সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খানের কাছ থেকে ক্ষমতা লাভ করে ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করে জাতির উদ্দেশ্যে প্রথম ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি ঘোষণা দেন, যত শীঘ্র সম্ভব সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৮শে মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে নির্বাচনসংক্রান্ত আইনগত কাঠামো আদেশ ঘোষণা করেন। সেখানে তিনি মূলত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত হবে, ভোটদানের প্রক্রিয়া কী হবে, কত দিনের মধ্যে নির্বাচত পরিষদ সংবিধন রচনা করবে ইত্যাদি তুলে ধরেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের আইনগত কাঠামো আদেশে বলা হয় ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ হবে, আর ৬২১ জন সদস্য নিয়ে হবে পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদ। এ মধ্যে জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং পশ্চিম পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ১৪৪টি আসন হবে। অপরদিকে প্রাদেশিক পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানে ৩১০ এবং পশ্চিম পাকিস্তানে ৩১১টি আসন ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালে ২রা জুলাই ইয়াহিয়া খানের ঘোষণা অনুযায়ী পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। এ নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক কাজ ছিল একটি সর্বজনীন ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা এবং সুষ্ঠু ভোট আয়োজন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৭টি আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮টি আসন পায়। এ নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় পরিষদের সদস্যদের এমএনএ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের এমপিএ বলা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে। সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে। আবার পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদালয়ে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আসম আবদুর রব সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সমবেশটি স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজন করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর। এটই ছিল সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ একমাত্র জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচনে মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে রায় দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকারের সব ধরনের কাজে অসহযোগিতা করে প্রশাসনকে অচল করে দিয়ে দাবি আদায়ের আন্দোলনকেই অসহযোগ আন্দোলন বলা হয়। অহিংস বা শান্তির নীতিতে এ আন্দোলন পরিচালিত হয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে দেশে অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৭ই মার্চের ভাষণের মূল বিষয়গুলো ছিল-
১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মানুষের মুক্তির দিকনির্দেশনা

২. যুদ্ধের রণকৌশল বর্ণনা;

৩. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার;

৪. গণহত্যার তদন্ত করা এবং

৫. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৭ই মার্চের ভাষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল মূলত পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসীদের স্বাধীনতা সংগ্রামের শাশ্বত প্রেরণার উৎস ও প্রতীক। এ ভাষণ জনগণের মনে পশ্চিম পাকিস্তানের 'শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রেরণা জোগায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে ১৯শে মার্চ পাকিস্তানি সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালালে এর প্রভাবে মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনা ব্যর্থ হয়ে যায়। ২৪শে মার্চ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সংকট সমাধানের চেষ্টা করলেও ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইট হলো পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ, নিরস্ত্র, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর পরিচালিত নৃশংস হামলার সাংকেতিক নাম। ১৯৭১ সালর ২৫শে মার্চ ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহরে এই অপারেশন পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত। সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করে এবং নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাই ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত্রি' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকা শহরের নিরস্ত্র, নিরীহ স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করে এবং নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোতে আক্রমণ শুরু করে গভীর রাতে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানসহ দেশের অন্যান্য শহরেও পাকিস্তানি বাহিনী ব্যাপক হত্যা শুরু করে। তাই ২৫ মার্চ ঢাকা শহর মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান শাসকরা এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষদের দমন করার জন্য অপারেশন সার্চলাইট নামে গণহত্যা চালায়। তারা এর মাধ্যমে বাঙালিদের নিমূল করতে চেয়েছিল। তবে তারা বাঙালিদের দমনে সক্ষম হয়নি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী পিলখানা, ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে নির্বিচার হত্যা চালায়। একইভাবে গণহত্যা। চালায় পুরানো ঢাকা, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়েরবাজার, গণকটুলি, ধানমণ্ডি প্রভৃতি স্থানে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ গণহত্যার পরিস্থিতিতে ২৬শে মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী 'অপারেশন সার্চ লাইট', এর নির্মম পরিকল্পনা মোতাবেক নিরস্ত্র বাঙালি জনতার ওপর আক্রমণের পর পরই বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর বিমানযোগে তাকে ২৯শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম সরকার ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয়। এ সরকার মেহেরপুর জেলার, বৈদ্যনাথতলায় ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। এ নামানুসারে বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার। জন্য ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে 'বিশ্বজনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রবাসী সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য ৬ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এই পরিষদের সদস্য ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, কমরেড মণি সিং, শ্রী মনোরঞ্জন ধর, তাজউদ্দীন আহমদ এবং খন্দকার মোশতাক আহমদ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করেন। এগুলো হচ্ছে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, 1 অর্থ-শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়, সাধারণ প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিভাগ, প্রকৌশল বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে যেমন- কোলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে। এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করে। যাদের নাম ছিল জেড, কে এবং এস ফোর্স। । জেড ফোর্সের প্রধান ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, কে ফোর্সের প্রধান ছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এস ফোর্সের প্রধান ছিলেন কে এম সফিউল্লাহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১১টি সেক্টরের প্রতিটি সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন। প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল। এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল। যেমন- টাঙ্গাইলে কাদেরিয়া বাহিনী, মাগুরার আকবর বাহিনী ও গোপালগঞ্জের হেমায়েত বাহিনী ইত্যাদি স্মরণীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তৎকালীন বাংলার সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রাণকেন্দ্র। তাই বাঙালির মুক্তি আন্দোলনকে নস্যাৎ করার হীন পরিকল্পনায় পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক পরিচালিত অপারেশন সার্চলাইটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী সমগ্র ঢাকা শহরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালায়। তারা প্রথমে আক্রমণ চালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, জগন্নাথ হল, রোকেয়া হল এবং বহু শিক্ষকের আবাসিক ভবনে তারা আক্রমণ করে অনেককে হত্যা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে ২৫ শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী সমগ্র ঢাকা শহরে নৃশংস হত্যাকান্ড চালায়। তারা পুরনো ঢাকার নবাবপুর, তাঁতিবাজার, শাঁখারীবাজার এলাকায় বসবাসকারী মানুষের ওপর নিষ্ঠুর গণহত্যা, নির্যাতন আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে লে. জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করে রাজাকার বাহিনী বাহিনী গড়ে তুলেছিল। প্রথমে আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে রাজাকার বাহিনী গড়ে তোলা হয় এবং পরে পাকিস্তানপন্থি অনেকে এ বাহিনীতে যোগদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাজাকাররা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চায়নি। তাই তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। তারা ছিল পাকিস্তানি মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং অখন্ড পাকিস্তানে বিশ্বাসী। তারা চায়নি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তাই তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, সবকিছু ধ্বংস করে এবং মানুষকে হত্যা করে মাটির দখল নেওয়ার নীতিকে বলা হয় পোড়ামাটি নীতি। এতে দখলকৃত জনপদের ভূমি ছাড়া সকল কিছু ধ্বংস করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী চেয়েছিল এদেশের সব সম্পদ প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে। এ কারণে পাকবাহিনী শুধু মানুষ হত্যা করে থেমে থাকেনি তারা এদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। তাদের লক্ষ্য ছিল এদেশের মানুষকে হত্যা করে মাটির দখল নেওয়া। তাই তারা পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যারা যুদ্ধ বা কোনো বিপর্যয়ের কারণে নিরাপত্তার অভাবে এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে আশ্রয় গ্রহণ করে মানবেতর জীবন যাপন করে তাদেরকে শরণার্থী বলে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে প্রায় ১ কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ-শাসন ও গণহত্যা থেকে বাঁচতে সর্বস্তরের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলার ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, নারী, শিক্ষক, কবি; সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণি মুক্তিযুদ্ধে লিপ্ত হয়। তাই মুক্তিযুদ্ধে সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের জন্য একে জনযুদ্ধ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিল ছাত্র। দেশের বিভিন্ন অন্যলে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ছাত্ররা। কলেজ, শ্বিবিদ্যালয়ে ছাত্রদের পাশাপাশি স্কুল পড়ুয়া কিশোররাও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের অবদান ছিল অত্যন্ত গৌরবময়। স্বাধীনতা লাভের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিলেন তারা। শত্রুর বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রতিটি আক্রমণে তারা ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতির হিসাব না করে তাদের লক্ষ্য ছিল যেকোনো মূল্যে স্বাধীনতা অর্জন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয় তাতে নারীদের বিশেষত ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়ে, সেবা দিয়ে, খাবার দিয়ে এবং প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশ নেন। তারামন বিবি, ডা. সেতারা বেগম বীর প্রতীক উপাধি পান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা রণাঙ্গনের নানা ঘটনা দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত করে; মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়ে বিজয়ের পথ সুগম করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ, বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায়ে পার্লামেন্ট সদস্যদের নিকট গমন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় প্রতিনিধি দল প্রেরণ, পাকিস্তানকে অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহ না করতে আবেদন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে তারা ব্যাপক কাজ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়ে, সেবা দিয়ে, খাবার দিয়ে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অস্ত্র লুকিয়ে রেখে নানাভাবে সাহায্য করেছে। তারা প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশ নিয়ে সাহায্য করেছিল। প্রায় দু লক্ষ নারী পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন সংস্কৃতি কর্মীর অবদান ছিল প্রশংসনীয়। পত্র-পত্রিকার লেখা, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রে খবর পাঠ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, কবিতা পাঠ, নাটক, কথিকা, এম আর আখতার মুকুলের অত্যন্ত জনপ্রিয় 'চরমপত্র' এবং 'জল্লাদের দরবার' ইত্যাদি অনুষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের পক্ষে ব্যাপক জোরালো অবস্থান গ্রহণ করতে পারেনি। তারা পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে মৌখিক নিন্দা জ্ঞাপন করে দায়িত্ব শেষ করে। তবে তারা বাঙালি শরণার্থীদের সাহায্য করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের পর সর্বাধিক সাহায্যকারী সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে কিউবা, যুগোস্লাভিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানিসহ তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন জানায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকার জন্য মূল কৃতিত্বের দাবিদার শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। ভারতের জনগণ ও সরকার প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয়, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রশস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে সাহায্য করে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে। ভারত ৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের পর সর্বাধিক অবদান রাখে অধুনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন। তারা পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানান। জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব সোভিয়েত ইউনিয়ন 'ভেটো' প্রদান করে বাতিল করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার পাকিস্তানের সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল। মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিকহ এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভারতীয় পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠানে ৪০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে জর্জ হ্যারিসন গান করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন। কনসার্টের আয় করা সকল অর্থ বাংলাদেশের জন্য দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধে কিছু কিছু দেশ বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ইরান ও সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মুসলিম দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালায়। এ আক্রমণের প্রেক্ষিতে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ কমান্ড গঠন করে। মূলত পাকিস্তানকে যৌথভাবে মোকাবিলা করার জন্য ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ড গঠন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি প্রায় ৯৩ হাজার সৈন্যসহ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মহাভারত এবং গ্রিক ঐতিহাসিক টলেমির লেখায় বাংলা নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। ইলিয়াস শাহ প্রথম সমগ্র বাংলা নিয়ে স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তখন থেকেই সমগ্র বাংলা অঞ্চল বাঙালা নামে পরিচিত। মুঘল আমলে সুবাহ বাংলা এবং ইংরেজ আমলে বেঙ্গল থেকে এভাবেই বাংলা শব্দটি পরিচিত হয়ে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ দেশ পূর্ববঙ্গ এবং ১৯৫৬ সালের পর পূর্বপাকিস্তান নামে পরিচিত হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শেখ মুজিবুর রহমান পূর্বপাকিস্তানের নামকরণ করেন। বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে সগৌরবে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে জাতীয় পতাকা তৈরির নকশা করা হয়। এই পতাকা তৈরির কাজে ছিলেন শিব নারায়ণ দাস। ১৯৭০ সালের ৬ই জুন গভীর রাতে অত্যন্ত গোপনভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের (তৎকালীন ইকবাল হল) ১১৬ নং কক্ষে পতাকা তৈরির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। বলাকা বিল্ডিংয়ে তৃতীয় তলায় অবস্থিত পাক ফ্যাশন টেইলার্সে জাতীয় পতাকাটি সেলাই করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানকে দায়িত্ব দেন জাতীয় পতাকার নকশা চূড়ান্ত করার। পটুয়া কামরুল হাসানের হাতেই আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে বিভক্ত করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' সংগীতটি রচনা করেন। যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত। এই দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামে যারা নিজেদের আত্মোৎসর্গ করেছে তাদের জন্যই নির্মিত হয় স্মৃতিসৌধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতজোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক। সাতজোড়া দেয়াল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের সাতটি ঘটনার প্রেক্ষিতে তৈরি। এ রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো- ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রসমাজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের এই গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বকারী মুজিবনগর সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বর্তমন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। এ স্মৃতিসৌধের ২৪টি ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল হলো ২৪ বছরের পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শোষণের প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৪ই ডিসেম্বর অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 1 তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী 1 স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরুক রাখার জন্য ১৯৯৭ সলের ২৬ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়। স্থাপিত হওয়ার কারণ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু' এ জায়গায় দাঁড়িয়ে তার ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগ্রত রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়। ১৯৭১ সালের ৭মার্চ বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ভাষণে এ স্থান থেকেই দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল এ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৮ই ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। সেদিন এই বধ্যভূমির বিভিন্ন গর্ত থেকে প্রচুর গলিত ও বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। যাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে, তারা হলেন- অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, ডা. ফজলে রাব্বী, চক্ষু চিকিৎসক ডা. আলীম চৌধুরী প্রমুখ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধ আদুঘরের সূচনা ঘটে। পরবর্তীকালে ১৬ ই এপ্রিল ২০১৭ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁও-এ নিজ ভবনে স্থানান্তরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিকে জনমানসে তুলে ধরতে ২০১৪ সালে খুলনায় বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর', সংক্ষেপে যেটি 'গণহত্যা জাদুঘর' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালের নির্বাচনের পর ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল সবচেয়ে বেশি অবাধ ও নিরপেক্ষ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০-এর নির্বাচনে বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে মোট ৭৮১ জন প্রার্থী অংশ নেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮টি আসন পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৭টি আসন লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৩রা মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্ররোচনায় স্থগিত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৭ই মার্চের ভাষণের ১ম দাবিটি ছিল চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৭ই মার্চের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল চারটি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

৭ই মার্চের ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হয়?

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া খান টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগ করেন?

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী ও মে. জে. খাদিম হোসেন 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনার নীল নকশা তৈরি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯শে মার্চ থেকে পূর্ব বাংলায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

২৪শে মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে এম.ভি সোয়াত থেকে অস্ত্র ও রসদ খালাস শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক বাঙালি জাতির ওপর নৃশংস হত্যাকান্ড পরিচালনার নীলনকশাকে 'অপারেশন সার্চলাইট' বলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে কালরাত্রি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান বাহিনীর ওপর হামলা করে ও নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা ইতিহাসে কালরাত্রি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঢাকা শহরের অপারেশন সার্চলাইটের দায়িত্বে ছিলেন- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপারেশন সার্চলাইটের নীল নকশা তৈরি করেন রাও ফরমান আলী

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পোড়ামাটির নীতি এমন একটি সাময়িক কৌশল, যা দ্বারা সেনারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সামরিক-বেসামরিক সবাইকে হত্যা করে এবং সবকিছু পুড়িয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার বিরোধী আন্দোলনের কারণে পাকবাহিনীর রোষানলে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লে. জেনারেল টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারি করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়াউর রহমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জিয়াউর রহমান ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়। অবস্থিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭০ সালে ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করার জন্য বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করা ছিল মুজিবনগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলতে সেই সরকারকে বোঝায় সেখানে শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না এবং রাষ্ট্রপতি শাসক ও নির্বাচিত সরকার প্রধান তাকেই রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিব নগর সরকারের প্রধামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭০ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারই হলো মুজিবনগর সরকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর নাম এম. মনসুর আলী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাজাকার ও আলবদর মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী সংগঠন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আল-বদর বাহিনীর ওপর বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রধান দায়িত্ব ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চরমপত্র হলো স্বাধীন বাংলা বেতারে প্রচারিত একটি অনুষ্ঠান। এটি পাঠ করতেন এম. আর. আখতার মুকুল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখা নারীদের বীরাঙ্গনা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচার করত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল জনগণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ দুজন নারী 'বীর প্রতীক' খেতাব অর্জন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভেটো হলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ৫টি রাষ্ট্রের বিশেষ ক্ষমতা। যার মাধ্যমে রাষ্ট্রটি যেকোনো সিদ্ধান্ত ঠেকিয়ে দিতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালালে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় ! সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ কমান্ড গঠন করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুঘল সম্রাট আকবরের সময় থেকে বাংলার পরিচয় হয় 'সুবাহ বাংলা' নামে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন শিবনারায়ণ দাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার রূপকার হলেন পটুয়া কামরুল হাসান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় পতাকার বৃত্তের লাল রং মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহিদদের রক্তের প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আমার সোনার বাংলা' সংগীতটি রচনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদদের অমর স্মৃতির প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নিমার্ণ কাজ শেষ হয় ১৯৭২ সালে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার সূর্য প্রতীক অপরাজেয় বাংলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপরাজেয় বাংলা' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপরাজয় বাংলা ভাস্কর্যটি বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন তানভীর করিম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোস্তফা আলী কুদ্দুস ছিলেন বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষা চিরন্তন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত একটি স্মরণ স্থাপনা। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু এ স্থানে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয় ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
48

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । পাকিস্তানের সামরিক শাসক যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পূর্ব পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দের ওপর একের পর এক নিপীড়নমূলক আচরণ করে, তখনই এদেশের জনগণ তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে । যার পরিণতি ছিল ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান । এ অভ্যুত্থানে ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান পদত্যাগ করলে তার উত্তরসূরি জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন । তিনি ঘোষণা করেন জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে । যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করলেও পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে গড়িমসি করে । একপর্যায়ে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে বিভিন্ন কূটকৌশল অবলম্বন করে এবং শেষ পর্যায়ে এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর নির্দেশে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশ শত্রুর দখলমুক্ত হয়।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় অস্থায়ী সরকারের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব;
  • মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব;
  • স্বাধীনতা ও বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ- বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • জাতীয় পতাকা তৈরি এবং এর ব্যবহার কৌশল বর্ণনা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নির্ধারণের ইতিহাস বর্ণনা করতে পারব;
  • মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে  পারব;
  • মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হব;
  • জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হব;
  • মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ সংরক্ষণে আগ্রহী হব;
  • বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের ঘটনার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব;
  • স্বাধীনতা দিবসে ছবি অঙ্কন করে প্রদর্শন করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ ও স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনতার ওপর হামলা করে। তারা এ দেশের নিরীহ জনগণের ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চ লাইট'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত আব্রাহাম লিঙ্কনের চরিত্র ও কর্মকাণ্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার চরিত্রে দয়া, সরলতা, উপস্থিত বুদ্ধি ও বাগ্মিতার সন্নিবেশ ঘটেছিল। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তিনি বাংলার মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। এছাড়াও পশ্চিম পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর হাত থেকে তিনি নিরীহ বাঙালিদের রক্ষা করেন। বীর বাঙালি তার নেতৃত্বে অস্ত্রধারণ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল।
উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি, আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন দয়া, সরলতা, বাগ্মিতা ও মিষ্টি ব্যবহারের অধিকারী। রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি অনন্য প্রতিভার সাক্ষর রেখে গেছেন। তার এ বিষয়গুলোর সাথে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্র এবং কর্মকাণ্ডের মিল দেখতে পাই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
523
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আব্রাহাম লিংকনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। তার বলিষ্ঠ ও আপোসহীন নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।
বাঙালি জাতির মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ এবং ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।
এছাড়া তিনি ১৯৬৬ সালের ছয়দফাভিত্তিক আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নজিরবিহীন বিজয় এবং ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়লে ২৬ মার্চ ১৯৭১-এর প্রথম প্রহরে তিনি সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়েই বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করে।
পরিশেষে বলা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক এবং তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
405
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিকেল চারটা একত্রিশ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
279
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews