বাংলাদেশের অন্যতম একজন সফল উদ্যোক্তা হলেন জনাব জহুরুল ইসলাম। তিনি ১৯২৮ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আই এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা আনয়নের জন্য মাত্র সাতাত্তর টাকা বেতনে সি এন্ড বি ডিপার্টমেন্টের ওয়ার্ক সরকার পদে চাকির নেন। এখান থেকেই তাঁর জীবনের সফলতা শুরু হয়। জহুরুল ইসলাম বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে ইসলাম গ্রুপ অব কোম্পানি নামে পরিচিত। তার প্রতিষ্ঠিত ৪ টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হলো: ইস্টার্ন হাউজিং লি., নাভানা লি., মিলনার্স লি., ঢাকা রি-রোলিং মিলস্ লি.।
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্প প্রতিষ্ঠান ইসলাম গ্রুপ অব কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জহুরুল ইসলাম।
জহুরুল ইসলাম ১৯৬৫ সালে ইসলাম গ্রুপ অব কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এর আওতায় রয়েছে ইস্টার্ন হাউজিং লি., নাভানা লি., মিলনার্স লি., এসেনশিয়াল প্রোডাক্ট লি., ঢাকা ফাইবার্স লি., ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল লি., নাভানা স্পোর্টস লি., ঢাকা রি-রোলিং মিলস লি., আফতাব অটোমোবাইলস লি., আফতাব ডেইরি ইত্যাদি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এসব শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ কর্মরত রয়েছে।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা স্যামসন এইচ চৌধুরী একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি। স্যামসন এইচ চৌধুরীর শিক্ষাজীবন ছিল বর্ণাঢ্যময়। তিনি ১৯৩০-১৯৪০ সাল পর্যন্ত কলকাতার বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। সেখান থেকে তিনি সিনিয়র কেম্ব্রিজ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন।
বাংলাদেশের শিল্প-বাণিজ্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হলো স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা স্যামসন এইচ চৌধুরী। তিনি শিক্ষাজীবন শেষে তাঁর পিতার পেশার কারণে ছোটবেলা থেকেই ঔষধ নিয়ে নাড়াচাড়া করতেন। ফলে তার মধ্যে এই ব্যবসায়ের প্রতি একটা আগ্রহ জন্মায়। তাই তিনি তাঁর এই আগ্রহ থেকে পরবর্তীতে অনেক চিন্তাভাবনা করে ফার্মেসি বা ঔষধের ব্যবসায়কেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। স্যামসন এইচ চৌধুরী' দেশের শিল্প-বাণিজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার উল্লেখযোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, স্কয়ার টয়লেট্রিজ, স্কয়ার টেক্সটাইলস, স্কয়ার হোল্ডিংস, স্কয়ার স্পিনিংস; স্কয়ার ফ্যাশনস, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড ইত্যাদি।
বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্যামসন এইচ চৌধুরী তার সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে ধৈর্য, অধ্যবসায় ও সততাকেই
মূল পুঁজি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রতিটি স্তরে সর্বোচ্চ মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চাই স্কয়ারকে মানুষের আস্থার আসনে বসিয়েছে বলে তিনি ধারণা পোষণ করতেন। সর্বদাই আশাবাদী এ উদ্যোক্তা মালিক ও শ্রমিকের যৌথ প্রয়াসকেই ব্যবসায়ে সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে মনে করতেন। শ্রমিকবান্ধব এ শিল্পপতির কারখানায় কখনো শ্রমিক অসন্তোষ লক্ষ করা যায় না।
১৯৫৮ সালে মাত্র ৮০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্ণধার স্যামসন এইচ. | চৌধুরী আরও তিন বন্ধুর অংশগ্রহণে ২০,০০০ টাকা করে প্রতিষ্ঠাকালীন মূলধন ৮০,০০০ টাকা সংগ্রহ করেন। তিনি কঠোর পরিশ্রম, সততা, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির মাধ্যমে মাত্র ১২ জন শ্রমিক নিয়ে শুরু করেন ওষুধ তৈরির কাজ। প্রথমে তৈরি করেন রক্ত পরিশোধনের 'এস্টল সিরাপ'। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সেদিনের ছোট্ট স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস আজ পরিণত হয়েছে | বিশাল স্কয়ার গ্রুপ অব কোম্পানিতে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৩০ ! হাজার মানুষ কর্মরত রয়েছে
স্যামসন এইচ চৌধুরী দেশের শিল্প-বাণিজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার উল্লেখযোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, স্কয়ার টয়লেট্রিজ, স্কয়ার টেক্সটাইলস, | স্কয়ার হোল্ডিংস, স্কয়ার স্পিনিংস, স্কয়ার ফ্যাশনস, স্কয়ার হাসপাতাল 1 লিমিটেড, মাছরাঙা টিভি ইত্যাদি।
Commercially Important Person বা CIP কে বাংলায় বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলা হয়। সাধারণত যেসব ব্যক্তি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তাকে সরকারিভাবে CIP মর্যাদা দেওয়া হয়। CIP মর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় বাণিজ্য ছাড়াও বিদেশ ভ্রমণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
দৃঢ় মনোবল আর কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে শাহিদা বেগম একজন আদর্শ উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছিলেন। সাংসারিক জীবনে শাহিদা বেগম স্বামী আর চার মেয়ে নিয়ে ভালোই চলছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে স্বামী মারা যাওয়ার পর বিপাকে পড়ে যান তিনি। স্বামীর টেইলারিং ব্যবসায়টি বন্ধ হয়ে গেল। পরিবারের কাজকর্ম ব্যতীত অন্য কোনো কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় কিছুই করতে পারছিলেন না। এদিকে চার মেয়েকে নিয়ে বাঁচার লড়াই। অবশেষে তিনি নানান বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও স্বামীর ব্যবসায়টি পুনরায় চালু করলেন। নিজের গহনা বিক্রি করে দুইজন কর্মচারীর সহযোগিতায় নেমে পড়লেন ব্যবসায়ে। কর্মচারীদের থেকে আস্তে আস্তে কাজ শিখে নিলেন তিনি। শুরুতে ! পরিবারের লোকজন তার এ কাজটি ভালোভাবে না নিলেও তিনি এখন সবার আদর্শ। বরিশাল জেলার একজন সফল নারী উদ্যোক্তা।
যে মায়েদের কমপক্ষে তিনজন সন্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও প্রতিষ্ঠিত তাদের রত্নগর্ভা মা আখ্যায়িত করা হয়। 'রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড' পুরস্কারের প্রচলন করেন আবুল কালাম আজাদ। এই অ্যাওয়ার্ড ২০০৩ সালে চালু করা হয়। প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মায়ের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। মায়েদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এ পুরস্কারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রতি বছর বিশ্ব মা দিবসে এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়।
যে মায়েদের কমপক্ষে তিনজন সন্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও প্রতিষ্ঠিত তাদের 'রত্নগর্ভা মা' আখ্যায়িত করা হয়। 'রত্নগর্ভা মা' অ্যাওয়ার্ড পুরস্কারের প্রচলন করেন আবুল কালাম আজাদ। এ অ্যাওয়ার্ড ২০০৩ সালে চালু করা হয়। প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাকে স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। মায়েদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এ পুরস্কারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রতিবছর বিশ্ব মা দিবসে এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়।
লুৎফা সানজিদা সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কাজ করেন। তিনি প্রতিবন্ধী নারী, স্বামী পরিত্যক্তা ও নির্যাতিত নারীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের সহায়তা করেন। এতে দুস্থ নারীরা বিশেষভাবে উপকৃত হন।
নায়েব আলীর বাড়ি বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার হরিহারা গ্রামে। তিনি ২৭ বছরের বিদেশ-ফেরত একজন উদ্যমী যুবক। বিদেশ থেকে নিঃস্ব হয়ে ফেরত এসেও তিনি দমে না গিয়ে পাশের গ্রাম থেকে মাত্র ৩০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেন হাঁসের খামার। অল্পদিনের মধ্যেই হয়ে উঠেন স্বাবলম্বী। খামারের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় দু'জন নিয়মিত কর্মচারীর সাথে আনুষঙ্গিক কাজের জন্য রাখলেন আরও দশজন। এভাবে তার খামারে ১২জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলো। তিনি হরিহারা গ্রামসহ আশেপাশের গ্রামের বেকার যুবকদেরও হাঁসের খামারের মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন। যার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হলেন নায়েব আলী। আর এভাবেই নায়েব আলীর উদ্যোগের কারণে অগণিত বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হলো।
কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে কেন্দ্র করে যখন কোনো ব্যক্তি মুনাফার উদ্দেশ্যে ব্যবসায় পরিচালনা করেন, তখন তাকে স্থানীয় উদ্যোক্তা বলে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা সাধারণত নির্দিষ্ট পাড়া, মহল্লা বা এলাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাদের উদ্যোগটি হয় অপেক্ষাকৃত ছোট প্রকৃতির কোনো বাজারকে কেন্দ্র করে।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে ছোট থেকে বড় ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। এসব তথ্য প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। প্রতিবেদন পাঠ করে আমরা অনুপ্রাণিত হই এবং ব্যবসায় করার সাহস করতে পারি। এসব উদ্দেশ্যে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
Related Question
View Allস্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস'-এর প্রতিষ্ঠাতা স্যামসন এইচ চৌধুরী।
ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতিকে ঝুঁকি বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসায় পরিচালনা করা হয়। তবে ব্যবসায় জগতে ভবিষ্যৎ সর্বদাই অনিশ্চিত। ব্যবসায় সবসময় সাফল্য বয়ে আনবে এমন নয়। পণ্য নষ্ট হওয়া, চাহিদা কমে যাওয়া, মূল্য কমে যাওয়া প্রভৃতি কারণে ব্যবসায় লোকসানের সম্মুখীন হতে পারে। ব্যবসায়ে মুনাফা অর্জনের এ অনিশ্চয়তাকে ব্যবসায়ে ঝুঁকি বলে।
জনাব ইশরাককে উদ্যোক্তা হতে যে গুণটি সাহায্য করেছে তা হলো স্বাধীনচেতা মনোভাব।
স্বাধীনচেতা মনোভাব বলতে অন্যের অধীনে কাজ বা অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা পছন্দ না করাকে বোঝায়। স্বাধীনচেতা ব্যক্তি কখনোই অন্যের অধীনে কাজ করতে আগ্রহী হন না। নিজ মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে তিনি নিজেই নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেন।
উদ্দীপকে এম.কম. পাস করার পর জনাব ইশরাক চাকরি শুরু করলেও চাকরির নিয়ম-কানুন তার পছন্দ হয়নি। অর্থাৎ, অন্যের অধীনে থাকা তার পছন্দ নয়। তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তাই নিজেই 'রাজ ফার্মা' প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। এতে তিনি নিজেই শ্রম দিতে পারবেন। অন্যের অধীনে কাজ করার কোনো ঝামেলা তাকে পোহাতে হবে না। অর্থাৎ নিজ ব্যবসায়ে কী করা প্রয়োজন তা তিনি নিজেই নির্ধারণ করবেন। তার এরূপ স্বাধীনচেতা মনোভাব তাকে উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করেছে।
উদ্দীপকে 'রাজ ফার্মা'-এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইশরাকের মধ্যে উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভৃতি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় হয়েছে।
একজন উদ্যোক্তার বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আছে। যেমন: স্বাধীনচেতা মনোভাব, উদ্যম, সাংগঠনিক ক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রমী প্রভৃতি। এসব বৈশিষ্ট্য উদ্যোক্তাকে সফল হতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের জনাব ইশরাকের উদ্যোগের ফলে 'রাজ ফার্মা' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে তার আত্মনির্ভরশীলতার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। তিনি নৈতিকতা বজায় রেখে ব্যবসায় করেন বলে তার সততা ফুটে উঠেছে।
এছাড়া কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে তিনি ব্যবসায় পরিচালনা করেন। তিনি সফলতা পাওয়া না পর্যন্ত কাজে নিয়োজিত থাকেন। তার মধ্যে এই ধৈর্য্য ও ঝুঁকি নেওয়ার সাহস ছিল। সাফল্য অর্জনের এসব আকাঙ্ক্ষা তার মধ্যে বিদ্যমান। তাই বলা যায়, একজন সফল উদ্যোক্তা যে বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন জনাব ইশরাকের মধ্যে তা আছে।
ইস্টার্ন হাউজিং ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
যিনি বা যারা ব্যবসা বাণিজ্য স্থাপন ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি বা তাদের বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলা হয়।
বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা দেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন ও নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। তারা নিয়মিতভাবে কর দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় আয় বাড়াতে সহায়তা করে। বৈদেশিক বাণিজ্য বিস্তারের মাধ্যমে তারা দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!






