ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত একটি নেটওয়ার্ক, যা সারা বিশ্বের কম্পিউটার এবং ডিভাইসমূহকে সংযুক্ত করে। তার বা বেতার মাধ্যমে এটি মানুষ কিংবা ডিভাইসকে তথ্য শেয়ার করতে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে, ই-মেইল পাঠাতে এবং চ্যাটিং করতেও ইন্টারনেট ব্যবহৃত হয়।
ডিজিটাল কনটেন্ট হলো এমন এক প্রকার কনটেন্ট যা ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয়। এতে লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ এবং ভিডিয়ো অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি কম্পিউটারে ফাইল আকারে বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
কোনো তথ্য আধেয় বা কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারেবিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট। ডিজিটাল কনটেন্ট টেক্সট বা লিখিত হতে পারে, ছবি, ভিডিও ও এনিমেশন হতে পারে, শব্দ বা অডিও আকারে হতে পারে। সব ধরনের লিখিত কনটেন্ট টেক্সট কনটেন্ট, সবধরনের ছবি বা কম্পিউটারে সৃষ্ট ছবি, ছবি ধারার ডিজিটাল কনটেন্ট। অন্যদিকে শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট শব্দ কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। আর ভিডিও ও এনিমেশনের মধ্যে রয়েছে ভিডিও, ভিডিও শেয়ারিং সাইট, ভিডিও স্ট্রিমিং ইত্যাদি। এসব ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
ডিজিটাল কনটেন্ট প্রধানত চার প্রকার। যথা:
১. টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট
২. ছবি
৩. শব্দ বা অডিয়ো এবং
৪. ভিডিয়ো ও এনিমেশন।
ডিজিটাল মাধ্যমে লিখিত তথ্যই টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট। সব ধরনের লিখিত তথ্যই এই ধারার কনটেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, ই-বুক সংবাদপত্র, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের বিবরণ ইত্যাদি। ডিজিটাল কনটেন্টের মধ্যে লিখিত তথ্যের পরিমাণ বেশি।
ছবির কনটেন্টের মধ্যে ক্যামেরায় তোলা ছবি, হাতে আঁকা ছবি, কার্টুন, ইনফো-গ্রাফিক্স এবং এনিমেটেড ছবি অন্তর্ভুক্ত। সব ধরনের ছবি - কম্পিউটারে সৃষ্ট বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রাপ্ত ছবি এই ধারার হতে পারে।
শব্দ বা অডিয়ো আকারের সব কনটেন্ট অডিয়ো কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। যেকোনো বিষয়ের অডিয়ো ফাইল ও ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত।
মোবাইল ফোনে ভিডিয়ো ধারণের সুবিধা এবং ইউটিউবের মতো বিভিন্ন ভিডিয়ো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের কারণে ভিডিয়ো কনটেন্ট জনপ্রিয় হয়েছে। ভিডিয়ো স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিয়ো যেমন- খেলা, কনসার্ট ইত্যাদি বর্তমানে অনেক জনপ্রিয়।
ভিডিয়ো স্ট্রিমিং হলো কোনো ঘটনার ভিডিয়ো সরাসরি ইন্টারনেটে প্রচার। এটি ভিডিয়ো কনটেন্টের একটি প্রকার, যা লাইভসম্প্রচারের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করে।
ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ডিজিটাল বা এনালগ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়। তবে এটি কম্পিউটারে ফাইল আকারে বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
ডিজিটাল কনটেন্টের সুবিধাগুলো হলো-
১. ডিজিটাল কনটেন্ট তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর করে।
২. এটি দ্রুত সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়।
৩. এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বহুমুখী তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি করে।
ডিজিটাল কনটেন্টের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. ডিজিটাল কনটেন্টে কোনো তথ্য ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে এবং প্রকাশিত হয়।
২. ডিজিটাল কনটেন্ট কোনো তথ্য ডিজিটাল আকারে প্রেরিত-গৃহীত হয়।
৩. এর শ্রেণিকরণ করা সম্ভব।
৪. এটি ডিজিটাল বা এনালগ আকারে সংরক্ষিত হতে পারে।
৫. ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ও মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট ইত্যাদি যুক্ত করা সম্ভব। বর্তমানে অনেক ই-বুক কেবল ইলেকট্রনিক মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়। এগুলো কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ই-বুক রিডার দিয়ে পড়া যায়।
ইবুকের মাধ্যমে পাঠকদের যে সকল সুবিধা হয় তা হলো-
১. ই-বুক দ্রুত ডাউনলোড করে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো স্থানে পড়া সম্ভব।
২. ব্যবহারিকভাবে এটি সংরক্ষণের জন্য কোনো লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন নেই, কম্পিউটার বা রিডিং ডিভাইসেই ই-বুক সংরক্ষণ করা যায়।
৩. এমনকি মুদ্রণযোগ্য বলে প্রিন্ট করেও পড়া যায়।
ই-বুক ব্যবহারে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো হলো-
১. ই-বুক সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
২. তথ্য অনুসন্ধান সহজতর।
৩. ই-বুকে সহজে বিতরণ ও বিক্রয়যোগ্য।
৪. ই-বুক আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী।
ই-বুক মুদ্রণ ছাড়াই সরাসরি পড়া যায়, যা উৎপাদন খরচ কমায়। এটি সহজে ডাউনলোড ও সংরক্ষণযোগ্য হওয়ায় লাইব্রেরি বা স্থান ভাড়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে এতে কোনো শিপিং বা প্যাকিং খরচ নেই। তাই এটি আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী।
ই-বুকে কাগজের ব্যবহার নেই বলেই এটি পরিবেশবান্ধব ভূমিকা পালন করে। এটি মুদ্রণ ছাড়াই পড়া যায়, যা বনজসম্পদ। সংরক্ষণে সাহায্য করে। এর ফলে পরিবেশে কার্বন নির্গমনও হ্রাস পায়
ই-বুককে পাঁচটি ভাগে। ভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলো হলো:
i) পিডিএফ
ii) এইচটিএমএল
iii) ই-পাব
iv) চৌকস ই-বুক এবং
v) ই-বুক অ্যাপস।
পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) বইগুলো মুদ্রিত। বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি। এগুলো মুদ্রিত বই-ই তবে ইলেকট্রনিক ডিভাইসে পড়ার উপযোগী যা সহজে বহনযোগ্য, স্থানান্তরযোগ্য ও আর্থিক সাশ্রয়ী। এগুলো পূর্ণাঙ্গ বই আকারে একসঙ্গে বা অধ্যায় হিসেবেও পাওয়া যায়।
সাধারণত যেসব ই-বুক অনলাইন তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, সেগুলোকেই বই এর ওয়েবসাইট বলে। এগুলো সচরাচর HTML (Hypertext Markup Language) আকারে প্রকাশিত হয় যা যে কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই পড়া যায়।
মুদ্রিত বইয়ের মতো কিছু বাড়তি সুবিধাযুক্ত ই-বুক হলো ই-পাব (Electronic Publication)। এগুলোতে বই এর কনটেন্ট ছাড়াও পাঠকের নিজের নোট লেখা, শব্দের অর্থ জানা ইত্যাদি সুবিধা থাকে। তবে এগুলো বিশেষ ডিভাইসে যেমন- কিন্ডল বা আইবুক রিডারে পড়া যায়।
চৌকস ই-বুক বলতে বুঝায় মাল্টিমিডিয়া সমৃদ্ধ ই-বুক, যাতে অডিয়ো, ভিডিয়ো এবং কুইজ থাকে। এতে পাঠকের জন্য কুইজের উত্তর করা ও উত্তর যাচাইয়ের সুবিধাও থাকে। এটি ইন্টারঅ্যাকটিভশিক্ষার অভিজ্ঞতা দেয় এবং ত্রিমাত্রিক ছবিও উপস্থাপন করে। এই বইগুলোকে স্মার্ট ই-বুকও বলা হয়।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারে উপকৃত হতে পারে এমন চারটি উপায় নিচে প্রদান করা হলো-
১. শব্দ বা অডিও ডিজিটাল কনটেন্ট কাজে লাগিয়ে এক ধরনের Digital Accessable Information System নামে প্লেয়ার এবং অডিও বুক তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে শব্দ শুনে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা বই পড়তে পারবে।
২. এছাড়া Braille Device নামে একটি যন্ত্র আছে, যা টেক্সট কনটেন্টকে dot pattern এর প্রতিস্থাপন করতে পারে যাতে টেক্সটগুলো আঙুলের মাধ্যমে অনুভব করে পড়া যায়।
৩. ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের অডিও রেকর্ড শুনেও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা শিক্ষাগ্রহণ করতে পারেন।
৪. বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে আগ্রহী মানুষেরা মিলে পাঠ্যবইয়ের সফট কপি তৈরি করে তাতে কণ্ঠ দিয়ে বইগুলো সংরক্ষণ করতে শুরু করেছে যাতে- দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা এ বইগুলো থেকে উপকৃত হতে পারে।
ই-বুকের জনপ্রিয় ফরম্যাটগুলোর মধ্যে পিডিএফ এবং ই-পাব 1. উল্লেখযোগ্য। পিডিএফ মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি হিসেবে পাওয়া যায়। ই-পাব ফরম্যাটে নোট নেওয়া ও শব্দের অর্থ দেখার সুবিধা থাকে।
কিছু ই-বুক নির্দিষ্ট ডিভাইস, যেমন কিন্ডল বা আইবুক রিডারে পড়া যায়।
ই-বুক অ্যাপস আলাদা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে প্রকাশিত হয়। এগুলো স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে ডাউনলোড করে পড়া যায়। অ্যাপসে ই-বুকের সব কনটেন্ট সহজে উপভোগ করা যায় এবং এটি ব্যবহারবান্ধব। এমনকি এটি কপিরাইটের আওতায় প্রকাশিত হয়।
শিক্ষায় ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব, যেমন- উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ এবং ইন্টারনেট-সক্ষম ডিভাইস। দেশের অনেক জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ সমানভাবে নেই; আবার, ভালো স্পিড পেতে হলে অনেক খরচ করতে হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয়বহুল।
শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণকে সহজ করেছে। কেননা একজন শিক্ষার্থী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা এবং পাঠ্যবইয়ের তথ্যের সীমাবদ্ধতায় তাদের শেখার চাহিদাকে পূরণ করতে পারে না। আর এ সীমাবদ্ধতা দূর করে শিক্ষা গ্রহণকে সহজ করেছে ইন্টারনেট। একজন শিক্ষার্থী কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে ইন্টারনেটকে জিজ্ঞেস করতে পারে, কোনো বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জনে ডিভিও দেখতে পারে, নিজেদের যাচাই করতে ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারে, ঘরে বসেই পছন্দের স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম কিনতে পারে এবং পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের বই-ও পাঠ্যবই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারে।
নিচে শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহারসমূহ উল্লেখ করা হলো-
১. ই-লার্নিং ব্যবস্থায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে বা ইন্টারনেটে নানা রকম মাধ্যম ব্যবহার করে শিক্ষা প্রদান বা প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।
২. শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করতে করতে কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে তা ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে তাদের কাঙ্ক্ষিত উত্তরটি জানতে পারবে।
৩. ইন্টারনেটে বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাতে-কলমে দেখার জন্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এছাড়াও অত্যন্ত চমৎকার সাইট রয়েছে যেখানে গণিতের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়।
৪. এছাড়া ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের ফোরাম রয়েছে। যেখানে উৎসাহী মানুষেরা নানান বিষয়ে গ্রুপ তৈরি করে রেখেছেন, তাদের কাছে যেকোন প্রশ্ন জানতে চাওয়া হলে তারা উত্তর দিতে পারেন।
স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা গেলেও, এর ছোট স্ক্রিনের কারণে শিক্ষার ক্ষেত্রে তা সীমাবদ্ধ। তবে এর বিকল্প হিসেবে ট্যাবলেট কার্যকর, কারণ এটি ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের মাঝামাঝি ডিভাইস এবং শিক্ষার জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য। বর্তমানে কোম্পানিগুলো ট্যাবলেটে ব্যবহার উপযোগী শিক্ষার অ্যাপস্ও তৈরি করছে।
শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং ট্যাবলেট ব্যবহারের সুযোগ থাকাই মুখ্য নয়, পাশাপাশি প্রয়োজন শিক্ষামূলক কনটেন্ট। যদিও এখনো বাংলায় পর্যাপ্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট নেই, তবে বাংলা ভাষায় শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরির উদ্যোগ সরকারি ও ব্যক্তিগতভাবে শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এগুলো সহজলভ্য হবে বলে আশা করা যায়।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে ছাত্র-ছাত্রীরা যেকোনো বিষয় সহজে অনুসন্ধান করে শিখতে পারে। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। গণিত বা ইংরেজি শেখার জন্য চমৎকার সাইট পাওয়া যায়। বিজ্ঞানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাতে-কলমে দেখার জন্যও সাইট। রয়েছে। এছাড়া উৎসাহী মানুষেরা বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপেও এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
ইন্টারনেট শিক্ষার্থীদের নতুন জগৎ উন্মোচন করতে সাহায্য করে। ইন্টারনেটের সাহায্যে তারা পাঠ্যবই ডাউনলোড করে পড়তে পারে, এতে বই ছিড়ে বা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে না। তাছাড়া, শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন কোর্স ও প্রোগ্রামিং শেখার সুযোগ পায়। তবে, এটি শিক্ষার্থীদের উপর নির্ভর করে তারা কীভাবে এই সুযোগ ব্যবহার করবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দূরদর্শী ব্যক্তিরা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য পাঠ্যবইয়ের সফট কপিতে কণ্ঠ সংযোজন করে সংরক্ষণ করা শুরু করেছেন। এতে করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিরা বইগুলো অডিয়ো ফরম্যাটে শোনার সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বইগুলো ইন্টারনেটে NCTB এর ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। এটি শিক্ষার্থীদের হারানো বা নষ্ট হওয়া বই পুনরুদ্ধারে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করে।
শিক্ষার্থীরা যেভাবে ইন্টারনেটের অপব্যবহার করে তা হলো-
১. ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না করে অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করা।
২. গেম খেলা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা।
ওয়েব পেইজ হলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইল। এটি এক ধরনের ডকুমেন্ট যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) ও ইন্টারনেটে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। এটি সাধারণত এইচটিএমএল (HTML) দিয়ে তৈরি হয় এবং এতে টেক্সট, ছবি, ভিডিয়ো, অডিয়ো এবং হাইপারলিংক থাকতে পারে
ইন্টারনেটের সাথে যথাযথভাবে সংযুক্ত একটি কম্পিউটারের বরাদ্দকৃত স্পেস বা লোকেশন যেখানে এক বা একাধিক ওয়েব পেইজ সংরক্ষণ করা হয় 'তাকে ওয়েবসাইট বলে। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্য ও সেবা প্রদানে সহায়তা করে।
ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন লিংক, কনটেন্ট ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহক যা ব্যবহারকারীদেরকে তথ্য জানানোর জন্য সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন করা হয়। ওয়েবসাইটের যে কোনো একটি সার্ভিস ওয়েব পোর্টালের একটি অংশ হতে পারে। একটি পোর্টাল পেইজে বাইরের সোর্স হতে তথ্য উপস্থাপনের ব্যবস্থা থাকে।
ওয়েব পেইজ হলো একটি নির্দিস্ট ডকুমেন্ট যা HTML দিয়ে তৈরি, আর ওয়েবসাইট হলো একাধিক ওয়েব পেইজের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্থান যা ইন্টারনেটে তথ্য বা সেবা প্রদানে ব্যবহৃত হয় এবং ওয়েব পোর্টাল হলো একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন লিংক.. কনটেস্ট ও সেবার সংগ্রহ যা সহজে উপস্থাপিত হয়।
বাংলাদেশ সরকারের 'বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন' (www.bangladesh.gov.bd) ওয়েব পোর্টালের একটি উদাহরণ। এটি বাংলাদেশের সরকারি পর্যায়ের সকল ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা সহজে পাওয়া যায় এমন একটি ওয়েব পোর্টাল।
ই-কমার্স ওয়েব পোর্টালের দুটি সুবিধা হলো:
১. পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে যেখান থেকে প্রয়োজনীয় ও পছন্দমতো পন্য নির্বাচন করা যায়।
২. পণ্য কেনাবেচার ব্যবস্থা থাকে, যেখানে অর্ডার ও পেমেন্ট সার্ভিস যুক্ত থাকে।
ওয়েব সার্ভার একটি বিশেষ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীদের রিকোয়েস্ট গ্রহণ করে এবং রেসপন্স প্রদান করে। ওয়েব ক্লায়েন্ট (যেমন: ওয়েব ব্রাউজার) ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে রিকোয়েস্ট পাঠায় এবং সার্ভারের রেসপন্স ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে।
forms.gov.bd হলো একটি ওয়েবসাইট যেখানে বাংলাদেশ সরকারের সকল প্রয়োজনীয় ফরম ওয়েব এনাবেলড ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। যে কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করে এ ঠিকানা থেকে ফরম ডাউনলোড করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারে।
মিডলওয়্যার হলো সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারী এবং সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি ডেটা রিকোয়েস্ট ও রেসপন্সের প্রক্রিয়া সহজ করে এবং ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। এর সাহায্যে ব্যবহারকারী পূর্বে রক্ষিত ডেটা ইন্টারনেট বা লোকাল এরিয়া - নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করতে পারে।
ওয়েব এনাবেলড ডেটাবেজ ইন্টারনেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়। এটি ব্যবহারকারীদের দূর থেকে ডেটা সার্চ, ভিজিট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাউনলোড করার সুযোগ করে দেয়। যেমন- ঘরে বসেই ক্রেতা বিক্রতোর ওয়েব এনাবলেড ডেটাবেজের মাধ্যমে তৈরিকৃত ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস ও পণ্য সার্চ করতে পারে।
ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে কোনো ওয়েব ক্লায়েন্ট সাধারণত HTTP বা HTTPS প্রোটোকল ব্যবহার করে সার্ভারের কাছে তথ্য বা উপাত্ত চেয়ে অনুরোধ পাঠায়। অনুরোধগুলো সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে পাঠানো হয় এবং অনুরোধের ফলাফল ওয়েব সার্ভার থেকে প্রাপ্ত হয়ে ওয়েব ব্রাউজারেই প্রদর্শিত হয়।
TCP/IP এক ধরনের কমিউনিকেশন প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েব ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি ডেটা প্যাকেট তৈরি, ট্রান্সমিশন এবং সঠিক ডেলিভারি নিশ্চিত করে।
HTTP (Hypertext Transfer Protocol) একটি অরক্ষিত প্রোটোকল যা ডেটা ট্রান্সমিশনে এনক্রিপশন ব্যবহার করে না। অন্যদিকে, HTTPS (Hypertext Transfer Protocol Secure) একটি সুরক্ষিত প্রোটোকল যা SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদ রাখে এবং তৃতীয় পক্ষের অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।
ডাউনলোড হলো দূরবর্তী সিস্টেম থেকে স্থানীয় সিস্টেমে তথ্য পাওয়ার উপায়। অর্থাৎ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট হতে কোনো তথ্য নিজস্ব কম্পিউটার বা ডিভাইসে সংরক্ষণ করা। যেমন: ই-মেইল বা ওয়েবসাইট থেকে কোনো ফাইল নিজের ডিভাইসে সংরক্ষণ বা সেভ করা।
আপলোড হলো স্থানীয় সিস্টেম থেকে ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দূরবর্তী কোনো সিস্টেমে তথ্য পাঠানোর প্রক্রিয়া। উদাহরণস্বরূপ, ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো ফাইল কাউকে পাঠানো হলে তা ই-মেইল সার্ভারে সেভ হয়।
ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয় কারণ এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার ও সার্ভারে সংরক্ষিত তথ্যের বিশাল ভান্ডার। এখানে বিভিন্ন প্রকারের তথ্য, যেমন শিক্ষামূলক, বিনোদন, ব্যবসা, গবেষণা ইত্যাদি সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং ব্যবহার করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে এই বিশাল তথ্যভান্ডারে প্রবেশ করা সম্ভব।
ওয়েব ব্রাউজারের মূল কাজ হলো ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভারগুলোতে সংরক্ষিত ওয়েব পেইজ (যেমন, টেক্সট, ছবি, ভিডিয়ো) প্রদর্শন করা। এটি ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) থেকে তথ্য খুঁজে বের করতে এবং Web Browsing-এর মাধ্যমে সেই তথ্য অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে।
ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ইনফরমেশন বা ওয়েব পেইজ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) প্রদর্শনের কাজ করে।
জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারি, ওপেরা, গুগল ক্রোম ইত্যাদি।
Web Browsing বলতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত পরস্পর সংযুক্ত ওয়েব পেইজ বা Www পরিদর্শনের প্রক্রিয়াকে বুঝায়। ওয়েব ব্রাউজিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন | তথ্য নিজের কম্পিউটারে দেখতে এবং সংরক্ষণ করতে পারে।
১৯৯০ সালে টিম বার্নাস লি 'World Wide Web'; নামে সর্বপ্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন। এটি-ই পৃথিবীর প্রথম ওয়েব ব্রাউজার। এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহারের পথিকৃত।
URL হলো একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা। URL এর পূর্ণরূপ Uniform Resources Locator। যেমন: http://www.shikkha.com।. URL প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত-প্রোটোকল নেইম, হোস্টনেইম এবং ফাইলের অবস্থানসহ নাম।
URL এর প্রধান অংশ তিনটি। যথা:
১) প্রোটোকলের নাম;
৩) হোস্টনেইম; ও
৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম।
হোম পেইজ হলো কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তির ওয়েবসাইটের মূল পেইজ। এটি সাধারণত Start page হিসেবে সেট করা থাকে। ব্রাউজারে ওয়েব অ্যাড্রেস টাইপ করার পর প্রথমে যে পেইজ প্রদর্শিত হয় সেই পেইজটিকেই হোম পেইজ বলে।
বুকমার্ক (Bookmark) হলো একটি লিস্ট বা তালিকা, যেখানে প্রিয় বা প্রয়োজনীয় ওয়েব পেইজ সংরক্ষণ করা হয়। বুকমার্ক থেকে ওয়েব পেইজের নাম সিলেক্ট করে সরাসরি সেই নির্দিষ্ট ওয়েব পেইজে যাওয়া যায়।
যে সকল ওয়েব পেইজের ডেটা অনবরত পরিবর্তন হয় সে সকল ওয়েব পেইজ পড়ার সময় মাঝ পথে কোনো তথ্য পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা দেখতে Reload/Refresh কমান্ড দিতে হয়। ডাইনামিক ওয়েব পেইজের জন্য এই কমান্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা ব্যবহারকারীকে ওয়েব পেইজের সর্বশেষ ডেটা দেখায়।
কোনো কাজ থামাতে বা বন্ধ করতে স্টপ (Stop) বাটন ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, কোনো ওয়েব পেইজের ডেটা ডাউনলোড করার সময় যদি ঐ ওয়েব পেইজ না দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তখন সেটি বন্ধ করার জন্য স্টপ বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড বন্ধ করে দিতে হয়।
ইন্টারনেটে কোনো কিছু খোঁজাকে সার্চ (Search) বলে। এটি ব্যবহারকারীকে ওয়েবসাইট, ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিয়ো বা অন্য যেকোনো ডেটা খুঁজে পেতে সাহায্য করে। সার্চের কাজটি সম্পন্ন করতে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন, যেমন: Google, Yahoo বা Bing ব্যবহার করা হয়।
সার্চ ইঞ্জিন হলো একটি সফটওয়্যার টুল, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করে। প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের নিজস্ব অ্যালগরিদম এবং ফিচার রয়েছে যা ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট ধরণের তথ্য দ্রুত খুঁজে পেতে সাহায্য করে। উদাহরণ: Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি।
বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট।
ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সারা বিশ্বের কম্পিউটার এবং ডিভাইসসমূহ সংযুক্ত করে ল
ইন্টারনেটে ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহৃত হয় l
কনটেন্ট তথ্য আধেয়।
কোন তথ্য আধেয় যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে তবে তাকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলেl
ডিজিটাল কনটেন্ট ডিজিটাল বা এনালগ পদ্ধতিতে পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হতে পারে l
ডিজিটাল কনটেন্ট ডিজিটাল উপাত্ত হিসেবে প্রকাশিত হয় l
লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ডিজিটাল কনটেন্ট ধরনের কনটেন্ট l
ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর হয় l
ডিজিটাল মাধ্যমে মাধমে প্রকাশিত যেকোনো তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা সবই ডিজিটাল কনটেস্ট l
ডিজিটাল কনটেন্টকে চার ভাগ করা যায় l
এনিমেশন ডিজিটাল ধরনের কনটেন্ট l
ডিজিটাল মাধ্যমে টেক্সট ধরনের তথ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি l
নিবন্ধ টেক্সট ধরনের কনটেন্ট l
ক্যামেরায় তোলা ছবি ছবি ধরনের কনটেন্ট l
ইনফো-গ্রাফিক্স ছবি ধরনের কনটেন্ট l
কম্পিউটারে সৃষ্ট সকল ধরনের ছবি ছবি ধারার কনটেন্ট l
শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট অডিও কনটেন্ট এর অন্তর্ভুক্ত l
ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট অডিও ধরনের কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত l
ওয়েবিনারো শব্দ জাতীয় ডিজিটাল কনটেন্ট l
You tube ভিডিও শেয়ারিং সাইট ধরনের সাইট l
ভিডিও শেয়ারিং সাইটে শেয়ারকৃত ভিডিও ভিডিও ধারার ডিজিটাল কনটেন্ট l
বর্তমানে মোবাইল ফোনেও ভিডিও ব্যবস্থা থাকায় ভিডিও কনটেন্ট কনটেন্ট এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছেl
ইন্টারনেটে কোনো ঘটনার ভিডিও সরাসরি সম্প্রচার করাকে ভিডিও স্ট্রিমিং বলে l
ইউটিউব বা এই ধরনের ভিডিও শেয়ারিং সাইট কারণে ইন্টারনেটে ভিডিও কনটেন্ট এর পরিমাণ বৃদ্ধি
পাচ্ছে ।
ই-বুক মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপকে কী বলা হয় l
ই-বই ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রব হয় বলে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন যুক্ত করা যায় l
ই-বুককে রইকে এখন আর মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ বলতে নারাজ l
ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ই-বুক রিডার ব্যবহার করে পড়া যায় l
জনপ্রিয় ই-বুক রিডার কিন্তল l
প্রচলিত ই-বুক রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল সবচেয়ে জনপ্রিয় l
ই-বই ইলেকট্রনিক মাধ্যমেপ্রকাশিত হয় l
Kindle তৈরি করে Amazon.com l
ই-বুক ধরনের বই সংরক্ষণের জন্য লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন হয় না l
ই-বুককে ৫ ভাগ করা যায় l
ইন্টারনেটে আমাদের পাঠ্য বইগুলো পি ডি এফ ফরম্যাটে আছে l
মুদ্রিত বইয়ের ই-বুক প্রতিলিপি সাধারণত PDF ফরম্যাটে প্রকাশিত হয় l
যে বইগুলো কেবল অনলাইনে পড়া যায় সেগুলো html ফরম্যাটে থাকে l
HTML বই-এর ওয়েবসাইটের ফরম্যাট l
ই-পাব ই-বুক মুদ্রিত বই-এর মতো কিন্তু কিছুটা বাড়তি সুবিধাসহ ই-বুকl
নিজের নোট লেখা, শব্দের অর্থ জানা যায় ই-পাব ই-বুকে l
EPUB ফরম্যাটে প্রকাশিত ই-বুক ফিন্ডস রিডারে পড়া যায়l
চৌকস ই-বুক ই-বুকে লিখিত অংশ ছাড়াও অডিও, ভিডিও বা অ্যানিমেশন সংযুক্ত থাকে l
কুইজ করার ব্যবস্থা থাকে স্মার্ট ই-বুকে ই-বুকে l
স্মার্ট ই-বুক জাতীয় ই-বুক কেবল সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যারের ভিত্তিতে চলে l
ওপেন কম্পিউটার্সের তৈরি আইবুক আইপ্যাড বা ম্যাক কম্পিউটারে কম্পিউটারে ভালোভাবে পড়া যায়
কোনো ই-বুক অ্যাপস আকারে প্রকাশিত হওয়াকে ই-বুকের অ্যাপস বলে l
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মানুষের কণ্ঠ সংযোজিত বই বই বিশেষভাবে সহায়কl
ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে E-learning প্রক্রিয়ায় শিক্ষাদান করা যায় l
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে কম্পিউটার কিংবা স্মার্ট ডিভাইস দরকার হয়l
ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের মাঝামাঝি যন্ত্রের নাম ট্যাবলেট l
Internet থেকে বই Download করে নিতে পারবে l
সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য ইংরেজি ভাষায় ভাষায় দক্ষতা থাকা প্রয়োজনl
আলোর শিখার সাথে শিক্ষককে তুলনা করা হয় l
প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে l
ইন্টারনেটে বিনামূল্যে বই পাওয়া যায় l
ইন্টারনেট থেকে বই ডাউনলোড করা যায় l
ওয়েব পেইজকে সংক্ষেপে ওয়েব বলা হয় l
ওয়েব পেইজ এক ধরনের ডকুমেন্ট l
ওয়েব পেইজ www ও ইন্টারনেট ব্রাউজারে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত l
ওয়েব পেইজ সাধারণত HTML দ্বারা তৈরি করা হয় l
ওয়েব পেইজের বিষয়বস্তু ব্রাউজারে প্রদর্শন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম ফাইলের প্রয়োজন হয় l
এক বা একাধিক ওয়েব পেইজ সংরক্ষণ করে রাখা যায় ওয়েবসাইট l
ইন্টারনেটের সাথে যথাযথভাবে সংযুক্ত কোনো কম্পিউটারের বরাদ্দকৃত স্পেসকে ওয়েবসাইট বলা হয় l
একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন লিংক, কনটেন্ট ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহকে ওয়েব পোর্টাল বলা হয় l
ওয়েবসাইটের যেকোনো একটি সার্ভিস ওয়েব পোর্টালের একটি অংশ হতে পারে l
এয়ার লাইন কোম্পানির ওয়েব পোর্টাল হতে ফ্লাইটের সময়সূচি জানা যাবে l
ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে পণ্যের বিজ্ঞাপন এবং পণ্য বেচাকেনা করার সার্ভিস ওয়েব পোর্টাল অংশ l
একটি পোর্টাল পেইজে বাইরের সোর্স থেকে থেকে তথ্য উপস্থাপনের ব্যবস্থা থাকেl
ওয়েবসাইটের ২টি অংশ থাকে l
ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে পাঠায় l
ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে ডেটা পাঠানোকে রিকোয়েস্ট বলা হয় l
সার্ভার ক্লায়েন্টের কাছে জবাব বা রেসপন্স পাঠায় l
বাংলাদেশ সরকারের সকল ধরনের ফরম forms.gov.bd অ্যাড্রেসে পাওয়া যায়l
জনগণের সুবিধার্থে ওয়েব এনাবেন্ড ডেটাবেজে ডেটাবেজে বাংলাদেশ সরকারের যাবতীয় প্রয়োজনীয় ফরম সংরক্ষিত আছে l
ক্রেতা তার বাসায় বসে থেকে ওয়েব ব্রাউজার সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিক্রেতার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারে l
ক্লায়েন্টের অনুরোধগুলো সাধারণত ওয়েব ব্রাউজার মাধ্যমে পাঠানো হয় l
অনুরোধের ফলাফল ওয়েব সার্ভার থেকে থেকে প্রাপ্ত হয় l
TCP/IP প্রোটোকল এক ধরনের কমিউনিকেশন প্রটোকল যা ইন্টারনেটে ব্যবহার করা হয় l
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডাউনলোড হচ্ছে একটি দূরবর্তী সিস্টেম থেকে স্থানীয় সিস্টেমে তথ্য পাওয়ার উপায়
স্থানীয় সিস্টেম থেকে নেটওয়ার্কের সাহায্যে দূরবর্তী কোনো সিস্টেমে তথ্য পাঠানোর উপায়কে আপলোড বলা হয় l
ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো ফাইল কাউকে পাঠানো হলে তা ই-মেইল সার্ভারে সেভ হয় l
ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয় l
যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলা হয় l
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরে সংযোগযোগ্য ওয়েব পেইজ প্রদর্শন করাকে ওয়েব ব্রাউজিং বলে l
ওয়েব ব্রাউজিং করে বিভিন্ন তথ্য কার কম্পিউটারে নিয়ে আসা ব্যবহারকারীর যায় l
১৯৯০ সালে টিম বার্নাস লি World Wide Web নামে সর্বপ্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন l
বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজারের নাম World Wide Web !
মজিলা ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার।
একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পূর্ণাঙ্গ এড্রেসকে URL। বলে l
URL-এর ৩টি অংশ থাকে l
কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানির বা ব্যক্তির ওয়েবসাইটের মূল পেইজকে Home Page বলে
কোনটিকে Web page এর Book markবলা হয় l
ডাইনামিক ওয়েব পেইজ ওয়েব পেইজের জন্য Reload/Refresh কমান্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ l
কোনো Web page এ ডেটা ডাউনলোড হওয়ার সময় যদি ঐ ওয়েব পেইজ না দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তখন Stop বাটনে ক্লিক করতে হয় l
ইন্টারনেটে কোনো কিছু খোঁজাকে Search বলে l
সার্চ ইঞ্জিন সফটওয়্যার টুলের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে l
MSN সার্চ ইঞ্জিন।
Related Question
View Allআইসিটি অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের ক্যারিয়ার পাঠনে নানাভাবে সহায়ক হতে পারে। বর্তমানে যেকোনো ধরনের চাকরি করতে যাওয়া হোক না কেন প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান অপরিহার্য।
অন্যভাবে বলা যায় প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা চাকরি প্রার্থীর বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আইসিটির সর্বমুখী ব্যবহারের কারণে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়া কিংবা নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি কোনক্ষেত্রেই আইসিটিকে' এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্যারিয়ার গঠনের বড় একটি ক্ষেত্র। এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, কম্পিউটার নিরাপত্তা বিষয়, মোবাইল, প্রোগ্রামিং প্রভৃতি ক্ষেত্রে জ্ঞান থাকলে আইসিটি রিলেটেড বিভিন্ন চাকরি যেমন- কম্পিউটার অপারেটর, প্রোগ্রামার, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটর, আইটি বিশেষজ্ঞ, আইটি এক্সিকিউটিভ প্রভৃতি বিষয়ের বা প্রভৃতি পজিশনে চাকরি পাওয়া সহজ হয়। কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, অফিস অটোমেশন, সিস্টেম ডিজাইন, রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এমন হাজারটি ক্যারিয়ারের নাম বলা যায়। এছাড়া বর্তমানে আরও একটি চাকরির নতুন ক্ষেত্র সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেছে তাহলো আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং যে ব্যবস্থায় ঘরে বসেই ইন্টারনেটে দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ মূল্যের
বিনিময়ে করে দেওয়া যায়। এক্ষেত্রেও কাজের ব্যাপারে প্রযুক্তি বিষয় এগিয়ে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপিং, ডাটা এন্ট্রি, এক্সেলের হিসাবনিকাশ, প্রেজেন্টেশন তৈরি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরির কাজ পাওয়া যায়। এসব সাইটে কাজ করে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজের সাফলাময় ক্যারিয়ার গঠন করা যায়। বাংলাদেশে পড়াশোনা করে বিশ্বের নামকরা সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক প্রভৃতি কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আবার ইন্টারনেট প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অনলাইন' পরীক্ষা দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ে Certificate অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে যাতে পরবর্তীতে তা ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হতে পারে। শুধু প্রযুক্তি বিষয়েই নয় এর বাইরের যেসব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্র আছে যেমন- শিক্ষকতা, ব্যাংকিং এসব ক্ষেত্রেও প্রযুক্তি জ্ঞান থাকলে তা ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তাই বলা যায় আইসিটি আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্নভাবে সহায়ক হতে পারে।
কোনো তথ্য আধেয় বা কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে তাকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলে।
লিখিত ডিজিটাল কনটেন্ট বলতে বোঝায় যাতে কোনো লিখিত তথ্য ডিজিটাল আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয়, প্রেরিত কিংবা গৃহীত হয়। সকল ধরনের লিখিত তথ্য এই ধারার কনটেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধ ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র প্রভৃতি
উদ্দীপকের 'খ' এবং 'ঘ' অংশে রয়েছে যথাক্রমে ছবি এবং ভিডিও ও এনিমেশন। এরা উভয়েই ডিজিটাল কনটেন্টের অংশ। নিচে ডিজিটাল কনটেন্টের এ অংশ দুটির বর্ণনা প্রদান করা হলো-
ছবি: ছবি ডিজিটাল কনটেন্টের ঐ বিভাগ যেখানে ছবি ধারার সকল কনটেন্ট অন্তর্ভুক্ত। ক্যামেরায় তোলা ছবি কিংবা হাতে আঁকা ছবি কিংবা কম্পিউটার সফটওয়্যার যেমন- গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি সবই ছবি ধারার কনটেন্ট। এ ধরনের কনটেন্টের মধ্যে আরও রয়েছে কার্টুন, ফটো, ইনফো গ্রাফিক্স এনিমেটেড ছবি ইত্যাদি। ভিডিও ও এনিমেশন: ভিডিও ও এনিমেশন ধারার কনটেন্ট এ ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। এনিমেশন যেন এক ধরনের গ্রাফিক্স। তাই এনিমেশনকে অনেক ক্ষেত্রে ভিডিও বললে ভুল হবে না। আর এ ভিডিও কিংবা এনিমেশন দুটি ক্ষেত্রই ডিজিটাল আকারে তৈরি ও প্রকাশিত হয়। বর্তমানে ভিডিও কনটেন্টের পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। ভিডিও স্ট্রিমিং, এনিমেশন ছবি, ভিডিও শেয়ারিং সাইট সবই ভিডিও ও এনিমেশন কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত।'
উদ্দীপকের 'ক' ও 'গ' অংশে রয়েছে দুই ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট যা হলো যথাক্রমে টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট এবং শব্দ বা অডিও কনটেন্ট। সব ধরনের লিখিত তথ্য টেক্সট ধারার কনটেন্ট। ডিজিটাল মাধ্যমে এখনো লিখিত তথ্যের পরিমাণই বেশি। অন্যদিকে শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট এ অডিও কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। যেকোনো বিষয়ের অডিও ফাইল, ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট ধারার কনটেন্ট। শব্দ বা টেক্সটকে তখনই ডিজিটাল কনটেন্ট বলা হয়, যখন তা ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয়। তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ
পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হতে পারে। টেক্সটির ক্ষেত্রে হাতে লেখা কোনে। চিঠি ডিজিটাল কনটেন্ট হবে না কিন্তু তাকে যদি ডিজিটালরূপে প্রকাশ করা হয় তবে তা ডিজিটাল কনটেন্ট হবে। তাই যখন টেক্সট কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ যেমন- নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র প্রভৃতি ডিজিটাল কনটেন্ট হওয়ার সকল শর্ত পূরণ করে তখন অবশ্যই টেক্সট ধরনের তথ্যকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলা যাবে। আবার শব্দকে প্রকাশ করতে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার করা, ডিজিটাল আকারে ফাইলে প্রকাশ করা, ডিজিটাল আকারে বিরাজ করা, প্রেরণ ও গ্রহণ করা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যই বলে দেয় এটি একটি ডিজিটাল কনটেন্ট। ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!