অনেকের অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর নাও থাকতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা, কর্মদক্ষতা, সময় ও শক্তি দ্বারা অর্থ সংগ্রহের পথ সুপ্রশস্ত হয় এবং অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা করে পরিবারের বস্তুগত সম্পদ বৃদ্ধি করা যায়।
'সম্পদ' গৃহ ব্যবস্থাপনার মৌলিক উপকরণ। সম্পদ ছাড়া লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। অর্থনীতিতে যেসব বস্তু বা সেবাসামগ্রী মানুষের অভাব মোচনে সহায়ক এবং যার বিনিময়মূল্য আছে তাই সম্পদ। কিন্তু গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে যা দ্বারা পরিবারের সকল চাহিদা পূরণ করে এবং অভিষ্ট লক্ষ অর্জন করে তাই সম্পদ।
সম্পদ আমাদের যাবতীয় চাহিদা পূরণের হাতিয়ার। সম্পদ ব্যবহার করে আমরা উপকৃত হই। সম্পদের বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-১. উপযোগ, ২. আয়ত্তাধীন, ৩. সীমাবদ্ধতা, ৪. পরস্পর পরিবর্তনশীলতা ও ৫. পরিচালনা যোগ্যতা।
মানুষের অভাব মোচনে পণ্যের ক্ষমতাই হলো উপযোগ।। যেসব দ্রব্যসামগ্রীর উপযোগ আছে, সেসব দ্রব্যসামগ্রী মানুষ পেতে। চায়। কারণ উপযোগ বিশিষ্ট দ্রব্যসামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ তার অভাব মেটাতে সক্ষম। তাই পণ্য বা সম্পদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। হলো উপযোগ।
চারটি উপায়ে উপযোগ বৃদ্ধি করা যায়। এগুলো হলো-
১. আকৃতির পরিবর্তন করে,
২. সময়োপযোগী ব্যবহার করে,
৩. স্থানান্তরকরণ দ্বারা ও
৪. চাহিদা মেটানোর দ্বারা।
সম্পদের উপযোগ স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে যেভাবে বাড়ানো যায় তাকে স্থানান্তকরণ বলে। যেমন- রাজশাহী অঞ্চলে প্রচুর আম উৎপন্ন হয়। এই আম অন্যান্য অঞ্চলে স্থানান্তর করে আমের উপযোগ বাড়ানো হয়।
সম্পদ নিজের অধীনে থাকলে আয়ত্তাধীন বলা হয় সম্পদ আয়ত্তাধীন হতে হবে। সম্পদ ব্যবহার করতে হলে আয়ত্তাধীন বা মালিকানাধীন হতে হবে। অন্যের অর্থ নিজের খুব কম কাজে লাগে। সম্পদ নিজের আয়ত্তাধীন না হলে তার ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। অন্যের সম্পদ যদি ধার নেওয়া যায় বা কেউ দান করে তখনই অন্যের সম্পদ কাজে আসে।
সীমাবদ্ধতা সম্পদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সম্পদ গুণগত ও পরিমাণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ। যেমন- শক্তি গুণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ এবং সময় পরিমাণগত। তবে সম্পদের সীমাবদ্ধতা স্থিতিস্থাপক। সময়ের সীমাবদ্ধতা সার্বজনীন। আবার শক্তির সীমাবদ্ধতা ব্যক্তি বিশেষে তারতম্য ঘটে।
সম্পদ পরস্পর পরিবর্তনশীল। পরস্পর পরিবর্তন আমরা কয়েকটি পদ্ধতিতে করতে পারি।
১. বিকল্প সম্পদ ব্যবহার, ২. বহুবিধ ব্যবহার, ৩. বিনিময়, ৪. রূপান্তরযোগ্য, ৫. সৃষ্টি করে।
সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারকেই পরিচালনা বলা হয়। মানুষ সচেতন বা অচেতনভাবেই হোক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে।
যেমন- বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে সময়, জ্ঞান, দক্ষতা, অর্থ ইত্যাদি সম্পদের ব্যবহার করা হয়। এসব সম্পদের ব্যহারের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতি যেমন- পরিকল্পনা, সংগঠন, নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধায়ন ও মূল্যায়নের প্রয়োজন হয়।
সম্পদের পরিচালন যোগ্যতা বৈশিষ্ট্যের কারণেই আমরা উপকৃত হই। সম্পদ পরিচালনার বৈশিষ্ট্য হলো-
১. লক্ষ অর্জন করা যায়,
২. সম্পদ বৃদ্ধি পায়,
৩. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে,
৪. অভাব ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা মোকাবিলা করা যায়,
৫. পরিতৃপ্তি লাভ করা যায় ইত্যাদি।
প্রত্যেক মানুষই কিছু না কিছু সম্পদের অধিকারী। তাই সম্পদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ও সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য সম্পদের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। সম্পদকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. মানবীয় সম্পদ ও ২. বস্তুগত সম্পদ।
যা মানুষের গুণচর্চা বা অনুশীলনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় তাকে মানবিক সম্পদ বলে। যেমন- সময়, বিদ্যা, শক্তি, দক্ষতা, জ্ঞান ইত্যাদি। প্রত্যেক পরিবারে একাধিক সদস্য থাকে। প্রত্যেক সদস্যের সামর্থ্য অনুযায়ী সময়, শক্তি, জ্ঞান, দক্ষতার যদি সুষ্ঠু ব্যবহার করা হয় তবে পরিবারটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে লক্ষ্যে পৌছাবে।
গার্হস্থ্য অর্থনীতিবিদগণ সময়কে মানবীয় সম্পদ হিসেবে । বিবেচনা করেছেন। সময় ছোট-বড়, ধনী-গরিব সব মানুষের জন্যই 1 সমান। সবার জন্যই ২৪ ঘণ্টা সময় নির্ধারিত। যে এর সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারবে, সে জীবনে সফল হয় ও প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।
শক্তি দুই ধরনের হয়। যথা- শারীরিক শক্তি ও মানসিক শক্তি। যেকোনো কাজ করার জন্য দুই ধরনের শক্তির প্রয়োজন হয়। উপযুক্ত অভ্যাস, অনুশীলন ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা দ্বারা শক্তি ব্যয় করার দক্ষতা বৃদ্ধি করে সফলতা অর্জন করা যায়।
গৃহকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান। পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান, বস্ত্রবিষয়ক জ্ঞান, শিশু পালনের জ্ঞান, গৃহপরিচালনা সম্পর্কিত জ্ঞান, ধর্মীয় জ্ঞান, বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানই একজন মানুষকে পরিবারে ও কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থকা দেখা যায়। চিন্তা, চেতনা, অনুভূতি, বিশ্বাস ইত্যাদি ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টি। শৈশবে শিশুর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে পিতামাতার চিন্তাধারা থেকে। তারপর বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশুর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। এই দৃষ্টিভঙ্গিই জীবনকে পরিচালিত করে।
পরিবারের সদস্যদের সামর্থ্য ও দক্ষতা পরিবারের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। তাই সামর্থ্য ও দক্ষতা পরিবারের সম্পদ। যে পরিবারে সদস্যদের সামর্থ্য ও দক্ষতা যত বেশি, সে পরিবার তত উন্নত। তবে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের সামর্থ্য ও দক্ষতা এক রকম নয়।
যে বস্তু ও সেবা চাহিদা পূরণে সহায়ক তাই বস্তুগত সম্পদ। যেমন- টাকা, জমি, ঘরবাড়ি ইত্যাদি। আবার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সুবিধাদি যেমন- রাস্তাঘাট, বাজার, স্কুল-কলেজ, পরিবহণ সুবিধা ইত্যাদি আমাদের চাহিদা পূরণ করে এবং গৃহজীবনকে সহজ করে।
অর্থ একটি বস্তুগত সম্পদ। এর বিনিময় মূল্য আছে এবং হস্তান্তরযোগ্য, পরিমাপযোগ্য। মানুষের জীবনে অর্থের গুরুত্ব অপরিসীম। অর্থ দ্বারা আমরা দ্রব্য ও সেবাকর্ম ক্রয় করে থাকি। এর সুষ্ঠু ব্যবহার জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দান করে।
সমাজ থেকে আমরা যেসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করি তাই সামাজিক সম্পদ। রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সুবিধা অধিকার সূত্রে মানুষ পেয়ে থাকে। পার্ক, বিনোদন, কেন্দ্র ইত্যাদি পারিবারিক জীবনের একঘেয়েমি দূর করে। এগুলো একটি দেশের জনগণ অধিকার সূত্রে ভোগ করার সুযোগ পায়।
সম্পদ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যই হলো এর ব্যবহার দ্বারা সর্বোচ্চ তৃপ্তি লাভ করা এবং লক্ষ্য অর্জন করা। আমাদের চাহিদা অসীম, কিন্তু সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই অসীম চাহিদা সীমিত সম্পদ দ্বারা পূরণ করতে হলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার প্রয়োজন।
সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার পরিবারের আয় বাড়াতে ব্যয় হ্রাস করতেও অর্থ সঞ্চয় করতে সহায়তা করে। পরিবারের সদস্যদের সময়, শক্তি, ক্ষমতা, দক্ষতা ও বৃদ্ধি ইত্যাদি মানবীয় সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে পরিবারের আয় বাড়ানো যায়। গৃহের আঙিনায় সবজি উৎপাদন, হাঁস-মুরগি পালন, ঘরে পোশাক তৈরি ইত্যাদি আয় বাড়াতে সাহায্য করে।
সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের ফলে সম্পদের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়। গৃহিণী যদি পরিবারের কাজের দায়িত্ব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেন তবে গৃহিণী অনেক সময় ও শক্তি বাঁচাতে পারেন। এ সময় ও শক্তি পরিবারের উন্নয়নমূলক কাজে বা অবসর বিনোদনে ব্যয় করতে পারেন। এতে পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ জন্মে।
সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে মানবীয় ও অমানবীয় সম্পদের সুষম বণ্টন হয়। ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকে। যেমন- বাজেট করে চলা। সময় তালিকা করে চলা। ফলে অল্প সম্পদ দ্বারাই অধিক তৃপ্তি লাভ করা যায় এবং মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।
সম্পদের আয়ু বাড়াতে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার প্রয়োজন। গৃহের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর, ইস্ত্রি, প্রেসার কুকার, ওভেন, আসবাবপত্র ইত্যাদির সঠিক যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ আর্থিক - অপচয় হ্রাস ও মানসিক প্রশান্তি দান করে।
Related Question
View Allশন্তি গুণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ।
বস্তুগত সম্পদ হস্তান্তরযোগ্য। এদের বিনিময় মূল্য আছে এবং এগুলো দুর্লভ ও পরিমাপযোগ্য। যেমন- অর্থ, জমি, বাড়ি, অলংকার ইত্যাদি বস্তুগত সম্পদ। এগুলোর মালিকানা হস্তান্তর করা যায়।
আয়শা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদের পরস্পর পরিবর্তনশীলতা বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।
সম্পদের পরস্পর পরিবর্তন কয়েক ভাগে করা যায়। যেমন- বিকল্প সম্পদ ব্যবহার। এক্ষেত্রে ভাতের পরিবর্তে রুটি খাওয়ার মাধ্যমে সম্পদের বিকল্প ব্যবহার করা যায়। একই সম্পদকে বহুবিধ কাজে ব্যবহার করা যায়। যেমন- খাবার ঘরের চেয়ার টেবিলকে পড়াশোনা, আলোচনা প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া একটি সম্পদ ব্যবহার করে অন্য সম্পদ সৃষ্টি করা যায়। যেমন- জমিতে চাষ করে ফসল উৎপাদন করা।
আমাদের সম্পদ সীমিত। এ সীমিত সম্পদ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে আমাদের প্রয়োজনীয় অভাব মেটাতে হয়। সম্পদের সুষ্ঠু পরিচালনায় অভাব মোকাবিলা করা যায় ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায়। আয়েশা বেগম তার পুরাতন শাড়ি দিয়ে ঘরের পর্দা, পাপোস তৈরি করেন। এর ফলে একটি সম্পদ অন্য একটি সম্পদে রূপান্তরিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, আয়েশা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদ রূপান্তরযোগ্য এই বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
সম্পদ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো এর ব্যবহার দ্বারা সর্বোচ্চ তৃপ্তি লাভ এবং লক্ষ্য অর্জন করা।
অসীম চাহিদাকে সীমিত সম্পদ দ্বারা পূরণ করতে হলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার প্রয়োজন। তাই আয়েশা বেগম তার নিজস্ব প্রচেষ্টার ফলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবারের চাহিদা মেটান।
তিনি যেভাবে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করেন তা নিচে দেওয়া হলো-
১. তিনি পরিবারের আয় বাড়াতে ও ব্যয় হ্রাস করার উদ্দেশ্যে সদস্যদের সময়, শক্তি, ক্ষমতা, দক্ষতা, বুদ্ধি ইত্যাদি মানবীয় সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করেন।
২. তিনি সীমিত সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কাজ সম্পাদন করেন। প্রয়োজনে তিনি পুরাতন কাপড়কে নানাভাবে ব্যবহার করেন।
৩. আয়েশা বেগম বাজেট ও সময় তালিকা করে চলেন। ফলে মানবীয় ও বস্তুগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয় এবং অল্প সম্পদ দ্বারাই অধিক তৃপ্তি লাভ করা যায়।
৪. তিনি গৃহের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর, ইস্ত্রি, প্রেসারকুকার, ওভেন ইত্যাদির সঠিক যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন। ফলে এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না, যা পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
পরিশেষে বলা যায়, পরিবারকে সুচারুরূপে পরিচালিত করতে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর আয়েশা বেগম এই কাজটি সুনিপুণ হাতে অত্যন্ত সহজভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তাই তার পরিবারের সকল সদস্য তার কাজে সন্তুষ্ট।
সীমাবদ্ধতা সম্পদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
সম্পদ গুণগত ও পরিমাণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ। যেমন- শক্তি গুণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ এবং সময় পরিমাণগত দিক থেকে সীমাবদ্ধ। সময়ের সীমাবদ্ধতা সার্বজনীন। আবার শক্তির সীমাবদ্ধতা ব্যক্তি বিশেষে তারতম্য ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!