সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যা কিছু নির্দিষ্ট প্রযুক্তি অর্থনীতি এবং সামাজিক অবস্থায় ব্যবহার করা যায় তাই সম্পদ। পেট্রোলিয়াম (খনিজ তেল)-এর ব্যবহার ও উত্তোলন জানার সঙ্গে সঙ্কো এটি একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে। অবস্থানগত কারণে কোনো ভূমির মূল্য কমবেশি হয়। তেমনি ব্যবহার জানার পর অপ্রয়োজনীয় বস্তুর প্রয়োজন হয়। এভাবেই কোনো বস্তু মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়। এক কথায় বস্তুর কার্যকারিতাই সম্পদ।

উত্তরঃ

সম্পদকে প্রাথমিকভাবে তিনভাগে ভাগ করা যায়। নিচে তা ছকে উপস্থাপন করে দেখানো হলো-

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সম্পদ দুই প্রকার। যথা-
১. নবায়নযোগ্য সম্পদ। যেমন- সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, পানি শক্তি।
২ . অনবায়নযোগ্য সম্পদ। যেমন- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, জ্বালানি কাঠ।

উত্তরঃ

নিচে নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য সম্পদের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখা হলো-

নবায়নযোগ্য সম্পদ

অনবায়নযোগ্য সম্পদ

১. নবায়নযোগ্য সম্পদ বলতে বোঝায় সেইজাতীয় সম্পদ, যা মূলত পুনঃসংগঠনশীল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে তারা বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল।

১. অনবায়নযোগ্য সম্পদ বলতে বোঝায়। যে সম্পদ খুব ধীর গতিতে সৃষ্টি হয় এবং তাদের সরবরাহের পরিমাণ সীমাবদ্ধ, অনেক সম্পদ আছে সেগুলো সময়ের উত্তরণে কোনোভাবেই প্রভাবিত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না

২. উদাহরণস্বরূপ জলবিদ্যুৎ বা পানিবিদ্যু, সৌরশক্তি প্রভৃতি।

২. উদাহরণস্বরূপ কয়লার মজুদ অথবা আকরিক ধাতু। চোয়ানোর মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদের মজুদ হ্রাসপ্রাপ্ত হয়।

উত্তরঃ

সম্পদ সংরক্ষণ বলতে বোঝায়, প্রাকৃতিক সম্পদের এমন ব্যবহার, যাতে ঐ সম্পদ যথাসম্ভব অধিকসংখ্যক লোকে দীর্ঘ সময়ব্যাপী মঙ্গল নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়। উদাহরণস্বরূপ কৃষি মৃত্তিকা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন রকমের মৃত্তিকা সংরক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন- সোপান চাষ ও শসা আবর্তন। এছাড়া অকৃষি অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে মৃত্তিকাকে সংরক্ষণ করা যায়।

উত্তরঃ

বিভিন্ন ব্যবহৃত বস্তুকে রিসাইক্লিং করে পুনরায় সম্পদরূপে ব্যবহার উপযোগী করার মাধ্যমে সম্পদের অপচয় রোধ করা যায়। আবার আমাদের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতি গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যদি সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, তবে প্রাকৃতিক গ্রাস তথা সম্পদের অপচয় কম হবে।

উত্তরঃ

পণ্যসামগ্রী ও সেবাকার্যের উৎপাদন, বিনিময় এবং ব্যবহারের সাথে সম্পর্কযুক্ত যেকোনো মানবীয় আচরণের প্রকাশই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এ কর্মকাণ্ড প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায়ে বিভক্ত।

উত্তরঃ

দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মানুষ তার প্রথম পর্যায়ের কর্মকান্ড দ্বারা উৎপাদিত সামগ্রীকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠন করে, আকার পরিবর্তন করে এবং উপযোগিতা বৃদ্ধি করে। খনিজ লৌহ আকরিক উত্তোলন করে তা থেকে লোহাশলাকা, পেরেক, টিন, ইস্পাত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে পরিণত করা হয়। রন্ধনকার্য থেকে আরম্ভ করে অত্যন্ত জটিল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকরণ সকল প্রকার কার্যই দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড।

উত্তরঃ

প্রথম পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মধ্যে নিচে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো-

প্রথম পর্যায়

তৃতীয় পর্যায়

১. প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি কাজ করে।

১. তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে মানুষ প্রথম ও দ্বিতীয় 'পর্যায়ের কর্মকান্ড থেকে উৎপাদিত বস্তুসমূহের উপযোগিতা বৃদ্ধি করে এবং সেবাকার্য সম্পাদন করে।

২. পশু শিকার, মৎস্য শিকার, কাঠ সংগ্রহ, পশুপালন, খনিজ উত্তোলন এবং কৃষিকার্য প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

২. পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা, পরিবেশক, ব্যাংকার, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, আইনজীবি, ধোপা, নাপিত, রিকশাচালক প্রভৃতি অসংখ্য প্রকার জনসমষ্টির কর্মকাণ্ড তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।

উত্তরঃ

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের চারটি করে কার্যের উদাহরণ নিম্ন ছকে উপস্থাপন করা হলো-

প্রথম পর্যায়

দ্বিতীয় পর্যায়

তৃতীয় পর্যায়

১. পশু শিকার

২. কাঠ সংগ্রহ

৩. খনিজ উত্তোলন

৪. কৃষিকার্য

১. লোহাশলাকা

২. পেরেক

৩. টিন

৪. ইস্পাত

১. ব্যাংকার

২. শিক্ষক

৩. নাপিত

৪. রিকশাচালক।

উত্তরঃ

প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের কয়েকটি দেশের নাম লেখা হলো-

  • বাংলাদেশ
  • নেপাল
  • কেনিয়া
  • মিয়ানমার
  • কম্বোডিয়া
  • জাম্বিয়া
  • ভুটান
  • ইথিওপিয়া

উত্তরঃ

দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত উন্নত বিশ্বের কয়েকটি দেশের নাম নিম্নরূপ

  • আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র
  • চীন
  • ফ্রান্স
  • কানাডা
  • ইতালি
  • স্পেন
  • জাপান
  • জার্মানি
  • যুক্তরাজ্য
উত্তরঃ

শিল্প গড়ে ওঠার নিয়ামক দুটি। যথা-
প্রাকৃতিক নিয়ামক (জলবায়ু, শক্তি সম্পদের সান্নিধ্য, কাঁচামালের সান্নিধ্য)।অর্থনেতিক নিয়ামক (মূলধন, শ্রমিক সরবরাহ, বাজারের সান্নিধ্য, সুষ্ঠু যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সরকারি বিনিয়োগ নীতি, স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থা)।

উত্তরঃ

শক্তি সম্পদের উপর শিল্পের অবস্থান নির্ভরশীল। কারণ কারখানা চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। বড় বড় কারখানা চালানোর জন্য কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, অলবিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। সন্তায় শক্তি সম্পদ ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন। যে সকল অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি সম্পদ সরবরাহের ব্যবস্থা আছে, সেখানেই সাধারণত বিভিন্ন প্রকার শিল্প কেন্দ্রীভূত হয়।

উত্তরঃ

শিল্প স্থাপনে মূলধনের প্রভাব বিশেষ উল্লেখযোগ্য। কারণ ভূমি ও কারখানার যন্ত্রপাতি ক্রয়, শ্রমিকের বেতন এবং পরিবহন ব্যবস্থা প্রভৃতির জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। যে সকল স্থানে মূলধন সংগ্রহের ব্যবস্থা আছে সেখানেই শিল্প গড়ে ওঠে। কোনো দেশে মূলধনের অভাব হলে শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

উত্তরঃ

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হচ্ছে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম নিয়ামক। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থার কারণে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাহত হয়। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে দেশ অগণতান্ত্রিক অবস্থার রূপ নেয়। ফলে সেই দেশসমূহে শিল্প স্থাপনের সংখ্যা হ্রাস পায় এবং দেশের অর্থনীতিতে অনেকটা স্থবিরতা চলে আসে। এ কারণে শিল্প স্থাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

উত্তরঃ

শক্তি সম্পদের ওপর শিল্পের অবস্থান নির্ভরশীল। কারণ কারখানা চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। বড় বড় কারখানা চালানোর জন্য কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, জলবিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। সস্তায় শক্তি সম্পদ ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন। যে সকল অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি সম্পদ সরবরাহের ব্যবস্থা আছে, সেখানেই সাধারণত বিভিন্ন প্রকার শিল্প কেন্দ্রীভূত হয়।

উত্তরঃ

শিল্পের আকার অনুসারে একে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

  • ক্ষুদ্র শিল্প (যেমন- তাঁত শিল্প, বেকারি শিল্প, ডেইরি ফার্ম প্রভৃতি)।
  • মাঝারি শিল্প (যেমন- চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি)।
  • বৃহৎ শিল্প (যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, বস্ত্র শিল্প, মোটরগাড়ি, জাহাজ ও বিমান শিল্প প্রভৃতি)।
উত্তরঃ

নিচে মাঝারি শিল্প ও বৃহৎ শিল্পের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো-

মাঝারি শিল্পবৃহৎ শিল্প
১. যে শিল্প শতাধিক শ্রমিকের সমন্বয়ে গঠিত হয়, ডাকে মাঝারি শিল্প, বলে।১. যে শিল্পে ব্যাপক অবকাঠামো, প্রচুর শ্রমিক ও বিশাল মূলধনের প্রয়োজন হয়, তাকে বৃহৎ শিল্প বলে।
২. চামড়া শিল্প ও তৈরি পোশাক শিল্প মাঝারি শিল্পের আওতাভুক্ত।২. লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, বস্তু শিল্প, মোটরগাড়ি, জাহাজ ও বিমান শিল্প বৃহৎ শিল্পের আওতাভুক্ত।
উত্তরঃ

বৃহৎ শিল্পে ব্যাপক অবকাঠামো, প্রচুর শ্রমিক ও বিশাল মূলধনের প্রয়োজন হয়। শহরে অবকাঠামো গড়ে তোলার মতো যথেষ্ট জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ শহরে প্রচুর শ্রমিক ও বিশাল মূলধন বৃহৎ শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ থাকে। তাই বৃহৎ শিল্প শহরের কাছাকাছি গড়ে ওঠে।

উত্তরঃ

পৃথিবীর কোনো দেশই সকল সম্পদে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রটোকল মেনে তাদের জনগণের চাহিদা অনুসারে পণ্য আমদানি এবং উদ্ধৃত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি করে থাকে। আর এটাকেই আমরা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বলে থাকি। যেমন- জাপান লৌহ ও ইস্পাতের তৈরি ভারী যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্সসামগ্রী, মোটরগাড়ি, জাহাজ ও বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য রপ্তানি করে এবং এ দেশ বিভিন্ন দেশ থেকে লোহা ও কয়লা আমদানি করে। এটিই মূলত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

উত্তরঃ

একটি দেশের সাথে অন্য দেশের আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ যখন সমান হয় তখন তাকে বাণিজ্যিক ভারসাম্য বলে। অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর দেশের সঙ্গে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অসম বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। তবে উন্নয়ন সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে অসম বাণিজ্যিক সম্পর্কের ব্যবধান কমানোর জন্য বাণিজ্যিক ভারসামা ঘটে থাকে

উত্তরঃ

বাংলাদেশের ৩ বছরের বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা

বছরআমদানি (মিলিয়ন ইউএস ডলার)রপ্তানি (মিলিয়ন ইউএস ডলার)রপ্তানি অপেক্ষা আমদানি ব্যয় বেশি (মিলিয়ন ইউএস ডলার)
২০১৮৫৪৪৬৩.২৩৬৬৬৮.২১৭.৭৯৫.০
২০১৯৫৫৪৩৮.৫৪০৫৩৫.০১৪৯০৩.৫
২০২০৫০৬৯১.০৩৩৬৭৪.১১৭০১৬.৯

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক, বার্ষিক রিপোর্ট ২০১৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত।

76

মানুষের প্রাত্যহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সম্পদ প্রয়োজন এবং এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সম্পদের ব্যবহারের ভিঞ্চিকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ ভৌগোলিকভাবে কোন কোন ধরনের অর্থনৈতিক কার্যাবলির সঙ্গে জড়িত তা জানা যাবে। আর এ থেকে জানা যাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ কী ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকার্ডের সঙ্গে জড়িত ाচ্ছে। ान ওঠা কোন কোন নিয়ামকের উপর নির্ভর করে এবং বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্যহীনতা কেন হয়, তা আমরা জানতে পারব।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews