সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত মোট ১১৮ টি মৌলিক পদার্থের কথা জানা গেছে। সাধারণত মৌলের পুরো নাম না লিখে ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের একটি বা দুইটি অক্ষর দিয়ে সংক্ষেপে মৌলটিকে প্রকাশ করা হয়। মৌলের পুরো নামের এ সংক্ষিপ্তরূপকে বলা হয় প্রতীক। যেমন- H (হাইড্রোজেন), ০ (অক্সিজেন), Ca (ক্যালসিয়াম) ইত্যাদি হচ্ছে প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতীক হলো কোনো একটি মৌলের সংক্ষিপ্ত রূপ। যেমন, হাইড্রোজেনের প্রতীক H, অক্সিজেনের প্রতীক ০। অন্যদিকে, সংকেত হলো কোনো একটি যৌগের রাসায়নিক গঠনকে প্রকাশ করে। সংকেতে মৌলের প্রতীক ও সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। যেমন, পানির সংকেত HO, এখানে H হাইড্রোজেনের প্রতীক এবং অক্সিজেনের প্রতীক, আর ২ সংখ্যাটি দ্বারা বুঝায়, দুটি H পরমাণু আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সংকেত লেখার জন্য মৌলের যোজনী জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ যোজনীই নির্ধারণ করে কোনো মৌল কত সংখ্যক অন্য মৌলের সাথে যুক্ত হবে। যোজনীর সাহায্যে আমরা কোনো যৌগে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সংখ্যা নির্ণয় করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, যোজনী ২ এবং ৪ এর যোজনী ১। তাই একটি দুটি H এর সাথে যুক্ত হতে পারে। ফলে পানির সংকেত হবে HO

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অ্যামোনিয়া (NH) এবং মিথেন (CH) যৌগে নাইট্রোজেন ও কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন ভিন্ন সংখ্যায় যুক্ত হওয়ার কারণ হলো এই দুটি মৌলের যোজনী ভিন্ন। নাইট্রোজেনের যোজনী সাধারণত ৩ এবং কার্বনের যোজনী ৪। অর্থাৎ, নাইট্রোজেন তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে এবং কার্বন 'চারটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়। এই কারণেই অ্যামোনিয়া ও মিথেন যৌগে N ও' এর সাথে হাইড্রোজেন যথাক্রমে ৩ এবং ৪ সংখ্যায় যুক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

P, CI এর সাথে যথাক্রমে PCI  PCI, যৌগ গঠন করে কেন? উত্তর: ফসফরাস (P) একটি পরিবর্তনশীল যোজনী বিশিষ্ট মৌল। ফলে ফসফরাসের যোজনী ও বা 5 হতে পারে। ক্লোরিনের যোজনী। হওয়ায় ফসফরাস 3টি ক্লোরিন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে PCI এবং ১টি ক্লোরিন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়েPCI5 যৌগ গঠন করে। অর্থাৎ, পরিবর্তনশীল যোজনীর কারণেই । ক্লোরিনের সাথে দুটি ভিন্ন যৌগ গঠন করতে সক্ষম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যৌগমূলকের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. যৌগমূলকসমূহ এমন পরমাণুগুচ্ছ, যারা স্বাধীনভাবে থাকে না।
২. মৌলিক পদার্থের পরমাণুর মতো যৌগ গঠনে অংশ নেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যৌগের আণবিক সংকেত লেখার দুটি নিয়ম হলো-
১. যৌগে উভয় মৌল বা যৌগমূলকের যোজনী একই হলে সংকেতে যোজনী লেখার প্রয়োজন হয় না; শুধু মৌল কিংবা মূলকগুলো পাশাপাশি লিখলেই চলে।
২. উভয় মৌলের কিংবা উভয় যৌগমূলকের যোজনী কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক হলে ঐ সংখ্যা দিয়ে যোজনীকে ভাগ করে বিনিময় করে লিখতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একটি রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুইটি অংশে ভাগ করা যায়। এক অংশে বিক্রিয়ক পদার্থ এবং অন্য অংশে বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন নতুন পদার্থ থাকে। বিক্রিয়ক পদার্থ হলো রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের পূর্বাবস্থা এবং বিক্রিয়াজাত পদার্থ হলো রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের শেষ, বা পরবর্তী অবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু ধ্বংস বা নতুন করে সৃষ্টি হয় না, পরমাণুর শুধু পুনর্বিন্যাস ঘটে। অতএব বিক্রিয়ার পূর্বে বিভিন্ন বিক্রিয়ক পদার্থে যতগুলো পরমাণু থাকে বিক্রিয়ার পরে বিভিন্ন বিক্রিয়াজাত পদার্থেও ততগুলো পরমাণু থাকে। ফলে বিক্রিয়ক দ্রব্য এবং উৎপন্ন দ্রব্যের মধ্যে পরমাণু সংখ্যার সমতা বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী বিক্রিয়ক দ্রব্য এবং উৎপন্ন দ্রব্যকে প্রতীক, সংকেত ও কতগুলো চিহ্নের (+, বা =) সাহায্যে সংক্ষেপে প্রকাশ করাকে রাসায়নিক সমীকরণ বলে। যেমন-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক সমীকরণে বিক্রিয়ক পদার্থ বা পদার্থগুলোর স্ব স্ব প্রতীক বা সংকেত সমীকরণটির তীর চিহ্নের (-) বামদিকে লিখতে হয়। বিক্রিয়াজাত পদার্থ বা পদার্থগুলোর স্ব স্ব প্রতীক বা সংকেত সমীকরণটির তীর চিহ্নের (→) ডান দিকে লিখতে হয়। বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থ একাধিক হলে তাদের সংকেতের মধ্যে যোগ চিহ্ন (+) দেওয়া হয়। এভাবে রাসায়নিক সমীকরণের বিক্রিয়ক এবং উৎপাদসমূহকে উপস্থাপন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক বিক্রিয়ার আগে বিভিন্ন পদার্থের অণুর মধ্যে যত সংখ্যক বিভিন্ন মৌলের পরমাণু থাকে, বিক্রিয়ার পরে গঠিত নতুন - অণুগুলোর মধ্যে ঠিক তত সংখ্যক বিভিন্ন মৌলের পরমাণু থাকতে হবে। তাই সমীকরণের উভয় পক্ষে মৌলের পরমাণু সংখ্যার সমতা আনার জন্য প্রতীক ও সংকেতগুলোকে প্রয়োজনীয় সংখ্যা দ্বারা গুণ করা হয়, যাকে বলা হয় রাসায়নিক সমীকরণের সমতাকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সংযোজন বিক্রিয়া হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া, যেখানে দুই বা ততোধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ গঠন করে। সহজ কথায়, এটি হলো বিভিন্ন উপাদানকে একত্রিত করেএকটি নতুন পদার্থ তৈরির প্রক্রিয়া। উদাহরণস্বরূপ, কার্বন এবং অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে।  

বিক্রিয়া: C+O2CO2

এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

Zn + S = ZnS -এই রাসায়নিক সমীকরণটি একটি সংযোজন বিক্রিয়াকে প্রকাশ করে। এখানে জিঙ্ক (Zn) এবং সালফার (S) নামক দুটি মৌল পরস্পর বিক্রিয়া করে জিঙ্ক সালফাইড (ZpS) নামক একটি নতুন যৌগ গঠন করে। যেহেতু এই বিক্রিয়ায় দুটি পদার্থ একত্রিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ তৈরি হয়েছে, তাই এটি একটি সংযোজন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দহন বিক্রিয়া হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া যেখানে কোনো পদার্থ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন পদার্থ তৈরি হয়। উদাহরণস্বরূপ, ম্যাগনেসিয়াম রিবনকে পুড়ানো হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এই বিক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে।

বিক্রিয়া: Mg + O = MgO

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

S + O2 = SO2- রাসায়নিক সমীকরণটি একটি দহন বিক্রিয়াকে প্রকাশ করে। এখানে সালফার (S) নামক মৌল অক্সিজেন (O2) গ্যাসের সাথে মিলিত হয়ে সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) গ্যাস উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়ায় তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। যেহেতু এই বিক্রিয়ায় সালফার অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে জ্বলে এবং তাপ ও আলো উৎপন্ন করেছে, তাই এটি একটি দহন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোন একটি মৌল বা মূলক অন্য কোন যৌগ থেকে অপর একটি মৌল বা মুলক অপসারিত করে নিজে তার স্থান দখল করে নতুন যৌগ গঠন করে তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। উদাহরণস্বরূপ, লোহাকে কপার সালফেটের দ্রবণে যোগ করলে লোহা তামাকে প্রতিস্থাপিত করে আয়রন সালফেট তৈরি করে এবং তামা মুক্ত হয়।

বিক্রিয়া: Fe + CuSO4 = FeSO4 + Cu

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

Mg + CuSO1 = MgSO4 + Cu; এই রাসায়নিক সমীকরণটি একটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াকে প্রকাশ করে। এখানে ম্যাগনেসিয়াম (Mg) কপার সালফেট (CuSO4) এর দ্রবণে যোগ করলে ম্যাগনেসিয়াম কপারকে প্রতিস্থাপিত করে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (MgSO4) তৈরি করে এবং কপার (Cu) মুক্ত হয়। যেহেতু এই বিক্রিয়ায় একটি মৌল অন্য একটি মৌলকে তার যৌগ থেকে প্রতিস্থাপিত করেছে, তাই এটি একটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিয়োজন বিক্রিয়া হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া, যেখানে একটি যৌগ ভেঙে একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পানি (H2O) তে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে হাইড্রোজেন (H2) এবং অক্সিজেন (O2) তে গ্যাসে বিভক্ত হয়। এই বিক্রিয়াকে বিয়োজন বিক্রিয়া বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

CaCO = CaO + CO2 বিক্রিয়াটিতে- বিক্রিয়ক ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) কে উত্তাপ দেওয়ার ফলে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) গ্যাসে বিভক্ত হয়। অর্থাৎ, একটি যৌগ (CaCO3) তার উপাদান পদার্থে (CaO এবং CO2) বিয়োজিত হয়েছে। এক্ষেত্রে যেহেতু একটি যৌগ তার উপাদানগুলোতে বিভক্ত হচ্ছে, তাই এটি একটি বিয়োজন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিয়োজন বিক্রিয়া এবং সংযোজন বিক্রিয়া পরস্পর বিপরীত প্রক্রিয়া; কেননা সংযোজন বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ তৈরি হয়। অন্যদিকে, বিয়োজন বিক্রিয়ায় একটি যৌগ তার উপাদান মৌলগুলোতে ভেঙে যায়। উদাহরণস্বরূপ, কার্বন এবং অক্সিজেন যুক্ত হয়ে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি করে (সংযোজন বিক্রিয়া)। আবার, ক্যালসিয়াম কার্বনেটকে উত্তাপ দেওয়ার ফলে ক্যালসিয়াম অক্সাইড এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডে বিভক্ত হয় (বিয়োজন বিক্রিয়া)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোম একটি রাসায়নিক বস্তু। একে পোড়ালে এতে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি পরিবর্তিত হয়ে তাপশক্তি ও আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। একইভাবে গ্যাসের চুলায় গ্যাস, জ্বালালেও গ্যাসে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি পরিবর্তিত হয়ে প্রচুর তাপশক্তি ও আলোক শক্তি উৎপন্ন করে। উৎপন্ন তাপশক্তি দিয়েই আমরা রান্নাবান্নার কাজ করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে এক বা একাধিক পদার্থ পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ তৈরি করে। অনেক বিক্রিয়ায় এই পরিবর্তনের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। একে তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া বলে। উদাহরণস্বরূপ, কয়লা জ্বালানোর সময় কার্বন এবং অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস এবং তাপ উৎপন্ন করে।

বিক্রিয়া:  C + O2  CO2 + তাপ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হয়, অর্থাৎ বিক্রিয়া সংঘটনের জন্য বাইরে থেকে তাপ সরবরাহ করতে হয়। একে তাপগ্রাহী বিক্রিয়া বলে। উদাহরণস্বরূপ, টেস্টটিউবে খাবার সোডা ও লেবুর রসের (সাইট্রিক এসিড) বিক্রিয়া ঘটানো হলে টেস্টটিউব শীতল হয়ে যায়। এই বিক্রিয়ার ফলে তাপশক্তি শোষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রশমন বিক্রিয়া হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া যেখানে কোনো এসিড এবং ক্ষারক পরস্পর বিক্রিয়া করে নিরপেক্ষ লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে। উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড বিক্রিয়া করে পটাশিয়াম ক্লোরাইড লবণ এবং পানি উৎপন্ন করায় এটি প্রশমন বিক্রিয়া।

বিক্রিয়া:     HCI      +      KOH       →   KCI        +     H2O

                এসিড             ক্ষার               লবণ            পানি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

NaOH + HCl = NaCl + H2O বিক্রিয়াটি প্রশমন বিক্রিয়ার স্পষ্ট উদাহরণ। এখানে NaOH হলো একটি ক্ষার এবং HCI হলো একটি এসিড। এই দুটি যৌগ পরস্পর বিক্রিয়া করে NaCl লবণ  (সোডিয়াম ক্লোরাইড) এবং H2O উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়ায় HCI এর অম্লত্বের তীব্রতা এবং NaOH এর ক্ষারত্ব হ্রাস পায় এবং দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়ে আসে। এই ধরনের বিক্রিয়া হচ্ছে প্রশমন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে পানিতে যোগ করলে তীব্র তাপ উৎপন্ন হয় এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড তৈরি হয়। এখানে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের একটি অংশ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে চুনের পানি তৈরি করে। কিন্তু বাকি অংশ পানিতে দ্রবীভূত না হয়ে সূক্ষ্ম কণা হিসেবে পানিতে ভাসমান থাকে। এই অদ্রবণীয় কণাগুলো সময়ের সাথে তলানি পড়ায় একটি সাসপেনশন তৈরি হয়।

বিক্রিয়া:  CaO + H2O =       Ca(OH)2

                                          চুনের পানি (লাইম ওয়াটার)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ড্রাইসেল প্রস্তুত করতে প্রথমে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4CI), কয়লার গুঁড়া ও ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড (MnO2) এর একটি পেস্ট তৈরি করা হয়। দস্তার পাত্রকে অ্যানোড হিসেবে নিয়ে তা প্রস্তুতকৃত পেস্ট দ্বারা পূর্ণ করা হয়। এরপর একটি কার্বন দন্ডকে ক্যাথোড হিসেবে নিয়ে উক্ত পেস্টের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দস্তার পাত্র থেকে স্পর্শহীনভাবে রাখা হয়। এভাবে ড্রাইসেল গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শুষ্ক কোষের ভিতরে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, যার ফলে ইলেকট্রন মুক্ত হয়। এই ইলেকট্রনগুলো একটি বৈদ্যুতিক পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে চায়। যখন কোষকে একটি বর্তনীতে সংযুক্ত করা হয়, তখন এই ইলেকট্রনগুলো একটি নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয়, যার 'ফলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এইভাবে শুষ্ক কোষের মধ্যে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

NaCl কে পানিতে দ্রবীভূত করে যখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করা হয়, তখন এটি তার উপাদান আয়নে তথা Na+' এবং CI--এ বিভক্ত হয়। সোডিয়াম আয়ন (Na')+ ক্যাথোডে গিয়ে ইলেকট্রন গ্রহণ করে Na+ ধাতুতে পরিণত হয়, আর CI-আয়ন অ্যানোডে গিয়ে ইলেকট্রন ত্যাগ করে CI গ্যাসে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াই হচ্ছে NaCl এর তড়িৎ বিশ্লেষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিশ্লেষ্য এবং অবিশ্লেষ্য পদার্থের মূল পার্থক্য হলো তাদের তড়িৎ পরিবহন করার ক্ষমতা। তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ হলো এমন পদার্থ যা গলিত অবস্থায় আয়নে বিভক্ত হয় এবং ত্বড়িৎ পরিবহন করতে পারে। যেমন, NaCl, HCI, NaOH ইত্যাদি। অপরদিকে, তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ হলো এমন পদার্থ যা গলিত অবস্থায় আয়নে বিভক্ত হয় না এবং তড়িৎ পরিবহন করতে পারে না। যেমন, গ্লুকোজ, ইউরিয়া ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) দ্রবণে বিয়োজিত হয়ে Na+  CI- আয়ন উৎপন্ন করে। একইভাবে দ্রবণে পানি বিয়োজিত হয়ে H+'  OH-আয়ন উৎপন্ন করে। বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে CI-আয়ন ও H+' আয়ন ক্যাথোডে গিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্লোরিন ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে দ্রবণ থেকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে দ্রবণে থাকা সোডিয়াম আয়ন (Na+) ও হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) যুক্ত হয়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) উৎপন্ন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
61

আমাদের চারপাশে নানা রকমের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে যাচ্ছে। এই সমস্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া কখনো শক্তি উৎপন্ন করে, কখনো ব্যবহার উপযোগী নতুন পদার্থ তৈরি করে আবার কখনো বা রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

   • বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের শক্তির রূপান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব,
   • শুষ্ক কোষের শক্তির রূপান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • তড়িৎ বিশ্লেষণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • পরীক্ষণ কাজে রাসায়নিক পদার্থ এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির ব্যবহার সঠিকভাবে করতে পারব;
   • আমাদের জীবনে রাসায়নিক বিক্রিয়ার অবদান উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণু কয়টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয় তার সংখ্যাকে যোজনী বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
139
উত্তরঃ

গ্যাসের চুলার পাইপ লাইন দিয়ে সরবরাহকৃত জ্বালানি গ্যাস হলো মিথেন (CH4)। চুলা জ্বালালে মিথেন গ্যাস বাতাসের অক্সিজেন (O2) এর সাথে দহন বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও সামান্য পানি উৎপন্ন করে। এছাড়াও এই বিক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপের কারণে খাবার সিদ্ধ বা রান্না হয়। বিক্রিয়াটি হলো-  CH4(g)+2O2(g)  CO2(g) + 2H2O(g) +  তাপ

এ কারণে রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালাতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
237
উত্তরঃ

উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি-

       Zn +                CuSO4                  ZnSO4            +      Cu

      জিঙ্ক           কপার সালফেট                      জিঙ্ক সালফেট             কপার

বিক্রিয়াটি একটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জানা আছে, যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি মৌল কোনো যৌগ থেকে অপর মৌলকে প্রতিস্থাপন করে নিজে ঐ স্থান দখল করে তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। (i) নং বিক্রিয়া হতে দেখা যায় যে, Zn (জিংক), CuSO4 (কপার সালফেট) এর Cu (কপার) কে প্রতিস্থাপিত করে ZnSO4, (জিংক সালফেট) লবণ ও Cu ধাতু তৈরি করে। অর্থাৎ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার সংজ্ঞানুসারে, (i) নং বিক্রিয়াটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
158
উত্তরঃ

উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি হলো 2K + Cl2 2KCI

এবং (iii) নং বিক্রিয়াটি হলো: NH4CI NH3 + HCI এখানে (ii) নং বিক্রিয়া হলো সংযোজন বিক্রিয়া ও (iii) নং বিক্রিয়া হলো বিয়োজন বিক্রিয়া। অর্থাৎ বিক্রিয়া দুটি ভিন্নধর্মী। নিচে এদের ভিন্নধর্মিতা বিশ্লেষণ করা হলো- ii) নং বিক্রিয়ায় একাধিক মৌল K ও CI পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি মাত্র যৌগ KCI গঠন করে। অর্থাৎ এ বিক্রিয়ায় একাধিক বিক্রিয়ক থেকে একটি মাত্র উৎপাদ উৎপন্ন হয়। অপরদিকে, (iii) নং বিক্রিয়ায় একটি যৌগ NH,CI4 ভেঙে দুটি ভিন্ন যৌগ NH3ও HCI উৎপন্ন হয়েছে। অর্থাৎ এ বিক্রিয়ায় একটি মাত্র বিক্রিয়ক থেকে একাধিক উৎপাদ উৎপন্ন হয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, (ii) ও (iii) নং বিক্রিয়ান্বয় পরস্পর ভিন্নধর্মী। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
114
উত্তরঃ

পানিতে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Ca(OH)]বা স্ল্যাকড লাইম এর সম্পৃক্ত দ্রবণকে লাইম ওয়াটার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
186
উত্তরঃ

CO2এবং CO23একে অপরের থেকে ভিন্নতর। কারণ CO2 হলো একটি যৌগ, যাকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বলা হয়। CO2 হলো চার্জ নিরপেক্ষ।

কিন্তু CO23 হলো একটি যৌগমূলক বা পরমাণুগুচ্ছ যা।টি পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে যাকে কার্বনেট মূলক বলা হয়। CO23হলো ঋণাত্মক চার্জযুক্ত মূলক; যার যোজনী 2 ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
187
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews