সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

মুসলিম ধনী ব্যক্তিদের নিসাব (নির্ধারিত) পরিমাণ অর্থসম্পদ থাকলে নির্দিষ্ট অংশ আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ৮টি খাতে বিতরণ করে দেওয়াকে যাকাত বলে। যাকাত প্রদানের মাধ্যমে সম্পদ ব্যক্তিবিশেষের হাতে পুঞ্জীভূত থাকে না। আর মানুষের হাতে সম্পদ পুঞ্জীভূত থাকুক আল্লাহ তায়ালা তা পছন্দ করেন না। তিনি চান এটি মানুষের কল্যাণে ব্যয় হোক। তাই যাকাত আল্লাহ প্রদত্ত দরিদ্রের অধিকার। ধনীদের দয়া বা অনুগ্রহ নয়। বরং এটি আদায় করা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর ফরজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজের ওয়াজিব ছয়টি। যথা-

১. আরাফার ময়দান হতে প্রত্যাবর্তনের সময় মুযদালিফায় রাত্রি যাপন করা।
২. শয়তানকে (জামরাতুল আকাবায়) কংকর নিক্ষেপ করা।
৩. সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝখানে দৌড়ানো বা সাঈ করা।
৪. কুরবানি করা।
৫. মাথা মুড়ানো বা চুল ছাঁটা।
৬. মক্কার বাইরে থেকে আগত হাজিদের জন্য বিদায়কালীন তাওয়াফ করা। একে তাওয়াফে বিদা বা বিদায়ি তাওয়াফ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত সাতটি।
শর্তগুলো হলো-
১. মুসলমান হওয়া।
২. নিসাবের মালিক হওয়া।
৩. নিসাব পরিমাণ সম্পদ প্রয়োজনের অতিরিক্ত হওয়া।
৪. খাণগ্রস্ত না হওয়া।
৫. সম্পদ এক বছরকাল স্থায়ী থাকা।
৬. জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া অর্থাৎ পাগল বা মানসিক ভারসাম্যহীন না হওয়া।
৭. বালেগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও আনুগত্য স্বীকার করে তার আদেশ পালন ও নিষেধ বর্জন করে জীবন পরিচালনাকে ইসলামি পরিভাষায় ইবাদত বলে। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয়। যথা- কালিমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ যথাযথ পালনের নাম ইবাদত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

'যাকাত' আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ বৃদ্ধি, পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষয়য ধনী ব্যক্তিদের নিসাব (নির্ধারিত) পরিমাণ সম্পদ নির্দিষ্ট অংশ গরিব ও অভাবী লোকদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়াকে যাকাত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত' প্রদানের মাধ্যমে সম্পদ ব্যক্তিবিশেষের হাতে পুঞ্জীভূত থাকে না। আর মানুষের হাতে সম্পদ পুঞ্জীভূত থাকুক আল্লাহ তায়ালা তা পছন্দ করেন না। তিনি চান এটি মানুষের
কল্যাণে ব্যয় হোক। সমাজের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হোক। এ বিবেচনায় যাকাত অর্থ বৃদ্ধি। যাকাত দিলে সম্পদে আল্লাহ তায়ালা বরকত দান করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত প্রদানের মাধ্যমে দাতা কৃপণতার কলুষতা হতে পবিত্র হয়। বিত্তশালীদের সম্পদে দরিদ্রদের অধিকার আছে। কাজেই গরিবের নির্ধারিত অংশ দিয়ে দিলে অবশিষ্ট সম্পদ ধনীদের জন্য পবিত্র হয়ে যায়। এদিক বিবেচনায় যাকাত অর্থ পবিত্রতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ফরজ হওয়া সত্ত্বেও যারা তা আদায় করে না এবং যাকাত দিতে অস্বীকার করে, তাদের ব্যাপারে ইসলামি বিধান হচ্ছে, পার্থিব জীবনে তারা কৃপণ হিসেবে আখ্যায়িত হবে এবং পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন: "আর ধ্বংস ঐসব মুশরিকের জন্য, যারা যাকাত দেয় না ও আখিরাতকে অস্বীকার করে।
" (সূরা হা-মীম-আস্-সাজদা: ৬-৭)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ফরজ হওয়ার প্রথম শর্ত হলো মুসলমান হওয়া। অমুসলিমদের উপর যাকাত ফরজ নয়। কাজেই কোনো ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে তাকে তার অতীত জীবনের যাকাত দিতে হবে না। যেদিন মুসলমান হবে সেদিন থেকে হিসাব করে যাকাত দিতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ফরজ হওয়ার পঞ্চম শর্তটি হলো মাল এক বছরকাল স্থায়ী থাকা। নিসাব পরিমাণ সম্পদ ব্যক্তির হাতে এক বছরকাল স্থায়ী না হলে, তার উপর যাকাত ফরজ হয় না। হাদিসে আছে, "ঐ সম্পদে যাকাত নেই যা পূর্ণ এক বছর মালিকানায় না থাকে।” (ইবনু মাজাহ্)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

নিসাব' আরবি শব্দ। এর অর্থ নির্ধারিত পরিমাণ। শরিয়তের পরিভাষায় যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের নির্ধারিত পরিমাণকে নিসাব বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কুরবানির মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজে। জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি। তারা পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে এর রক্ত প্রবাহিত করে আল্লাহর কাছে শপথ করে বলে, "হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যেভাবে পশুর রক্ত প্রবাহিত করছি, প্রয়োজনে আমাদের শরীরের রক্ত প্রবাহিত করতেও কুণ্ঠিত হব না।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সারা বছর জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর বছর শেষে যার হাতে নিসাব পরিমাণ সম্পদ উদ্বৃত্ত থাকে তাকে বলা হয় সাহিবে নিসাব বা নিসাবের মালিক। আর সাহিবে নিসাবের উপরই যাকাত ফরজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শরিয়তের পরিভাষায় যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের নির্ধারিত পরিমাণকে নিসাব বলে। নিসাবের পরিমাণ হলো, সোনা কমপক্ষে সাড়ে সাত তোলা অথবা রুপা কমপক্ষে সাড়ে বায়ান্ন তোলা অথবা ঐ মূল্যের অর্থ বা সম্পদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সম্পদ কারো নিকট পূর্ণ এক বছরকাল স্থায়ী থাকলে ঐ সোনা, রূপা বা সম্পদের মূল্যের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত হিসাবে দেওয়া ফরজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ধান, গম, যব, খেজুর ইত্যাদি শস্য সেচ প্রদান ছাড়া বৃষ্টির পানিতে জন্মালে উৎপাদিত সব ফসলের দশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হবে। একে উশর বলা হয়। আর সেচ ব্যবস্থায় উৎপন্ন ফসলের বিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত আদায় করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মাসারিফ আরবি শব্দ। এর অর্থ ব্যয় করার খাত। শরিয়তের পরিভাষায় ইসলামি বিধান অনুযায়ী যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায়, তাদেরকে বলা হয় যাকাতের মাসারিফ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাতের মাসারিফ আটটি হলো- অভাবগ্রস্ত বা ফকির, মিসকিন, যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ, মন জয় করার উদ্দেশ্যে, মুক্তিকামী দাস, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে, মুসাফির বা অসহায় প্রবাসী পথিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে দাস তার মনিবের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার চুক্তি করেছে এমন দাসকে মুক্তির মূল্য পরিশোধের জন্য যাকাত প্রদান করা যেতে পারে। বর্তমানে ক্রীতদাস প্রথা চালু নেই বিধায় এ খাতে যাকাতের অর্থ বণ্টন করা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি: যে নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম, তাদের যাকাত দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে সাহায্য করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ফকির বলতে ঐ সকল লোককে বোঝায়, যাদের কিছু না কিছু সম্পদ আছে কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। যাদের জীবনধারণের জন্য অপরের সাহায্য-সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাতের অন্যতম অর্থনৈতিক গুরুত্ব হলো আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা করা। যাকাত প্রদানের ফলে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে আর্থিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। গরিব অসহায় মানুষ যাকাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা নিজেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, জীবিকা ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে পারে। ফলে সমাজে সকল শ্রেণির মানুষ সহঅবস্থানে চলে আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয়। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক সমতার ক্ষেত্রে প্রস্তুত হয়। আল্লাহর নির্দেশমতো যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনো লোক অন্নহীন, বস্ত্রহীন, গৃহহীন থাকবে না। কেউ না খেয়ে থাকবে না। কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ইসলামের পাঁচটি রুকনের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকন। কুরআন পাকের বহু স্থানে সালাতের সাথে যাকাতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আর তোমরা সালাত কায়েম কর এবং যাকাত প্রদান কর।" (সূরা মুযযাম্মিল: ২০) এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যাকাত ফরজ। সুতরাং আমরা যাকাত প্রদান করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজ' আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা, ইচ্ছা করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় নির্দিষ্ট দিনসমূহে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র কাবাঘর ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহে বিশেষ কার্যাদি সম্পাদন করাকে হজ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত। যিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত মক্কা, মিনা, আরাফা এবং মুযদালিফায় আল্লাহ ও তার রাসুল (স.)-এর নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন কার্যসম্পাদন করাও হজের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধিমান ও সামর্থ্যবান মুসলিম নরনারীর উপর জীবনে একবার হজ আদায় করা ফরজ। যেসব লোক কাবাঘর পর্যন্ত যাতায়াতের দৈহিক ক্ষমতা রাখে এবং হজ হতে ফিরে আসা অবধি পরিবারবর্গের আবশ্যকীয় ব্যয় বাদে যাতায়াতের খরচ বহন করতে সক্ষম তাদের উপর হজ ফরজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালা ইবরাহিম (আ.)-কে কাবাঘরে স্থানটি দেখিয়ে তা পুনঃনির্মাণের আদেশ দিলেন। ইবরাহিম (আ.) পুত্র ইসমাইলকে সাথে নিয়ে পবিত্র কাবাঘর পুনঃনির্মাণ করেন। তারপর এ দোয়া করেন: "হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের এ কাজ কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।" (সূরা আল-বাকারা: ১২৭)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ পঞ্চম। সারাবিশ্বের মুসলিম জাতির মহাসম্মেলন। বিশ্বের সকল মুসলিম যে এক উম্মত, হজ মৌসুমে মক্কায় এর বাস্তব প্রমাণ পাওয়া যায়। পৃথিবীর সকল দেশের মুসলমানগণ আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় নির্দিষ্ট দিনগুলোতে মক্কায় একত্র হয়। সম্মিলিতভাবে অনুষ্ঠান পালন করে। সকলের ধর্ম, উদ্দেশ্য, কর্মসূচি এক। সকলের পরিধানে একই ধরনের সাদা পোশাক। এভাবে হজ সারাবিশ্বের মুসলমানকে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ যিয়ারতে এসে কোনো অশ্লীল কাজ করল না, আল্লাহর অপছন্দনীয় কোনো কাজে লিপ্ত হলো না, সে গুনাহ বা পাপ থেকে এমনভাবে পবিত্র হয়ে ফিরল যেমন সে পবিত্র ছিল সেদিন, যেদিন সে
তার মায়ের পেট থেকে জন্মগ্রহণ করেছিল।" (বুখারি ও মুসলিম)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজের ফরজ তিনটি
১. হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধা।
২. আরাফার ময়দানে ৯ জিলহজ তারিখে অবস্থান (ও) করা।
৩. তাওয়াফে যিয়ারত করা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজের অনেক সুন্নত রয়েছে। নিচে কয়েকটি সুন্নত লেখা হলো-
১. বহিরাগতদের জন্য তাওয়াফে কুদুম (আগমনী তাওয়াফ করা)।
২. হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করা।
৩. সম্ভব হলে আরাফাতে গোসল করা।
৪. ইহরাম বাঁধার আগে গোসল করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ইহরাম আরবি শব্দ। এর অর্থ নিষিদ্ধ করা। নামাযের উদ্দেশ্যে যেমন তাহরিমা বাঁধতে হয়, হজের জন্যও তেমনি ইহরাম বাঁধতে হয়। এটি হজের আনুষ্ঠানিক নিয়ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত যেকোনো দিন ইহরাম বাঁধা যায়। এ সময় ছাড়া অন্য সমর ইহরাম বাঁধলে হবে না। এ সময় ইহরামের পোশাক পরবে ও কিবলামুখী হয়ে সরবে তালবিয়া পাঠ করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজ মৌসুম ছাড়া অন্য সময় যদি কেউ কারাঘর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা গমনের ইচ্ছা করে তবে তাকেও হজের ইহরাম বাঁধার স্থান (মিকাতে) পৌছ ইহরাম বাঁধতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ইহরাম বাঁধার পর মড়া পৌছে কাবাঘরের চারধারে তাওয়াফ করতে হয়। অর্থাৎ সাতবার ঘুরতে হয়। মক্কা শরিফ পৌঁছার পর এটি প্রথম তাওয়াফ। এ কারণে একে তাওয়াফে কুদুম বা আগমনি তাওয়াফ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আগমনি তাওয়াফ শেষ করে কাবাঘরের অনতিদূরে অবস্থিত সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝের পথটি সাতবার অতিক্রম করতে হয়। একে বলা হয় সাঈ। সাদা পাহাড় থেকে সাঈ মুরু করে মারওয়া পাহাড়ে শেষ করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

হজ পালনকালে অনিচ্ছায়ও অনেক ত্রুটিবিচ্যুতি বা নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। এই ত্রুটির কোনোটি গুরুতর আবার কোনোটি সাধারণ পর্যায়ের হয়ে থাকে। হজের ওয়াজিব পালনে ধারাবাহিকতার ব্যতিক্রম ঘটলে 'দম' ওয়াজিব হয়। যেমন- মাথা মুন্ডলের পূর্বে শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আর 'দম' হচ্ছে একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কুরবানি করা। উট, গরু বা মহিষের এক-সপ্তমাংশও এর স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। সাধারণভাবে ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজগুলো বা হারাম শরিফ এলাকায় নিষিদ্ধ কোনো কাজ করলে প্রতিকারস্বরূপ 'দম' বা কুরবানি করতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদাকা দিতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কুরবানির সমার্থক শব্দ 'উযহিয়‍্যাহ্'। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ফজর হতে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত যদি কেউ নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিক (সাহিবে নিসাব) হয়, তবে তার উপর কুরবানি ওয়াজিব। মুসাফিরের উপর কুরবানি ওয়াজিব নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

জিলহজ মাসের ১০, ১১ এবং ১২ তারিখ তিন দিন কুরবানির সময়। এ তিন দিনের যেকোনো দিন কুরবানি করা যায়। তবে প্রথম দিন কুরবানি করা উত্তম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সুস্থ সবল ছাগল, ভেড়া, দুম্বা গরু, মহিষ, উট ইত্যাদি গৃহপালিত পশু দ্বারা কুরবানি করতে হয়। গুরু, মহিষ এবং উটো এক হতে সাত জন পর্যন্ত শরিক হয়ে কুরবানি করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আকিকা' আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনো হালাল গৃহপালিত পশু জবেহ করাকে আকিকা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আকিকা করা সুন্নাত। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। সন্তানের বিপদাপদ দূর হয়। কাজেই প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নবজাত সন্তানের নামে যথাসময়ে আকিকা করা। হাদিসে আছে, "প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত। তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবেহ করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুন্ডন করা হবে।" (তিরমিযি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মাতাপিতার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সন্তান। সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে চারটি কাজ করা উত্তম।
ক. সন্তানের ইসলামি নাম রাখা।
খ. মাথা মণ্ডন করা।
গ. মাথার চুলের ওজন পরিমাণ সোনা বা রূপা বা তার মূল্য দান করা।
ঘ. আকিকা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আকিকা আদায়ের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আকিকার জন্য ছেলে হলে দুটি আর মেয়ে হলে একটি ছাগল বা ভেড়া জবাই করতে হয় কিংবা কুরবানির গরুর মধ্যে ছেলে জন্য দুই আর মেয়ের জন্য এক অংশ নেওয়া যাবে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবাই করাই যথেষ্ট।” (নাসায়ি)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আকিকার পশুর গোশত কুরবানির পশুর গোশতের ন্যায় তিন ভাগ করে একই নিয়মে বণ্টন করতে হয়। এ গোশত সন্তানের পিতামাতা, ভাইবোন সকলেই খেতে পারে। এ গোশত রান্না করে আত্মীয়স্বজন ও গরিব মিসকিনকে খাওয়ানো যায়। চামড়া গরিব-মিসকিনকে দান করে দিতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
38

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ বর্জন করে জীবন পরিচালনাকে ইসলামি পরিভাষায় ইবাদত বলে। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয় যথা : কালিমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ যথাযথ পালনের নাম ইবাদত । আবার মানব- জীবনের প্রতিটি কাজ ইসলামি বিধি-বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর সকল সৃষ্টবস্তু মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে । আর মানুষ ও জিন জাতিকে শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
■যাকাতের ধারণা, যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও যাকাতের মাসারিফ বর্ণনা করতে পারব।
■যাকাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।
■হজের ধারণা, পটভূমি, তাৎপর্য, ফজিলত, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতসমূহ ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■হজ পালনের ত্রুটি এবং তা সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
■সাম্য ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
■কুরবানির ধারণা, পটভূমি ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■বাস্তব জীবনে ত্যাগ ও উদারতা অর্জনে কুরবানির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব । আকিকার ধারণা ও আদায়ের নিয়ম বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

নামাজের উদ্দেশ্যে যেমন তাহরিমা বাঁধতে হয়, হজের জন্যও তেমনি ইহরাম বাঁধতে হয়। সালাতে তাকবিরে তাহরিমার পর যেমন সকল দুনিয়াবি চিন্তা বন্ধ হয়ে যায় তদ্রুপ ইহরাম বাঁধার পর দুনিয়ার বৈধ কাজ অবৈধ হয়ে যায়। শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত যেকোনো দিন ইহরাম বাঁধা যায়। এ সময় ছাড়া অন্য সময় ইহরাম বাঁধলে হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
83
উত্তরঃ

আমিরুল সাহেবের কাজটিতে আকিকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
'আকিকা' আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনো হালাল গৃহপালিত পশু জবাই করাকে আকিকা বলা হয়। আকিকা করা সুন্নাত। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। সন্তানের বিপদাপদ দূর হয়। কাজেই প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নবজাত সন্তানের যথাসময়ে আকিকা করা। হাদিসে আছে, "প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবাই করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুন্ডন করা হবে।" (নাসায়ি)
উদ্দীপকের আমিরুল সাহেব পুত্র সুহানের জন্মের সপ্তম দিনে দুটি ছাগল জবাই করেছেন। যাকে ইসলামি শরিয়তে আকিকা বলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, 'ছেলে সন্তানের জন্য-দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবেহ করাই যথেষ্ট।' (নাসায়ি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
80
উত্তরঃ

খাইরুল সাহেবের কাজটিতে কুরবানি পালিত হয়েছে। আর এতে মানবজাতির জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে।

কুরবানির সমার্থক শব্দ 'উযহিয়‍্যাহ'। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে। কুরবানি আল্লাহর নবি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি।

প্রদত্ত উদ্দীপকে ইমাম সাহেব বলেন, কুরবানিতে আমাদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে। কেননা কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।
সুতরাং কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে পরোপকারে উৎসাহিত করবে ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটাবে। যা ইমাম সাহেবের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
70
উত্তরঃ

রাসুলুল্লাহ (স.) নবি হওয়ার পর নিজের আকিকা নিজেই করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
76
উত্তরঃ

যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয়। আল্লাহর নির্দেশমতো যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনো লোক অন্নহীন, বস্ত্রহীন, গৃহহীন থাকবে না। কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাকাত ও সদকার অর্থে অভাবীদের প্রয়োজন মিটিয়েও অনেক জনহিতকর এবং কল্যাণমূলক কাজ করা যায়। বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা যায়। যারা কর্মক্ষম তাদের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
51
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews