে দৈনিক যতবার ইচ্ছা টাকা জমা রাখা ও উত্তোলন করা যায়, তাকে চলতি হিসাব বলে।

২. সঞ্চয়ী হিসাবে ব্যাংক স্বল্প হারে সুদ প্রদান করে থাকে।

২. চলতি হিসাবে সাধারণত কোনো সুদ প্রদান করা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সঞ্চয়ী ও স্থায়ী হিসাবের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

সঞ্চয়ী হিসাব

স্থায়ী হিসাব

১. সঞ্চয়ী হিসাবের মাধ্যমে সপ্তাহে যতবার খুশি টাকা জমা রাখা যায়।

১. স্থায়ী হিসাবের ক্ষেত্রে এককালীন অর্থ জমা রাখা হয় এবং মেয়াদ শেষে উত্তোলন করা হয়।

২. সঞ্চয়ী হিসাবে জমাকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য ব্যাংক গ্রাহককে চেক বই সরবরাহ করে।

২. স্থায়ী হিসাবে কোনো চেক বই সরবরাহ করা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্থায়ী হিসাবে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এককালীন অর্থ জমা রাখা হয়। মেয়াদ শেষে সুদ বা মুনাফাসহ গ্রাহক এককালীন অর্থ উত্তোলন করতে পারে। এ হিসাবের অর্থ মেয়াদপূর্তির পূর্বে উত্তোলন করা যায় না। তাই স্থায়ী হিসাবে ব্যাংক চেক বই সরবরাহ করে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক অনেক সময় ঋণগ্রহীতাদের সরাসরি ঋণ না দিয়ে ঋণগ্রহীতাদের নামে একটি আলাদা ঋণ হিসাব খুলতে বলে, যাকে ঋণ আমানতি হিসাব বলে। ঋণ আমানতি হিসাব খোলা হলে ঋণগ্রহীতা তার প্রয়োজন অনুযায়ী উক্ত হিসাব হতে চেক কেটে টাকা উত্তোলন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে হিসাবের মাধ্যমে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয় তাকে ডিপোজিট পেনশন স্কিম (DPS). বলে। এ হিসাবের মাধ্যমে আমানতকারী দীর্ঘমেয়াদে অর্থ জমা করে এবং মেয়াদ শেষে ব্যাংক আমানতকারীকে এককালীন ভিত্তিতে সুদসহ সকল টাকা ফেরত দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকের যে স্কীমে অর্থ সঞ্চয় বা বিনিয়োগের বিপরীতে। অতিরিক্ত সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায় তাকে সথায় স্কীম বলে। সঞ্চয় স্কীম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন- ডিপোজিট পেনশন স্কীম, স্থায়ী হিসাব ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সঞ্চয়ে উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুল সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার ব্যয় নির্বাহ করার পর তাদের হাতে কিছু অতিরিক্ত অর্থ থাকে। সেগুলো এ হিসাবের মাধ্যমে সঞ্চয় করা যায়। এ ধরনের ছোট ছোট সঞ্চয় তাদেরকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্কুল সঞ্চয়ী হিসাবের মাধ্যমে একজন স্কুল শিক্ষার্থীকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা যায়। স্কুলও কলেজের শিক্ষার্থীদের সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য ও হিসাব খোলা হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় এ হিসাবে জমা রাখতে পারে। এ হিসাবের আমানতি অর্থের ওপর ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে সুদ প্রদান করে। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র' ক্ষুদ্র সঞ্চয় বড় অঙ্কের সঞ্চয়ে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিমা সঞ্চয়ী হিসাব খুলে বিমা সুবিধা পাওয়া যায়। বিমা সঞ্চয়ী হিসাবের মাধ্যমে সঞ্চয়ী হিসাব এবং জীবন বিমার সুবিধাও পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আমানতকারীদের উক্ত হিসাবে জমা রাখতে হয়। উক্ত জমা টাকার ওপর প্রাপ্ত সুদের কিছু অংশ হতে প্রিমিয়াম বাদ দেওয়ার পর আমানতকারীর নামে মোটা অঙ্কের বিমা করা হয় এবং গ্রাহক উক্ত বিমার সুবিধা ভোগ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব নাগরিক নিয়মিত বিদেশ সফর করেন সেসব নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা নিশ্চিত করার জন্য যে হিসাব খোলা হয় সে হিসাবকে রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (RFCD) হিসাব বলা হয়। বিদেশ সফরে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের কোটা অনেক সময় নিয়মিত সফরকারীদের পর্যাপ্ত না হওয়ায় এই হিসাব বিশেষ ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমানতকারী যদি তার কর্মস্থলের পাশে কিংবা নিজস্ব বাসস্থানের পাশে অবস্থিত কোনো ব্যাংকের শাখায় হিসাব খোলে সেক্ষেত্রে লেনদেন সম্পাদনে তার জন্য সুবিধা হয়। কারণ কম সময়ের মধ্যে ব্যাংকে গিয়ে গ্রাহক আর্থিক লেনদেন করার সুযোগ পাবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে তালিকাভুক্ত ব্যাংকে হিসাব খোলা উচিত। তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম-কানুন মেনে চলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে। আবার, আর্থিক সংকটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংককে ঋণ প্রদান করে। এ সুবিধাগুলো অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংককে প্রদান করা হয় না। তাই নিরাপত্তা বিবেচনায় তালিকাভুক্ত ব্যাংকে হিসাব খোলা যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বহুমুখী সেবা ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যে ব্যাংক বহুমুখী সেবা প্রদান করে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে সে ব্যাংককেই গ্রাহক অধিক উপযোগী মনে করে। ফলে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংকে গ্রাহক হিসাব খুলে থাকে। যার ফলে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যাংকে বহুমুখী সেবা থাকতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকের সুনাম হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যে ব্যাংক সবার পরিচিত এবং অনেক দিনের পুরাতন, সেই ব্যাংকের সুনাম ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহক অতিদ্রুত এবং ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময় ব্যাংকিং লেনদেন করতে পারে। তাই যেসব ব্যাংক অনলাইন, এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, এটিএমসহ অন্যান্য ব্যাংকিং পণ্য বা সেবা প্রদান করে সেসব ব্যাংককে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকগগণ বেশি বিবেচনায় নেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক আমানতের ওপর গ্রাহকদের সুদ দিয়ে থাকে এবং ঋণের বিপরীতে সুদ আদায় করে থাকে। সেক্ষেত্রে যে ব্যাংকের আমানতের সুদ তুলনামূলকভাবে উচ্চ এবং ঋণের সুদ তুলনামূলকভাবে স্বপ্ন, সেসব ব্যাংক গ্রাহকের কাছে বেশি গ্রহণীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক হিসাব খোলার মাধ্যমে গ্রাহক ও ব‍্যাংকের মধ্যে আইনানুগ ও চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। তাই হিসাব খোলার সময় গ্রাহককে তার ছবি ও নমিনীর তথ্য প্রদান করতে হয়। গ্রাহককে-তার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়। কোম্পানির হিসাব খোলার জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা কোম্পানির সভার সিদ্ধান্তের কপি জমা করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকে হিসাব খোলার সময় আবেদন কর্মের সাথে আবেদনকারীর বিভিন্ন তথ্যসংবলিত যে ফর্ম বাধ্যতামূলকভাবে হিসাবগ্রহীতাকে পূরণ করতে হয় তাকে KYC বা KYC ফর্ম বলে। গ্রাহক যেন ভুয়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান না হয় এবং তার প্রদত্ত তথ্যাদি ও আর্থিক সামর্থ্য সম্পর্কে যাতে মিথ্যা তথ্য দিতে না পারে তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংক KYC ফর্ম ব্যবহার করে থাকে। ভুয়া লেনদেন, জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধ দমনে এরূপ ফর্ম গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তিগত পর্যায়ে সঞ্চয়ী হিসাব খোলা শ্রেয়। কারণ এ হিসাবে লেনদেন ও সঞ্চয় উভয়ই করা যায়। এছাড়া সঞ্চয়ী হিসাব খুলে যেকোনো পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করা যায় বিধায় গ্রাহকের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা সৃষ্টি হয়। এ হিসাবে জমাকৃত অর্থের ওপর ব্যাংক স্বল্প হারে সুদ বা মুনাফা দিয়ে থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায়ীদের জন্য চলতি হিসাব খোলা উত্তম। কারণ ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় পরিচালনায় প্রচুর সংখ্যক লেনদেন এবং বড় অঙ্কের লেনদেন করতে হয়। চলতি হিসাব খুলে এ ধরনের লেনদেন করা যায়। পাশাপাশি এ হিসাবে ব্যাংক জমাতিরিক্ত ঋণের সুবিধা রয়েছে। ফলে চলতি মূলধনের সংকট নিরসেন এ ঋণ ব্যবহার করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংক হিসাব বন্ধ করতে ব্যাংকে গিয়ে হিসাব বন্ধের অনুরোধপত্র প্রদান করতে হবে। অব্যবহৃত চেক বই, পাসবই, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ফেরত দিতে হবে। পরবর্তীতে কোনো ধরনের ঋণ না থাকলে ব্যাংক গ্রাহকের হিসাবটি বন্ধ করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্স বলতে ইন্টারনেটের সাহায্যে ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করাকে বোঝায়। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে ব্যবসায়েও আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। ই-কমার্স এমনই একটি ব্যবসায় কাজ সম্পাদনের আধুনিক পদ্ধতি, যার ফলে ভোক্তারা দোকানে না এসে অনলাইনে পণ্য দেখে কিনতে পারছেন। এছাড়া পণ্যের মূল্যও পরিশোধ করতে পারছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং হলো আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যাংকিং সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহক দ্রুত ব্যাংকিং লেনদেন সম্পাদন করতে পারে। ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং পণ্য ও সেবা হলো- ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, এটিএম, মোবাইল ব্যাংকিং, এসএমএস ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, | অনলাইন ব্যাংকিং, কল সেন্টার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ


কোনো ব্যাংকের একাধিক শাখার মধ্যে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকেই অনলাইন ব্যাংকিং বলে। ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের একটি সেবা হলো অনলাইন ব্যাংকিং। এর মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকের একটি শাখায় হিসাব খুলে দেশের অন্য যেকোনো শাখায় তার লেনদেন করতে পারে। যেমন- মি. রহিম ঢাকার মিরপুরে একটি হিসাব খুলে কক্সবাজারে উক্ত ব্যাংকের যেকোনো শাখায় লেনদেন করতে পারবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ


ডেবিট কার্ড হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক প্লাস্টিক কার্ড, যা ব্যাংক তার গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করে থাকে। সাধারণত সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবের গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে ডেবিট কার্ড ইস্যু করে থাকে। এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকে টাকা থাকা সাপেক্ষে এটিএম-এর মাধ্যমে যেকোনো সময়ে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারে। নগদ টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক নগদ টাকা ছাড়াই কেনাকাটা করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঋণ সুবিধাসংবলিত ইলেকট্রনিক কার্ড বলতে ক্রেডিট কার্ডকে বোঝায়। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাকিতে কেনাকাটা করা যায় এবং এটিএম থেকে নগদ টাকা উত্তোলন করা যায়। ক্রেডিট কার্ড এক ধরনের ব্যক্তিগত ঋণ, যা নির্দিষ্ট সময়ান্তে গ্রাহককে সুদসহ পরিশোধ করতে হয়। তবে ক্রেডিট কার্ড গ্রহণে ব্যাংক হিসাব। থাকার বাধ্যবাধকতা নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

ডেবিট কার্ডক্রেডিট কার্ড
১. ডেবিট কার্ড গ্রহণে ব্যাংক হিসাব থাকতে হয়।১. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণে ব্যাংক হিসাবের প্রয়োজন পড়ে না।
২. ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা থাকাসাপেক্ষে ডেবিট কার্ড দ্বারা লেনদেন করা যায়।২. ক্রেডিট কার্ড দ্বারা নির্দিষ্ট ঋণসীমা পর্যন্ত বাকিতে লেনদেনের সুযোগ থাকে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহকদের যে ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে তাকে মোবাইল ব্যাংকিং বলে। মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে আধুনিক ব্যাংকিং-এ নতুনতম সংযোজন। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে গ্রাহক অর্থ জমা, উত্তোলন, স্থানান্তর এবং বিল পরিশোধসহ অন্যান্য লেনদেন করতে পারে। যার ফলে গ্রাহক ব্যাংকে না গিয়ে যেকোনো স্থান থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দেশে প্রচলিত বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি মোবাইল ব্যাংকিং সেবার অন্তর্গত। মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মোবাইলের মাধ্যমে সহজে ব্যাংকিং কাজ সম্পাদন করাকে বোঝায়। এর মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকে না গিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে অর্থ জমা, উত্তোলন এবং স্থানান্তর করতে পারে। গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর এ ধরনের সেবা দেওয়া হয়। সহজ ও নিরাপদ লেনদেন হওয়ায় এ সেবাগুলো প্রতিনিয়ত জনপ্রিয় হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বলে। ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকের একটি নিরাপদ ওয়েবসাইট নাম এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা নিবন্ধিত হয়ে থাকে। যথাযথ তথ্য প্রদানের পর গ্রাহক পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় তার হিসাবের বিবরণী, তহবিল স্থানান্তর, বিল প্রদানসহ অন্যান্য লেনদেন ইন্টারনটের মাধ্যমে করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্যাংকিং হলো আধুনিক ব্যাংকিং সেবা। ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সাহায্যে গ্রাহক পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় তার হিসাবের বিবরণী, তহবিল স্থানান্তর, বিল প্রদানসহ অন্যান্য লেনদেন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

এটিএম (Automated Teller Machine) এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র। এটিএম এর মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকের কর্মচারীর উপস্থিতি ছাড়া প্রাথমিক কিছু লেনদেন করতে পারে। যেমন- টাকা উত্তোলন, হিসাবের বিবরণী, টাকা বা চেক জমা ইত্যাদি। ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময় এই মেশিনের মাধ্যমে নগদ টাকা উত্তোলন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা হলো এটিএম। এটিএম-এর মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংক কর্মচারীর উপস্থিতি ছাড়া প্রাথমিক কিছু লেনদেন করতে পারে। যেমন: টাকা উত্তোলন, হিসাবে বিবরণী, টাকা বা চেক জমা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কল সেন্টার এক ধরনের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা। এ সেবা গ্রহণ করার মাধ্যমে গ্রাহক বাসায় বসে কল সেন্টারের নম্বরে ফোন দিয়ে হিসাবসংক্রান্ত তথ্য জানতে পারে। এছাড়া গ্রাহক তার হিসাবসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করাকে এসএমএস (SMS) ব্যাংকিং বলে। যেমন- হিসাবের স্থিতি, চেক বইয়ের জন্য অনুরোধ ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকিং সেবা সুবিধা প্রদানের আধুনিক কৌশলই হলো ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং। ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অর্থ উত্তোলন, সংগ্রহ, স্থানান্তর, লেনদেন সম্পন্নকরণ, তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদান, যোগাযোগ ইত্যাদি কাজ ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সম্পাদিত হয়। এটি এমন এক ধরনের ব্যাংকিং সেবা পদ্ধতি যেখানে উন্নততর ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিদ্রুত, নির্ভুল এবং বিস্তৃত সেবা প্রদান সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
44

এই অধ্যায় অধ্যয়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ব্যাংকের আমানত বা তহবিলের মূল উৎস সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের হিসাবের পরিচিতির সাথে সাথে ব্যাংকে হিসাব খোলা ও বন্ধ করার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তাছাড়াও নতুন নতুন ব্যাংকিং পণ্য বিশেষ করে আধুনিক ও ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং পণ্য সম্পর্কে বিশদ ধারণা লাভ করতে পারবে। এই অধ্যায়ে শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রোনিক ব্যাংকিং এর কিছু পণ্যের সাথে পরিচয় করানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যাংক আমানতের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • ব্যাংক হিসাবের ধরন বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • হিসাব খোলার পদ্ধতি অনুশীলন করতে পারব। 
  • আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পদ্ধতি মূল্যায়ন করতে পারব।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews