লভ্যাংশ প্রদান অনুপাত নীতি অনুযায়ী আয়ের কম অংশ লভ্যাংশ প্রদান করা হয়। এ নীতি অনুযায়ী কোম্পানি প্রতিবছর অর্জিত আয়ের কত অংশ লভ্যাংশ প্রদান করবে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানি প্রতিবছর আনুপাতিক হারে লভ্যাংশ প্রদান করে।
মুনাফার একটি অংশ ভবিষ্যতে ব্যবসায়ের কাজে অর্থায়নের জন্য সংরক্ষিত থাকে। মুনাফার অংশ থেকে সংরক্ষিত অর্থ সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে গণ্য হয়। কোম্পানি এ ধরনের তহবিল ব্যবসায় সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করতে পারে।
শেয়ারবাজারের সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে সূচক বাড়ে, আবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলে সূচক কমে।
শেয়ারবাজার যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে মূলধন সংগ্রহের বাজার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার এ বাজারে ক্রয়-বিক্রয় হয়। কোম্পানি এ ধরনের বাজার থেকে দার্ঘমেয়াদি মূলধন সংগ্রহ করে থাকে।
বিনিয়োগকারীরা লাভের প্রত্যাশায় বিভিন্ন খাতে অর্থ লগ্নি করে থাকে। কোম্পানির ইস্যুকৃত সাধারণ শেয়ার, অগ্রাধিকার শেয়ার, বন্ড ৬ ডিবেঞ্চার বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের খাত হিসেবে বিবেচিত হয়।
বন্ড ও ডিবেঞ্চারের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ:
বন্ড | ডিবেস্তার |
১. বন্ডের সাথে ঋণপত্রের মূল পার্থক্য হলো বন্ডের বিপরীতে স্থায়ী সম্পত্তি বা দলিলপত্রাদি জামানত হিসেবে রাখা হয়। | ১. ডিবেঞ্চারের বিপরীতে কোনো জামানত রাখা হয় না। |
২. জামানতযুক্ত বিধায় বন্ডের ঝুঁকি কম: | ২. ডিবেঞ্চারের বিপরীতে কোনো জামানত থাকে না এক বিধায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ। |
শেয়ারকে ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা সাধারণ শেয়ার, অগ্রাদি শেয়ার, বিলম্বিত শেয়ার, রাইট শেয়ার এবং বোনাস শেয়ার।
যৌগমূলধনি কোম্পানি সরকারের অনুমতি নিয়ে ন্যূনতম মূলধন সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে সংবাদপত্রের মাধ্যমে বিবরণপত্র ছাপিয়ে কোম্পানিটি সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং জনগণের নিকট শেয়ার ক্রয়ের আবেদন চাওয়া হয়।
তারল্যের প্রয়োজনে শেয়ারহোল্ডাররা সেকেন্ডারি মার্কেট যেমন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার বিক্রি করে। সেখানে মূল্য বৃদ্ধি পেলে তাদের লাভ হয়।
যারা যৌথমূলধনি কোম্পানির ইস্যুকৃত শেয়ার ক্রয় করে তাদের শেয়ারহোল্ডার বলা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা সাধারণত কোম্পানির মালিক হিসেবে গণ্য হয়।
যে শেয়ার ক্রয় করে কোম্পানির মালিকানা লাভ করা যায় তাকে সাধারণ শেয়ার বলে। সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এছাড়া তারল্যের প্রয়োজনে সেকেন্ডারি বাজারে ধারণকৃত শেয়ার বিক্রি করতে পারে। কেননা এ ধরনের শেয়ার সহজে হস্তান্তরযোগ্য।
কোম্পানির অবসায়নকালে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের দাবি সবার শেষে মেটানো হয়। এক্ষেত্রে সম্পত্তি বিক্রি হতে প্রাপ্ত অর্থ থেকে প্রথমে সকল পাওনাদারদের দাবি মেটানো হয়। পরবর্তীতে অগ্রাধিকার শেয়ারমালিকদের দাবি মেটানোর পর সাধারণ শেয়ারমালিকদের দাবি মেটানো হয়।
সাধারণ শেয়ার থেকে আয় নির্দিষ্ট থাকে না। ফলে কোম্পানি অধিক আয় করলে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্ত আয়ও বৃদ্ধি পায়। তাই সাধারণ শেয়ার থেকে আয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সাধারণ শেয়ারমালিকরা কোম্পানির প্রকৃত মালিক হিসেবে গণ্য হয়। তাই শেয়ারমালিকরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এ ভোটাধিকার প্রয়োগ করার মাধ্যমে সাধারণ শেয়ারমালিকরা কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সাধারণ শেয়ারের দুটি বৈশিষ্টা নিম্নরূপ:
(i) সাধারণ শেয়ার বিনিয়োগকারীকে কোম্পানির মালিকানা দেয়।
(ii) সাধারণ শেয়ারমালিকদের কোম্পানি নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ কারণ শেয়ারমালিকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হয় Windows পারে
সাধারণ শেয়ারের সুবিধাসমূহ হলো অধিক আয়, সীমাবদ্ধ দায় এবং তারল্য। আয় হার নির্দিষ্ট না থাকায় কোম্পানি অধিক আয় করলে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্ত আয়ও বৃদ্ধি পায়। সাধারণ। শেয়ারমালিকদের দায় তাদের ক্রয়কৃত শেয়ারসংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ। এছাড়া এ শেয়ারে বিনিয়োগকারী যেকোনো সময় ইচ্ছে করলে ধারণকৃত শেয়ার বিক্রি করে নগদ টাকা সংগ্রহ করতে পারে। যার ফলে তারল্য সুবিধা অধিক।
যে শেয়ারের মালিকানা লভ্যাংশ গ্রহণ ও মূলধন প্রত্যাবর্তনে অন্যান্য শেয়ারমালিকগণের চেয়ে অগ্রাধিকার পায় তাকেই অগ্রাধিকার শেয়ার বলে। অনেক ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার শেয়ারকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করার বিকল্প সুযোগ থাকে। অগ্রাধিকার শেয়ারমালিকরা নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পায় বিধায় শেয়ারমালিকদের আয়ের অনিশ্চয়তাও কম থাকে।
অগ্রাধিকার শেয়ারমালিকদের কোনো ভোটাধিকার থাকে না। ফলে অগ্রাধিকার শেয়ারমালিকদের কোম্পানির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
যে শেয়ারের মধ্যে অন্য শেয়ারে রূপান্তরের যোগ্যতা বিদ্যমান থাকে তাকে শেয়ারের রূপান্তরযোগ্যতা বলে। অনেক ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করার বিকল্প সুযোগ থাকে। ফলে বিনিয়োগকারী ইচ্ছে করলে এই সুযোগ ব্যবহার করে সাধারণ শেয়ারমালিক হতে পারে। এ ধরনের রূপান্তর প্রক্রিয়াকে শেয়ারের রূপান্তরযোগ্যতা বলা হয়।
কোম্পানি শেয়ারমালিকদের স্টক লভ্যাংশ প্রদান করলে উক্ত স্টক বা শেয়ারকে বোনাস শেয়ার বলা হয়। কোম্পানি, অবণ্টিত মুনাফা শেয়ারে রূপান্তর করে পুরাতন শেয়ারমালিকদের মধ্যে বোনাস শেয়ার হিসেবে ইস্যু করে থাকে।
কোম্পানি গঠনের পরবর্তী সময়ে শেয়ার বিক্রয় করার ক্ষেত্রে পুরাতন শেয়ারমালিকগণ ঐ শেয়ার ক্রয়ে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে, তাকে রাইট শেয়ার বলে। অর্থাৎ পরবর্তী সময়ে কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের প্রয়োজনে শেয়ার বিক্রি করা হলে পুরাতন শেয়ারমালিকগণ যখন ঐ শেয়ার ক্রয়ের অধিকার সংরক্ষণ করে তখন ঐ বিক্রয়যোগ্য শেয়ারকে রাইট শেয়ার বলা হয়।
মিউচ্যুয়াল ফান্ড বলতে বোঝায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের থেকে সংগৃহীত টাকা নিয়ে গঠিত একটি ফান্ড। এক্ষেত্রে ফান্ড ম্যানেজাররা চেষ্টা করেন যাতে বাজারের এমন কিছু লাভজনক সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করা যায়, যার ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা তাদের দেওয়া টাকার থেকে অধিক লাভ বা আয় করতে পারে।
যে শেয়ার কিনলে শেয়ারমালিকগণ অন্য সব ধরনের শেয়ারমালিকদের লভ্যাংশ পরিশোধের পর আনুপাতিক হারে লভ্যাংশ পায় তাকে বিলম্বিত শেয়ার বলে। কোম্পানি অবসায়নের ক্ষেত্রে এ শেয়ারহোল্ডারদের দাবি সবার পরে মেটানো হয়।
যে দলিল বা চুক্তিপত্রের মাধ্যমে কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের থেকে ঋণ মূলধন সংস্থান করে তাকে বন্ড বলে। এটি হলো জামানতযুক্ত ঋণের দলিল। বন্ডমালিকরা কোম্পানির ঋণদাতা হিসেবে গণ্য হয়। ফলে তাদের কোনো ভোটাধিকার থাকে না। তবে বড়মালিকরা নির্দিস্ট হারে আয় করে থাকে এবং জামানতযুক্ত বিধায় বন্ডের ক্ষেত্রে ঝুঁকিও কম থাকে।
বন্ডে বিনিয়োগকারীদের একটি সুবিধা হলো সুদের হার নির্দিষ্ট থাকে। অর্থাৎ বন্ডে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানি থেকে নির্দিষ্ট হারে সুদে পেয়ে থাকে। ফলে তাদের আয়ে অনিশ্চয়তা কম থাকে।
জামানতবিহীন দীর্ঘমেয়াদি বন্ডকে ডিবেঞ্চার বলে। ডিবেঞ্চার ইস্যু করে কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ মূলধন সংস্থান করে থাকে। 1 ডিবেঞ্চারের ক্ষেত্রে মেয়াদকাল এবং সুদের হার নির্দিস্ট থাকে।
ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নিয়মিত আয় পায়। ডিবেঞ্চারে নির্দিষ্ট মেয়াদকাল উল্লেখ থাকায় নির্দিষ্ট মেয়াদের পরে বিনিয়োগকারীরা আসল অর্থও ফেরত পেয়ে থাকে, তাই এটি অনেক বিনিয়োগকারীদের নিকট জনপ্রিয়।
যে বাজারে যৌথমূলধনি কোম্পানির শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয় তাকে শেয়ারবাজার বলে। সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের ক্ষেত্রে শেয়ারবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শেয়ার ইস্যুকারী কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য যে সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় তাকে স্টক এক্সচেঞ্জ বলে। স্টক এক্সচেঞ্জ নামক প্রতিষ্ঠান সাধারণ জনগণ বা প্রতিষ্ঠান থেকে কোম্পানিকে তহবিল সংস্থানে সহায়তা করে। এরূপ প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট স্থানের ব্যবস্থা করে।
বাংলাদেশে দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে। যথা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, ডিবেঞ্চার বন্ড ইত্যাদি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পূর্বে কোম্পানিগুলোর বার্ষিক আর্থিক বিবরণী সংগ্রহ করতে হয়। পরবর্তীতে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), ব্যবসায়ের ধরন, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, নিট সম্পদ মূল্যসহ (এনএভি) অন্যান্য তথ্যাদি বিশ্লেষণ করতে হয়। এছাড়া শিল্প খাত ও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় আনতে হয়।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পূর্বে কোম্পানিগুলোর বার্ষিক আর্থিক বিবরণী সংগ্রহ করতে হয়। পরবর্তীতে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), ব্যবসায়ের ধরন, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, নিট সম্পদ মূল্যসহ (এনএভি) অন্যান্য তথ্যাদি বিশ্লেষণ করতে হয়। এছাড়া শিল্প খাত ও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় আনতে হয়।
শেয়ারবাজারে সূচক প্রতিদিন ওঠানামা করে। এসব ওঠানামা বাজারের গতি বা দিক সম্পর্কে তথ্য দেয়। এ সূচকের ওঠানামা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারমূল্যের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে সূচক বাড়ে, আবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলে সূচক কমে।
শেয়ারবাজার দুইভাগে বিভক্ত, যথা: প্রাথমিক বাজার ও সেকেন্ডারি বা মাধ্যমিক বাজার।
যে বাজারে শেয়ার বিক্রির প্রথম প্রস্তাব করা হয়, সে বাজারকে খামক বাজার বলে। একজন বিনিয়োগকারী কোনো কোম্পানির
শয়ার বিক্রির প্রথম প্রস্তাবে অংশগ্রহণ করে শেয়ার ক্রয় করতে থমিক বাজারের শেয়ার ক্রয় করেছে বলে ধরা হয়।
কোম্পানি কর্তৃক প্রথমবার বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির পর বিনিয়োগকারীরা 'নিজেদের মধ্যে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে। যে বাজারে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে সে বাজারকে সেকেন্ডারি বাজার বলে। সেকেন্ডারি বাজারে শেয়ারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
সাধারণত একটি কোম্পানি অর্জিত নিট লাভ বা মুনাফার পুরো অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন করে না। নিট লাভ বা মুনাফার একটি অংশ ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করে এবং অবশিষ্ট অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন করে। এক্ষেত্রে বণ্টনকৃত নিট মুনাফার অংশটিই হচ্ছে লভ্যাংশ।
কোম্পানিকে প্রতিবছর লভ্যাংশ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
যেমন: অর্জিত লাভের কত অংশ লভ্যাংশ দেওয়া হবে, নগদ লভ্যাংশ না স্টক লভ্যাংশ ইত্যাদি। এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রতিটি কোম্পানির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকে, যা কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানে দিকনির্দেশনা দিতে পারে। এসব নীতিমালাকে লভ্যাংশ নীতি বলে।
লভ্যাংশ নীতি তিন প্রকার। যথা স্থিতিশীল টাকা লভ্যাংশ নীতি, লভ্যাংশ প্রদান অনুপাত নীতি ও স্থির লভ্যাংশ সাথে অতিরিক্ত লভ্যাংশ নীতি।
কোম্পানি দুইভাবে লভ্যাংশ প্রদান করে। যথা- নগদ লভ্যাংশ ও স্টক লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ার। যে লভ্যাংশ নগদ টাকায় প্রদান করা হয়, সে লভ্যাংশকে নগদ লভ্যাংশ বলা হয়। অপরদিকে কোম্পানি কর্তৃক ইস্যুকৃত শেয়ারের সংখ্যা আনুপাতিক হারে বাড়িয়ে যে লভ্যংশ ঘোষণা করা হয় তাকে স্টক লভ্যাংশ বলে।
যে লভ্যাংশ নগদ টাকায় পরিশোধ করা হয়, সে লভ্যাংশকে নগদ লভ্যাংশ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি কোম্পানি ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একজন শেয়ারমালিক ঐ কোম্পানির ১০ টাকা মূল্যের ৫,০০০ শেয়ার ধারণ করে। উক্ত ব্যক্তি নগদ লভ্যাংশ হবেচ টাকা বা ৫০০ টাকা।
কোনো কোম্পানি অবণ্টিত মুনাফা শেয়ারে রূপান্তর করে পুরাতন শেয়ারমালিকদের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করলে তাকে স্টক লভ্যাংশ বা বোনাস শেয়ার বলে। কোম্পানি অনেক সময় নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে স্টক লভ্যাংশ বা নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি স্টক লভ্যাংশ দিয়ে থাকে।
Related Question
View Allযে নীতি অনুযায়ী লাভ বা মুনাফার অংশ শেয়ার মালিকদের মধ্যে বণ্টন করা হয় তাকে লভ্যাংশ নীতি বলে। সব কোম্পানিকে প্রতিবছর লভ্যাংশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
