সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকের সম্পদ হিসেবে জ্ঞানকে বিবেচনা করা হয়। কারণ, জ্ঞানই মানুষকে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে, সৃজনশীল চিন্তা করতে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম করে। প্রাকৃতিক সম্পদের পরিবর্তে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকে মানুষের চিন্তাভাবনার জগৎ পাল্টে গেছে কারণ এখন সম্পদ হিসেবে জ্ঞানকে মূল্য দেওয়া হয়। যার অর্থ কৃষি, খনিজসম্পদ শক্তির উৎস নয়, এখন পৃথিবীর সম্পদ হচ্ছে মানুষ। কারণ মানুষই জ্ঞান অন্বেষণ করতে পারে, জ্ঞান ধারণ করতে পারে এবং তা ব্যবহার করতে পারে। মানুষ এখন নতুন নতুন উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে মনোযোগ দিচ্ছে। অর্থাৎ মানুষ একসময় পৃথিবীকে যেভাবে দেখতো, তা এখন সম্পূর্ন পাল্টে গিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকে 'Globalization' এবং ‘Internationalization’ ত্বরান্বিত হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির কারণে। এগুলোর মাধ্যমে দেশের ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষ ও সংস্কৃতি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের মানুষ সারা আজ বিশ্বে ছড়িয়ে থেকে দেশকে উপস্থাপন করছে। ফলে দেশের গন্ডি ভৌগোলিক সীমারেখা ছাড়িয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে গিয়েছে। ফলে Globalization ও Internationalization একুশ শতকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বলতে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বুঝায়, যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিবর্তে জ্ঞান, মেধা এবং তথ্য। ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়ন সাধন করা হয়। এই অর্থনীতিতে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী চিন্তা এবং তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এই একুশ শতকে এসে একটি দেশের সীমানা এখন আর ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ নেই। আজ বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্মের মানুষ সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। একটি দেশের নাগরিক বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক না কেনো, সে তার দেশকে সারা বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির কারণে একটি দেশের মানুষ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরছে, একেই বলে 'Globalization'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রযুক্তির উন্নতির ফলে Globalization আরও সহজতর এবং দ্রুততর হয়েছে। মানুষ এখন পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে, কাজ করতে পারে এবং জ্ঞানের বিনিময় ঘটাতে পারে যা কিছুদিন আগেও করার কথা কল্পনা করা যেতো না। যোগাযোগ প্রযুক্তি সারা বিশ্বের মানুষদেরকে পরস্পরের আর কাছে। 1 নিয়ে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বায়নের ফলে বাংলাদেশের মানুষেরা বিদেশে কাজ করছে | এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ ও অভিজ্ঞতা দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করছে। পাশাপাশি বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা নিজ সংস্কৃতিকে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বাংলাদেশের পরিচিতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবেই বাংলাদেশ নিজের ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক সময় মানুষ বেঁচে থাকার জন্য পুরোপুরি প্রকৃতির অনুকম্পার উপর নির্ভরশীল ছিল। বিভিন্ন যন্ত্র আবিষ্কার করে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়েছে। শিল্প বিপ্লবের পর মানুষ যন্ত্রনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকের অর্থনীতি হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্রুত তথ্য বিনিময়, ব্যবসার প্রসার এবং জ্ঞানভিত্তিক কাজকে সহজতর করে একুশ শতকের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এটি অর্থনীতির প্রতিটি খাতে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকের সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান। অষ্টাদশ, উনবিংশ শতাব্দির শিল্প বিপ্লবে যে সকল জাতি অংশ নিয়েছিল, এক সময় তারাই পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করেছে। ঠিক একইভাবে একুশ শতকের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরির বিপ্লবে যারা অংশ নেবে, তারাই ভবিষ্যত পৃথিবীর মূল চালিকাশক্তি হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকের এই আধুনিক যুগে টিকে থাকার জন্য কিছু বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন। এই দক্ষতাগুলোর মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী চিন্তা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হিসেবে স্থান পেয়েছে কারণ এটি মানুষের তথ্য সংগ্রহ, | বিশ্লেষণ এবং সৃজনশীল কাজের সুযোগ তৈরি করছে। এটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে এবং নাগরিকদের - উন্নত দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার সুযোগ করে দেয়। এটি সৃজনশীল চিন্তা এবং জ্ঞান সৃষ্টিতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে - শিক্ষার্থীরা নিত্য নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদেরকে নতুন পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করতে পারে। এভাবেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে মানুষকে সাহায্য করে। আধুনিক যুগে এটি দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে উন্নত করে। বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিকতায়ও এর ভূমিকা অপরিসীম। এভাবেই একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাব শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির সক্ষমতাকে সীমিত করতে পারে। এর ফলে সে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজে নিজের জায়গা তৈরি করতে ব্যর্থ হতে পারে। কারণ এই আধুনিক যুগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবকেও অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংযোজন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে সহায়তা করে। কারণ এর মাধ্যমে সকল তথ্যই মানুষের হাতের মুঠোয় এসে পড়ে, যা সে নিত্য নতুন জিনিস উদ্ভাবনে কাজে লাগাতে পারে। এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রের উদ্ভাবন ও উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় চার্লস ব্যাবেজকে। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন তৈরি করেন এবং এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। তাঁর পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে চার্লস ব্যাবেজ এর অবদান বর্ণনা করা হলো:
১. চার্লস ব্যাবেজ একজন ইংরেজ প্রকৌশলী এবং গণিতবিদ। তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ- (১৭৯১-১৮৭১) এর হাত ধরেই।
২. চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে দুটি গণনাযন্ত্র তৈরি করেন। এ যন্ত্র দুটি সঠিকভাবে গণনার কাজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ১৯৯১ সালে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে লন্ডনের বিজ্ঞান যাদুঘরে এ ইঞ্জিন তৈরি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিফারেন্স ইঞ্জিন হলো একটি প্রাথমিক গণনা যন্ত্র। এটি জটিল গণনা সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। যা আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করে। এ যন্ত্রটি তৈরির কারণে চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে অ্যাডা লাভলেসকে গণ্য করা হয়। চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে তিনি প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা প্রয়োগ করেন। অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের পথিকৃৎ হিসেবে সম্মানিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে অ্যাডা লাভলেসের অবদান বর্ণনা করা হলো-
১. অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তন। তিনি (১৮১৫-১৮৫২) বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন।
২. অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা দেন এবং ১৮৪০ সালে তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ইঞ্জিনের কাজের ধারা বর্ণনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডা লাভলেস বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন। তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের কাজের ধাপগুলো ক্রমাঙ্কিত করে প্রোগ্রামিং ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেন, যা তাকে প্রোগ্রামিংয়ের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিতি দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডা লাভলেস বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামিং এর ধারণা প্রবর্তন করেন। ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ যখন তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন, তখন অ্যাডা লাভলেস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সাথে ইঞ্জিনের কাজের ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন, যা পরবির্তিতে প্রোগ্রামিং এর প্রথম ধারণা হিসেবে স্বীকৃত পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল সর্বপ্রথম তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন। তাঁর এই তত্ত্ব বিনা তারে বার্তা প্রেরণের সম্ভাবনা তৈরি করে, যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিনা তারে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হন বাঙালি বিজ্ঞানী - জগদীশচন্দ্র বসু। ১৮৯৫ সালে তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম হন, যা রেডিও - প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে। কিন্তু তাঁর এই আবিষ্কার প্রকাশিত না হওয়ায় তিনি সার্বজনীন স্বীকৃতি পাননি।.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৯৫ সালে অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন। যদিও এটি প্রকাশিত না হওয়ায় তিনি কোনো স্বীকৃতি পাননি, তার গবেষণা রেডিও বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই কাজ আগে প্রকাশিত হওায়ায় বিজ্ঞানী মার্কনি রেডিও বিজ্ঞানের অগ্রপথিক হিসেবে স্বীকৃতি পান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যদিও জগদীশচন্দ্র বসু প্রথম এ কাজে সফল হন, মার্কনির আবিষ্কারটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ায় তিনি সার্বজনীন স্বীকৃতি লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে IEEE তাকে রেডিও বিজ্ঞানের অগ্রপথিক ও অন্যতম আবিষ্কারক হিসেবে আখ্যায়িত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু এবং ইতালিয় বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি একই সময়ে বেতার নিয়ে গবেষণা করে সফলতা পেলেও মার্কনির গবেষণাটি আগে প্রকাশিত হয়। তাই মার্কনি রেডিও যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি পান। ১৯৯৭ সালে IEEE তাঁকে রেডিও বিজ্ঞানের অন্যতম অগ্রপথিক হিসেবে স্বীকৃতি। দেয় এবং তাঁকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে মর্যাদা প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ শতকে ইলেকট্রনিক্সের বিকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের আইবিএম কোম্পানি প্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করে। ধীরে ধীরে এই কোম্পানি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের মাধ্যমে পার্সোনাল কম্পিউটারের বিকাশ সাধন করে। এটি কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের আকার ছোট হয়ে আসে। ফলে যে কম্পিউটার রাখতে আগে পুরো একটি রুম দরকার হতো, তা একটি টেবিলের মধ্যেই রাখা সম্ভব হয়। এটি সাশ্রয়ী পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করে। ফলে মাইক্রোপ্রসেসর তথ্য প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল হলো ডিজিটাল ম্যাসেজ সার্ভিস যার দ্বারা ইন্টারনেটের সাহায্যে ইলেকট্রনিক মোডে ম্যাসেজ পাঠানো যায়। এটি মানুষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি সহজলভ্য, কার্যকরী ও সময় উপযোগী মাধ্যম। বিজ্ঞানী রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসনের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে এর সূচনা হয়। পরবর্তিতে এটা বিশ্বব্যাপী তথ্য বিনিময়ের একটি প্রধান পদ্ধতি হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-মেইল পদ্ধতি প্রথম চালু করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার - রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন। ১৯৭১ সালে আরপানেট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন তিনি। এটিই ছিলো ই-মেইল পদ্ধতির আদি সংস্করণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আরপানেট হলো বিশ্বের প্রথম নেটওয়ার্ক, যা বিশ শতকের যাট-সত্তরের দশকে আবিষ্কৃত হয় এটি ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বৈশ্বিক নেটওয়ার্কিংয়ের পথ উন্মুক্ত করে। ১৯৭১ সালে আরপানেটের মাধ্যমেই ইলেকট্রনিক পত্রালাপের সূচনা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েইন পার্সোনাল কম্পিউটারের বিকাশে অবদান রেখেছেন। ১৯৭৬ সালে এই তিন বন্ধু মিলে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের নানান পর্যায় উন্নত করেন। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল কোম্পানির হাত ধরেই ধাপে ধাপে পার্সোনাল কম্পিউটার আজকের পর্যায়ে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিলেন স্টিভ জবস, স্টিভওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েইন নামের তিন বন্ধু। ১৯৭৬ সালে তারা অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানই পরবর্তিতে পার্সোনাল কম্পিউটারের নানান বিকাশে ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টিভ জবস হলেন অ্যাপল কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা। তিনি এই কোম্পানির মাধ্যমে পার্সোনাল কম্পিউটারের নকশা ও ব্যবহার সহজ করেছেন। তাঁর উদ্ভাবনী কাজগুলো কম্পিউটার প্রযুক্তিকে আরও উন্নত এবং সৃজনশীল করেছে। ফলে কম্পিউটারের মতো একটি জটিল যন্ত্র আজ সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি তাদের বানানো পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম বানানোর দায়িত্ব দেয় মাইক্রোসফট কোম্পানিকে। মাইক্রোসফট আইবিএমের পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য এমএস ডস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। তাদের তৈরি এই অপারেটিং সিস্টেম বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিপ্লব ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিল গেটস হলেন মাইক্রোসফট কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি এমএস ডস এবং উইন্ডোজের মতো অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছেন। উইন্ডোজ হলো বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম। তাই বলা যায় যে, বিল গেটস প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্যার টিমোথি জন বার্নাস-লি ১৯৮৯ সালে হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (HTTP) ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রস্তাবনা তৈরি করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। এর মাধ্যমে বিশ্বের নানা দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তার লাভ করে। এটি ইন্টারনেটকে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য আরও সহজ করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট নামক একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা আবিষ্কৃত হয়। বলা যায়, তখন থেকেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে। এই বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট। ধীরে ধীরে এটি বৈশ্বিক যোগাযোগ এবং তথ্য বিনিময়ের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হলো তথ্য বিনিময়ের একটি পদ্ধতি। এটি ব্যবহার করেই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করা হয়। এর ফলে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি বিকশিত হয় এবং বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়। সারা বিশ্বব্যাপী গড়ে ওঠে একটি শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৮৯ সালে হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (HTTP) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তবায়ন হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বের নানা দেশের মধ্যে ইন্টারনেট যোগাযোগ বিস্তার লাভ করে এবং একে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কারের ফলে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির ব্যাপক বিকাশ সাধন হয়। এতে করে বিশ্বের নানান দেশে ইন্টারনেট বিস্তৃতি লাভ করে। ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের জগত বিকশিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মার্ক জাকারবার্গ এবং তাঁর চার বন্ধু মিলে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম এটি চালু হয়। পরে এটি একটি বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে ওঠে। এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক লার্নিং-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক, কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে জ্ঞান পৌঁছানোর একটি পদ্ধতি। ই-লার্নিং সনাতন পদ্ধতির বিকল্প নয়, বরং তার একটি পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শ্রেণিকক্ষে কোনো একটি বিষয় পড়ানোর সময় সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো হাতে-কলমে দেখানো সম্ভব হয় না। যেমন- সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ ইত্যাদি। এক্ষেত্রে শিক্ষক ইচ্ছে করলেই মাল্টিমিডিয়ার সাহায্য নিয়ে আরও সুন্দরভাবে বিষয়টির দৃশ্যমান উপস্থাপন করতে পারেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিষয়গুলো আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারে এবং তাদের শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ই-লার্নিং ব্যবস্থায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো জটিল বিষয়ের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনীয় ছবি ও ভিডিও সহজেই শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শন করা যায়। এভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান প্রক্রিয়া আরও বেশি কার্যকর ও উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং ব্যবস্থায় প্রাপ্ত সুবিধাগুলো নিয়ে দেওয়া হলো:
১. এ ব্যবস্থাটি ইন্টারঅ্যাকটিভ হতে পারে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে হাতে কলমে বিভিন্ন। এক্সপেরিমেন্ট করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।
২. দক্ষ শিক্ষকেরা তাদের পাঠদান ভিডিও করে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করতে পারেন। এছাড়া ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা দক্ষ শিক্ষকের ক্লাশে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
৩. এ ব্যবস্থায় অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স করার পাশাপাশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও সার্টিফিকেট অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
8.পাঠবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্যও ই-লার্নিং ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

দক্ষ শিক্ষকের অভাব, ল্যাবরেটরির সংকট এবং শিক্ষা উপকরণের অপ্রতুলতার মতো সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান দিতে পারে ই-লার্নিং। এটি দক্ষ শিক্ষকদের তৈরি পাঠদানের ভিডিও, চিত্র, তথ্য ও বিভিন্ন রকম শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক, কারণ তারা তাদের পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী তৈরি করে তা পুনঃব্যবহার করতে পারেন। এই সামগ্রী বিভিন্ন স্কুলে বিতরণ করা সম্ভব, যা শিক্ষার মান উন্নত করতে সহায়তা করে এবং শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়াকে সহজতর করে। এতে করে শহরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মধ্যকার শিক্ষার গুণগত মানের পার্থক্য অনেকটাই কমে আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং শিক্ষকদের পাঠদানের দক্ষতা বৃদ্ধি করে, কারণ তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারেন। এটি তাদের পাঠদান পদ্ধতিকে আরও আকর্ষণীয় ও কার্যকর করে তোলে। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শেখানোর পাশাপাশি নিজেও অনেক বিষয়ে শিখতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে দক্ষ শিক্ষকের অভাব এবং ল্যাবরেটরি ও শিক্ষা উপকরণের সীমাবদ্ধতা সমাধানে ই-লার্নিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনলাইনে শিক্ষণ সামগ্রী সরবরাহ করে শিক্ষার্থীদের আরও কার্যকর ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা ঘরে বসে ভিডিয়ো লেকচার, ইন্টারঅ্যাকটিভ কনটেন্ট এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া । উপকরণ ব্যবহার করে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এটি তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে স্বতঃস্ফূর্ত এবং সহজলভ্য করে তোলে। এছাড়াও, দক্ষ | শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতার মতো বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ই-লার্নিং এর মাধ্যমে করা যায়। ফলে বলা যায়, এটি শিক্ষার্থীদের - জন্য খুবই উপকারি একটি পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সারা বিশ্বে ই-লার্নিং একটি জনপ্রিয় শিক্ষণ পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে কারণ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা হোমওয়ার্ক জমা দিয়ে এবং পরীক্ষা দিয়ে ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার বিশ্বায়ন সম্ভব হচ্ছে এবং উন্নত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত হচ্ছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সারা পৃথিবীর শিক্ষার্থীরা ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে কোর্স গ্রহণ, হোমওয়ার্ক জমা দেওয়া এবং পরীক্ষা দিয়ে ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। এতে তাদের শেখার পরিসর এবং সুযোগ অনেক বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ই-লার্নিং বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে, যেখানে বাংলা ভাষায় কোর্স প্রদান করা হয়। ফলে ঘরে বসেই নিজ ভাষাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষত, বাংলাদেশি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কোর্স দেশে-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রচলিত পাঠদানের সময় একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীদের সরাসরি দেখতে পারেন, তাদের সাথে কথা বলতে পারেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাথে নানভাবে ভাব বিনিময় করেত পারে এবং প্রশ্ন করতে পারে, এমনকি শিক্ষার্থীরা পাশাপাশি একে অন্যকে সাহায্য করতে পারে। ই-লার্নিং এর ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো প্রায় সময়ই অনুপস্থিত থাকে। পুরো প্রক্রিয়ায় মানবিক অংশটুকু না থাকায় পদ্ধতিটা যান্ত্রিক বলে মনে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ই-লার্নিং এর অনেক বড়ো সুযোগ আছে, কারণ অনেক বড়ো বড়ো সীমাবদ্ধতা ই-লার্নিং ব্যবস্থা ব্যবহার করে সমাধান করে ফেলা সম্ভব। তবে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করার জন্য ইন্টারনেট স্পিড, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং ই-লার্নিং এর শিখনসামগ্রী তৈরি করার প্রয়োজন আছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ই-লার্নিংকে আরও কার্যকর করতে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি, প্রাসঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষণ সামগ্রী তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিক সেবার সহজীকরণের প্রক্রিয়াই হলো ই-গভর্ন্যান্স। এটি সরকারি ব্যবস্থাসমূহকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে নাগরিক হয়রানি দূর করতে সাহায্য করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় সাশ্রয় করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব কারণ এটি সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বাড়ায়। এটি নাগরিকদের হয়রানি কমায়, দ্রুত সেবা প্রদান করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ করে। ফলে শাসন ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আগে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। এখন ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ফলাফল জানা যায়। এটি দূরবর্তী এলাকার নাগরিকদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এর মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করা আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে ভর্তির আবেদন করা যায়। পূর্বে যেখানে ভর্তির আবেদন করতে নিজে ভ্রমণ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে হতো, সেখানে এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সহজেই আবেদন করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। এটি সময় এবং খরচ উভয়ই সাশ্রয় করে। ফলে ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে আবেদন করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্সের ব্যবহার হয়।..
২. পরিসেবাসমূহের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়। এসব বিল মোবাইল বা অনলাইন উভয়ক্ষেত্রেই পরিশোধ করা যায়।
৩. শিক্ষাক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্সের ব্যবহারের ফলে ভর্তিচ্ছুদের ভর্তির আবেদন ফরম জোগাড়, জমা দেওয়া ও ফলাফল পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা
হলো-
১. মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এবং ইন্টারনেটে পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।
২. উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা পাওয়া যায়।
৩. স্বল্প সময়ে, কম খরচে এবং ঝামেলাহীনভাবে সেবা নিশ্চিত করা যায়।
৪. মোবাইল কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে পরিসেবাসমূহের- বিল অর্থাৎ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের বিল পরিশোধ করার সুবিধা পাওয়া যায়।
৫. ই-গভর্ন্যান্স চালুর ফলে সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি পায়।
৬. ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে কোনো কোনো কার্যক্রমের সময়  ×  ×  দিনে পরিণত করা যায়। এতে করে নাগরিকেরা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জেলা ই-সেবা কেন্দ্র চালুর ফলে স্বল্প সময়ে এবং কম খরচে নাগরিক সেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। পূর্বে যেখানে সরকারি সেবা পেতে ২-৩ সপ্তাহ সময় লাগত, এখন তা মাত্র ২-৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। এর ফলে নাগরিক হয়রানি যেমন কমেছে, তেমনি সরকারি সেবায় আরও স্বচ্ছতা এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি করে এবং কর্মীদের দক্ষতা বাড়ায়। ফলে সরকারি কার্যক্রম আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়, যা নাগরিক সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি লোকবল এবং ব্যবস্থাপনা খরচ কমে আসায় সরকারি অর্থেরও সাশ্রয় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ গ্যাস, পানি ইত্যাদির বিল পরিশোধে ই-গভর্ন্যান্স নাগরিকদের সময় এবং শ্রম সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। আগে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে বিল পরিশোধ করতে হতো। এখন মোবাইল ফোন বা অনলাইনের মাধ্যমে সহজে এবং দ্রুত বিল পরিশোধ করা যায়, যা জীবনকে আরও সহজ করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স নাগরিকদের জীবনমান উন্নত করে কারণ এটি সময় এবং খরচ সাশ্রয় করে। এখন নাগরিকরা ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে পারেন, যেমন বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের বিল পরিশোধ। এটি নাগরিক হয়রানি কমায় এবং কর্মঘন্টার অপচয় রোধ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের আওতায় ATM সেবা, মোবাইল ব্যাংকিং এবং তথ্য সেবা ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা সম্ভব হয়েছে। নাগরিকরা এখন দিন-রাত যেকোনো সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে, যা সেবা প্রদানের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স সুশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। নাগরিকরা এর মাধ্যমে সহজে সেবা পেতে পারে, হয়রানি কমে এবং সরকারি কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়। সেবার সহজলভ্যতার কারণে নাগরিকদের জীবনমান আরও উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের কারণে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছে, যা নাগরিকদের অর্থনৈতিক লেনদেনকে দ্রুত এবং সহজ করেছে। ব্যাংকে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর পরিবর্তে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। আগে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকে গিয়ে গ্রাহকদের সেবা গ্রহণ করতে হতো, সেখানে এখন গ্রাহকরা দিন রাত ২৪ ঘন্টায় যেকোনো সময় ব্যাংকিং সেবা গ্রহন করতে পারছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ই-গভর্ন্যান্সের কিছু সেবা চালু হলেও সবক্ষেত্রে এটি এখনো কার্যকর করা যাচ্ছে না। কারণ এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং দক্ষ মানবসম্পদ দরকার। এর জন্য আরও বড়ো সরকারি উদ্যোগ এবং নাগরিকদের মাঝে সচেতনতা প্রয়োজন। তবে ই-গভার্ন্যান্স পুরোপুরি চালু হলে দেশের সুশাসন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-সার্ভিস হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস। ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের ব্যাপারটি ই-সার্ভিস নামে পরিচিত। এ সেবা সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে প্রদান করা হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনে কিংবা ইন্টারনেটে সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-সেবা সেবাগ্রহীতাদের সময় এবং অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করে। মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই তারা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা সরাসরি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। পাশাপাশি ই-সেবার মাধ্যমে সেবার আদান-প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়। এতে করে সেবাগ্রহীতার দৈনন্দিন জীবন আরও সহজ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-সেবার ফলে সরকারি সেবা ব্যবস্থা ডিজিটাল হয়েছে। সেবা প্রদানের গতানুগতিক পদ্ধতির পরিবর্তে অনলাইন-নির্ভর পদ্ধতি এসেছে, যা জনগণের জন্য সময় এবং খরচ সাশ্রয়ী। এতে হয়রানি কমেছে, সেবা প্রদান ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বেড়েছে এবং সেবার মান উন্নত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-সার্ভিস বা ই-সেবার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. স্বল্প খরচে এই-সেবা পাওয়া যায়।
২. দ্রুত এবং স্বল্প সময়ে সেবা গ্রহীতার নিকট সেবা পৌছে যায়।
.৩. ই-সেবা হয়রানিমুক্ত এবং ঝামেলাহীন সেবা নিশ্চিত করে।
৪. সেবার স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তা বিধান করে।
৫. যেকোনো স্থান থেকে ডিজিটাল উপায়ে-এ সেবা গ্রহণ করা যায়।
৬. এটি একটি ডিজিটাল পদ্ধতি। তাই যেকোনো ক্ষেত্রে সেবা প্রদানে ভুল হবার সম্ভাবনা কমে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকারের ই-সেবাগুলোর মধ্যে ই-পূর্জি, ই-পর্চা, ই-টিকিট, টেলিমেডিসিন এবং অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর উল্লেখযোগ্য। এগুলো সময় ও খরচ বাঁচিয়ে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-পূর্জি হলো আখচাষিদের চিনিকলে আখ সরবরাহের সময়সূচি জানিয়ে দেওয়ার একটি অনুমতিপত্র। বর্তমানে এটি এসএমএসের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, যার ফলে আখচাষিরা, হয়রানি ও বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পান। এটি আখ সরবরাহের সঠিক সময় নিশ্চিত করে চিনিকলের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-পূর্জি চালুর ফলে আখচাষিরা তাৎক্ষণিকভাবে পূর্জির তথ্য পেয়ে হয়রানিমুক্ত হয়েছেন। আগের মতো চিন্তিত না হয়ে তারা সঠিক সময়ে আখ সরবরাহ করতে পারেন। এতে চিনিকলের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের চিনি শিল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস) হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি সেবা, যার মাধ্যমে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টাকা পাঠানো যায়। এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং খরচ সাশ্রয়ী। এর মাধ্যমে মাত্র ১ মিনিটের মধ্যেই ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্থানান্তর সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-পর্চা সেবা হলো জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সহজেই সংগ্রহ করার পদ্ধতি। পূর্বে জমির রেকর্ডের অনুলিপি দপ্তরে গিয়ে সংগ্রহ করতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ এবং জটিল। এখন আবেদনকারী যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে জমির পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-পর্চা চালুর আগে জমির রেকর্ড সংগ্রহের জন্য দপ্তরের বড় রেকর্ড বই থেকে তথ্য বের করা হতো। আবেদনকারীকে সরাসরি অফিসে উপস্থিত হয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর এটি সংগ্রহ করতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-স্বাস্থ্যসেবা হলো- ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রদত্তস্বাস্থ্যসেবাl

এ প্রক্রিয়ায় অনেক দূর দূরান্তের রোগীদের ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সাহায্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা যায়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকরা এখন মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এজন্য দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে একটি করে মোবাইল ফোন দেওয়া হয়েছে। দেশের যেকোনো নাগরিক এভাবে যেকোনো চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে পারেন। এছাড়া দেশের কয়েকটি হাসপাতালে টেলিমেডিসিন সেবাও চালু হয়েছে। টেলিমেডিসিন হলো দূর-দূরান্তে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং এবং মোবাইল টিকিটিং সেবার মাধ্যমে যাত্রীরা ঘরে বসেই আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কিনতে পারেন। অনলাইনে বা মোবাইলে টিকিট ক্রয়ের পর স্টেশনে গিয়ে গোপন নম্বর দেখিয়ে মূল টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। এভাবে একজন যাত্রী খুব সহজেই ঘরে বসে রেলওয়ের সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-টিকিটিং এক ধরনের ই-সেবা যার মাধ্যমে যাত্রীরা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে ট্রেনের টিকিট কিনতে পারেন। ক্রয়ের পর তারা একটি গোপন নম্বর পান, যা স্টেশনে গিয়ে প্রদর্শন করলে মূল টিকিট সংগ্রহ করা যায়। এটি সময় সাশ্রয় করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেলওয়ের ই-টিকিটিং সেবার প্রধান সুবিধা হলো এটি ঘরে বসে টিকিট ক্রয়ের সুযোগ দেয়। যাত্রীরা স্টেশনে লম্বা লাইনে দাঁড়ানো ছাড়াই মোবাইল ফোন বা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, যা তাদের সময় ও খরচ কমায়। এতে করে যেমন রেলওয়ের সেবাপ্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, তেমনই যাত্রীদের মধ্যেও রেলওয়ে সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা বেচাকেনার পদ্ধতি। এতে ক্রেতারা অনলাইনে পণ্য নির্বাচন করেন এবং ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং অথবা ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধ করেন। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়ের জন্য সরাসরি বিক্রেতার কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পণ্য বা সেবা বাণিজ্যের কয়েকটি শর্ত থাকে। প্রথমত বিক্রেতার কাছে পণ্য থাকা। দ্বিতীয়ত ক্রেতা কর্তৃক তার বিনিময় মূল্য পরিশোধ করা। তৃতীয়ত মূল্য প্রাপ্তির পর বিক্রেতা কর্তৃক তার পণ্যটি ক্রেতার ঠিকানায় নিজে অথবা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্স ব্যবস্থায় পণ্যের মূল্য পরিশোধের পদ্ধতিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবস্থায় কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা। এ ধরনের কার্ড ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড নামে পরিচিত।
২. মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কোনো মোবাইল ব্যাংকিং এর আকাউন্ট থাকলে এ প্রক্রিয়ায় পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যায়।
৩. ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD): ই-কর্মাস ব্যবস্থায় সবচেয়ে জনপ্রিয় মূল্য পরিশোধ পদ্ধতি এটি। এ প্রক্রিয়ায় ক্রেতা বিক্রেতার ওয়েবসাইটে বসে তার পছন্দের পণ্যটির অর্ডার দেন। বিক্রেতা পণ্যের অর্ডার কনফার্ম হবার পর তা ক্রেতার কাছে পাঠিয়ে দেন এবং ক্রেতা পণ্য পেয়ে এর মূল্য পরিশোধ করেন। তাই একে বলা হয় পণ্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) হলো ই-কমার্সের একটি পেমেন্ট পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ক্রেতা অনলাইনে পছন্দকৃত পণ্য অর্ডার দিয়ে পণ্য গ্রহণের পর বিল পরিশোধ করেন। এটি ক্রেতাদের জন্য আরও সুবিধাজনক এবং বিশ্বাসযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্সে বিক্রেতা তার পণ্যের ছবি ও ভিডিয়ো নির্দিষ্ট ই-কমার্স বা অন্য কোনো ওয়েবসাইটে আপলোড করেন। ক্রেতারা সেগুলো দেখে পছন্দ করে নির্দিষ্ট পণ্য অর্ডার করেন। পণ্য অর্ডারের পর বিক্রেতা ক্রেতার নিকট পণ্যটি পাঠিয়ে দেন। এক্ষেত্রে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসা-বাণিজ্যে ই-কমার্স পদ্ধতি ব্যবহারে বিক্রয়কারী যেসব সুবিধা পাবেন তা হলো-

১. একজন বিক্রেতা তার ক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এতে কোনো মধ্যভোগীর প্রয়োজন নেই।
২. পণ্যের বা সেবার পরিচিতি খুব সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ক্রেতার ঘরে পৌছে দেওয়া যায়।

৩.বিক্রেতা তার সময় সাশ্রয় করেন এবং ঝামেলাহানভাবে লেনদেনের কাজটি সম্পন্ন করেন।

৪. এক্ষেত্রে বাণিজ্য করতে বিরাট পরিসরের প্রয়োজন হয় না। অল্প পরিসরে ইন্টারনেটে দোকান খুলে ই-কমার্স বাণিজ্য করা যায়। এতে অর্থেরও সাশ্রয় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাণিজ্য পদ্ধতি। ব্যবসা- বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সময়, অর্থ, জায়গা এবং নিরাপত্তা এ বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর ই-কমার্স ব্যবস্থা ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই সময় এবং অর্থের সাশ্রয় হয়। বিক্রেতারা খুব কম পরিসরে এ ব্যবসা শুরু করতে পারেন এবং ক্রেতার কাছে তাদের পণ্যের পরিচয় সহজেই পৌছে দিতে পারেন। এ ব্যবস্থায় পণ্য বা অর্থের লেনদেনও অনেক নিরাপদ। আবার ক্রেতারা ঘরে বসেই পণ্য পছন্দ করেন এবং তা বিক্রেতার কাছ থেকে ঘরে বসেই মূল্যের বিনিময়ে পেয়েও যান। ই- কমার্স ব্যবসা পদ্ধতি ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজ করে দিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রসার ২০১১-১২ সাল থেকে শুরু হয়। শুরুতে এ পদ্ধতিটি খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও ধীরে ধীরে এটি ক্রেতাদের নির্ভরতা অর্জন করে ও জনপ্রিয় হয়। বর্তমানে জামা-কাপড়, খাবার, বই, শৌখিন সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে বেচাকেনা হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত দুই ধরনের। কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল নিজেদের পণ্য বিক্রি করে, আর কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রয় করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রচলিত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিক্রেতার একটি নির্দিষ্ট স্থান প্রয়োজন হয়। সরাসরি ক্রেতা-বিক্রেতার যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ই-কমার্স পদ্ধতিতে সরাসরি ক্রেতা-বিক্রেতার যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। বিক্রেতা অনলাইনে পণ্য প্রদর্শন করেন এবং কেতা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্ডার ও পেমেন্ট সম্পন্ন করেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কর্মক্ষেত্রে আইসিটির দুই ধরনের প্রভাব লক্ষ করা যায়। প্রথমত, প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির প্রয়োগের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণ, অন্যদিকে আইসিটি নিজেই নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রচলিত কর্মক্ষেত্রে আইসিটির ব্যবহারে কর্মীদের দক্ষতা, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সেবার মান উন্নত হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া, বিভিন্ন সফটওয়‍্যার ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ দ্রুত ও সহজে সম্পন্ন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান চাকরির ক্ষেত্রে আইসিটির দক্ষতা একটি প্রাথমিক যোগ্যতা। ওয়ার্ড প্রসেসর, উপস্থাপনা সফটওয়্যার, ইন্টারনেট - ব্রাউজিং, ই-মেইল এবং নানান ধরনের বিশ্লেষণী সফটওয়‍্যার ব্যবহারে পারদর্শিতা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে আবশ্যক। অনেক চাকরিতে বিশেষায়িত সফটওয়‍্যারের দক্ষতাও প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি হার্ডওয়‍্যার, সফটওয়‍্যার, ওয়েবসাইট নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের মতো নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করছে। এসব ক্ষেত্রে দক্ষ কর্মীরা দেশে এবং বিদেশে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে, 'আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোন কাজ করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিযে নিচ্ছে। এই ধরনের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং। অন্যভাবে বলা যায়, আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আউটসোর্সিং এখন একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মত বালাদেশেও অনেকে এই খাতে বিনিয়োগ করছেন। ফলে বহু লোক সম্পৃক্ত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে,, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান। এতে করে বেকারত্ব গুছিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা; তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটিতে দক্ষ কর্মীরা দেশের বাইরের কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। এই কাজের বেশিরভাগই দেশে বসে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইসিটিতে দক্ষ কর্মীরা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন। দেশে থেকেও অন্য দেশের বিভিন্ন কাজের অর্ডার পেয়ে দেশে বসেই কাজ সম্পন্ন করছেন। এতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনসহ দেশীয় কর্মিদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা লাভহচ্ছে। এভাবেই আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টী হচ্ছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো এমন ইন্টারনেটভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ তথ্য, ছবি, ভিডিয়ো এবং অনুভূতি বিনিময় করে। উদাহরণ হিসেবে ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন এবং ইনস্টাগ্রাম উল্লেখযোগ্য। এসব মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষ সহজে যোগাযোগ স্থাপন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি সামাজিক যোগাযোগকে সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ করেছে। ইন্টারনেট, ই-মেইল, মোবাইল ফোন, মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে মানুষ এখন সহজেই যোগাযোগ করতে পারে এবং নিজেদের ভাব বিনিময় করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মার্ক জাকারবার্গ তার বন্ধুদের নিয়ে চালু করেন এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং এতে বার্তা প্রেরণ, অডিয়ো-ভিডিয়ো শেয়ার, গ্রুপ তৈরি এবং পেজ চালু করা যায়। এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুকের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বস্তু সংযোজন
২. বার্তা প্রেরণ
৩. ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলি প্রকাশ
৪. তথ্য আদান-প্রদান
৫. অডিয়ো, ভিডিয়ো প্রকাশ
৬. নিজস্ব পেইজ খোলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টুইটার বা এক্স হলো একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম। এতে ১৪০ অক্ষরের মধ্যে বার্তা প্রকাশ করা হয়, যাকে টুইট বলা হয়। এর ব্যবহারকারীরা এতে প্রোফাইল খোলা, টুইট করা এবং অপর কোনো ব্যবহারকারীকে অনুসরণ বা ফলো করা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজ করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টুইটার বা এক্সে কোনো ব্যবহারকারী যখন অপর কোন ব্যবহারকারীর টুইট নিয়মিত পড়তে চায়, তখন সে তাকে অনুসরণ করতে পারে। একে ফলো করা বলে। টুইটার বা এক্সে কোনো সদস্যকে যারা অনুসরণ করে, তাদের ফলোয়ার বলা হয়। ফলোয়াররা সদস্যের টুইট বার্তা তাদের নিজ প্রোফাইলে দেখতে পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুক ও টুইটার উভয়ই সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। তৰে ফেসবুকের সাথে টুইটারের একটি মৌলিক পার্থক্য হলো মনোভাব প্রকাশে অক্ষরের সীমাবদ্ধতা। টুইটারে ব্যবহারকারীর সর্বোচ্চ ১৪০ character এর মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ ও আদান-প্রদান করতে হয়। এজন্য এটিকে মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইটও বলা হয়। কিন্তু ফেসবুকে এরকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক এবং টুইটারের মধ্যে পার্থক্য নিম্নে নিরূপণ করা হলো:

ফেসবুক (Facebook)টুইটার (Twitter)
১. ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম কিন্তু এটি কোনো মাইক্রোব্লগিংয়ের সাইট নয়।১. টুইটার একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক এবং একে মাইক্রোব্লগিংয়ের সাইটও বলা হয়।
ফেসবুক (Facebook)টুইটার (Twitter)
২. ফেসবুকে মনোভাব প্রকাশ এবং তথ্য আদান-প্রদানে অক্ষরের সীমাবদ্ধতা নেই।২. টুইটারে ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ১৪০ অক্ষরের মধ্যে মনোভাব প্রকাশ ও আদান-প্রদান করতে হয়।
৩. ফেসবুকে like এবং friend request ব্যবহার করে।টুইটারের call to action কে বলা হয় ফলো (follow)।
  1. Facebook ২০০৪ সালে চালু হয়।
৪. Twitter ২০০৬ সালে চালু হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রাম হলো একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- এতে ছবি ও ভিডিয়ো শেয়ার করা যায়, গল্প তৈরি করা যায়, হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করা যায়। এতে রিলস এবং কেনাকাটার সুবিধা রয়েছে। এটি ব্র্যান্ড এবং প্রভাবশালীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রামে রিলস এবং কেনাকাটার সুযোগ রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্র্যান্ড এবং প্রভাবশালীরা তাদের অনুসারীদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পণ্য ও সেবার প্রচার এবং বিক্রি করতে পারে। অর্থাৎ এটি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের একটি বড় মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে বিনোদনের জগতে নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে দুই ভাবে। প্রথমত, বিনোদনটি কীভাবে মানুষ গ্রহণ করবে সেই প্রকিয়াটিতে একটি মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বিনোদনের ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমগুলোতে একটি গুণগত পরিবর্তন হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটা সময় ছিল যখন বিনোদনের জন্য মানুষকে ঘরের বাইরে যেতে হতো। সিনেমা দেখতে হলে সিনেমা হলে যেতে হতো, খেলা দেখতে হলে খেলার মাঠে যেতে হতো, গান শুনতে হলে গানের জলসায় যেতে হতো। এখন এ ধরনের বিনোদনের জন্য মানুষের ঘর থেকে বের হতে হয় না। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ এখন ঘরে বসেই সিনেমা দেখা, গান শোনা এবং খেলা উপভোগ করতে পারে। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাবে বিনোদন গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেডিও এবং টেলিভিশন বিনোদনের ক্ষেত্রে প্রথম দিকের প্রযুক্তি, যা মানুষকে ঘরে বসেই বিনোদন উপভোগ করার সুযোগ দেয়। এ প্রযুক্তিগুলো সিনেমা, গান, নাটক এবং খেলার সম্প্রচারকে সহজ করে বিনোদনকে ঘরের ভেতরে নিয়ে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট দ্রুতগতির তথ্য প্রবাহের মাধ্যমে গান, চলচ্চিত্র, টেলিভিশন চ্যানেল এবং লাইভ স্ট্রিমিং উপভোগের সুযোগ তৈরি করেছে। এটি রেডিও বা টেলিভিশনকেও ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে এবং মানুষকে নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান দেখার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি দিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমের জনপ্রিয়তা এর বহুমুখী বিনোদন ক্ষমতার জন্য। এটি শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাইকে তাদের রুচি অনুযায়ী আনন্দ দেয়। নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গেমিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করার সুযোগ এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেম অতিরিক্ত আসক্তির কারণ হতে পারে, যা মানুষের সময় নষ্ট করতে পারে এবং তাকে মানসিক ও শারীরিক সমস্যায় ফেলতে পারে। এই কারণে সারা বিশ্বে গেমিং আসক্তি থেকে! দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমে আসক্তি সময় অপচয় এবং মানসিক ও শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর ব্যবহারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ এর আসক্তি মানুষকে মানসিক, শারীরিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক্স প্রযুক্তি বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি কাল্পনিক জগত, প্রাণী ও চরিত্র তৈরি সহজ করেছে। গ্রাফিক্স-নির্ভর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই প্রযুক্তি সৃজনশীল বিনোদনের সুযোগ তৈরি করেছে। এটি মানুষের কল্পনার জগতকে আরও বিস্তৃত করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ দেরিতে তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন শুরু করায় অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ধীরগতির ইন্টারনেট, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনগনের সচেতনতার অভাবের জন্য এখনোও এদেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের গতি অনেকটাই ধীর। তবে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, সাবমেরিন কেবল, স্যাটেলাইটের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং বিভিন্ন রকম ই-গভার্ন্যান্স ও ই-সেবার প্রয়োগে দেশের প্রযুক্তিগত অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন দেরিতে শুরু করলেও বর্তমানে সরকার ফাইবার অপটিক লাইন, ই-সেন্টার এবং ই-গভর্নেন্সের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে প্রযুক্তির প্রসার ঘটাচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও প্রযুক্তি পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে দেশের মানুষের জীবনমান আরও উন্নত ও সহজ হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পেয়েছে। এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি ডিজিটাল সেবা প্রদান আরও সহজ করেছে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দেশের মানুষের হাতের নাগালে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

২০২৪ সালে আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১০০-এর মধ্যে ৬২। এটি নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের গড় স্কোর ৬৪.৮ এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গড় ৭৭.৩-এর তুলনায় কম। এই সূচকে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটান বাংলাদেশের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে উপরে অবস্থান করছে আর পাকিস্তান বাংলাদেশের পরে অবস্থান করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

২০২৪ সালের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৩ দেশের মধ্যে ১০০তম। কাজেই বাংলাদেশকে আইসিটির ব্যবহার এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও অনেক দূর এগোতে হবে। এই সূচকটি ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, টেলিযোগাযোগ সংযোগ এবং আইসিটির ব্যবহারে মানুষের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাত্র এক-দেড় দশক আগেও বাংলাদেশে টেলিফোনের সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য। কিন্তু এখন প্রায় প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে গেছে। এটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের কারণে ঘটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষার ফলাফল জানা, ট্রেনের টিকিট কেনা এবং মোবাইল মানি অর্ডারের মতো কাজ সহজে করা যায়। এটি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করেছে। এর মাধ্যমেই সাধারণ জনগন তথ্যপ্রযুক্তির প্রায় সকল সেবা ও সুফল গ্রহণ করতে পারছে। এভাবেই এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইউনিয়ন ইনফরমেশন সেন্টার হলো একটি প্রযুক্তি-নির্ভর সেবা কেন্দ্র, যা দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। এটি মোবাইল মানি অর্ডার, ট্রেনের টিকিট কেনা এবং অন্যান্য ডিজিটাল সেবাকে সহজলভ্য করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ানো হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করার পাশাপাশি নিজেরা স্টার্টআপ কোম্পানি গড়ে তুলছে এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য করেছে। ইউনিয়ন ইনফরমেশন সেন্টার, ই-সেন্টার এবং মোবাইল মানি অর্ডারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন গ্রামাঞ্চলের মানুষ মোবাইল ফোনে পরীক্ষা রেজিস্ট্রেশন, ফলাফল জানা এবং ট্রেনের টিকিট - কেনার সুবিধা পাচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানের পৃথিবীর সম্পদ সাধারণ মানুষ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একুশ শতকে এসে আমরা আরো দুটি বিষয় শুরু করেছি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর মানুষকে এক সময় বেঁচে থাকার জন্যে পুরোপুরি প্রকৃতির অনুকম্পার উপর  নির্ভর করতে হতো l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নতুন পৃথিবীর অলিখিত নিয়ম আন্তর্জাতিকতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শিল্প বিপ্লব কবে সংঘটিত হয়েছিল অষ্টাদশ থেকে উনবিংশ শতাব্দীতে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভবিষ্যতে পৃথিবীর চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে কারা যারা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরিতে বিপ্লব করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরির বিপ্লবে অংশগ্রহণে তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা দক্ষতাটি সবচেয়ে জরুরি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে কার বর্ণনা অনুসারে ইঞ্জিন তৈরি করা হয় চার্লস ব্যাবেজ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৮৪০ সালে ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিফারেন্স ইঞ্জিন গণনা যন্ত্রটির আবিষ্কারক চার্লস ব্যাবেজ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডা লাভলেস-এর জন্ম-মৃত্যু সাল ১৮১৫- ১৮৫২।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডা লাভলেস গণিত ও বিজ্ঞানে পারদর্শী ছিলেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কবি লর্ড বায়রনের কন্যার নাম Ada Lovelace |

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোগ্রামিং এর জনক অ্যাডা লাভলেস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সাথে অ্যাডা লাভলেসের পরিচয় হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৩ সালে অ্যাডার বর্ণনাকৃত ইঞ্জিনের কাজের ধারার নোটটি প্রকাশিত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রথম প্রকাশ করেন জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিনা তারে বার্তা প্রেরণের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চৌম্বকীয় বল ধারণাটি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণে প্রথম সফল বিজ্ঞানীর নাম গুগলিয়েলমো মার্কনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গুগলিয়েলমো মার্কনি ইতালিদেশের বিজ্ঞানী ছিলেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে প্রথম গুগলিয়েলমো মার্কনি বিজ্ঞানীকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ শতকে শতকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেমl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ষাট-সত্তরের দশকে দশকে ইন্টারনেট প্রটোকলের ব্যবহার শুরু হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট আবিষ্কৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Arpanet একটি নেটওয়ার্কের নাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আরপানেটে প্রথম Electronic মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পার্সোনাল কম্পিউটারের কাজ প্রথম কোথায় শুরু যুক্তরাষ্ট্রে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্টিভ জবসের তৈরিকৃত প্রতিষ্ঠানটির নাম অ্যাপল কম্পিউটার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাপল প্রতিষ্ঠানটি প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটারের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথম মাইক্রোসফট কোম্পানি পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রোসফট এর স্বত্বাধিকারী বিল গেটস l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

১৯৮১ সালে আইবিএম মাইক্রোসফটকে তৈরির দায়িত্ব প্রদান করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

HTTP ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাবটি জন বার্নাস লি করেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে পাঠদান করার পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলা হয়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিং সনাতন পদ্ধতিতে পাঠদানের বিকল্প নয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর অনেক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের অসংখ্য কোর্স কোথায় উন্মুক্ত করে দিয়েছে অনলাইনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-লার্নিংয়ের জন্য সর্বপ্রথম এবং অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদান ইন্টারনেট l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে ই-গভর্ন্যান্স বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে সরকারি ব্যবস্থাসমূহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল সেবা স্বল্প সময়ে কম খরচে এবং ঝামেলাহীনভাবে পাওয়ার জন্য জেলা ই সেবা কেন্দ্র চালু হয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে ই-সেবা কেন্দ্র থেকে যেকোনো ধরনের সেবা পেতে ২-৫ দিন সময় লাগে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সেবা প্রদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাশ্রয়ের পিছনে মূল কারণ তথ্যের ডিজিটালকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের মূল বিষয় নাগরিকের জীবনমান উন্নত করা এবং হয়রানি মুক্ত রাখা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে ই-সার্ভিস বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর ই-সেবা ধরনের সেবা l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ ই-সেবা ধরনের সেবা l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেশের ১৫ টি চিনিকলের আখচাষি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এস এম এসের
মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেশের চাষীরা মোবাইল এসএমএস মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এমটিএস সেবা কোথায় পাওয়া ডাকঘরে যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-এমটিএস এর মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-পর্চা জমিজমা সংক্রান্ত ধরনের সেবা প্রদান করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেবার পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনলাইনে টিকেট কাঁটাকে ই-টিকেটিং বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কোনটির কোনো বিকল্প নেই বাণিজ্যের l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের সাহায্যে কেনা-বেচার পদ্ধতিকে ই-কমার্স বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো পণ্য বা সেবা বাণিজ্যের ৩টি শর্ত থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেশে বর্তমানে ই-কমার্স পদ্ধতিতে বিভিন্ন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

E-commerce ব্যবস্থায় পণ্য প্রাপ্তির পর বিল পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-কমার্সে ২ ধরনের ধরনের প্রতিষ্ঠান লক্ষ করা যায়l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কর্মক্ষেত্রে আইসিটির ২ ধরনের প্রভাব রয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে কোনটির প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ আইসিটি করা  যাচ্ছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ আইসিটির প্রয়োগ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজে চলাফেরা এবং বিকাশের জন্য কোনটির প্রয়োজন মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকে সামাজিক যোগাযোগ বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুক তৈরির মূল উদ্দেশ্য সামাজিক যোগাযোগ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুকের ওয়েব অ্যাড্রেস www.facebook.com

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যা জরীপকৃত প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট ঠিকানা নিচের কোনটি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

www.stastica.com এর রিপোর্ট এপ্রিল ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩.০৫ বিলিয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেসবুকের সাথে টুইটারের মূল পার্থক্য মনোভাব প্রকাশে অক্ষরের সীমাবদ্ধতা l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টুইটার ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ১৪০ অক্ষরের মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট টুইটার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টুইটারের সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো কোথায় দেখা টুইটারের প্রোফাইল পাতায় যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টুইটারের বার্তাকে টুইট বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রাম ২০১০সালে চালু হয়েছিল  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রামে মূলত ছবি ও ভিডিয়ো শেয়ার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ গল্প তৈরি করতে পারে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টাগ্রামে হ্যাশট্যাগ ট্যাগের মাধ্যমে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করা যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিনোদনের জগতে নতুন দিক ২ ভাবে উন্মোচিত হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

শুরুর দিকে কম্পিউটার আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য হিসাব-নিকাশ ছিল l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট থেকে গান বা ভিডিও নামানোর পদ্ধতির নাম Download|

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে বিনোদন জগতে যে নতুন বিনোদনের জন্ম হয়েছে তার নাম কম্পিউটার গেম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাবমেরিন ক্যাবল ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ায় দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

IDI এর ২০২৪ সংস্করণে বাংলাদেশ ১০০ এর মধ্যে ৬২ নম্বর পেয়েছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

IDI সূচকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশসমূহের গড় মান ৬৪.৮।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

IDI সূচকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহের গড় নম্বর ৭৭.৩।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

IDI সূচকে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটান বাংলাদেশ দেশের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে উপরে অবস্থান করছেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

IDI সূচকে বাংলাদেশের পরে পাকিস্তান দেশের অবস্থান l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ই-গর্ভন্যান্স এর মাধ্যমে সরকারের সকল কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ই-গর্ভনমেন্ট উন্নয়নের অবস্থা উপস্থাপন করার জন্য ই-গর্ভনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট সূচক সূচক ব্যবহৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনফরমেশন হাইওয়ের প্রাথমিক রূপ ইন্টারনেট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭ তম রাষ্ট্র হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
75
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

E-learning প্রযুক্তির দুটি ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
১. মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিজ্ঞানের এক্সপেরিমেন্ট করানো।
২. ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ের উপর কোর্স করা ও পরীক্ষা দেওয়া এবং অনলাইন সার্টিফিকেট গ্রহণ করা।

149
উত্তরঃ

মোস্তাফিজুর রহমান তার ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান সনাতন পদ্ধতিতে আর সরোয়ার সাহেব ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে। তাদের দু'জনের পাঠদান প্রক্রিয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নিচে মোস্তাফিজুর রহমান ও সরোয়ার সাহেবের পাঠদান পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-

সনাতন পদ্ধতি

মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতি

১. এটি একটি সাধারণ পাঠদান প্রক্রিয়া।

১. এটি একটি ই-লার্নিং পদ্ধতি।

২. এটি interactive হতে পারে না এবং এতে হাতে-কলমে এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ কম থাকে

২.এটি intreractive হতে পারে এবং এতে ছাত্র-ছাত্রীরা হাতে কলমে এক্সপেরিমেন্ট করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে

৩. এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের গণ্ডির ভিতর স্বল্প মাধ্যম ব্যবহারে পাঠদান করানো হয়।

৩. এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে সচল, সজীব ও আকর্ষণীয় ভুবন তৈরি করা যায়।

৪. এটি একটি পুরাতন পদ্ধতি।

৪. এটি একটি আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতি।

101
উত্তরঃ

মোঃ শিবলী সরোয়ার ছাত্র-ছাত্রীদের আধুনিক পদ্ধতি মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতি ব্যবহারে পাঠদান করান। মাল্টিমিডিয়া মানে বহুমাধ্যম। শব্দ, বর্ণ, চিত্রের সমন্বয়ে গঠিত হয় মাল্টিমিডিয়া। এর মাধ্যমে সচল, সজীব ও চলমান চিত্র তৈরি করা যায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে নতুন নতুন মাধ্যমের সূচনা করেছে যা পূর্বের মাধ্যম থেকে অনেক শক্তিশালী ও কার্যকর।

মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার তেমন একটি পদ্ধতি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে শিক্ষাদান অনেক সহজ ও সময়-অর্থ সাশ্রয়ী। সরোয়ার সাহেবের শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রযুক্তিনির্ভর। তিনি বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে-কলমে এক্সপেরিমেন্ট করান। কম্পিউটার স্লাইড বা অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহারে একাধিক নিখুঁত বোধগম্য' ছবি ব্যবহার করে শিক্ষাদান করেন। সরোয়ার সাহেবের ক্লাসরুম হলো মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম। ফলে তিনি ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার বিষয়বস্তুকে অধিক আকর্ষণীয়, সহজবোধ্য ও জ্ঞাননির্ভর করে উপস্থাপন করতে পারেন। তিনি বিভিন্ন ডিজিটাল কন্টেন্ট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের পড়ান। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের লেকচার কপি প্রদান করেন কিংবা অনলাইনে দিয়ে থাকেন। যার ফলে তারা সম্পূর্ণ মনোেযাগ দিয়ে পড়া বুঝতে পারে। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইন থেকে বই নামানোর পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছেন। এ কারণেই সরোয়ার সাহেবের ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীরা বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়াশোনা করছে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্র এখন অনেক বিস্তৃত।

85
উত্তরঃ

ই-সেবার উদ্দেশ্য হলো নাগরিক জীবনে প্রয়োজন এমন বিভিন্ন সেবা স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ও হয়রানিমুক্তভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

199
উত্তরঃ

সরকারি কিংবা বেসরকারি পর্যায়ে জনগণের কল্যাণের জন্য নানা - ধরনের সেবা রয়েছে; যেমন- যাতায়াত, টিকেট কাটা, কথা বলা, জমির দলিলের কপি তৈরি করা প্রভৃতি। এসব সেবা ডিজিটাল বা electronic পদ্ধতিতে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গৃহীত পদ্ধতিই হলো ই-সেবা। ই-সেবার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প খরচ, স্বল্প সময় ও ঝামেলাহীন সেবা নিশ্চিত করা। ই-পর্চা, টেলিমেডিসিন, পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ, অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর প্রভৃতি ই-সেবার অন্তর্ভুক্ত।

392
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews