কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়িভাবে বসবাস করলে তাকে মানব বসতি বলে। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে উপযোগী করে চলার এটাই প্রথম অবস্থা। পরিবেশের সঙ্গে মানুষের অভিযোজনের প্রথম পদক্ষেপ হলো বসতি স্থাপন। মানুষ প্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানব বসতি গড়ে তোলে।
প্রাচীনকাল থেকে যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে বসতি গড়ে উঠছে। নদী তীরবর্তী স্থানে নৌচলাচলের এবং সমতল ভূমিতে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এরূপ স্থানগুলোতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে উঠেছে। মিশরের নীল নদের তীরবর্তী আলেকজান্দ্রিয়া ও তাজিকিস্তানের সমতল ভূমিতে সমরকন্দ নগরের এভাবেই উৎপত্তি হয়েছে।
জনবসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে। সমতলভূমিতে কৃষিকাজ সহজে করা যায়, কিন্তু পাহাড়ি এলাকার ভূমি অসমতল হওয়ায় কৃষিকাজ করা কষ্টকর। ফলে যাতায়াতের সুবিধার জন্য কৃষিজমির নিকটে জনবসতি তৈরি হয়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসতির ঘনত্ব সমতলভূমির তুলনায় কম।
পানীয় জলের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা বসতিকে বলা' হয় আর্দ্র অঞ্চলের বসতি। জীবনধারণের জন্য মানুষের প্রথম ও প্রধান চাহিদা হলো বিশুদ্ধ পানীয় জল। এজন্যই নির্দিষ্ট জলপ্রাপ্যতার স্থানে মানুষ বসতি গড়ে তোলে।
বসতি গড়ে ওঠার নিয়ামকগুলো নিম্নরূপ-
- ভূপ্রকৃতি
- মাটি
- পশুচারণ
- পানীয় জলের সহজলভ্যতা
- প্রতিরক্ষা
- যোগাযোগ
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়। মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য মানব বসতির ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। উর্বর পলিমাটি কৃষিকাজের উপযুক্ত হওয়ায় এসব অঞ্চলে বসতির ঘনত্ব অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অধিক।
যে সমস্ত অঞ্চলে পর্যাপ্ত সূর্যতাপ পাওয়া যায় ও পরিমিত বৃষ্টিপাত হয় সেসব জায়গা বসবাসের জন্য অনুকূল। এরূপ স্থানে কৃষির বিস্তার ঘটে। ফলে 'অধিক বসতি গড়ে ওঠে। যেমন-বাংলাদেশ, ভারত ও স্পেন। পক্ষান্তরে, দুর্গম মরু বা মেরু অঞ্চল অথবা অধিক তাপ বা শৈত্যপ্রবাহবিশিষ্ট অঞ্চলে বসবাস কষ্টসাধ্য বলে বসতি কম গড়ে ওঠে (যেমন- সাইবেরিয়া)। তাই বলা যায়, বসবাস স্থাপনে জলবায়ু প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করে।
প্রাচীনকাল থেকে যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে বসতি গড়ে উঠছে। যেমন- নদী তীরবর্তী স্থানে নৌচলাচলের এবং সমতলভূমিতে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এরূপ স্থানগুলোতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে উঠেছে। যোগাযোগের সুবিধার্থে মিশরের নীলনদের তীরে নীল সভ্যতা এবং সিন্ধু নদের তীরে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছে।
যে বসতির সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী জীবিকা অর্জনের জন্য প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশেষত কৃষির ওপর নির্ভরশীল সেই বসতিকে গ্রামীণ বসতি বলে। ভূপ্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে গ্রামীণ বসতি বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত ও গোষ্ঠীবদ্ধ হতে পারে। এর কারণ হলো গ্রামে প্রচুর জমি থাকে। স্বভাবতই, গ্রামবাসীরা খোলামেলা জায়গায় বাড়ি তৈরি করতে পারেন। ঘরবাড়ির কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য, নির্মাণ উপকরণ, বাড়ির নকশা ইত্যাদির বিচারে গ্রামীণ বসতি সহজেই চিনে নেওয়া যায়।
জীবিকার প্রধান উৎস অনুসারে কয়েকটি গ্রামীণ গ্রামের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-
- মৎস্য গ্রাম
- মৃৎশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত কুমারপাড়া
- লোহাজাত দ্রব্য তৈরিতে সম্পৃক্ত কামারপাড়া ইত্যাদি।
যেসব বসতি অঞ্চলে অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অন্যান্য অকৃষিকার্য কাজে নিয়োজিত থাকে তাকে নগর বা শহরে বসতি বলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসী শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, প্রশাসন, শিক্ষাসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত থাকে। নগর বসতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিটি বসতিতে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ থাকে এবং যাতায়াতের জন্য পাকা রাস্তা ও যানবাহন থাকে।
নিচে গ্রামীণ বসতি ও নগর বসতির মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো 'হলো-
গ্রামীণ বসতি | নগর বসতি |
১. যে বসতির সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী জীবিকা অর্জনের জন্য প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষত কৃষির ওপর নির্ভরশীল সেই বসতিকে গ্রামীণ বসতি বলে। | ১. যে বসতি অঞ্চলে অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অন্যান্য অকৃষিকার্য পেশায় নিয়োজিত থাকে, তাকে নগর বসতি বলে। |
২. গ্রামীণ বসতিতে পথঘাটের প্রাধান্য থাকে খুব কম। কাঁচা আধা-পাকা রাস্তার পরিমাণই বেশি। | ২. শহরে পাকা রাস্তাঘাট এবং বিশাল আকাশচুম্বী অট্টালিকা রয়েছে। |
অবস্থানের প্রেক্ষিতে গ্রামীণ বসতি তিন প্রকার। নিচে ছক তৈরি করে শ্রেণিবিভাগ দেখানো হলো-

যে ধরনের বসতিতে কোনো একস্থানে বেশ কয়েকটি পরিবার একত্রিত হয়ে বসবাস করে তাকে গোষ্ঠীবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ বসতি বলে। এ ধরনের বসতি আয়তনে ছোটগ্রাম হতে পারে, আবার পৌরও হতে পারে। এ ধরনের বসতিতে বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দূরত্ব কম ও বাসগৃহের একত্রে সমাবেশ। এ জন্যই বাসগৃহগুলোর মধ্যে পরস্পরের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
নিচে বিক্ষিপ্ত বসতির বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো-
- দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান।
- অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি।
- অধিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা।
যেসব বসতি একই সরলরেখায় গড়ে ওঠে তাকে রৈখিক বসতি বলে। প্রধানত প্রাকৃতিক এবং কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক কারণ এই ধরনের বসতি গড়ে উঠতে সাহায্য করে। নদীর প্রাকৃতিক বাঁধ, নদীর কিনারা, রাস্তার কিনারা প্রভৃতি স্থানে এ ধরনের বসতি গড়ে ওঠে।
অধিক মাত্রায় গ্রামাঞ্চলের লোকদের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে সীমিত এলাকার মধ্যে অবস্থানকে নগরায়ণ বলে। একটি দেশে নগরায়ণ ঘটে মূলত প্রশাসনিক, শিল্প, বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং সাময়িক ক্রিয়াকলাপের ওপর ভিত্তি করে।
নগরায়ণ দুটি সম্পর্কযুক্ত প্রক্রিয়ায় সঙ্গে জড়িত। যথা-
১. গ্রামীণ এলাকা থেকে পৌর এলাকায় মানুষের আগমন এবং এর ফলে গ্রামীণ এলাকা অপেক্ষা পৌর এলাকায় বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত বৃদ্ধি পাওয়া;
২. নগরের সঙ্গে জড়িত সংস্কৃতির কতিপয় ধরনসহ গ্রামীণ এলাকায় পৌর প্রভাবের বিস্তার এবং এই প্রভাব প্রসার লাভকরার ফলে অতিমাত্রায় নগরায়িত সমাজে, গ্রামীণ ও পৌর জনসংখ্যার মধ্যে সাংস্কৃতিক পার্থক্য হ্রাস পায়।
নিচে সামরিক কার্যকলাপভিত্তিক নগর ও প্রশাসনিক নগরের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো
সামরিক কার্যকলাপভিত্তিক নগর | প্রশাসনিক নগর |
১. প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে প্রতিটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে সামরিক ও নৌ ঘাঁটির দুর্গসমূহ গড়ে ওঠে। এসব স্থানকে আশ্রয় করে কালক্রমে নগর বিকাশ লাভকরে। | ১. প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হলো নগর। শাসন ব্যবস্থার প্রয়োজনে সাধারণত কোনো কেন্দ্রীয় শহরকে রাজধানীর রূপ দেওয়া হয় এবং সেখানে পৌর বসতির প্রসার ঘটে। |
২. স্কটল্যান্ডের এডিনবরা, ফ্রান্সের লা-হ্যভার, রাশিয়ার পিটার্সবার্গ, স্পেনের জিব্রাল্টার, ভারতের আগ্রা, গোয়ালিয়র প্রভৃতি সামরিক ঘাঁটির নগর। | ২. বাংলাদেশের ঢাকা, ভারতের নয়াদিল্লি, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা প্রভৃতি প্রশাসনিক নগর। 1 |
বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে শহর বা নগর গড়ে ওঠেছে নিচে এরূপ কয়েকটি শহরের নাম উল্লেখ করা হলো-
- প্রাচীনকালের সিরিয়ার দামেস্ক ও আলেপ্পো শহর।
- মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহর।
- মরক্কোর ফেজ শহর।.
- বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর।
প্রাচীনকাল থেকে যাতায়াত ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে বসতি গড়ে উঠেছে। নদী তীরবর্তী স্থানে নৌচলাচলের এবং সমভূমিতে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এরূপ স্থানগুলোতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। এভাবে তাজিকিস্তানের সমতল ভূমিতে সমরকন্দ নগরের উৎপত্তি হয়েছে।
শহরে সাধারণত ইট, কাঠ, লোহা ও সিমেন্ট দিয়ে তৈরি বহুতলবিশিষ্ট বাড়ির সংখ্যা অধিক। এর ফলে স্বল্প পরিসর স্থানে অধিক লোকের সংস্থান হয়। প্রশস্ত রাজপথ, পার্ক, কৃত্রিম লেক প্রভৃতি শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা থাকে।
পরিবার হলো মানুষের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান। শহর জীবনে সচরাচর একক পরিবার কাঠামো লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন ধরনের পেশা ও শহরের কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে শহরের লোকেরা প্রায় অবসরহীন জীবনযাপন করে। ফলে তারা নিজ নিজ পরিমন্ডলের লোকদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে না।
নগরে নাগরিক সংগঠনগুলো খুব সক্রিয় থাকে। রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি ও কর্মকাণ্ড শহর থেকেই পরিচালিত হয়। এছাড়া অন্যান্য সামাজিক সংগঠনগুলো নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও লোক ঐতিহ্যের মেলার আয়োজন করে থাকে। যা নগর জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।
গ্রাম থেকে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বহু লোক শহরে আসে। এদের কেউ গাড়ি চালায়, কেউ ঠেলাগাড়ি, কেউ গার্মেন্টসে কাজ করে, কেউ রিক্সা চালায়। এদের সবারই আয় খুব কম। এই সীমিত আয় দিয়ে বাসা ভাড়া করে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণে এই দরিদ্র শ্রেণির লোকেরা রেললাইনের দু'পাশে, পতিত আবর্জনাযুক্ত এলাকায় বসতি স্থাপন করে যা বস্তি নামে পরিচিত।
অপরিকল্পিত নগরায়ণে সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিবেশগত সমস্যাগুলো নিচে ছকে দেখানো হলো-
| অপরিকল্পিত নগরায়ণ | প্রত্যক্ষ পরিবেশগত |
|
|
ক্রমবর্ধমান যানবাহনের ধোঁয়ার সঙ্গে অবাধে পলিনিউক্লিয়ার হাইড্রোকার্বন, সীসা, অ্যাসবেস্টস্, পারদ, নিকেল, সালফার ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি বিষাক্ত পদার্থ ভেসে বেড়ায়।
কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে মানুষ একত্রিত হয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করলে তাকে মানব বসতি বলে। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে উপযোগী করে চলার এটাই প্রথম অবস্থা। পরিবেশের সঙ্গে মানুষের অভিযোজনের প্রথম পদক্ষেপ হলো বসতি স্থাপন। মানুষ প্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানব বসতি গড়ে তোলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক ভিন্নতার জন্য বিভিন্ন ধরনের বসতি গড়ে উঠেছে, যেমন- যে দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের এস্কিমোরা বরফের ঘরে এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ গ্রামীণ বসতিতে দোচালা ও চৌচালা ধরনের ঘরে বাস করতে দেখা যায়। আর বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বসতিতে আধুনিক নকশা ও নির্মাণসামগ্রী প্রয়োগ করে উচ্চ অট্টালিকা তৈরি হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রামীণ ও শহর উভয় স্থানে বসতি বৃদ্ধির হার বেড়েই চলেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে পরিবেশ দূষণ ব্যাপকভাবে হচ্ছে।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!