সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

বেশির ভাগ কিশোর-কিশোরী বড় ধরনের সমস্যা ছাড়াই বয়ঃসন্ধিক্ষণ বয়স পার করে দেয়। কিন্তু কেউ কেউ আছে যারা সাংঘাতিকভাবে তাদের জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং তাদের সমস্যা তাদের পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, সহপাঠী সবার জন্যই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এগুলো পরোক্ষভাবে সমাজের সবাইকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে। এই সমস্যাগুলোই মনোসামাজিক সমস্যা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে মনোসামাজিক কারণে বিভিন্ন ধরনের অপরাধপ্রবণতা, মাদকাসক্তি, বিষণ্ণতা, স্কুল পলায়ণ ইত্যাদি দেখা যায়। যে ছাত্রটি স্কুল ফাইনাল পরীক্ষার আগেই স্কুল ত্যাগ করে, সে শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে না, সমাজের জন্যও সে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরের মনোসামাজিক সমস্যা দুই ধরনের হয়। একটি অন্তর্মুখী ও অপরটি বহির্মুখী। অন্তর্মুখী সমস্যায় সমস্যাগ্রস্ত । ছেলেমেয়েরা নানা ধরনের মানসিক ও আবেগীয় জটিলতায় ভোগে। যেমন- হতাশা, উদ্বেগ ইত্যাদি। বহির্মুখী সমস্যার ক্ষেত্রে সমস্যাগ্রস্ত ছেলেমেয়েদের সমস্যা তার আচরণে প্রকাশ পায়। যেমন- মাদকাসক্ত, বিভিন্ন ধরনের অপরাধপ্রবণতা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মানব জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হলো কৈশোরকাল। এসময়ে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন খুব দ্রুত হয়। কৈশোরের একটি ছেলে বা মেয়েকে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে হয়। কৈশোরকাল প্রাপ্তবয়সে যাওয়ার সময়কাল। সাধারণত ১১-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত কৈশোরকাল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিশোর অপরাধ হলো অপরিণত বয়সে প্রচলিত সমাজব্যবস্থা, আইনকানুন বিরোধী আচরণ। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য যে অপরাধ শাস্তিযোগ্য অপরাধ, সে ধরনের কাজ কিশোরদের দ্বারা সংঘটিত হলেই তা কিশোর অপরাধ। কিশোর অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে না। তাদের আচরণ সংশোধনের জন্য সংশোধনী কেন্দ্রে রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মনোস্তাত্ত্বিকরা কিছুটা ভিন্নভাবে কিশোর অপরাধ চিহ্নিত করেন। যেকোনো অগ্রহণযোগ্য কাজ তা আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ না হলেও তা কিশোর অপরাধের মধ্যে পড়ে। যেমন- কারও জিনিস অন্যায়ভাবে নিজেদের দখলে রাখা, অন্যের সম্পত্তির ক্ষতি করা, অন্যের জীবনের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনেকে বয়ঃসন্ধির বয়সের আগেই অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। তারা সাধারণত ৭/৮ বছর বয়স থেকে ধারাবাহিকভাবে অপরাধ করে। যেমন- মারামারি করা, অন্যের জিনিস নষ্ট করা, চুরি করা ইত্যাদি। এ ধরনের অপরাধের কারণ হিসেবে মানসিক সমস্যা বা বিপর্যয়কে দায়ী করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিশোর অপরাধের ওপর গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে, যারা ছোটোবেলা থেকে অপরাধমূলক কাজে অভ্যন্ত থাকলে তারা বড় হয়েও অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। এ ধরনের অপরাধীদের মধ্যে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের সংখ্যা বেশি হয়। এদের মধ্যে বেশির ভাগ পরিবার দরিদ্র কিংবা ভগ্ন পরিবার অর্থাৎ পরিবারে মা-বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ বা পৃথক বসবাস করে ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যারা কৈশোরের আগ থেকে অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের ছোটবেলা থেকেই কিছু লক্ষণ থাকে। তারা সমবয়সীদের তুলনায় স্কুলে অমনযোগী থাকে, তাদের বৃদ্ধাঙ্ক বা আই কিউ কম থাকে, তাদের সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে না। এসব লক্ষণ একটি ছোট শিশুর কিশোর অপরাধী হওয়ার আশঙ্কা বাড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যেকোনো সমস্যা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। কোনো সমস্যা তৈরি হওয়ার পর সমাধান করা হলো প্রতিকার করা। আর পরবর্তিতে সমস্যাটি যেন পুনরায় উদ্ভব না হয়, তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশে কিশোর অপরাধ প্রতিকারে অপরাধী কিশোর কিশোরীদের জন্য সংশোধনী প্রতিষ্ঠান আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। অপরাধীকে ওই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে। যেমন- সেলাইয়ের কাজ, 1 অটোমোবাইলের কাজ ইত্যাদি। এসব প্রশিক্ষণের ফলে সংশোধনীকালীন সময় শেষ হওয়ার পর অপরাধী আত্মনির্ভরশীল হতে পারে, তারা জীবিকার জন্য উপার্জন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে করণীয় হলো-
ক. প্রতিটি পরিবারে সন্তানের সাথে মা-ব্যাবর বন্ধন দৃঢ় করতে হবে।
খ. প্রতিটি পরিবারে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করতে হবে।
গ. পরিবারের ভাঙন রোধ করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কিশোর অপরাধ থেকে মুক্ত থাকার জন্য কিশোরদের নিজেদেরও কিছু করণীয় থাকে। প্রথমত, বন্ধুদলের অপরাধমূলক কাজকে উৎসাহ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দ্বিতীয়, মেলামেশার জন্য ভালো বন্ধুদল নির্বাচন করতে হবে। আইন বা নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নিতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে যেন সন্তান অপরাধমূলক কোনো কাজে জড়িয়ে পড়ার সুযোগ না পায়। সবসময় অপরাধ জগতের খারাপ দিকগুলো সন্তানের সামনে তুলে ধরতে হবে। তারা যেন এর ভয়াবহ দিক উপলব্ধি করতে পারে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা ঘটনায় মন খারাপ হওয়া, কাজ করতে ইচ্ছা না করা খুবই স্বাভাবিক। যখন এ রকম অবস্থা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে এবং শরীরকেও প্রভাবিত করে তখন সেটা দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিষণ্ণতা এক ধরনের মানসিক অবস্থা, যেখানে মনের অসুখী ও একঘেয়েমির অনুভূতি থাকে। এর ফলে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজের আগ্রহ থাকে না এবং সে হতাশায় ভুগতে থাকে। খাবারে অনীহা, ঘুমের ব্যাঘাত ইত্যাদি ধরনের শারীরিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিষণতা গুরুতর হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায়-
১. দিনের বেশির ভাগ সময় মন খারাপ থাকা এবং বিরক্তির অনুভূতি থাকা।
২. আনন্দময় কোনো কাজে আগ্রহ কমতে থাকা।
৩. ওজন কমে যাওয়া বা দৈহিক শক্তি কমে যাওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের মধ্যে বিষণ্ণতা বেশি দেখা যায়। কৈশোরের বিষণ্ণতার সাথে শিশুকালের মানসিক অবস্থার বিশেষ সম্পর্ক আছে। যে ধরনের পরিবারে শৈশবে সন্তান ও মা-বাবার দৃঢ় বন্ধন থাকে না এবং মা-বাবা যেকোনো একজনের মৃত্যুতে নেতিবাচক মানসিক কাঠামো তৈরি হয়। তাই পরিবারের ছেলেমেয়েদের মধ্যে হতাশা ও বিষণ্ণতার আশঙ্কা বেশি থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিশু প্রতিপালনে অতিরিক্ত কঠোরতা বিষন্নতা আনতে পারে। | সেখানে স্বাধীন ব্যক্তিসত্তা গড়ে ওঠে না। তারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে 1 পারে না, আত্মবিশ্বাস হারায়। এ ধরনের পরিবারের ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন কারণে হতাশাগ্রস্ত থাকে। নিজেকে অপরাধী মনে করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হতাশা ও বিষণ্ণতার দুটি কারন হলো-
ক. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ বিবাহ বিচ্ছেদ সন্তানদের মধ্যে বিষণ্ণতা সৃষ্টি করে।
খ. পড়াশোনায় ব্যর্থতা ও অতিরিক্ত মানসিক চাপে বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিষণ্ণতায় ছেলেমেয়েরা নিজেকে খুব একা মনের করে। সামান্য কারণেই কেঁদে ফেলে, কর্মদক্ষতা হারায় এবং গুরুতর হলে আত্মহননের চিন্তা করে থাকে। এবাবে বিষণ্ণতায় অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিষণ্ণতা প্রতিরোধে করণীয়কাজগুলো হলো-
i. যেকোনো পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করতে শেখা।
ii.যেকোনো ঘটনার ভালো দিকগুলো খুঁজে পেতে শেখা।
iii... জটিল অবস্থা মেনে নেওয়ার ধৈর্য তৈরি করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজে আমাদের মন খারাপ থাকে। কখনো অন্য কারও কটু কথা বা অপ্রীতিকর আচরণে আমরা মনে কষ্ট পায়। নিজের ইচ্চা বা চাহিদা পূরণ না হলে আমাদের মন খারাপ হয়। আবার কোনো দুঃসংবাদ বা ঘটনা আমাদের মনে কষ্টের কারণ হয়। এই মনের কষ্ট থেকেই সৃষ্টি হয় মানসিক চাপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অনেক মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে হয়। একে যদি আয়ত্তাধীন রাখা যায় বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে এই চাপ অনেক সময় আমাদের কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধি করে ও সাফল্য বয়ে আনে। যেমন- পরীক্ষার সময় যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় তা পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মনের মধ্যে এমন কিছু চাপ মাঝে মধ্যে দেখা দেয় যা স্নায়ুবিক চাপ সৃষ্টি করে। ফলে মনের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এটাই নেতিবাচক চাপ। এই চাপ আমরা সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। নেতিবাচক চাপ আমাদের সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে বা ছন্দপতন ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেতিবাচক চাপ আমাদের নানা শারীরিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি।
করে। যেমন-
ক. বুক ধড়ফড় করা, হাত-পা কাঁপা, জিহবা শুকিয়ে আসা, উত্তেজনা, আচরণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
খ. দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র মানসিক চাপ শরীরে বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যেমন- হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মানসিক চাপ থেকে নিজেকে রক্ষার উপায়গুলো হলো-
ক. যেকোনো বেদনাদায়ক অবস্থায় বা দুর্ঘটনায় মনোবল বজায় রাখতে হবে।

খ. ধৈর্যধারণ করা করতে হবে।

গ. পারিবারিক কোনো বিষয় মানসিক চাপের কারণে হলে, পরিবারের সবাই আলোচনা করে তা মোকাবিলা করতে হবে ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন কারণে নানা ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। যেমন-

ক. কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা বা দুঃসবাদ।

খ. পারিবারিক বিশৃঙ্খলা, দরিদ্রতা, দুঃখ-বেদনা।

গ. সামাজিক উৎপীড়ন, সামাজিক বৈষম্য, নৈতিকতার অবক্ষয়।

ঘ.নিজের ইচ্ছা বা বাসনা পূরণ না হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
27

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

811
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

1.1k
উত্তরঃ

ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে। 

ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো- 

১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।

২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।

৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব। 

৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে। 

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।

478
উত্তরঃ

ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-

১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে। 

২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে। 

৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।

৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে। 

৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে। 

৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে। 

এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।

564
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

219
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

295
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews